Voice Of Workers

Voice Of Workers Voice Of Workers চ্যানেলটিতে মানুষের অধিকার লড়াইয়ের রাজনীতির কথা তুলে ধরতে।
বাম রাজনৈতিক বিকাশে

04/08/2026

পহেলা আগস্ট ২০২৪ নারায়ণগঞ্জ শহিদ মিনারে কি ঘটেছিল? মনি সুপান্থ, সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট

03/08/2026

পাঁচই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিক জীবন দিলেও ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়ন হয়নি ----------- শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন

03/08/2026

দিয়াশলাই নামক কবিতা আবৃত্তি করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক রুহিয়ান নুর ফিহা ---------------

03/08/2026

১ আগস্ট ২০২৪ জুলাই আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জ কি ঘটেছিল?
চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আহবায়ক প্রদীপ সরকা ----

02/08/2026

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন হয়নি
অবিলম্বে সম্পাদিত অসম বানিজ্য চুক্তি বাতিল কর
------------- ধীমান সাহা জুয়েল, সহসভাপতি, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।

জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা— দেশ বিক্রি হবে না, বৈষম্য থাকবে নাফতুল্লা বটতলায় বাসদের পথসভাঅসম বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, জাতীয়...
02/08/2026

জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা— দেশ বিক্রি হবে না, বৈষম্য থাকবে না
ফতুল্লা বটতলায় বাসদের পথসভা

অসম বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, জাতীয় সম্পদ বিদেশিদের ইজারা প্রদান বন্ধ এবং খুন-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান

নারায়ণগঞ্জ, ২ আগস্ট ২০২৬:
আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ফতুল্লা আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে আজ রবিবার (২ আগস্ট) বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে ফতুল্লা বটতলা রেললাইনে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন বাসদ ফতুল্লা থানা কমিটির সদস্য ও রি-রোলিং স্টিল মিলস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি জামাল হোসেন। বক্তব্য রাখেন বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি সেলিম মাহমুদ, বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা বর্ধিত ফোরামের সদস্য রুহুল আমিন সোহাগ, বাসদ ফতুল্লা থানা কমিটির সদস্য ও সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস লিমিটেড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, ফতুল্লা আঞ্চলিক শাখার গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, সফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, আগামী ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। সে সময় দেশের ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, নারী, যুবক, পেশাজীবী এবং সাধারণ মানুষ বৈষম্য, দমন-পীড়ন, দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলেন। অসংখ্য শহিদের আত্মত্যাগ এবং হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে একটি স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটলেও জনগণের প্রত্যাশিত বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
তারা বলেন, দেশের মানুষ আজ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, মব সন্ত্রাস, খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজি, জমি দখল, মাদক ব্যবসা, নারী ও সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং দুর্নীতির বিস্তার সমাজকে ক্রমাগত অস্থিতিশীল করে তুলছে। জনগণ যে পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিল, সেই স্বপ্ন আজও বাস্তবায়িত হয়নি।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। বিদায়ের প্রাক্কালে জাতীয় নির্বাচনের কয়েকদিন আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি অসম বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি, স্বাধীন বাণিজ্যনীতি এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হতে পারে বলে তারা দাবি করেন। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের লালদিয়া চর টার্মিনাল, কেরানীগঞ্জের পানগাঁও টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা প্রদান এবং লাভজনক নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগকে তারা জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে অভিহিত করেন।
বক্তারা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য GSOMIA ও ACSA সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তি বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাকে দুর্বল করতে পারে। এসব চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অংশে পরিণত করার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় শিল্প, কৃষি, ওষুধশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত বিদেশি প্রতিযোগিতার মুখে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন বক্তারা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে শ্রমজীবী মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রমাগত বাড়ছে, অথচ সেই অনুপাতে মজুরি বৃদ্ধি করা হচ্ছে না। অনেক শ্রমিক মাস শেষে বেতন পেলেও ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ না থাকায় দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও নিজের উপার্জিত অর্থ তুলতে না পারা শ্রমিকদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা অবিলম্বে শ্রমিকদের জন্য নির্বিঘ্ন ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বক্তারা শিল্পাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তারা বলেন, নিরাপদ পানির অভাবে সাধারণ মানুষ নানা পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হলেও এ ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগের অভাব স্পষ্ট।
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, এটিকে দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প ও কর্মসংস্থান খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়নি। অবাস্তব রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সাধারণ মানুষের ওপর পরোক্ষ করের বোঝা আরও বাড়বে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
বক্তারা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান স্লোগান ছিল— "বৈষম্য থাকবে না।" কিন্তু বাস্তবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য আরও গভীর হয়েছে। একদিকে অল্প কয়েকজনের হাতে সম্পদ ও ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন ঘটছে, অন্যদিকে কোটি কোটি মানুষ বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি, অনিশ্চিত কর্মসংস্থান এবং ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। ফলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।
তারা বলেন, বাংলাদেশের জনগণ কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য মেনে নেবে না। জাতীয় সম্পদ, বন্দর, নদী, জ্বালানি, শিল্প ও অর্থনীতিকে বিদেশি করপোরেট স্বার্থের কাছে সমর্পণ করা যাবে না। একই সঙ্গে ধর্মীয় উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস ও গণতন্ত্রবিরোধী সব অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
পথসভা থেকে অবিলম্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত অসম বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, চট্টগ্রাম বন্দরসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিদেশিদের ইজারা প্রদান বন্ধ, খুন, সন্ত্রাস, অপহরণ, মাদক, জমি দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশুদ্ধ খাবার পানির নিশ্চয়তা, শ্রমিকদের নির্বিঘ্নে বেতন উত্তোলনের জন্য সব ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ এবং জনগণের জীবন-জীবিকা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
সমাবেশের শেষে নেতৃবৃন্দ বলেন, শুধু সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। শোষণ, বৈষম্য, লুটপাট ও মুনাফাভিত্তিক আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই প্রকৃত গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন সম্ভব। তাই মুক্তিযুদ্ধের সাম্য, মানবিকতা ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়নে শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র, যুব, নারীসহ সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে বাসদ ও বামপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তিকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ, গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রাম জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের কাছে CWOHS-এর স্মারকলিপিক্ষতিপূরণ আর্থিক স...
02/08/2026

