নাটোর জেলা আওয়ামী লীগ

নাটোর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি- বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম
01716617117
সা.সম্পাদক- মোঃ শরিফুল ইসলাম রমজান
01711068382 সভাপতি- অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এম.পি.
(1)

( 017-113-33708)
সা.সম্পাদক- আলহাজ্ব শরিফুল ইসলাম রমজান ( 0171 1068 382)

প্ল্যানের ভেতর দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ! কি বলেন আপনারা?
01/09/2026

প্ল্যানের ভেতর দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ! কি বলেন আপনারা?

নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সভাপতি, নাটোর-৪ আসনের আমৃত্যু সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা অধ্যাপক মোঃ আব্দুল কুদ...
30/08/2026

নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সভাপতি, নাটোর-৪ আসনের আমৃত্যু সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা অধ্যাপক মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে নাটোর জেলা আওয়ামী লীগ পরিবারের পক্ষথেকে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।

জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু।।

28/08/2026
21/08/2026

২১ আগস্ট ২০০৪ এ গ্রেনেড হামলার অজানা কথা

এই অজানা কথা বাংলাদেশের মানুষ জানত না আগে
২১ আগস্ট ২০০৪ এ গ্রেনেড হামলার পর কিভাবে বিনা চিকিৎসায় মেরে ফেলা হয়েছিল আইভি রহমান কে?

শুনুন নাজমুল হাসান পাপন এর মুখেই।

#২১আগস্ট #গ্রেনেডহামলা #আইভি_রহমান

21/08/2026

২১ আগস্ট ২০০৪ গ্রেনেড হামলা তদন্ত, জজ মিয়া নাটক আর বাস্তবতা |

#২১আগস্ট #গ্রেনেডহামলা

21/08/2026

২১ আগস্ট গ্রে/নে/ড হামলাঃ একটি হাওয়া ভবন ষড়যন্ত্র

১৪ আগস্ট ২০০৪- হাওয়া ভবনে বৈঠক।উপস্থিত ছিল তারেক রহমান,বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফজ্জামান বাবর,বঙ্গবন্ধুর খুনি মেজর নূর,জামায়াতে ইসলামের সাধারন সম্পাদক আলী আহসান মুজাহিদ,খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হারিছ চৌধুরী, বিএনপি সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু,হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নান, তাজউদ্দীন।

- আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে হ/ত্যা/র নির্দেশ দেয় তারেক রহমান
- আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সাহায্য করবে, তারেকের নিশ্চয়তা।

#২১আগস্ট #গ্রেনেডহামলা
#তারেকজিয়া #তারেকরহমান

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তি এই মামলায় পূর্বে একবার স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানব...
21/08/2026

