12/07/2023
আজ খুব করে মনে পড়ছে লাইফ কেয়ার ম্যাটসে কাটানো মুহুর্ত গুলো।বিশেষ করে হোস্টেলের কাটানো সময়টাকে মিস করছি।
মনে পড়ে প্রতিটা রাতের কথা,যেখানে আনন্দের সবটা ছিলো,, ছিলো মাঝরাতে ঘুমের ডিস্টার্ব করা বন্ধুদের মজাগুলো।
রাকিব স্যারের সাথে কথা বলতে বলতে ফজরের আজান দিয়ে দিতো,স্যারের সাথে গল্প শেষ হতোনা।আমি,,আমার প্রিয় বন্ধু রিশাদ আর স্যার,,কত রাত আমরা বসে বসে কথা বলতাম।কত কথা,কত আলাপ।
স্যারের হাতের ডিমের ভর্তা খেতাম,,নতুনরা স্যারকে রিকোয়েস্ট করতে পারেন।
মনে পড়ে রহিম আঙ্কেলের সাথে আর মিন্টু মামার সাথে কাটানো মুহুর্তগুলো,,অফিসের টিভিতে একসাথে বসে খেলা দেখা,,চানাচুর মুড়ি মাখিয়ে খাওয়া আরো কত কি।
মনে পড়ে যায়,জন্মদিনের করা প্রতিটা রাত,যেখানে ভিন্ন এক আবহ তৈরী হতো হোস্টেল জুড়ে।
বড় ছোটো সবাই মিলে একসাথে বারবিকিউ পার্টিগুলো মনে পড়ে যায়।
ক্লাসের রাকিব স্যার আর হোস্টেলের রাকিব স্যার যেনো আলাদা জগতের দুটি মানুষ।
মনে পড়ে যায় পড়ালেখার তীব্র প্রতিযোগিতা।
বিশেষ করে আমাতের ব্যাচের পড়ালেখার প্রতিযোগীতা ছিলো চরমে।আমরা যত বন্ধুই হই, কিন্তু এক্ষেত্রে সবাই সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে চাইতাম।
ভিপি নির্বাচনের মজার কাহিনীটা হয়তো আর হবে না।কারন সেখানে তো নোমান নেই আর।
মনে পড়ে খালুর থেকে টিফিন বাটি উঠানোর আর খালার রান্না নিয়ে শুধু অভিযোগের ব্যাপারগুলো।
দরজায় একটা সিগনাল ছিলো,,হোস্টেল চেক করতে স্যারেরা আসলে আমরা বুজে যেতাম।
আহ কি সময় ছিলো।।খুব মিস করি।নতুনদের কাছে আবদার,প্লিজ,,সৌন্দর্য গুলো বাঁচিয়ে রাখুন।ছাদের উপর একপাশে মাটি দিয়ে করা ছোট্ট বাগানটা রাকিব স্যার,,আমি,রিশাদ আর জিয়া মিলে করেছিলাম।পারলে যত্ন নিয়েন।
জানিনা বাগানটা আছে কিনা বা ছাদের টবগুলোতে গাছে আছে কিনা।যদি থাকে একটু পানি দিয়েন গাছে।
কিছুদিন আগে কলেজে প্রোগ্রাম ছিলো,,রহিম আঙ্কেল নিজে ফোন করেছেন,দাওয়াত করেছেন।আসতে পারিনি।তাই রহিম আঙ্কেল ও রাকিব স্যারের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমার আবেগ এইসব অনুষ্ঠানে।প্রোগ্রামগুলো উপস্থাপনা আমি আর রিশাদ করতাম।
ক্লিনিকের ব্যস্ততা আর দূরত্ব বেশি হওয়ায় প্রোগ্রামে আসতে পারিনি।ইনশাআল্লাহ্,,সামনের প্রোগ্রামগুলোতে থাকবো।
স্যারদের সম্মান করুন,,,ভালোবাসুন প্রিয় ক্যাম্পাসকে।খুব তাড়াতাড়ি দেখা হবে সবার সাথে।
-----------
ডাঃনুর উদ্দিন।
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও ক্লিনিক্যাল ইনচার্জ,,
বিজিএমইএ ডিরেক্টরেট চ্যারিটেবল ক্লিনিক।