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের কাছে CWOHS-এর স্মারকলিপি

ক্ষতিপূরণ আর্থিক সহায়তা তহবিলের আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ, মানবিক ও আবেদনকারী-বান্ধব করার আহ্বান

আজ ০২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সেন্টার ফর ওয়ার্ক অ্যান্ড অকুপেশনাল হেলথ সেফটি (CWOHS)-এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নিকট একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। স্মারকলিপিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিক, নিহত শ্রমিকের পরিবার এবং অন্যান্য যোগ্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য ক্ষতিপূরণ আর্থিক সহায়তা তহবিলের আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ, মানবিক ও কার্যকর করার দাবি জানানো হয়েছে।

২০২১ সাল থেকে CWOHS সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগে, কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা গ্রহণ ছাড়াই, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে আসছে। সংস্থাটি দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি, নিহত শ্রমিকের পরিবার এবং অন্যান্য যোগ্য ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার লক্ষ্যে তথ্য প্রদান, আইনি ও প্রশাসনিক পরামর্শ, আবেদনপত্র প্রস্তুত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করে আসছে।
আমরা ইতিবাচকভাবে লক্ষ্য করেছি যে, ক্ষতিপূরণের আবেদন করার সময়সীমা ৩০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৯০ দিন করা হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মানবিক সিদ্ধান্ত, যা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসংখ্য মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগকে আরও বিস্তৃত করেছে।
কিন্তু বাস্তবতা এখনো অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান ক্ষতিপূরণ স্কিমের আওতায় আহত সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের মাত্র প্রায় ২ শতাংশ ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। বিআরটিএ-এর সাবেক চেয়ারম্যানও উল্লেখ করেছেন যে, সচেতনতার অভাব, নিরক্ষরতা, দারিদ্র্য, প্রশাসনিক জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবের কারণে অধিকাংশ যোগ্য ভুক্তভোগী এই আইনি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে CWOHS আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার কাগজপত্র, হাসপাতালের নথি, চিকিৎসা ব্যয়ের প্রমাণ, পুলিশ ও দুর্ঘটনা-সংক্রান্ত নথি, পরিচয়পত্র, ছবি, পারিবারিক তথ্য, যোগাযোগের ঠিকানা, প্রয়োজনীয় অঙ্গীকারনামা ও অন্যান্য সমর্থনকারী দলিল সংগ্রহ করে আবেদনগুলো যথাসম্ভব পূর্ণাঙ্গভাবে প্রস্তুত করার চেষ্টা করে, যাতে আবেদনকারীরা অযথা হয়রানির শিকার না হন।
সম্প্রতি কুমিল্লা বিআরটিএ অফিসে কয়েকজন আবেদনকারীকে সহায়তা করার সময় আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের অভিজ্ঞতা উদ্বেগজনক ছিল। আবেদন গ্রহণের ক্ষেত্রে এমন কিছু মন্তব্য করা হয়, যা আবেদনকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও ভীতির সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, কোনো কাগজপত্র বা প্রক্রিয়াগত ঘাটতি থাকলে আবেদন গ্রহণ না-ও হতে পারে—এমন ধারণা আবেদনকারীদের নিরুৎসাহিত করে। অথচ এদের অধিকাংশই গুরুতর আহত, আর্থিক সংকটে থাকা কিংবা পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারানো মানুষ।
আমরা বিশ্বাস করি, কোনো আবেদন অসম্পূর্ণ থাকলে আবেদনকারীকে তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দেওয়া উচিত। এটি শুধু একটি প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, বরং ক্ষতিপূরণ তহবিলের মানবিক উদ্দেশ্যের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম, মাদারীপুর ও কুষ্টিয়া বিআরটিএ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, সৌজন্যপূর্ণ আচরণ, স্পষ্ট নির্দেশনা এবং সহযোগিতামূলক মনোভাবের জন্য CWOHS আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে। তাঁদের দায়িত্বশীল আচরণ প্রমাণ করে যে, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সরকারি সেবা প্রদান করা সম্পূর্ণ সম্ভব।
এই স্মারকলিপির উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সমালোচনা নয়; বরং সমগ্র বিআরটিএ ব্যবস্থায় এমন একটি একীভূত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও আবেদনকারী-বান্ধব সেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, যাতে দেশের যেকোনো প্রান্তের একজন দরিদ্র, নিরক্ষর বা অসহায় মানুষ সমান মর্যাদা ও সহযোগিতা নিয়ে ক্ষতিপূরণের আবেদন করতে পারেন।

