07/05/2025
এই সংগঠনটির সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ করে দিন। এদের বিষদাঁত ভেঙে শিকড়হীন করুন।
সৃষ্টিকর্তা সহায় হয়েছেন বলেই দেশের এই অভ্যন্তরীন গঠনব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারত নামধারী প্রতিবেশীদের ধস্তাধস্তি জাবরদস্তির সময় ড. মুহাম্মদ ইউনুস স্যার ক্ষমতায়।
মানে এমন একটা অবস্থা নিজের হাতে নিজেই কামর দেওয়ার মতোই প্রতিবেশীর। ওরা পারলে, বলতে ইতিমধ্যে চেষ্টাও করেছে একটি দলকে দিয়ে মাঠ গরম করার প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসকে যেকোনো মুল্যে সরাতে হবে। প্রয়োজনে স্বার্থ হাসিলের জন্য ওরা ওদের চিরশত্রু জামায়াতে ইসলামীর সাথেও বসবে বা বসতে রাজি হবে। ওরা ওই হিন্দুত্ব বাদী উগ্রবাদীদের নেতা নরেন্দ্র মোদি সবার সাথে খেলতে পারবেন, যেকোনো তকমা লাগিয়ে চাপের মধ্যে রেখে নিজের স্বার্থ করে নিবে বা নিতে পারবে শুধুমাত্র ড. মুহাম্মদ ইউনুস ছাড়া।
আপা ভারত মনে করেছিল বাংলাদেশকে আস্তে আস্তে ভোগ করবে। সবকিছু ঠিকঠাকই ছিল, হঠাৎ হাসিনার পতন ও পলায়ন ভারতকে ভাবায়নি। ভাবিয়েছে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস ইন হওয়া। এটা উগ্র হিন্দুত্ববাদী মোদির কাছে একটি ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের মতো। ওই বেটা বুঝতেই পারছে না কি থেকে কি হয়ে গেল। বাংলাদেশে মুহাম্মদ ইউনুসের ক্ষমতায় আসায় মেদি চরম শকট। এক প্রকার কান তালি লাগার মতো অবস্থায় আছে মোদি। তার ঘোর যেন কাটছেই না। সবসময় একটা অশান্তি অস্থিরতা এইটা কী হইলো কিভাবে হয়ে গেল।
বাংলাদেশে দশটা প্রধানমন্ত্রী হোক ওদের দ্বিমত নেই, ওরা দশ জনকেই বলবে হ্যা আমরা তোমাদের পাশে আছি থাকবো। টাকা পয়সা সহ কোনো সময় প্রয়োজন মনে করলে বিরক্ত হবো না। সবাইকে একই ছবক দিবে বাবারে বাবা তোরা খালি এই প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস স্যারকে সরা। আর মনে মনে বলে সরানা বেটা বাকীটা আমি বা আমরা দেখবো।
চলবে...