পরিযায়ী

পরিযায়ী ‘পরিযায়ী’ একটি অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন। স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা

30/09/2024

রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতের বিজেপি'র নীতেশ নারায়ণ এবং পুরোহিত রামগিরি কর্তৃক প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ এর অবমাননা ও কটূক্তির প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার জুমার নামাজের পর ❝বামন সুন্দর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ❞ প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হবে। উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে সর্বস্তরের তাওহীদি জনতার উপস্থিতি কামনা করতেছি।

তারিখঃ ০৪/১০/২০২৪ ইং
সময়ঃ জুমার নামাজের পর
স্থানঃ বামন সুন্দর কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ, মিরসরাই, চট্রগ্রাম

যারা ঢাকা-চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন স্থান থেকে মিরসরাইয়ে ত্রাণ নিয়ে আসছেন আপনারা আমাদের ক্যাম্পে ত্রাণ দিয়ে যেতে পারেন, আমাদে...
24/08/2024

যারা ঢাকা-চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন স্থান থেকে মিরসরাইয়ে ত্রাণ নিয়ে আসছেন আপনারা আমাদের ক্যাম্পে ত্রাণ দিয়ে যেতে পারেন, আমাদের এখান থেকে মিরসরাইয়ের বন্যা দূর্গত এলাকা গুলোতে বিতরণ কার্যক্রম চলছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থান থেকে আমাদের এখানে ত্রাণ সামগ্রী এসেছে। এখানে আমাদের কয়েকটা টিম উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণের কাজ করতেছে।

লোকেশন: জাপান অ্যালুমিনিয়াম ইন্ড্রাস্টিজ। (বারৈয়ারহাট বাজারের উত্তর পাশে, কম্ফোর্ট হাসপাতালের পরে, ঢাকা-চট্রগ্রাম হাইওয়ের পূর্ব পাশে)

গুগল ম্যাপ: https://maps.app.goo.gl/nvaBGaVSH4ExKHn29

যোগাযোগ:
01836-607262 (ইমন)
01881474361 (মিয়াদ)
01515683440 (রুমন)

আর্থিকভাবে সহযোগিতার জন্য:
১. ইমন - 01644605227 (বিকাশ - পার্সোনাল)
২. ফয়সাল রুমন - 01515683440 (Nogod, Bkash - Personal)
৩. ফয়সাল রুমন - 01829613214 (Cellfin)

22/08/2024

শান্তিরহাট এলাকায় পানি বাড়তেছে অনবরত! অনেক গুলো টীম উদ্ধার কাজ করতেছে।

গোলকারহাট, শুক্কুরহাট এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত উদ্ধারকর্মী টীম পৌঁছায়নি।

ভাই, কেউ অন্তত দোয়া করতে ভুলবেন না। সবাই দু'আ করুন। বেশি বেশি দু'আ করুন।

মহামায়া থেকে প্রায় সব বোর্ড বের করা হচ্ছে উদ্ধার কাজে। এখানে  ২ টা ক্রেন আছে, তবে ক্রেন গুলা দিয়ে বোর্ড উঠাতে কষ্ট হচ্ছে...
22/08/2024

মহামায়া থেকে প্রায় সব বোর্ড বের করা হচ্ছে উদ্ধার কাজে। এখানে ২ টা ক্রেন আছে, তবে ক্রেন গুলা দিয়ে বোর্ড উঠাতে কষ্ট হচ্ছে। আরো শক্তিশালী ক্রেন দরকার।

18/08/2024

আল্লাহ তায়ালা মুমিন জাতির কাছে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন একটা সিদ্ধান্ত দিয়ে। সেই প্রশ্নটা হল, আল্লাহর দেয়া বিধানব্যবস্থা ছাড়া আর কার বিধান উত্তম হতে পারে?

