10/12/2020
আয়কর রিটার্ন জমার খুঁটিনাটি
রিটার্ন সংক্রান্ত কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে বা কোনও খটকা থাকলে, তা মিটিয়ে নিতে হবে দ্রুত। না-হলে বিপদে পড়বেন। সেই জন্যই আজকের এই আলোচনা।
করোনার দাপট বহাল। আর তার মধ্যেই অব্যাহত ছন্দে ফেরার চেষ্টা। কাজকর্মে, রাস্তাঘাটে, দোকান-বাজারে। লকডাউনে থমকে যাওয়া জীবন তাই এখন অনেকটা সচল। তা হলে রিটার্ন জমা নিয়ে খামোখা আলসেমি কেন? অতিমারির কারণে এ বার আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য বাড়তি সময় দিয়েছে সরকার। কিন্তু সেটাও ফুরিয়ে আসার মুখে। তাই রিটার্ন সংক্রান্ত কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে বা কোনও খটকা থাকলে, তা মিটিয়ে নিতে হবে দ্রুত। না-হলে বিপদে পড়বেন। সেই জন্যই আজকের এই আলোচনা।
কবে জমা
এমনিতে প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তার আগের অর্থবর্ষের রিটার্ন জমা দিতে হয়। ২০১৯-২০ সালের আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য এ বার প্রথমে তা বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর করেছিল কেন্দ্র। পরের ধাপে সেই মেয়াদ বেড়ে হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর। অর্থাৎ, হাতে আর তিন সপ্তাহ। এর মধ্যেই সমস্ত কাগজপত্র গুছিয়ে নিতে হবে। শেষ করে ফেলতে হবে হিসেব। কোনও কর দেওয়া বাকি থাকলে, সেটাও দিয়ে দিতে হবে এই ২১ দিনেই। তার পরে নিশ্চিন্তে বসে রিটার্ন জমা দিতে হবে। সেই সঙ্গে সারতে হবে ভেরিফিকেশনের কাজও। পুরো বিষয়টি জটিল মনে হলে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে পারেন।
রিটার্ন দাখিল কেন
এটা ঠিক যে কর দিতে না-হলে রিটার্ন জমা না-দিলেও চলে। তবে অনেক ক্ষেত্রে তা দাখিল করে রাখতে পারলে ভাল। কিছু ক্ষেত্রে আবার এটা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলকও। সাধারণত যে সমস্ত কারণে রিটার্ন দেওয়ার কথা বলা হয়, তার মধ্যে রয়েছে—
• মোট রোজগার করমুক্ত আয়ের থেকে বেশি হলে।
• একাধিক সূত্র, যেমন গৃহসম্পত্তি, মূলধনী লাভ থেকে আয় হলে।
• যদি আয়কর রিফান্ড পাওয়ার কথা থাকে।
• যদি বিদেশে সম্পত্তি কিনে থাকেন কেউ এবং সেখান থেকে কোনও রোজগার করে থাকেন।
• যদি বিদেশে যেতে ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়।
• ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণের জন্য আবেদন করতে চাইলে।
• লাভ হোক বা না হোক, লিমিটেড কোম্পানি এবং অংশীদারি ফার্মকে রিটার্ন ফাইল করতেই হয়।