16/05/2025
২০০২-২০২৬ কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী, মহিপুর,কুয়াকাটা
(১১৪ পটুয়াখালী-০৪) তথা দক্ষিন জনপদের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সুখ -দুঃখের একমাত্র সারথি
জননেতা এবিএম মোশাররফ হোসেন,
প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি।
সাবেক সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক (২বার),জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ।
সাবেক ১নং যুগ্ম আহবায়ক (সাধারণ সম্পাদক), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ।
সাবেক ৩ বারের সিনেট সদস্য,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সাবেক সভাপতি, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি।
১১৪ পটুয়াখালী-০৪ আসনের ধানের শীষের মনোনীত সাংসদ প্রার্থী।
ছাত্ররাজনীতিতে পদার্পনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এবিএম মোশাররফ ভাইয়ের প্রতি মুগ্ধতা বিরাজমান।আমার এই ক্ষুদ্র জীবনের প্রায় অর্ধেকেরও বেশি সময় ধরে একজন কর্মী হিসেবে চলেছি তার সাথে,তার স্নেহ তার ভালবাসায় সব প্রতিকূলতায়। আমার দেখা অসাধারণ মানুষগুলোর মধ্যে তিনি অন্যতম।তার স্নেহ, ভালবাসা,কর্মীবান্ধবমুলক আচরনে কলাপাড়া জাতীয়তাবাদী রাজনীতি আজ এক অনন্য শিখরে আহরণ করে আছে। আশা রাখি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সুদীর্ঘ কণ্টকাকীর্ণ রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে জননেতা এবিএম মোশাররফ ভাইয়ের যে অসামান্য অবদান ছিলো তার বহিঃপ্রকাশ হবে আগামী দিনে একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনে তার নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে।
যারা দলের দুঃসময়ে অকুতোভয় যোদ্ধা হয়ে রাজপথে সাহসী ভুমিকা রেখে এবিএম মোশাররফ ভাইয়ের হাতকে তিলে তিলে শক্তিশালী করে এসেছেন একমাত্র তারাই জানে কলাপাড়ার রাজনীতিতে একজন এবিএম মোশাররফ হোসেন কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
জননেতা এবিএম মোশাররফ ভাইয়ের একান্ত বিশ্বস্ত সহযোগী সহচর হিসেবে যারা দীর্ঘ পথ চলায় নিজেদের প্রমান করেছেন,তার দুর্দীনের সতীর্থ সহযোদ্ধারা প্রায়শই একটি কথা অকপটে শিকার করে থাকেন আর তা হলো এবিএম মোশাররফ হোসেন এর নেতৃত্বে কলাপাড়া বিএনপি মায়ের কোলে শিশু যেমন থাকে ঠিক তেমনই। সব প্রতিকূলতায় আমাদের একজন বটবৃক্ষ। আর তাই আমি তাকে এভাবেই বিশেষায়িত করতে পছন্দ করি - দক্ষিন জনপদের আশার আলো, আধারে ঢাকা রাজনীতির আলোকবর্তিকা -হিসেবে।
এবিএম মোশাররফ ভাইয়ের রাজনৈতিক জীবনী কলাপাড়া বিএনপির সক্রিয় প্রায় প্রত্যেক নেতাকর্মীরই কম বেশি জানা আছে। তবুও আমার জীবনের ক্ষুদ্র রাজনৈতিক পথচলায় তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা,কলাপাড়া বিএনপিকে নিয়ে তার গভীর পরিকল্পনা সম্পর্কে যতটুকু অনুভব করি বা করতে পেরেছি তা নিয়েই নিজের মতো করে লেখা।
আমি মনে করি আমরা যারা এবিএম মোশাররফ ভাইয়ের রাজনীতি করি আমার মতো হাজার হাজার নেতা-কর্মী যারা তাকে রাজনৈতিক এবং কখনো কখনো সামাজিক ও ব্যক্তিগত পর্যায়েও অভিভাবকত্বের জায়গায় আসীন করে রেখেছি আজকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই সময়টাতে যে কোনো রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে জড়ানোর আগে তার কথা মনে করে নেওয়া উচিৎ। কেননা আমার জানামতে আজ দীর্ঘ ২১-২২ বছর যাবৎ কলাপাড়া বিএনপিকে যিনি সন্তানের মতো আগলে রেখেছেন এই জনপদে আমরা যারা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাস করি তাকে তার যোগ্য স্থানে আসীন করতে পারিনি আর এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যের।যদিও আমরা জানি খুনি হাসিনার স্বৈরতান্ত্রিক রাজনীতির স্বীকার না হলে কলাপাড়ার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ গর্ব করে বলার মতো একজন প্রজ্ঞাবান সাংসদ পেতো, পেয়ে যেতো গরীব, দুঃখী, মেহনতী মানুষের ভাগ্যন্নোয়নের রুপকারকে।