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তি

এই মামলায় পূর্বে একবার স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলাম। তখন আমি সব কথা বলতে পারি নাই। মাননীয় মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্বেচ্ছায় একটি দরখাস্ত দিয়ে আরো কিছু কথা বলার ও লেখার আছে জানালে তিনি আমার দরখাস্ত মঞ্জুর করেছেন। আজকে কারা কর্তৃপক্ষ আমাকে আপনার কাছে পাঠিয়েছেন ওই বিষয়ে আমার বক্তব্য আপনার মাধ্যমে রেকর্ড করতে। আমি বিবেকের তাড়নায় পূর্বের প্রদত্ত দোষ স্বীকারোক্তির সঙ্গে আজকের বক্তব্য পেশ করিতেছি।
জোট সরকারের শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর বাসা থেকে নেওয়া ১৫টি গ্রেনেড দিয়ে ওই দিন শেখ হাসিনার জনসভায় হামলা চালানো হয়। ওই হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বিএনপির সংসদ সদস্য মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের মাধ্যমে জঙ্গি নেতাদের সঙ্গে জোট সরকারের প্রতিনিধি ও তারেক রহমানের পরিচয় হয় এবং হাওয়া ভবনে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বৈঠক হয়।২০০১ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরাজিত হলে বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে সরকার গঠন করে। তখন বিএনপির সঙ্গে আমাদের সংগঠনের সম্পর্ক আরো জোরদার করার লক্ষ্যে হুজির আমির মাওলানা আবদুস সালাম, শেখ ফরিদ, মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বক্কর, জাহাঙ্গীর বদর (জান্দাল), চট্টগ্রামের এমপি সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও কুমিল্লার মুরাদনগরের এমপি কায়কোবাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমাদের আমির আবদুস সালাম তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা ১৯৯৬ সালে ধানখালীতে গ্রেপ্তার হওয়া ৪১ জনকে হাইকোর্ট থেকে জামিনের ব্যবস্থা করে দেন। এইভাবে তাঁদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত থাকে এবং তাঁরাও সহায়তা করতে থাকেন।
২০০৩ সালের শেষের দিকে আমাদের আমির আবদুস সালাম, শেখ ফরিদ, মাওলানা তাজউদ্দিনের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের যোগাযোগ হয়। তাঁরা বাবর সাহেবের বেইলি রোডের সরকারি বাসায় যান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জি কে গাউস, কমিশনার আরিফ (সিলেট), মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বক্কর ওরফে আবদুল করিম। আমিও উপস্থিত ছিলাম। সেখানে আমির সাহেবের সঙ্গে আলোচনার পর জি কে গাউস এবং আরিফকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর সিলেটে কাজ করে যাওয়ার জন্য বলেন। এরপর সিলেটে স্থানীয় বিএনপি ও হরকতের লোকরা বিভিন্ন জায়গায় গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায়।
২০০৪ সালের প্রথমদিকে হুজির একটি মিটিং হয়; যেখানে উপস্থিত ছিলেন আমির আবদুস সালাম, মাওলানা শেখ ফরিদ ও জান্দাল। মিটিংটি হয় মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হুজির অফিস দারুল আরকান মাদ্রাসায়। মিটিংয়ে আবু বক্কর, মাওলানা ইয়াহিয়াও উপস্থিত ছিলেন। মিটিংয়ে কিভাবে তারেক রহমান ও বাবরের সঙ্গে কথা বলা যায় সে আলোচনা হয়। পরে মোহাম্মদপুর সাতমসজিদে মাওলানা আবদুস সালাম, মাওলানা আবদুর রউফ, মাওলানা তাজউদ্দিন, কাশ্মীরী নাগরিক আবদুল মাছেদ ভাটসহ একসঙ্গে পরামর্শ করে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করি। মাওলানা তাজউদ্দিন গ্রেনেড সরবরাহ করার দায়িত্ব নেন। তাজ ভাই বলেন, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ও প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর আমাদের সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন। তারেক রহমানের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর একদিন (তারিখ ও সময় মনে পড়ছে না) মুরাদনগরের এমপি কায়কোবাদ সাহেব আমাদের হাওয়া ভবনে নিয়ে গিয়ে তারেক রহমান ও হারিছ চৌধুরী সাহেবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। আমরা আমাদের কাজকর্মের জন্য তাঁদের সাহায্য ও সহযোগিতা চাইলে তারেক রহমান সর্বপ্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এরপর আমরা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাদের হত্যার জন্য মোহাম্মদপুরসহ আরো কয়েক জায়গায় গোপন মিটিং করি।
২০০৪ সালের আগস্ট মাসে (তারিখ স্মরণ নাই) সিলেটে গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে ঢাকার মুক্তাঙ্গনে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সভার সংবাদ জানতে পারি। সেখানে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেই। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য পুনরায় তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত হয়। আমি মাওলানা আবু তাহের, শেখ ফরিদ, মাওলানা তাজউদ্দিন, মাওলানা রশিদসহ আল মারকাজুলের গাড়িতে করে হাওয়া ভবনে যাই। সেখানে হারিছ চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, জামায়াতে ইসলামের আলী আহসান মুজাহিদ, ব্রিগেডিয়ার রেজ্জাকুল হায়দার, ব্রিগেডিয়ার আবদুর রহিমকেও উপস্থিত পাই। কিছুক্ষণ পর তারেক রহমান আসেন। আমরা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর হামলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তাঁদের সহায়তা চাই। তখন তাঁরা আমাদের সকল প্রকার প্রশাসনের সহায়তার আশ্বাস দেন।
তারেক সাহেব বলেন যে, আপনাদের এখানে আর আসার দরকার নাই। আপনারা বাবর সাহেব ও আবদুস সালাম পিন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজ করবেন। তাঁরা আপনাদের সকল প্রকার সহায়তা করবে।
১৮ আগস্ট আমি আহসান উল্লাহ কাজল, মাওলানা আবু তাহেরকে নিয়ে আবদুস সালাম পিন্টুর ধানমণ্ডির সরকারি বাসায় যাই। সেখানে আবদুস সালাম পিন্টু, বাবর, মাওলানা তাজউদ্দিন, কমিশনার আরিফ ও হানিফ পরিবহনের হানিফ উপস্থিত ছিলেন। পিন্টু ও বাবর বলেন যে, কমিশনার আরিফ ও হানিফ সাহেব আপনাদের সকল প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করবে এবং আমাদের সকল প্রকার নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। সে মোতাবেক ২০ আগস্ট জান্দাল ও কাজল আবদুস সালাম পিন্টুর বাসা থেকে ১৫টি গ্রেনেড ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করে বাড্ডার বাসায় নিয়ে আসেন। পরদিন ২১ আগস্ট আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে গ্রেনেড হামলা চালাই।