স্মারকলিপিতে উত্থাপিত প্রধান দাবিসমূহ:
🔹 কুমিল্লা বিআরটিএ অফিসে আবেদনকারীদের সেবা প্রদানের অভিজ্ঞতা প্রশাসনিকভাবে পর্যালোচনা করা।
🔹 সকল বিআরটিএ অফিসে সম্মানজনক, মানবিক ও আবেদনকারী-বান্ধব সেবা নিশ্চিত করা।
🔹 কোনো আবেদন অসম্পূর্ণ হলে তা বাতিল না করে প্রয়োজনীয় ঘাটতির বিষয়ে আবেদনকারীকে জানিয়ে আবেদন সম্পূর্ণ করার সুযোগ দেওয়া।
🔹 ক্ষতিপূরণ আর্থিক সহায়তা তহবিল সম্পর্কে দেশব্যাপী ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
🔹 CWOHS-এর মতো বিশ্বস্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে তথ্য ও ডকুমেন্টেশন সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা বিবেচনা করা।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সরকারি প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির পথ আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করা সম্ভব। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর প্রকৃত লক্ষ্য তখনই বাস্তবায়িত হবে, যখন কোনো যোগ্য ভুক্তভোগী শুধুমাত্র প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাঁর ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না।
মানবিক প্রশাসন, সহজ প্রক্রিয়া ও সবার জন্য ন্যায়বিচার—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

02/08/2026

জুলাই স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচিতে বাসদ নেতা অসিত বরণ বিশ্বাস বলেন -------

🕯️ জুলাই শহিদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা—দেশ বিক্রি হবে নামার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্প...
01/08/2026

🕯️ জুলাই শহিদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা—দেশ বিক্রি হবে না
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল কর।

ঐক্য ✊ সংগ্রাম ✊ প্রগতি

শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মনুষ্যত্ব রক্ষার সংগ্রাম এগিয়ে নিন।
আজ ১ আগস্ট ২০২৬, শনিবার, সন্ধ্যা ৭টায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জুলাই শহিদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর অসিত বরণ বিশ্বাস, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ, সহসভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আহ্বায়ক প্রদীপ সরকার, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম নারায়ণগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আক্তার, জেলা সংগঠক আহমেদ রবিন স্বপ্ন, ডালিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে "এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (ART)" নামে একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প, কর্মসংস্থান ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ কারণেই চুক্তি বাতিলের দাবিতে সারাদেশে ধারাবাহিক আন্দোলন গড়ে উঠেছে।
গত দুই মাস ধরে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট দেশব্যাপী স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাড়া-মহল্লায় প্রচারাভিযান ও গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। হাজারো মানুষ এই চুক্তির বিরুদ্ধে তাদের মতামত ও স্বাক্ষর দিয়েছেন।
📢 আগামীকাল, ২ আগস্ট ২০২৬ (রবিবার), সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশ শেষে চুক্তি বাতিলের দাবিতে সংগৃহীত গণস্বাক্ষরসহ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হবে। কর্মসূচি সফল করতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দেশের সচেতন নাগরিকদের সর্বাত্মক উপস্থিতি ও সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।

