11/08/2026
প্রিয় সুধী ও নওগাঁবাসী,
ড. গোলাম আবু জাকারিয়া আমাদের নওগাঁর এক কৃতী সন্তান। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে এই নওগাঁতেই। তিনি বর্তমানে জার্মানিতে বসবাস করলেও সেখান থেকেই প্রতিনিয়ত দেশের মানুষের কল্যাণে এবং সাধারণ মানুষের সার্বিক মঙ্গল নিয়ে ভাবেন। নীরব মরূদ্যানের মতো প্রচারবিমুখ থেকে তিনি নিঃশব্দে কাজ করে চলেছেন।
সামাজিক কিংবা সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কাজের সূত্রে আমরা অনেকেই নানা প্রথায় পথ চলি; নানা হিসাব-নিকাশ বা চাওয়া-পাওয়ার বিষয় সেখানে চলে আসে। কিন্তু সেই ভিড়ের মধ্যেও এমন কিছু অনন্য মানুষ রয়েছেন, যারা সকল চাওয়া-পাওয়ার উর্ধ্বে উঠে সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থ, নির্লোভ ও নির্মলভাবে কাজ করে যান। এমন মানুষ সমাজে অল্প কিছু হলেও রয়েছেন। তবে সস্তা জনপ্রিয়তার পেছনে না ছোটা এই গুণী মানুষদের সমাজ অনেক সময় যথাযথ মূল্যায়ন করে না। অবশ্য সমাজে মূল্যায়িত হলেন কি হলেন না—তা নিয়ে তাঁরা নিজেরাও ভাবেন না; তাঁরা নীরবে কাজ করে যেতেই বেশি ভালোবাসেন। তবে ইতিহাস একদিন না একদিন ঠিকই তাঁদের সঠিক মূল্যায়ন করে।
একুশে পরিষদ নওগাঁ সব সময়ই শুভ এবং কল্যাণকর কাজের পাশে থাকার চেষ্টা করে। সেই তাগিদ থেকেই সংগঠনটি এই মহান মানুষটিকে নিয়ে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। সংগঠনের অনিয়মিত সাময়িকী ‘স্পন্দন’-এর ৩য় সংখ্যাটি প্রকাশিত হবে তাঁকে কেন্দ্র করে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাকারিয়া সংখ্যা’।
প্রফেসর ডক্টর আবু আল জাকারিয়ার মতো একজন কঠোর পরিশ্রমী, নির্লোভ ও মানবহিতৈষী মানুষ সম্পর্কে নওগাঁর সাধারণ মানুষ হিসেবে আপনিও একটু ভাবুন এবং আপনার অনুভূতি ও মূল্যায়নের কথা দুটি বাক্যে লিখে জানান। আমরা তা সানন্দে প্রকাশ করব। এর জন্য আপনাকে পেশাদার লেখক হতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আপনি নওগাঁ শহরের বাসিন্দা হন, বাংলাদেশের অন্য যেকোনো প্রান্তের নাগরিক হন, কিংবা পৃথিবীর যেকোনো কোণ থেকেই মানবকল্যাণ কামনা করেন না কেন—আপনি লিখতে পারেন। আপনার লেখার মাধ্যমেই এই ক্ষণজন্মা মানুষটির সঠিক মূল্যায়ন ফুটে উঠবে। আমরা যদি তাঁদের সম্মানিত না করি, তবে কে করবে?
তাই এই গুণী মানুষটিকে নিয়ে আপনার সংক্ষিপ্ত, আকর্ষণীয় ও প্রাঞ্জল অনুভূতি লিখে আগামী ৩১ আগস্ট-এর মধ্যে আমাদের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিন অথবা ইমেইল করুন।
email: [email protected]
whatsapp: 01314514266