পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখা।

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখা। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখা।, Political organisation, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, Rajshahi.

জুম্ম জাতীয় জাগরণের অগ্রদূত, মহান নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতাপ্রতিযোগি...
23/08/2026

জুম্ম জাতীয় জাগরণের অগ্রদূত, মহান নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা

প্রতিযোগিতার বিভাগ ও বিষয়:
১. অষ্টম থেকে দশম শ্রেণি
বিষয়: “পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জুম্ম জাতির জীবন ও জীবিকা” (ন্যূনতম ৮০০ শব্দ।)
২. একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি
বিষয়: “জুম্ম জাতীয়তাবাদ ও এম. এন. লারমা”
(ন্যূনতম ১০০০ শব্দ।)
৩. অনার্স ও মাস্টার্স
বিষয়: “মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার জীবন ও দর্শন” (ন্যূনতম ১৫০০ শব্দ।)

প্রবন্ধ জমাদানের শেষ তারিখ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লেখা পাঠানোর ঠিকানা:
ই-মেইল: [email protected]
কেন্দ্রীয় কার্যালয়
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি
কল্যাণপুর, রাঙ্গামাটি

প্রয়োজনে: 01602-015553, 01810-270115

প্রবন্ধের সঙ্গে প্রতিযোগীর নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, শ্রেণি/বর্ষ, মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।

জুয়েল চাকমা
সদস্য সচিব
এম. এন. লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটি-২০২৬

আসন্ন নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬ উপলক্ষে পিসিপি রাজশাহী মহানগর কর্তৃক রাজশাহী বিশ্ববিদ্...
14/08/2026

আসন্ন নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬ উপলক্ষে পিসিপি রাজশাহী মহানগর কর্তৃক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় ও আলোচনা সভা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ০৯ আগস্ট ২০২৬বিশ্ব আদিবাসী দিবস-২০২৬ ডীনস্ কমপ্লেক্স ভবন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়...
09/08/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
০৯ আগস্ট ২০২৬
বিশ্ব আদিবাসী দিবস-২০২৬
ডীনস্ কমপ্লেক্স ভবন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর, আদিবাসী ছাত্র পরিষদ রাবি, গারো শিক্ষার্থী পরিবার রাবি, আদিবাসী স্টুডেন্টস্ এ্যাসোসিয়েশন অব রাজশাহী ইউনিভার্সিটিসহ আদিবাসী ৪ সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে "Honouring Indigenous Midwives: Safeguarding Life and Well-Being"-প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত র‍্যালি ও আলোচনা সভা সম্পন্ন।

সভায় সঞ্চালনা করেন তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী উবাথোয়াই মারমা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শিক্ষার্থী ইন্দ্রজিৎ বেদ। উত্তরীয় পরিধানের মধ্য দিয়েই অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা শুরু হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা ফোকলোর এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আমীরুল ইসলাম কনক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: গোলাম সারওয়ার, নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অভিজিৎ রায়। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কালচারাল একাডেমির পরিচালক হরেন্দ্র নাথ সিং মহোদয়। আরো উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী ৪ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পিসিপি রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি সুমন চাকমা। এছাড়াও আদিবাসী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গারো শিক্ষার্থী পরিবার রাবির সভাপতি জেমস অর্ণব নিজ সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। কেননা এই দিনে আমরা সবার একক পরিচয় জানতে পারি। আমরাও স্বতন্ত্র জাতি তার প্রমাণ দেয়া যায়। তিনি আদিবাসী আদিবাসীদের বিভিন্ন বৈষম্য, অধিকারসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করেন।

আদিবাসী ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিথী এক্কা তার বক্তব্যে আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি করেন। আদিবাসীদের চিকিৎসা সেবা, শিক্ষাসেবা সহ মৌলির অধিকারের দাবি তুলে ধরেন। রাষ্ট্রের কাছে আদিবাসীদের ভূমি অধিকার দাবি রাখেন এবং সহযোগিতামূলক আচরণ প্রত্যাশা করেন।

আদিবাসী স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব রাজশাহী ইউনিভার্সিটির সভাপতি প্রিন্স হেমন্ত টুডু বলেন, ১৯৯৪ সাল থেকে আমাদের দেশে আদিবাসী দিবস পালিত হয়ে আসছে। তিনি আরো বলেন এটি শুধুমাত্র এক দিনে সীমাবদ্ধ নয়, এখানে আমাদের অস্তিত্ব, অধিকার সবকিছু জড়িয়ে আছে। রাষ্ট্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি কোটা কী, কেন এবং কার জন্য এবং এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন দেশে আদিবাসী জনগোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে উপজাতি, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী বলা হয়। রাষ্ট্রের উচিত সাংবিধানিকভাবে সবাইকে অধিকারভিত্তিক স্বীকৃতি প্রদান করা।

আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শীত কুমার উঁরাং বলেন, প্রতিটি মানুষের সম্মান ও অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে কেউ নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ হবে না। আমরা এমন কোনো বাংলাদেশ চাই না যেখানে আদিবাসীদের অস্বীকার করা হয়। আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটা অঞ্চলের মতো আদিবাসীরাও মৌলিক অধিকার ভোগ করবে। আদিবাসীদের ন্যায্য অধিকার অর্জিত হোক এ কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।

জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, রাজশাহীর সুভাষবচন্দ্র হেমব্রম বলেন, ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে সমতলের আদিবাসীদের পক্ষ হয়ে কাজ করে আসছে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ। আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা এই রাষ্ট্রের নাগরিক কিন্তু রাষ্ট্রই এই দিবস পালন করে না। রাষ্ট্র কর্তৃক আদিবাসীদের নিয়ে কোনো যৌক্তিক পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাইনি। রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে আদিবাসীদের সাথে হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে হতাশ করেছে। আমাদের কখনো সংখ্যালঘু, কখনো উপজাতি আবার কখনো ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ইত্যাদি ইত্যাদি শুনতে হয়।

