MD:Amran chowdory

MD:Amran chowdory যদি তুমি জানতে চাও আমায়
আমি কিসের প্রেমিক

নিমিষেই জানিয়ে দিবো তোমায়
সাহিত্যের এক আত্মিক
(3)

28/12/2025



03/10/2025

ডাক্তার জাহেদের ব্যাপারে তার স্ত্রীর সামহোয়াট ক্রিপ্টিক স্ট্যাটাস দেখেই তার পরকীয়া অনুমান করে ফেলা যাবে, তাকে গালাগালি করা যাবে, তার ভিডিওর জন্য কমেন্টে কমেন্টে আগ্রহ প্রকাশ করা যাবে। কিন্তু আবু ত্বহা আদনানের ব্যাপারে তার স্ত্রীর পরিষ্কার স্ট্যাটাস থাকলেও সেটা নিয়ে কথা বলা যাবে না। তখন মানুষের গোপনীয়তা সংক্রান্ত সব আয়াত আর শুনেই প্রচার করা সংক্রান্ত সব হাদিস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এ এক অদ্ভুত ইসলাম।

অথচ জাহেদ স্বঘোষিত সেক্যুলার। তার কাছে আমাদের এক্সপেক্টেশনের বার হওয়ার কথা ছিল খুবই লো। বিপরীত আবু ত্বহা আদনান সারাদিন ইসলামের কথা প্রচার করে। ব্যক্তিগত জীবনেও কোনটা উচিত-অনুচিত, এসব বিষয়ে বক্তব্য প্রচার করে। তার কাছে আমাদের এক্সপেক্টেশনের বার হওয়ার কথা ছিল খুবই হাই।

জাহেদের ব্যাপারে আমিও স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। তাকে, তার স্ত্রীকে এবং সেই প্রভাবশালী নেত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানিয়েছিলাম। সেটা ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ যাচাই করার জন্য। যদি শুধু পরকীয়া নিয়ে আলোচনা হয়, তাহলে জাহেদেরটা নিয়ে আলোচনা বৈধ হলে আবু ত্বহারটা নিয়ে আলোচনা আরও বেশি বৈধ হওয়া উচিত।

ফি-আমানিল্লাহ। #ঐক্যবদ্ধশিক্ষার্থীজোট #ডাকসু২০২৫
26/08/2025

ফি-আমানিল্লাহ।

#ঐক্যবদ্ধশিক্ষার্থীজোট
#ডাকসু২০২৫

১৪ আগস্ট ১৯৪৭দুই শতকের শেকল ভেঙে, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ ও অত্যাচারী জমিদারদের কবল থেকে মুক্ত হয় এই ভূমি। দুই শতকের জুলুম, দু...
15/08/2025