এই প্রশ্নের উত্তর নিছক কোন পাপ-পূণ্যের বিষয় নয়। এই উত্তর ঈমান ও আকিদার অংশ। যার বিশ্বাস হবে, আল্লাহর দেয়া শাসনব্যবস্থাই উত্তম এবং এটার বিপরীতে যা কিছু আছে সবই জাহিলিয়াত। সেই মুমিন হিসেবে বিবেচিত হবে।

আর যে বিশ্বাস করবে, ইসলাম ছাড়া অন্য কোন শাসনব্যবস্থা উত্তম এবং ইসলাম বর্তমানের জন্য উপযোগী কোন শাসনব্যবস্থা নয়- সে মূলত জাহিলিয়াতকে কামনা করে। সে মুমিন নয়। সে মূলত আল্লাহর উলুহিয়্যাত ও উবুদিয়্যাতকে অস্বীকার করেছে। নামাজ রোজা করলেও সে অবিশ্বাসী, পরকালে বিশ্বাস রাখলেও সে মুমিন নয়। কারণ সে আল্লাহর দাসত্বকে পূর্ণাঙ্গভাবে মেনে নেয়নি, আংশিক মেনে নিয়েছে। অথচ আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে সৃষ্টিই করেছেন, পূর্ণাঙ্গভাবে তার দাসত্বের জন্য।

যে এই দাসত্বকে পূর্ণাঙ্গভাবে স্বীকৃতি দিবে, সে যেন আল্লাহকে ইলাহ হিসেবে মেনে নিল। আর যে পূর্ণাঙ্গভাবে এই দাসত্বের স্বীকৃতি দিবে না এবং বিশ্বাস রাখবে না, সে আল্লাহকে ইলাহ হিসেবে অস্বীকার করল।

اَفَحُکۡمَ الۡجَاہِلِیَّۃِ یَبۡغُوۡنَ ؕ وَمَنۡ اَحۡسَنُ مِنَ اللّٰہِ حُکۡمًا لِّقَوۡمٍ یُّوۡقِنُوۡنَ
তারা কি জাহিলী যুগের আইন বিধান চায়? দৃঢ় বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য আইন-বিধান প্রদানে আল্লাহ হতে কে বেশী শ্রেষ্ঠ? ( সুরা মায়েদা, আয়াত ৫০)

- Iftekhar Sifat

ভাইয়েরা আপনাদের বোনদের ঘরে ফেরান। ট্রাফিকের কাজ করা, রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা, রাস্তায় গ্রাফিতি করা এসব বোনদের কাজ না। এসব...
11/08/2024

ভাইয়েরা আপনাদের বোনদের ঘরে ফেরান।
ট্রাফিকের কাজ করা, রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা, রাস্তায় গ্রাফিতি করা এসব বোনদের কাজ না। এসব করার জন্য অসংখ্য ভাইয়েরা আছে।

06/08/2024

ইসলামপ্রিয় তরুণদের প্রতি আহ্বান, কোন ফ্যান্টাসিতে ভুগবেন না। আবেগ সামলান। আমাদের কাজের পরিবেশ ছিল না, এখন পরিবেশ হয়েছে। তার মানেই সব কায়েম হয়ে গেল, আমাদের সব দাবি পূরণ করতে তারা বাধ্য, ব্যাপারটা তা নয়। এখন আবেগী দাবি, প্রতিক্রিয়ার চেয়ে দাওয়াতী কর্মপন্থা ঠিক করুন। আমাদের লক্ষ্য: সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দীনী চেতনা, দীনের প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্য প্রতিষ্ঠা করা। ইসলামকে সমাজের মেইনস্ট্রীম বয়ানে নিয়ে আসা। এই জেনারেশনকে আমরা যদি বুঝাতে পারি পার্থিব কল্যাণও একমাত্র ইসলামের ফরম্যাটে, তাহলে এরা ইসলামকেও আঁকড়ে নেবে।

সবাই এখন নিজ নিজ আইডিওলজি এই জেনারেশনকে বেচতে চাচ্ছে। আমাদের পিছিয়ে থাকা চলবে না। বাতিল কাজ করছে, হক বসে থাকবে না। আমি লিখছি। আপাতত Iftekhar Sifat ভায়ের লেখাটা পড়ুন।

দেখুন অযথা ফ্যান্টাসি আর দাবি কেউ তুলবেন না। এই আন্দোলন কখনোই দ্বীন কায়েমের কোন আন্দোলন ছিল না। এই আন্দোলন কখনোই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের আন্দোলন ছিল না। এটা ছিল সাধারণ ছাত্র জনতার অধিকার থেকে জন্ম নেয়া স্বৈরাচার ও জালেমের পতনের আন্দোলন। পতনের পরের সরকারও যে কোন সেকুলার হবেন কিংবা লিবারেল- সেটাও আমাদের অনুমেয় ছিল।