২১শে আগস্ট ‘গ্রেনেড হামলা দিবসে’বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বিবৃতি২০০৪ সালের ২১শে আগস্টের গ্র...
20/08/2026

২১শে আগস্ট ‘গ্রেনেড হামলা দিবসে’বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বিবৃতি

২০০৪ সালের ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা বাংলাদেশের ইতিহাসের নৃশংস কলঙ্কিত অধ্যায়। এই হামলা আমাদের গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে ধ্বংস করে সংঘাতের রাজনীতিকে আবারও মূলধারায় নিয়ে আসে, যার সূচনা হয়েছিল ১৫ই আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার মাধ্যমে। আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়, বাংলাদেশে আমরা নাকি গণতন্ত্র হত্যা করেছি। নতুন প্রজন্মকে বলতে চাই, তোমরা নির্মোহভাবে ইতিহাস চর্চা কর; দেখ ১৫ই আগস্ট কারা করেছে? সুরক্ষিত কারাগারে কারা জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে? কারা সামরিক শাসন কায়েম করে অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল? কারা ইনডেমনিটি আইন করেছিল? কারা কিংস পার্টি গঠন করেছিল? কারা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে গ্রেনেড মেরে নির্মূল করে নিজেদের ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করতে চেয়েছিল?

এই বিস্মরণযোগ্য দিনে আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২১শে আগস্টের ভয়াবহ হামলায় শহীদ হওয়া সকল নেতাকর্মী ও নিরীহ মানুষকে। একই সাথে, যারা হামলায় পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং আজীবন যন্ত্রণা বহন করছেন, তাদের প্রতি রইল আমার গভীর সমবেদনা।

বাংলাদেশকে স্বাধীনতাপরিপন্থী রাজনৈতিক ধারায় যারা পরিচালিত করতে চেয়েছে বারবার, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর তারাই রাজনৈতিক মঞ্চে আবির্ভূত হয়। মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে আমাকে হত্যা ও আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চক্রান্তই হচ্ছে পাঁচই আগস্টের প্রধান উদ্দেশ্য। এর আরও প্রমাণ, ৫ই আগস্টের পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী হত্যা; তারা শারীরিক হামলা ও ভিত্তিহীন মামলার শিকার হচ্ছেন।

অতীতের মতো সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং একটি অসাম্প্রদায়িক, আধুনিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমরা অবিচল।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

17/08/2026

"যাদের পুরাতন হারিকেন আছে, মুছে পরিষ্কার করে রাখেন" – তীব্র লোডশেডিংয়ে লাইনম্যানের পরামর্শ

'sAdvice

Address

Natore
6400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নাটোর জেলা আওয়ামী লীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share