15/09/2026
রাজনীতি করতে হলে ইতিহাস জানতে হয় ইতিহাস চর্চা করতে হয় বাংলাদেশের ইতিহাস লিখতে গেলে শে রে বাংলা একে ফজলুল হক. মাওলানা ভাসানী.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জিয়াউর রহমান এর নাম যেমনি বাদ দেওয়া যায় না তেমনি জিন্নাহর নামও বাদ দেওয়া যায় না বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের ৪০কোটি মুসলিমকে উ*গ্রবাদী হিন্দুদের হাত থেকে রক্ষার কারিগর মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। যার জন্য আমরা মুসলিম বাংলাদেশে মাথা উচু করে বেঁচে আছি এবং শান্তিতে ধর্ম পালন করছি।
অথচ সেই মহানায়ক জিন্নাহকে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছে ভারত! তার নামে ভারত ছড়িয়েছে নানা রকম প্রোপাগান্ডা। কারণ জিন্নাহ সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষ বেশি জেনে গেলে ভারতের চেতনা বাংলাদেশে আর কাজ করবেনা।
জিন্নাহ ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ করে ১৯৪৮ সালেই মারা যান। ১৯৭১ সালে জিন্নাহর কোন হাত ছিল না। ১৯৫২ সালেও জিন্নাহ ছিল না। তাহলে জিন্নাহকে নিয়ে কেন এতো চুলকানি? ৭১ এর যুদ্ধে কিংবা ৫২ তে তো জিন্নাহর কোন হাত ছিল না?
১৯৪৭ সালে জিন্নাহ দেশ ভাগ করে পাকিস্তান বানিয়েছে। আর সেই পাকিস্তানের অংশই আজকের বাংলাদেশ।
জিন্নাহ যদি ৪৭ এ পাকিস্তান না তৈরি করতো তাহলে বাংলাদেশ নামক কোন দেশই পৃথিবীতে থাকতোনা। তখন আমরা হয়তো ভারতের অংশ হয়ে থাকতাম। বর্তমান ভারতের মুসলিমদের মতোই আমরা নির্যাতিত হতাম। মুসলিম হবার অপরাধে আমাদের মে*রে ফেলা হতো। নামাজরত অবস্থায় হ*ত্যা করা হতো। মুসলিম হবার অপরাধে আমাদের মা-বোনরা ধর্ষি*ত হতো। যা হচ্ছে বর্তমান ভারতে। ঠিক আমাদেরও একই অবস্থা হতো।🇧🇩
যেহেতু জিন্নাহর কারণে আমরা আলাদা দেশ পেয়েছি। কট্টর হিন্দুদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি। কোনরকম বাধা ছাড়াই গরুর গোস্ত খেতে পারছি। ধর্ম পালন করতে পারছি। সে হিসেবে অবশ্যই জিন্নাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের ঈমানের দায়িত্ব।
যে মানুষটার জন্য আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। আজ তার মৃতুবার্ষিকী। ভারতীয় উপমহাদেশের কোটি কোটি মুসলমানকে হিন্দুদের হাত থেকে রক্ষা করে শান্তিতে ইসলাম ধর্ম পালন করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য হলেও আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দিক আমিন।
মেহেদী হাসান হাওলাদার
সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষ।🇧🇩