১৪ আগস্ট ১৯৪৭
দুই শতকের শেকল ভেঙে, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ ও অত্যাচারী জমিদারদের কবল থেকে মুক্ত হয় এই ভূমি। দুই শতকের জুলুম, দুঃশাসন আর শোষণের অন্ধকারে ডুবে থাকা মানুষ আজ নতুন সূর্যোদয় দেখে।মুসলমানদের জন্য নতুন রাষ্ট্রের স্বপ্নে জন্ম নেয় পাকিস্তান,যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে রক্ত, ঘাম আর প্রাণের সর্বাধিক অংশীদার ছিলো বাংলার জনতা। কিন্তু আমাদের ইতিহাস কেবল সাতচল্লিশে শুরু হয়নি এটি শত শত বছরের আজাদির কাব্য,
যেখানে প্রতিটি অধ্যায় রচিত হয়েছে রক্তে, ইমানের শপথে, আর জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে।
ইখতিয়ারের বঙ্গবিজয়ে শুরু,যেখানে তলোয়ার হাতে লিপিবদ্ধ হলো ইসলামের আলোয় ভাসা নতুন বাংলার পৃষ্ঠা। শাহ-ই-বাংলা, অলিয়া-আউলিয়ার দাওয়াতি দাওয়াত,
মানুষের অন্তরে জেগে ওঠা তাওহিদের শপথ,
ন্যায়ের বারতা পৌঁছে দিলো গাঁ-গাঁর, নগর-নগরে।
উনিশ শতকে হাজী শরিয়তুল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের পতাকা উঁচিয়ে বললেন,"তাওহিদের পথে ফিরে যাও, জমিদারের জুলুম মানা যাবে না।"
তারই উত্তরসূরী তিতুমীর বাঁশের কেল্লা গড়ে তুললেন,ব্রিটিশ আর নীলকর জমিদারের বিরুদ্ধে এক অদম্য যুদ্ধের দুর্গ। ১৮৫৭-র সিপাহী বিপ্লবে বাংলার মাটিও গর্জে উঠেছিল, যেখানে মুসলিম সিপাহীরা "আল্লাহু আকবর" ধ্বনি তুলে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। তারপর এল পাকিস্তান আন্দোলন যেখানে আল্লামা শামসুল হক ফারিদপুরী, আতাহার আলী, আবুল হাসানাত,
এবং হাজারো ইসলামপ্রাণ নেতা-জনতা লড়লেন মুসলমানের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্রের দাবিতে। রক্ত ঝরল, কারাগারে গললো দিনরাত, কিন্তু পতাকা উড়ল সবুজ-সাদা। সাতচল্লিশের পরও সংগ্রাম থামেনি,পঞ্চাশের ভাষা আন্দোলন, যেখানে রফিক-বরকত-সালাম-শফিউরের বুকের রক্ত মিশে গেছে বাংলা মাটিতে। একাত্তরে নয় মাসের সশস্ত্র যুদ্ধ হাজারো আলেম, মুজাহিদ, সাধারণ মানুষ শহীদ হলেন স্বাধীনতার জন্য। এরপর চব্বিশ, বিরানব্বই, দুই হাজার ছয়, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান প্রতিবারই বাংলার রাস্তায় নেমেছে মানুষ, প্রতিবারই স্লোগান উঠেছে "জুলুম মানি না, অন্যায় সহি না, আধিপত্যবাদ স্বীকার করি না!"
আমাদের ইতিহাসের মর্ম একটাই পলিটিক্যাল হোক বা কালচারাল যে কোনো হেজিমনি, অন্যায়, শোষণ ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আমাদের সত্তা। এই মাটির মানুষ আজাদিকে শুধু ভালোবাসে না। আজাদি তাদের ঈমানের অংশ, শাহাদাত তাদের তামান্না।যতদিন পৃথিবীতে জুলুম থাকবে,
ততদিন বাংলার আকাশে প্রতিধ্বনি হবে
"আমরা প্রতিরোধ করবো, আমরা আজাদ হবো, ইনশাআল্লাহ!"

তুমি তো রবের সাথে গড়েছিলে ভালোবাসার বন্ধন,‎মোনাজাতে ফুঁপিয়ে কেঁদে বলেছিলে‎"হে আল্লাহ, তোমাকে ছাড়া কিছুই চাই না আমি!"‎তুম...
13/08/2025

তুমি তো রবের সাথে গড়েছিলে ভালোবাসার বন্ধন,
‎মোনাজাতে ফুঁপিয়ে কেঁদে বলেছিলে
‎"হে আল্লাহ, তোমাকে ছাড়া কিছুই চাই না আমি!"
‎তুমি তাওবা করেছিলে,
‎সব দুনিয়ার মোহ ছেড়ে দিয়েছিলে তাঁর জন্য,
‎জেনেছিলে, তোমার আসল ঠিকানা কোথায়।

‎তুমি চেয়েছিলে মুমিন হতে,
‎চেয়েছিলে ইসলামকে আঁকড়ে বাঁচতে,
‎ভুলে গেছো সে প্রতিজ্ঞার কথা?
‎কেন আবার পাপের আঁধারে ডুবলে তুমি?
‎যে সেজদায় গুনাহের বোঝায় কেঁদেছিলে,
‎আজ সে চোখ কেন শুকিয়ে গেছে?

‎দুনিয়ার রঙিন ধোঁকায় হারালে নিজেকে,
‎নফসের কাছে কি হেরে গেলে তুমি?
‎আল্লাহর প্রিয় হতে পারলে না কেন?
‎বারবার শয়তানের ফাঁদে পা দিচ্ছো কেন?

