06/02/2026
দেশ আজ ক্লান্ত।
দেশ আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত।
দেশ আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে দিশেহারা।
এই দখলদার ইউনুস শুধু অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসেনি, দেশের প্রতিটি সেক্টরকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। প্রতিটি মানুষের জীবন, নিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ সবকিছুর ওপর আঘাত করেছে এই দখলদার ইউনুস।
এই অমানবিক বাস্তবতা থেকে বের হতে হলে, ক্যান্সারে আক্রান্ত ধুকতে থাকা প্রিয় স্বদেশকে বাঁচাতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ফিরে আসবে, আসতেই হবে। এটা আজ কোনো রাজনৈতিক দাবি না, এটা দেশপ্রেমিক মুক্তিকামী বাঙালি জাতির আকুল আবেদন।
আইনশৃঙ্খলা:
দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে রাস্তাঘাটে মানুষ নিরাপদ না, ঘরে মানুষ নিশ্চিন্ত মনে ঘুমাতে পারছে না। মব সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, হামলা সবকিছু এতোটাই নিয়মিতভাবে ঘটছে যে মানুষ দিশেহারা হয়ে গেছে। কবরের লাশ পর্যন্ত এখন অনিরাপত্তায় ভোগে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও আজ অসহায়। মানুষ সন্তানকে বাইরে পাঠাতে ভয় পায়। ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে, সুস্থভাবে বাসায় ফিরতে পারবে কিনা সেই নিশ্চয়তা নেই। এই অনিরাপদ বাংলাদেশে আবার নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হলে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব দরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এই অরাজকতা থামানোর কেউ নেই।
দ্রব্যমূল্য:
ইউনুসের দখলদার শাসনে চাল-ডাল-তেল-সবজির দাম আকাশচুম্বী। বাজারে গিয়ে মা হিসাব করে, আজ কী বাদ দেবে? সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে খাবার কমাতে হয়। কোনভাবে বাজার করে বাসায় ফিরলেও রান্না করে খাওয়ার উপায় নেই, গ্যাস নেই। রান্নাঘরের আগুন আজ রাষ্ট্রের ব্যর্থতার প্রমাণ। এই লাগামহীন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে শক্ত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা দরকার যেটা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ছাড়া সম্ভব না।
অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান:
দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে কারখানা বন্ধ, ব্যবসা ধুঁকছে, বিনিয়োগ থেমে গেছে, তরুণদের হাতে কাজ নেই। শিক্ষিত যুবক ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছে না, পরিবার তার দিকে তাকিয়ে হতাশ। অর্থনীতি যখন ভেঙে পড়ে, তখন শুধু টাকা না মানুষের স্বপ্নও ভেঙে পড়ে। একসময় যে পুরো সংসারের হাল ধরেছিল, সে-ই এখন সংসারের বোঝা! এই অর্থনৈতিক ধ্বংস থামাতে হলে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরীক্ষিত রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরতেই হবে।
মানুষের নিরাপত্তা ও মানবিক অধিকার:
ইউনুসের শাসনে মানুষ শুধু অনিরাপদ না, প্রতিটি পদে পদে মানুষ অপমানিত, নির্যাতিত, অসহায়। বিনা অপরাধে মামলা, গ্রেপ্তার, মাসের পর মাস কারাগারে বন্দিত্ব, প্রিয়জনের জানাজায় যাওয়া