13/08/2026
আমাদের পেজে চোখ রাখুন, কারণ যা শুনতে যাচ্ছেন তা শুনলে আপনার চোখ ছানাবড়া হয়ে যাবে! সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে এক ভারতীয় বাঙালি ভাই আমাদের সাথে যোগাযোগ করে এমন এক খবর দিয়েছেন, যা চেপে রাখার ক্ষমতা আমাদেরও নেই।
নিচে তার পাঠানো হুবহু চ্যাট বার্তাটি তুলে ধরা হলো:
"দাদা নমস্কার! আমি সিঙ্গাপুরের অর্চার্ড রোডে একটা বুটিক শপ চালাই। আপনাদের পেজ নিয়মিত ফলো করি, তাই ভাবলাম এই ঘটনাটা আপনাদের না জানালে পেটের ভাত হজম হবে না।
গতকাল সকালে একটু চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে নামি আর ব্যয়বহুল প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়েছিলাম। ভিআইপি লাউঞ্জে কফি খাচ্ছি, এমন সময় দেখি ৫-৬ জন সুঠাম দেহের গ্যাংস্টার মার্কা চেহারার লোক চারপাশে ঘুরঘুর করছে। গায়ে কেতাদুরস্ত স্যুট, চোখে দামি সানগ্লাস, কিন্তু মুখগুলো একদম শুকিয়ে চুন! কথাবার্তার টানেই বুঝে গেলাম এরা খাঁটি বাংলাদেশী।
আমার তো গোয়েন্দা পোকা নড়ে উঠলো! লাউঞ্জের এক পুরোনো স্টাফকে গোপনে ডেকে একটু গুঁজো দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ব্যাপার কী ভাই? প্রেসিডেন্ট নাকি রাজপরিবারের কেউ আসলো নাকি?’
সে এদিক-ওদিক তাকিয়ে একদম ফিসফিস করে কানে কানে বলল, ‘আরে না দাদা! গতকাল শেষ রাতে বাংলাদেশ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে চরম গোপনে এক বিরাট বড় সেনা অফিসারকে আনা হয়েছে। অবস্থা খুবই টাইট, প্রায় আইসিইউ-তে লাইফ সাপোর্টে!’
শুনে তো আমার হাত থেকে কফির কাপ পড়ে যাওয়ার জোগাড়! অগত্যা সোজাসুজি ৬ তলার আইসিইউ ফ্লোরে যাওয়ার ট্রাই মারলাম। কিন্তু বাপরে বাপ! পুরো ফ্লোর যেন সেনানিবাস বানিয়ে রাখা হয়েছে। বাঘা বাঘা গার্ড, আর স্টাফদের মোবাইল পর্যন্ত জমা নিয়ে রাখা হয়েছে যাতে একটা খবরও বাইরে না ফাঁসে।
আমি তাও দূর থেকে এক কর্নারে দাঁড়িয়ে স্পাই মুভির মতো পকেট থেকে ফোন বের করে একটা ঝাপসা স্ন্যাপ মারার চেষ্টা করি। কিন্তু ওখানকার এক বাউন্সার এমনভাবে তাকালো, মনে হলো এখনই আস্ত গিলে খাবে! আমি আর রিস্ক না নিয়ে সটান কেটে পড়লাম।"
মেসেজটা পাঠানোর পরপরই সেই ভাই ‘আমার আর ফ্যামিলির লাইফ থ্রেটে আছে’ বলে আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করে হাওয়া হয়ে গেছেন!
তবে যা রটে তার কিছু তো বটে! এত বড় মাপের সেনা অফিসারকে নিয়ে সিঙ্গাপুরে কেন এত কানামাছি খেলা হচ্ছে? আসল ঘটনা ঢাকা দিতে কতদিন আর হাসপাতাল সিল করে রাখা যাবে? সত্য কিন্তু শিগগিরই বের হয়ে আসবে, কক কক!