12/03/2026
পটুয়াখালী সংরক্ষিত মহিলা এম পি মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আমার ইচ্ছে প্রকাশ করলাম।
আসসালামু আলাইকুম,
আমি বর্তমানে পটুয়াখালী মহিলা দলের সহ সভানেত্রী, জাসাসের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক।
পটুয়াখালী জিয়া পরিষদের ১ নম্বর সহ সভানেত্রী।
পটুয়াখালী নতুন বাজার সদর রোড এলাকায় আমার বাবার বাড়ি, বাবা মৃত, আশরাফ উদ্দীন আহমেদ একজন ব্যবসায়ী পটুয়াখালীতে প্রথম প্রেস প্রতিস্ঠাতা (আজিজিয়া প্রেস)ও মা মৃত খবিরুন্নেচ্ছা, আমার মা পটুয়াখালীর জাগোদল পরে বি,এন,পির প্রতিস্ঠাতা সহ সভানেত্রী ছিলেন এবং তৎকালীন সভানেত্রী বেশিরভাগ সময় ঢাকায় থাকায় আমার মা কেই দল পরিচালনার অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হতো। তাই পারিবারিকভাবেই আমরা সবাই বি এন পি এর রাজনীতিতে জড়িত।
খুলনা বিভাগীয় সম্মেলনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পটুয়াখালী এসেছিলেন, তখন খুব কাছে থেকে এ মহান নেতার সান্নিধ্য পেয়েছিলাম এবং মঞ্চে সেদিন আমি গান করেছিলাম প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ এই গানটা।
এরপর ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি এবং সেই সময় আমি আমার ছোট ভাই ছাত্র দলের আহসান মুনিরসহ পুরো পরিবার এরশাদ সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার হই। এরপর ১৯৯৪ সালে চাকরী শুরু করি কলাগাছিয়া এস এম সেকান্দার আলী চৌধুরী ডিগ্রি কলেজে। কিন্তু ১৯৯৯ সালে আমি সিনিয়র হিসেবে বিভাগীয় প্রধান পদ পাওয়ার যোগ্যতম হবার পরেও রাজনৈতিক কারনে আমাকে তৎকালীন অধ্যক্ষ সে পদ আমাকে দেয়নি বরং এর প্রতিবাদে কথা বলতে গেলে তৎকালীন অধ্যক্ষ আওয়ামী, এম পি মন্ত্রির মাধ্যমে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। আমি তবুও কারো সাথে আপোষ করিনি ভুলে যাইনি আমার দলীয় মতাদর্শ।
দলের জন্য সকল আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছি।
তবে এর পরের কাহিনী আরো হৃদয় বিদারক, সালটি ২০১৯,শারীরিক ভাবে আমি অসুস্থ হলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডাক্তার দেখিয়েও ভাল সুবিধা পাচ্ছিলাম না তাই ডাক্তারের পরামর্শেই ভারতে উন্নত চিকিৎসা নিতে যাই,এরপর দেশে ফিরে আসার পরপরই হানা দেয় মহামারী করনা ভাইরাস, আর এই ভাইরাসের চিকিৎসা ও টিকা ব্যবস্থাপনার বেহাল দশা ও দুর্নীতি এবং শেখ মুজিবের শতবর্ষে আতশ বাদী নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ করায় আমাকে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের পুলিশ এমনভাবে আমার বাসাটিতে ঢোকে যেন আমি কোন শীর্ষ সন্ত্রাসী, আমার পুরো পরিবার তখন আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পরে, এরপর গ্রেফতার তারপর মামলা আর জেল, একজন চিকিৎসাধীন মানুষের অবর্ননীয় কারাবরনের দিনগুলো মনে উঠলে আজও শিউরে উঠি, আমার পুরো পরিবার অসহায় হয়ে যায়, জামিনে মুক্ত হবার পরও মামলা চলে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর।যদি ৫ই আগস্ট না আসতো আর শেখ হাসিনার পতন না হতো তাহলে হয়তো আমাকে আবারও কারাবরন করতে হতো
এরি মধ্যে কলেজে অধ্যক্ষ পদ শূন্য হলে উপাধ্যক্ষ কলেজ পরিচালনা করে, এক বছর পর সে অপারগতা প্রকাশ করলে গভনিং বডি সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে আমাকে অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্ব প্রদান করে এবং তা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গ্রহন করে,এতে ফ্যাসিস্ট শেখ রাসেল পরিষদের উপদেষ্টা কলেজ প্রতিস্ঠাতার ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমার বেতন বন্ধ করে দেয় ডিজি থেকে,তখনকার ডিজির নিকট গিয়েও সুরাহা পাইনি এরপর আমি হাইকোর্টের আশ্রয় নেই, হাইকোর্ট আমার বেতনাদী দিতে ডিজিকে নির্দেশ প্রদান করেন কিন্তু ডিজি হাইকোর্টের রায় অমান্য করেন বর্তমানে হাইকোর্ট ডিজি কে তলব করেছে, এই হলো আমার করুন কাহিনী,,একমাত্র আমার দোষ আমি বি এন,পি করি
এত জুলুম অত্যাচারের পরেও হাসিনা বিরোধী সকল আন্দোলনে রাজপথে ছিলাম, ২৪ এর গন অভুল্থানেও ছিলাম সক্রিয়। এখন একটি সুষ্ঠু গনতান্ত্রিক ধারায় বাংলাদেশ ঘুরে দাড়িয়েছে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে এককভাবে সরকার গঠন করেছে। দলের স্থানীয় সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, এলাকার সকল নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বিশেষ অনুরোধ রইলো। আমি যেন সংরক্ষিত মহিলা আসনটি পেয়ে দেশের সেবা করতে পারি সেজন্য আপনারা মহান আল্লাহর দরবারে আমার জন্য দোয়া করবেন।
নিবেদক:
ফেরদৌসী বেগম মিলি
অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) কলাগাছিয়া এস এম সেকান্দার আলী চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ, কলাগাছিয়া, গলাচিপা, পটুয়াখালী।
*ৃসহ সভানেত্রী, পটুয়াখালী মহিলা দল,পটুয়াখালী।
*পটুয়াখালী জাসাসের আহ্বায়ক কমিটির, যুগ্ম আহ্বায়ক
*পটুয়াখালী জিয়া পরিষদের ১নং সহ সভানেত্রী।
*সদস্য,রোটারী ক্লাব
সদস্য, পটুয়াখালী *লেডিস ক্লাব
সদস্য,
* মহিলা সমিতি, পটুয়াখালী
*আজীবন সদস্য, পরিবার পরিকল্পনা, পটুয়াখালী
সদস্য,
*বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন,যুগ্ম আহ্বায়ক