আফসোস বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে গনতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে স্বৈরাচার হাসিনা সরকার মানুষের ভোটের অধিকার যেমন ক্ষুন্ন করেছে, এই জনপদের মানুষকে বঞ্চিত করেছে যোগ্য এক নেতার যোগ্য নেতৃত্বগুনাবলীর সব রকম অর্জন থেকে।
২০০১ থেকে ২০০৬ বিএনপির শাসনামলে এবিএম মোশাররফ হোসেন পাওয়ার পলিটিক্সের অনন্য উচ্চতায় থেকেও সহজ, সরল, দুর্নীতিমুক্ত জিবন যাপন করে গেছেন, আর তার ক্ষমতার সবটুকু নির্জাস দিয়ে কলাপাড়াবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নানান উন্নয়নমুলক কাজ করে গেছেন সব প্রতিকূলতার মধ্যেও।
মোশাররফ ভাইয়ের কলাপাড়া বিএনপিতে পদার্পনের ঠিক শুরুতে মুষ্টিমেয় যেকজন মানুষ তাকে যথাযথ সম্মানের সাথে গ্রহণ করেছিলেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা। আর তৎকালীন সময়ে যারা তাকে সাদরে গ্রহণ করতে পারেনি কালের পরিবর্তনে,সঠিক নেতৃত্বের প্রস্ফুটনে তারাও আজ এবিএম মোশাররফ হোসেন'র জয়গানে পঞ্চমুখ।এটাই নেতৃত্ব, এটাই একজন নেতার অর্জন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অনুকরণ, অনুসরণ করার মতো মানবিক রাজনৈতিক প্রজ্জ্বলিত একটি নাম এবিএম মোশাররফ হোসেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার, আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের বিশ্বস্ত সহযোগী,সহচর হয়ে দলের কঠিন দুঃসময়েও এবিএম মোশাররফ হোসেন বিএনপিকে রিপ্রেজেন্ট করে বেড়িয়েছেন সারা বাংলাদেশে।বিএনপির ১৭ বছরের সংগ্রাম এবং সবশেষে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পতিত আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থেকে অসংখ্য মামলা,হামলা,দীর্ঘ কারাভোগ করে একমাত্র তিনিই ১১৪ পটুয়াখালী ০৪ আসনের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির গর্ব হয়ে উঠেছেন।
দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের বিশ্বস্ত সেনাপতি হয়ে র্বতমানে এনপির ৩১ দফা সারা বাংলাদেশে পৌছে দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।এ অবস্থায় জাতীয় নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে কলাপাড়া বিএনপির এখন থেকেই সোচ্চার হওয়া উচিৎ বলে মনে করি।কেননা আমাদের ১৭ বছরের নির্মম নির্যাতন,অত্যাচার,ঘামে ভেজা রাজপথের ত্যাগ,শ্রমকে অল্প সংখ্যক কিছু নেতা-কর্মীর কিছু ভুল কার্যাকলাপ,কিছু কিছু জায়গায় অব্যবস্থাপনা,অপরিকল্পিত কিছু রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারনে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
আশা করবো আগামী দিনে কলাপাড়া বিএনপি সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সঠিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করে ধানের শীষের স্লোগান এবং এবিএম মোশাররফ হোসেন'র বার্তা প্রত্যেক বাসায় বাসায় পৌছে দেওয়ার মাধ্যমে অযাচিত সব আলোচনা-সমালোচনার পথ বন্ধ করে দিবেন।আর দলের ব্যানারে নেতা হয়ে,জনপ্রতিনিধি হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগ পেয়েও যারা দলীয় নীতি আর আদর্শ থেকে বিচ্যুত নিশ্চয়ই তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে সময়ের ব্যবধানে।
স্পষ্ট বার্তা এবিএম মোশাররফ হোসেন এর প্রশ্নে আমরা আপোষহীন আমরা এক ও অভিন্ন।
দিগন্তের কাছে প্রশ্ন রেখে কত রাত আঁধারে পথ হেটেছি,তবু্ও দৃষ্টি রাখি আগামীর সূর্যদয়ে। 🌾❤️✊