‎তবুও…
‎সব শেষ হয়নি এখনো
‎তোমার রব এখনো অপেক্ষায়,
‎তোমাকে ডেকে নিতে, ক্ষমা করতে,
‎তোমার অশ্রু ফিরিয়ে আনতে।
‎তিনি মহান, অশেষ করুণাময়
‎ফিরে এসো,
‎তোমার রবের কাছে।

~ মোঃ এমরান চৌধুরী

ছাত্র শক্তি, নেতৃত্ব ও বিভ্রান্তি: কিছু প্রশ্ন, কিছু সত্য১. "আমরা" মানে কারা?সাদিক কায়েম বলেছেন, “ছাত্র শক্তি গঠনের প্রক...
31/07/2025

ছাত্র শক্তি, নেতৃত্ব ও বিভ্রান্তি: কিছু প্রশ্ন, কিছু সত্য

১. "আমরা" মানে কারা?
সাদিক কায়েম বলেছেন, “ছাত্র শক্তি গঠনের প্রক্রিয়ায় আমরা যুক্ত ছিলাম।”
এখানে ‘আমরা’ বলতে তিনি কাদের বোঝাতে চেয়েছেন?
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। সময় হলে তিনি নিশ্চয়ই প্রকাশ করবেন – এমন আশাই করি। তবে আপাতত এটি একটি ধোঁয়াটে অবস্থান সৃষ্টি করছে।

২. সমন্বয়কের পরিচয় – সত্য না মিথ্যা?
সাদিক কায়েমের কোনো বক্তব্যে তিনি নিজেকে 'সমন্বয়ক' হিসেবে দাবি করেননি।
তাহলে নাহিদের এই দাবি—তিনি সাদিককে সমন্বয়ক বানিয়েছিলেন—একটি সচেতন মিথ্যাচার কি নয়?
যদি সত্যিই মিথ্যা হয়, তবে প্রশ্ন আসে—এই অপপ্রচারের উদ্দেশ্য কী?

৩. গণঅভ্যুত্থানের নিয়ন্ত্রণে শিবির?
সাদিক কায়েম বিভিন্ন বক্তব্যে বলেছেন, “একাধিক পক্ষের আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হতো।”
কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখেছি—৯ দফা, মার্চ ফর জাস্টিস, গণমিছিল—সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলো এসেছে মূলত শিবিরপন্থী কেন্দ্র থেকে।
তবে কি ‘আলোচনার’ আড়ালে একক নিয়ন্ত্রণই ছিল প্রকৃত চালিকা শক্তি?
এটা কি গণআন্দোলনের নামে একদল বিশেষের অপহরণ ছিল?

৪. সায়েরের ভূমিকা – ব্যবহার, নাকি প্রকাশ?
অনেকে বলেন, সাদিক কায়েমকে সায়ের ব্যবহার করেছে।
কিন্তু সায়ের যেসব তথ্য প্রকাশ করেছে, সেগুলোর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন নেই।
বরং, সেগুলো ক্রেডিটবাজ মাহফুজ ও কাদেরের প্রচার-প্রপাগান্ডার মুখোশ খুলে দিয়েছে।
সত্য প্রকাশ কি ব্যবহার, নাকি দায়িত্বশীলতা? এই প্রশ্নটা কি ভাবার সময় আসেনি?

৫. নাহিদের ইনসাল্ট – নেতৃত্বের প্রতি অবজ্ঞা?
নাহিদ দাবি করেছেন, “আমরা প্রেস কনফারেন্সে বসতে দিয়েছি।”
এই ভাষা একজন সিনিয়র নেতার প্রতি মারাত্মক অবমাননাকর। তিনি কি একজন সাধারণ কর্মী, যে ভিক্ষা করে মঞ্চে বসেছেন?
না, তিনি যদি সত্যিই একজন প্রভাবশালী পরিকল্পক হয়ে থাকেন, তবে নাহিদদের উচিত ছিল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, অবজ্ঞা নয়।

পাঠকের জন্য কিছু প্রশ্ন:
আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য কি ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত ক্রেডিটের লড়াইয়ে পরিণত হচ্ছে?
যাদের হাতে নেতৃত্ব ছিল, তারা কি প্রকৃত মুক্তির পথ দেখিয়েছেন, নাকি নিজেদের আখের গুছিয়েছেন?
আমরা যারা সাধারণ মানুষ—তাদের আবেগ ও আশাকে কি ব্যবহার করা হয়েছে কিছু মানুষের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড গঠনের জন্য?