এই আন্দোলনে আমাদের নির্দিষ্ট কিছু বেনিফিট ও কারণ ছিল:
১। দীর্ঘদিনের জালেম শাসকের অপসারণ
২। রাজাকার, শিবির, জঙ্গি ইত্যাদি ট্যাগিং সন্ত্রাসের বিলুপ্তি
৩। ৭১ কেন্দ্রিক জমিদারি ভাষ্য ও শাসনের বিলুপ্তি
৪। প্রকাশ্য ইসলাম ও মুসলিমবিদ্বেষী বুদ্ধিজীবি ও মিডিয়া শ্রেণির আধিপত্যের বিনাশ।
৫। ইসলাম নিয়ে কাজ করার জন্য তুলনামূলক স্বাধীন পরিবেশ ও সুযোগ লাভ

আমাদের হাতে এখন কাজ করার অনেক সুযোগ ও সম্ভাবনা আসবে নানা কারণে। একদম তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত এতোদিন পর্যন্ত যেই রাজনৈতিক বলয় প্রতিষ্ঠিত ছিল, সেটা ধ্বসে পরেছে। সেখানে এখনো সদ্য অপসারিত বলয়ের মত কোন গ্রুপ রিপ্লেইসড হতে পারেনি। তাছাড়া তরুণ প্রজন্মের চিন্তাচেতনার জায়গাটিও উর্বর ভূমি হয়ে আছে। এসব জায়গায় আমাদের কাজ করার অনেক সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন যারা এখানে কাজ করতে পারবে, আগামীদিনে তারাই গণমানুষ ও প্রজন্মের চেতনা ও আদর্শের পরিচালক হবে।

আমাদের ভবিষ্যতের করণীয় এর দিকে মনোযোগী হয়ে এখনই তৎপরতা শুরু করতে হবে। তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের এখন বিশেষভাবে যেই কাজগুলো দরকার:

১। আগামী শাসনকাঠামোতে ইসলাম ও মুসলিমদের স্বার্থরক্ষার জন্য শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব তৈরি করা।

২। বিগত ১৫ বছরে বন্দি আলেম ও ইসলামপন্থী মানুষদের মুক্ত করা

৩। মসজিদের মিম্বারগুলোকে স্বাধীন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা

06/08/2024

শুধুমাত্র তাকবীরের ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করুন। আর কোনো শ্লোগান লাগবে না।

স্বৈরাচারীরা আমাদেরকে তাকবির দিতে বাধা দিয়েছিলো। তাদের বুঝিয়ে দিন তাকবীরের ধ্বনিতে আজো আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হচ্ছে কিন্তু তোমরা হারিয়ে গেছে কালের গহ্বরে!

05/07/2024

বাবার সাথে প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে ব্যাংকে বসে আছি।
বিরক্ত হচ্ছি খুব। যত না নিজের উপর, তার চেয়ে বেশি বাবার উপর।
অনেকটা রাগ করেই বললাম -
“বাবা, কতবার বলেছি, অনলাইন ব্যাঙ্কিংটা শিখো।"

বাবা বললেন -
এটা শিখলে কি হবে?
- ঘরে বসেই তুমি এই সামান্য কাজটা করতে পারতে।
শুধু ব্যাংকিং না, শপিংটাও তুমি অন-লাইনে করতে পারো। ঘরে বসে ডেলিভারি পেতে পারো। খুবই সহজ কিন্তু এই সহজ জিনিসটাই তুমি করবে না।

বাবা জানতে চাইলেন -
করলে আমাকে ঘরের বাইরে বের হতে হতো না। তাই না?
-হ্যাঁ, বাবা তাই। এখানে এসে ঘন্টা খানেক অনর্থক বসে থাকতে হতো না।

এরপর বাবা যা বললেন তাতে আমি নির্বাক হয়ে গেলাম।

বাবা বললেন -
এতো সময় বাঁচিয়ে তোমরা কি করো? ফোনেই তো সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকো।
কবে শেষদিন তুমি তোমার ফুফুর সাথে কথা বলেছো?
দশ হাত দূরে প্রতিবেশী বৃদ্ধ সেজো কাকার খবর নিয়েছো?
অথচ, আপন জনের সাথে দেখা করতে আমরা দশ মাইল পথ হেঁটেছি। সময় বাঁচানোর চিন্তা করিনি। মানুষ যদি মানুষের পাশেই না যায় তবে এতো সময় বাঁচিয়ে কি হবে বলো?

