18/01/2021
ফজরে নিয়মিত হওয়ার জন্য একটা "চ্যালেঞ্জ" নেওয়া যেতে পারে।ত্রিশ দিনের চ্যালেঞ্জ।এই ত্রিশ দিনে তিন রকম ফলাফল পাওয়া যেতে পারে।
#প্রথম_দশ_দিনঃ এই দশ দিনে এক প্রকার "জোর" করেই ফজরে জেগে উঠুন।যেভাবেই হোক জেগে উঠুন।হোক অ্যালার্ম দিয়ে।হোক অন্যকে বলে রেখে।লক্ষ্য একটাই-ফজর সালাত আপনি পড়বেনই।
#মাঝের_দশ_দিনঃ প্রথম দশ দিন টানা জামাআতে ফজর সালাত আদায় করতে পারলে মাঝের দশ দিনে আপনি এমনিতেই ফজরে জাগতে পারবেন।কারন,আপনি একটি রুটিনের মধ্যে চলে এসেছেন ইতোমধ্যে। এই দশ দিন ফজরে জাগার জন্য আপনাকে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না।দেখা যাবে,ফজরে জাগার জন্য আপনি রাতে আগে আগে ঘুমাতে চলে যাচ্ছেন। ঘুমের পূর্বের দুঅাগুলো পাঠ করছেন।'ফজরে জাগবে মর্মে'নিয়ত নিশে ঘুমোতে যাচ্ছেন যার ফলে ফজরে জাগা এখন আপনার জন্য অধিকতর সহজ।
#শেষের_দশ_দিনঃ এই দশ দিনে আপনি অন্য রকম একটা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন।ফজরের জন্য আপনি তো এখন জাগবেনই, অধিকন্তুু,আপনি এখন ফজরের ওয়াক্তের ২০ থেকে ২৫ মিনিট আগে উঠে যেতে পারবেন।এই সময়গুলোতে আপনি তাহাজ্জুদ সালাত পড়বেন।জায়নামাজে আল্লাহর কাছে সঁপে দেবেন নিজেকে।এই দশ দিনে এক অন্য মানুষে পরিনত হবেন আপনি।ফজরে নিয়মিত হয়ে যেতে পেরে এখন তাহাজ্জুদের জন্য আপনার মন ব্যকুল হয়ে থাকবে।আপনার মনে হবে,'ফজরের বিশ মিনিট আগে জেগে যদি তাহাজ্জুদটা পড়া যায়,অন্তত দুই রাকাআত, তা-ই বা কম কীসে?জাগবই যখন,আরেকটু আগেই না হয় জাগলাম '।
এই '৩০ দিনের চ্যালেঞ্জ'টা একবার নিয়ে দেখুন।আমি মনে করি আপনার জীবনে পরিবর্তন করে দিতে এই পদ্ধতি কার্যকরী ভূমিকা রাখবে,ইনশাআল্লাহ।
ফজরে জাগার জন্য সবার আগে যা দরকার তা হলো ইচ্ছা। ইচ্ছা থাকলে বাকি আয়োজন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা ব্যবস্থা করে দেন।আর যদি ইচ্ছেই না থাকে,তাহলে শয়তানের শিকল-বন্দী হয়ে দিন পার করা ছাড়া আর গতি কী??
ফজর ছেড়ে দিলেন তো হেরে গেলেন।হেরে যেতে কে চায় বলুন দুনিয়ায়??
চলুন দৃঢ় সংকল্প করি--"ইন শা আল্লাহ, আগামীকাল থেকে কখনোই আমি ফজর সালাত কাযা করব না"
আরিফ আজাদ(বেলা ফুরাবার আগে)