30/07/2025

জামায়াতের সিনিয়র নেতাদের ফাঁসি হবার পর ডাঃ শফিকুর রহমান জামায়াতের সেক্রেটারি হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে সেক্রেটারি হোন। তারপর তিনি গ্রেফতারও ছিলেন বেশ কিছু দিন। সে সময় তাঁর সাথে জেলে আলাপ হওয়ার পর জামায়াতের একজন ক‌র্মী বা নেতা লিখেছিলেন যে জামায়াত কে নতুন করে ঢেলে সাজানোর ডাঃ শফিকুরের অসাধারণ পরিকল্পনার কথা। কোন এক ব্লগে লিখেছিলেন।

এটা ঠিক যে ডাঃ শফিকুর রহমান কিছু ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক সফল হয়েছেন। বিশেষভাবে, গোপনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ছক কষার ক্ষেত্রে শতভাগ সফল। এবং তাঁর সময়েই জামায়াতের ঢাকা কেন্দ্রিক রাজনীতি তে ভিত্তি স্থাপন হয়েছে। শিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আস্তানা গেড়েছে।

তৃতীয় যে বিষয় টি তে তিনি সফল তা হলো পাবলিক রিলেশন। জামায়াত অনেকটাই প্রচার বিমুখ ছিল এবং পাবলিক রিলেশন তেমন বুঝতো না। ডাঃ শফিকুর এ ক্ষেত্রে বড় ধরণের পরিব‌র্তন এনেছেন। গত এক বছরে বিএনপির চেয়ে জামায়াতের পাবলিক রিলেশন ভালো ছিল।

তাছাড়া, ডাঃ শফিক ঝুঁকি নেয়ার ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা দেখিয়েছেন। এই যে বিএনপি বিরোধী অবস্থান, ইসলামী দল গুলোর সাথে জোট করার চেষ্টা এগুলো আসলে বড় ধরণের ঝুঁকি নেয়া। রাজনীতি আসলে ঝুঁকি নেয়ার খেলা।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো ভদ্রলোক বেশ পরিশ্রমী ছিলেন। গত এক বছর এদিক ওদিক ছুটে বেড়িয়েছেন।

আল্লাহ ভালো জানেন তবে বাইপাস হবার পর কিছু দিন মানুষের গতি স্লো হয়ে যায়। তাঁর হা‌র্টে ব্লক ধরা পরা জামায়াতের গতি কে অনেকটাই কমিয়ে দেবে। পরিব‌র্তিত পরিস্থিতি জামায়াত কিভাবে মোকাবেলা করে দেখার বিষয়।

তাজ্জব হয়ে গেছি- ঘটনা নাকি ২ দিন আগের। তারমানে মিডিয়া তাদের কন্ট্রোলে চলে গেছে
11/07/2025

তাজ্জব হয়ে গেছি- ঘটনা নাকি ২ দিন আগের। তারমানে মিডিয়া তাদের কন্ট্রোলে চলে গেছে

“বাবা ডেকেছি, ভাই ডেকেছি, কেঁদে কেঁদে আত্মরক্ষা করতে চেয়েছি, থামেনি ধ*র্ষকেরা। পায়ে ধরে কান্নাকাটি করেছি। তারপরও ধর্ষকদে...
09/07/2025

“বাবা ডেকেছি, ভাই ডেকেছি, কেঁদে কেঁদে আত্মরক্ষা করতে চেয়েছি, থামেনি ধ*র্ষকেরা। পায়ে ধরে কান্নাকাটি করেছি। তারপরও ধর্ষকদের হাত থেকে রক্ষা পাইনি। বাড়িতে এসে দুইবার আত্ম'হত্যা করতে চেয়েছি পরিবারের দিকে তাকিয়ে করতে পারিনি” 😭
এই কান্না ভোলার এক অসহায় স্ত্রীর। স্বামীকে আটকে রেখে ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে শ্রমিকদলের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ফরিদ ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায় স্বামী। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে এসএস পাইপ আর রড দিয়ে পি*টিয়ে র*ক্তা*ক্ত ও জখম করে।
পরে প্রিয়তমা স্বামীকে ছাড়িয়ে আনতে এগিয়ে যান স্ত্রী। সেখানেই স্বামীকে আরেক জায়গায় আটকে রেখে পালাক্রমে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ করে ফরিদউদ্দিন ও আলাউদ্দিন নামের অমানুষগুলা।
বউ-জামাই দুজনকেই ভয় দেখিয়ে ঘটনা কাউকে না বলার শর্তে ছেড়ে দেয়।
এমন ঘটনাই কি একটা দল নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়?
হবে কি আরেকটা জুলাই?
তৈরি হোন আগামী নির্বাচনে এই চাঁদাবাজদের রুখে দিতে।