চুক্তি কার্যকর হলে—বক্তাদের উপস্থাপিত প্রধান আশঙ্কাসমূহ
🔴 আগামী ১৫ বছর আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিপুল পরিমাণ এলএনজি আমদানির বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হবে।
🔴 আগামী পাঁচ বছর বেশি দামে প্রতি বছর ৭ লাখ টন গম আমদানি করতে হবে।
🔴 আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে বিপুল পরিমাণ সয়াবিন ও সয়াবিনজাত পণ্য কিনতে হবে।
🔴 তুলা, ফলমূল ও অন্যান্য কৃষিপণ্য আমদানিতে অতিরিক্ত বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হবে।
🔴 বিনা দরপত্রে বিপুল অর্থ ব্যয়ে বোয়িং উড়োজাহাজ এবং আরও সামরিক সরঞ্জাম কেনার বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে।
🔴 যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে চীন, রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীন বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সীমিত হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
🔴 কৃষি, মৎস্য, পোলট্রি ও দুগ্ধ খাত বিদেশি পণ্যের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে, ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
🔴 তৈরি পোশাক শিল্পে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা কমতে পারে এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
🔴 বিপুল সংখ্যক আমদানিকৃত পণ্যে শুল্ক ছাড়ের ফলে সরকারের রাজস্ব কমে যেতে পারে, অন্যদিকে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক বহাল বা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কার কথাও বক্তারা উল্লেখ করেন।
🔴 একই ধরনের বাণিজ্যিক সুবিধা অন্য দেশগুলোও দাবি করলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও বড় চাপের মুখে পড়তে পারে।
🔴 পাশাপাশি পৃথক সমঝোতার মাধ্যমে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের অতিরিক্ত চাপও সৃষ্টি হতে পারে বলে বক্তারা দাবি করেন।

জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের চেতনা আমাদের শিখিয়েছে—জাতীয় স্বার্থ, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

📢 বাসদ ৮ নং জোন (বরিশাল বিভাগ) জোনাল ফোরাম গঠিতডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী সমন্বয়ক নির্বাচিতআজ ১ আগস্ট ২০২৬, শনিবার, সকাল ১১টা...
01/08/2026

📢 বাসদ ৮ নং জোন (বরিশাল বিভাগ) জোনাল ফোরাম গঠিত
ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী সমন্বয়ক নির্বাচিত

আজ ১ আগস্ট ২০২৬, শনিবার, সকাল ১১টায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ৮ নং জোনের (বরিশাল বিভাগ) রাজনৈতিক শিক্ষা শিবিরের দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভা বাসদের বরিশাল জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড খালেকুজ্জামান, সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশিদ ফিরোজ, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমরেড জনার্দন দত্ত নান্টু, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কমরেড আহসান হাবীব বুলবুলসহ বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ আজ গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সংকট, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, মব সন্ত্রাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত অসম বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জনের অপচেষ্টা এবং রাষ্ট্রীয় শিল্প-কারখানাসহ জনগণের সম্পদ দেশি-বিদেশি লুটেরাদের হাতে তুলে দেওয়ার তৎপরতা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পরও মানুষের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি; বরং গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও জনগণের অধিকার আজ আরও সংকুচিত। যে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছিল, তারই পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

বক্তারা বলেন, কেবল সরকার পরিবর্তন নয়, শোষণমূলক পুঁজিবাদী আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার পরিবর্তনের মাধ্যমেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও '২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সমতার, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। এজন্য দেশের সকল প্রগতিশীল বামপন্থী শক্তির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে ধনিক শ্রেণির জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় মৌলবাদী রাজনীতির বিপরীতে একটি শক্তিশালী বাম গণতান্ত্রিক বিকল্প গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় সংগঠন বিস্তারের উদ্দেশ্যে বাসদ ৮ নং জোনাল ফোরাম গঠন করা হয়েছে।

জোনাল ফোরাম (৮ নং জোন - বরিশাল বিভাগ): 🔴 সমন্বয়ক: ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী
সদস্যবৃন্দ: • অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম সবুজ (পটুয়াখালী)
• গাজী মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেন (বরিশাল)
• শহিদুল ইসলাম হাওলাদার (বরিশাল)
• রমজান আকন (ঝালকাঠি)
• সুজন আহমেদ (বরিশাল)

শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এগিয়ে নিন।

Address

২নং রেলগেইট, নারায়ণগঞ্জ।
Narayanganj
১৪০০

Telephone

+8801961840110

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of Workers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Voice Of Workers:

Shortcuts

Share