27/10/2018
সচেতনতা মূলক Post
তেরখাদা টু খুলনা
দু্রুত্ব ২৩ কিঃমিঃ ভাড়া ৪০/- এতো অল্প দুরুত্বে এতো বেশি ভাড়া বাংলাদেশের আর কোনো বাস রুটে নাই। যাইহোক সেটা বড় কথা না। বড় কথা হলো... বাসের ভিতরে কিছু ছিট আছে যাতে মানুষ বসার চেয়ে দাড়াই থাকতে বেশি সাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
-
এর থেকে বাসে ছিট না দিলেই ভালো হয়। ভিতরে এমনভাবে যাত্রী উঠানো হয় যেন মেয়ে আর ছেলে আলাদা করা যায় না। যাদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী। তাছাড়া বাসের মধ্যে মাছের ঝাকা, হাস-মুরগী, ছাগল এগুলো উঠানো একটা রীতিমত ব্যাপার। যেন বাসের মধ্যে একটা মাছের বাজার অথবা গৃহপালিত প্রাণীর একটা আবাস স্থল।
-
বাসের মধ্যে উঠলে মনে হয় একটা ডাস্টবিনের মধ্যে আসলাম। আর বাস হেলপার ও কনট্রাক্টর এর ব্যবহার এমন যেন তারাই দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাছাড়া বাস ড্রাইভারের কথা আর কি বলব। তিনি যেন একজন বাস racer. হাতে সময় থাকলে slow race খেলেন আর হাতে সময় না থাকলে fast race খেলেন। যেন বাসের মানুষ সবাই তার কাছে জিম্মি। সবই মিলিয়ে বিস্রি, অমানবিক ও অসামাজিক একটা অবস্থা। টাকার জন্য মানুষের ব্যবহার এতটা পশুসুলভ হয় কী করে?
-
Moral of the story: এই রুটের বাস মালিকগুলো ও হেলপার, কনটাক্টর এবং বাস ড্রাইভার বোকা মানুষগুলোর মাথায় কাঠাল ভেংগে খাচ্ছে আর এই মানুষগুলো নিরবে সহ্য করে যাচ্ছে। এই বাস রুটে এলাকার সচেতন ব্যক্তি, সমাজসেবী ও প্রশাসন এর দৃষ্টি আকুর্ষণ করছি। এই মানুষগুলোর কষ্ট লাঘব করার জন্য। আপনারা যদি মুখবন্ধ করে থাকেন তবে আপনাদের পৃথিবীতে থাকা আর না থাকা সমান কথা। সূত্র : Md Hasmun Ali