বাবার কথা পাশ থেকে মানুষেরা শুনছেন। আমি চুপচাপ বসে আছি।

বাবা বললেন -
ব্যাংকে প্রবেশের পর থেকে চারজন বন্ধুর সাথে কুশল বিনিময় করেছি।
তুমি জানো, আমি ঘরে একা।
তাই ঘর থেকে বের হয়ে আসাটাই আমার আনন্দ।

এইসব মানুষের সাহচর্যটাই আমার সঙ্গ।
আমার তো এখন সময়ের কমতি নেই।
মানুষের সাহচর্যেরই কমতি আছে।
ডিভাইস, হোম-ডেলিভারি, এনে দেবে অনেক কিছু কিন্তু মানুষের সাহচর্য তো আমায় এনে দেবে না।

মনে পড়ে? দু'বছর আগে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম।
যে দোকান থেকে আমি দৈনন্দিন কেনাকাটা করি, তিনিই আমাকে দেখতে গিয়েছিলেন। আমার পাশে বসে থেকে মাথায় হাত রেখেছিলেন। আমার চোখ অশ্রুসিক্ত হয়েছিলো।

তোমার ডিভাইস বড়জোড় একটা যান্ত্রিক ইমেইল পাঠাবে, কিন্তু আমার পাশে বসে থেকে চোখের জল তো মুছে দেবে না বরং মনের কষ্ট আরও বাড়াবে, তাই না?
চোখের জল মুছে দেয়ার মতো কোনো ডিভাইস কি তৈরি হয়েছে?

সকালে হাঁটতে গিয়ে তোমার মা পড়ে গিয়েছিলেন।
কে তাকে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলো?

অনলাইন মানুষের একাউন্ট চেনে, সে তো মানুষ চেনে না!
মানুষের ঠিকানা চেনে, কিন্তু রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষের ঘর তো চেনে না!

এই যে মানুষ আমার শয্যাপাশে ছিলো, তোমার মাকে ঘরে পৌঁছে দিলো,
কারণ - দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে একজন আরেকজনকে চিনেছি।

সবকিছু অনলাইন হয়ে গেলে -
মানুষ ‘হিউম্যান টাচটা' কোথায় পাবে বলো ?
আর পায় না বলেই; পাশের ঘরে মানুষ মরে গিয়ে লাশ হয়ে থাকে, দুর্গন্ধ না আসা পর্যন্ত কেউ কারো খবরও আর রাখে না।
বড় বড় অ্যাপার্টমেন্টগুলো আমাদের ‘অ্যাপার্টই' করে দিয়েছে।

এই যে ব্যাংকের ক্যাশিয়ারকে দেখছো-
তুমি তাঁকে ক্যাশিয়ার হিসাবেই দেখছো,
সেলসম্যানকে সেলসম্যান হিসাবেই দেখছো।

কিন্তু আমি সুখ-দুঃখের অনুভূতির একজন মানুষকেও দেখছি। তার চোখ দেখছি। মুখের ভাষা দেখছি। হৃদয়ের কান্না দেখছি।
ঘরে ফেরার আকুতি দেখছি।

এই যে মানুষ মানুষকে দেখা,
এটা একটা বন্ধন তৈরি করে।
অনলাইন শুধু সার্ভিস দিতে পারে, এই বন্ধন দিতে পারে না।
পণ্য দিতে পারে, পুণ্য দিতে পারে না।

এই যে মানুষের সাথে হাসিমুখে কথা বলা, কুশলাদি জিগ্যেস করা;
এখানে শুধু পণ্যের সম্পর্ক নেই, পুণ্যের সম্পর্কও আছে।

- বাবা, তাহলে টেকনোলজি কি খারাপ? আমি জানতে চাই।

বাবা বললেন -
টেকনোলজি খারাপ না। অনেক কিছু সহজ করেছে নিঃসন্দেহে সত্য।
ভিডিও কলের মাধ্যমে লাখে লাখে ছেলেমেয়েরা পড়ছে,
শিখছে, এটা তো টেকনোলজিরই উপহার।

