21/02/2026
অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি, আনন্দমোহন কলেজের রসায়ন বিভাগের মেধাবী ছাত্র শাওন সৈকতকে আমরা আর ফিরে পাইনি। জয়নুল পার্কের ওপারে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার পর আজ তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একটি সম্ভাবনাময় প্রাণ এভাবে শেষ হয়ে যাওয়া কেবল একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, এটি পুরো ময়মনসিংহের জন্য একটি কলঙ্ক। আমরা শাওনের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—আর কত?
আজ ময়মনসিংহ শহরটা সাধারণ মানুষের জন্য মৃত্যুপুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেবল জয়নুল পার্কের ওপার নয়; শম্ভুগঞ্জ ব্রিজ, চরপাড়া মোড়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু করে শহরের যে কোনো অন্ধকার গলি—সবখানেই এখন ছিনতাইকারীদের রাজত্ব।
বিশেষ করে এদের 'মাজরা' কালচার! এরা দলবদ্ধ হয়ে আড্ডা দেয়, অন্ধকার এলাকায় ওঁৎ পেতে থাকে এবং সুযোগ বুঝে সাধারণ মানুষকে ছেঁকে ধরে। টাকা-মোবাইল তো নিচ্ছেই, এখন এরা মানুষের প্রাণ নিতেও দ্বিধা করছে না। প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে এরা কীভাবে 'মাজরা' সিন্ডিকেট চালায়? সাধারণ মানুষ কি তবে ঘরে বন্দি হয়ে থাকবে?
📢 আমাদের দাবি স্পষ্ট:
১. শাওন সৈকতের হত্যাকারীদের দ্রুত খুঁজে বের করে ফাঁ / সি নিশ্চিত করতে হবে।
২. শম্ভুগঞ্জ ব্রিজ, চরপাড়া এবং শহরের প্রতিটি লো-লাইট বা অন্ধকার পয়েন্টে সিসিটিভি ক্যামেরা ও স্থায়ী পুলিশি টহল বসাতে হবে।
৩. এই 'মাজরা' সিন্ডিকেট এবং ছিনতাইকারীদের কঠোর বিচারের আওতায় আনতে হবে।
শহরটা আমাদের প্রাণের ময়মনসিংহ। এখানে আমরা নিরাপদে বাঁচতে চাই, অকালে লাশ হতে চাই না। আজ শাওন গেছে, কাল আমি বা আপনি হতে পারেন পরবর্তী টার্গেট। প্রশাসন কি তবে আমাদের লাশের মিছিল গুনতেই ব্যস্ত থাকবে? ✊🔥
#ব্রহ্মপুত্রের_কুমির