23/06/2025

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আমরা চোখের সামনে ইতিহাস রচনা হতে দেখছি... ইরান বাহরাইন,কুয়েত,কাতার, ইরাকের এমেরিকান বেইজে হামলা চালিয়েছে এবং হামলা চলমান।

তবে দু:খের বিষয় হলো কাতার ও আরব দেশরা তাদের সব দিয়ে এই আক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টায় ব্যস্ত। ইশ! এই ব্যস্ততা যদি ইরান বা ফি লি স্তি নে র জন্য হতো!

হে আল্লাহর বান্দারা, আপনারা এই দিনটিকে ভুলে যাবেন না। এক ইরান সরাসরি দাঁড়িয়েছে এমেরিকা ও ই স রা ই লের বিরুদ্ধে!

মুমিনরা দায়িত্ব পালনকারী জাতি, সফলতা আল্লাহর হাতে!

22/05/2025

জামায়াতের দিকে তাকান— জুলাইয়ের পরে তারা এই সরকারকে সর্বোতভাবেই সমর্থন করেছে। দলটার নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে না। জামায়াত চাইলেই আন্দোলনে যেতে পারতো। বড় আন্দোলন ঘটানোর সামর্থ্য জামায়াতের আছে— এতে কেউ দ্বিমত করবেনা।

জামায়াতের আরেক নেতা— এটিএম আজহার। এখনো জেলে বন্দী আছেন। তাকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছেনা। বার বার শুনানি পেছানো হচ্ছে। অথচ তার বিরুদ্ধে যারা সাক্ষ্য দিয়েছিল, তারা বলছে— এটিএম আজহার নির্দোষ। হাসিনা আমাদেরকে জোর করে, জীবনের ভয় দেখিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য নিয়েছে।

জামায়াত আন্দোলনে যায়না কেন— এজন্য জামায়াতের লোকেরাই জামায়াতকে গালিগালাজ করেছে। তবুও জামায়াত অস্থিরতা সৃষ্টি করে নাই।

জামায়াত ১৯৯০ সালেও এমন ব্যালেন্স রেখেছে। বিনা শরিকানায় তারা বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে। জামায়াত ১৯৯৬-তে বিএনপিকে সমর্থন দেয় নাই। আমার মতে, এর কারণ দুইটা— সেকালের শাহবাগীদের ফাঁদে পড়ে গোলাম আজমের নাগরিকত্ব নিয়ে তালবাহানা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার না মানা।

এখনো, এই ক্রান্তিকালে আমরা দেখতে পাচ্ছি— জামায়াতের রোল সবচে বেটার। তারা অভুত্থানের সরকারকে বিপদে ফেলে নাই। বরঞ্চ, শাহবাগী শর্ত মেনে জামায়াতকে রাজনীতি করতে হবে, ইসলামী রাষ্ট্রকল্প ছাড়তে হবে— ইত্যাদি বলে জামায়াতকে মাইনাসের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলমান ছিল।

এরপরেও জামায়াত স্থিতিশীল। ব্যালেন্সড পলিটিক্স, আদালতের প্রতি আস্থা, সরকারের প্রতি আস্থা— সবই তারা দেখিয়েছে। এরপরেও জামায়াতকে টার্গেট করা হয়েছে, কারণ— এটা পুরোপুরি ভারতীয় প্রকল্প।

দেশবাসীর উচিত— জামায়াতকে নিয়ে ভাবা। হোয়াট ইজ জামায়াত ফর বাংলাদেশ, এইটা নিয়া রিথিংক করতে হবে। জামায়াত মাইনাসের যে কোনো প্রকল্প ধূলিস্যাৎ করতে না পারলে রাজনীতির মাঠে ব্যালেন্স থাকবেনা।

- খালিদ মোহাম্মদ

Address

Lakshmipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD:Amran chowdory posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category