তবে, টেকনোলজির নেশাটাই খারাপ।

স্ক্রিন অ্যাডিকশন,
ড্রাগ অ্যাডিকশনের চেয়ে কোনো অংশে কম না।

দেখতে হবে, ডিভাইস যেন আমাদের মানবিক সত্ত্বার
মৃত্যু না ঘটায়। আমরা যেন টেকনোলজির দাসে পরিণত না হই।
মানুষ ডিভাইস ব্যবহার করবে। মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করবে।

কিন্ত ভয়ঙ্কর সত্য হলো,
এখন আমরা মানুষকে ব্যবহার করি,
আর ডিভাইসের সাথে সম্পর্ক তৈরি করি।

মানুষ ঘুম থেকে ওঠে আপন সন্তানের মুখ দেখার আগে মোবাইলের স্ক্রিন দেখে,

সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইন্সটিউট
এটাকে ভয়ঙ্কর মানসিক অসুখ বলে ঘোষণা করেছে।

কিছুদিন আগে আশা ভোঁসলে
একটা ছবি পোস্ট করে ক্যাপশান লিখেছেন-
" আমার চারপাশে মানুষ বসে আছে
কিন্তু কথা বলার মানুষ নেই।
কারণ সবার হাতে ডিভাইস।"

বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন -
জানি না ভুল বলছি কি-না,
তবে আমার মনে হয়,
তোমরা পণ্যের লোগো যতো চেনো,
স্বজনের চেহারা ততো চেনো না।

তাই, যতো পারো মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করো, ডিভাইসের সাথে না। টেকনোলজি জীবন নয়।

স্পেন্ড টাইম উইথ পিপল,
নট উইথ ভিডাইস।

এ সময় বাবাকে কাকা বলে কে একজন ডাক দিলেন...।
বাবা কাউন্টারের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন।
এই প্রথম আমি বুঝতে পারলাম-
বাবা কেবল ক্যাশিয়ারের দিকে যাচ্ছেন না,
একজন মানুষ, আরেকজন মানুষের কাছেই যাচ্ছেন।

বাবাকে আমি অনলাইন শেখাতে চেয়েছিলাম,
বাবা আমাকে লাইফলাইন শিখিয়ে দিলেন।

(সংগৃহিত)

28/05/2024

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত;
নবী ﷺ বলেনঃ
কর্কশ স্বভাব যে কোন বস্তুকেই দোষযুক্ত করে। নিশ্চয় আল্লাহ নম্র এবং তিনিও নম্রতা পছন্দ করেন।

[আদাবুল মুফরাদ : ৪৬৮, তিরমিযি, ইবনে মাজাহ]

বাংলাদেশ থেকেই তৈরি হচ্ছে পুটকামীদের সিম্বল সম্বলিত এমন লেডিস গেঞ্জি। এই গরমে হটকেকের মত চলেছে। মুসলমানদের ঘরে ঘরে পৌঁছে...
11/05/2024

বাংলাদেশ থেকেই তৈরি হচ্ছে পুটকামীদের সিম্বল সম্বলিত এমন লেডিস গেঞ্জি। এই গরমে হটকেকের মত চলেছে। মুসলমানদের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে, মেয়ে বউদের গায়ে শোভা পাচ্ছে। প্রাপ্তি স্থান - ঢাকার সব মার্কেট।

আপনি এই ব্যাপারে বুঝুন আর না বুঝুন , যারা বোঝার তাঁরা বুঝে শুনেই দাম কমিয়ে এই লানত ও ঈমান বিধ্বংসী মতবাদকে আমাদের যুব সমাজের কাছে একটু একটু করে স্বাভাবিক করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

আল্লাহ্‌ উম্মাহকে হেফাজত করেন। সচেতন হবার তৌফিক দেন।

13/02/2024

মুসলমানের জন্য কোন ভাবেই সাধু ভ্যালেন্টাইনের দিবস পালন জায়েজ নেই। সেটা প্রেমিকা নামের টেম্পোরারি রক্ষিতাকে নিয়ে হোক কিংবা হালাল স্ত্রীকে নিয়ে হোক।

যারা বলে স্ত্রীকে নিয়ে সাধু ভ্যালেন্টাইনের দিবস পালন করা যাবে তারা দ্বীনের ব্যাপারে জাহেল/মূর্খ!

Address

Mirsarai
4322

Telephone

+8801829623214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পরিযায়ী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category