ইপিজেড করার নামে আদিবাসীদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। শুধু উচ্ছেদ নয় হত্যা পর্যন্ত করা হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সমতলে আদিবাসীরা একই পরিস্থিতির স্বীকার। আমরা বরাবরই বলব, আদিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের মূলসনদখ্যাত পার্বত্য চুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে সাথে সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করতে হবে।

রাজশাহী বিভাগীয় কালচারাল একাডেমির পরিচালক হরেন্দ্রনাথ সিং বলেন, এটি আন্দোলনের দিন, উদযাপনের দিন, অধিকার আদায়ের দিন। অধিকার কেউ কাউকে দেয় না, আদায় করে নিতে হয়। রাষ্ট্রের কাছে আমাদের যে চাওয়া পাওয়া সেটা আমাদের আদায় করে নিতে হবে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অভিজিৎ রায় বলেন, আদিবাসী জীবন ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান সুরক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের বেশি এগিয়ে আসতে হবে তারাই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা বা অবদান রাখতে পারবে। নিজেদের রিপ্রেজেন্টেশন বাড়ানোর জন্য আমাদের ইংরেজি ভাষায়ও দক্ষ হতে হবে যাতে সারা বিশ্বে আমরা রিপ্রেজেন্ট করতে পারি। যার যার জায়গা থেকে এডুকেশনকে বাড়াতে হবে। অতীতের তুলনায় আমরা বর্তমানে অনেক এগিয়ে আছি। তিনি আদিবাসীদের অবস্থানকে বোঝানোর জন্য ভারতের রাষ্ট্রপতির কথাও বলেন।

ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: গোলাম সারওয়ার বলেন, আগে রাষ্ট্র ছিল না, ছিল শুধু সমাজ। আদিবাসী সমাজ আমাদের কৃষিকাজ শিখিয়েছে। ঔপনিবেশিক সমাজ যখন আমাদের এখানে আসলো তখন রাষ্ট্রচিন্তা শুরু হয়। তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্র কখনো সবার হয় না। রাষ্ট্র বিশেষ একটা শ্রেণি বা গোষ্ঠীর। আদিবাসীরা কখনো ঔপনিবেশিক শাসনকে মেনে নিতে পারেনি তাই বিখ্যাত আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে আদিবাসীরা ইতিহাসে আজও বিখ্যাত হয়ে আছেন।
জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম পাহাড় ও সমতলের আদিবাসীদের মধ্যে একটা বিশাল পরিবর্তন আসবে কিন্তু বাস্তবতা আদিবাসীদের অনুকূলে ছিল না। পূর্বের তুলনায় বর্তমান সরকারের আমলেও বরাবরই আমরা আদিবাসীদের হারানোর বেদনাটাই বেশি দেখতে পেয়েছি। আদিবাসীদের, নিপীড়িত মানুষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যদি আন্দোলনে আসা যায় তবে আন্দোলনের জোর বৃদ্ধি পাবে।

বরাবরই আমরা দেখতে পাই ক্ষমতাসীনরাই সবসময় ভূমি বেদখল করেছে। পাহাড় সমতলের আদিবাসীদের নিজেদের মধ্যকার দ্বন্দের অবসান হলেই আমরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করতে পারব। তবেই আমরা একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলতে পারব। মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ের ৭২ এর সংবিধানে আমরা দেখতে পেয়েছি তাদেরকে "বাঙালি" হয়ে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু আদিবাসীরা সেটি মেনে নেয়নি। এমএন লারমা সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সংসদ থেকে ওয়াক-আউট করেন। ইনক্লুসিভ বাংলাদেশের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশের আদিবাসী অধিকারের জোরদাবি জানিয়ে আলোচনা শেষ করেন।

ফোকলোর এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম কনক আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমরা যে রাষ্ট্রে বসবাস করছি সে রাষ্ট্রের দায়িত্ব সকল জাতির সমঅধিকার নিশ্চিত করা। সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিক যেন মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু রাষ্ট্র তাদের কাছ থেকে জমি কেড়ে নিচ্ছে, নিপীড়ন করছে এবং ক্রমাগত অত্যাচার করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, তাদের ভূমি অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ভূমি কমিশন কার্যকর করা হয়নি। কাপ্তাই বাঁধের মাধ্যমে মূল উর্বর ভূমির অধিকাংশই তারা হারিয়েছে অথচ অনেক প্রত্যন্ত এলাকাতে এখনো বিদ্যুৎ পর্যন্ত পৌঁছেনি। কাপ্তাই বাঁধের ফলে লক্ষাধিক আদিবাসী দেশ ছেড়ে শরনার্থী হিসেবে ভারতে আশ্রয় নিতে নিয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র তাদের আদিভূমিতে ফিরিয়ে আনতে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তিনি আদিবাসীদের স্বতন্ত্র জীবনব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা, রাজাদের সম্পর্কে এবং তাদের অবদান নিয়ে আলোচনা করেন।

সভাপতিত্ব বক্তব্যে পিসিপি রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি সুমন চাকমা ৪ আদিবাসী সংগঠনের আয়োজকবৃন্দদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের মুজিব সংবিধানে আমাদের জাতি হিসেবে অস্বীকার করা হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল বাংলাদেশে বসবাসরত সকলেই "বাঙালি" বলে পরিচিত হবে। দেশের গোড়াতেই যখন সমস্যা তখন গোড়াটাকেই আগে ঠিক হতে হবে।

আদিবাসীদের রক্ষা করতে হলে তাদের স্বতন্ত্র পরিচয়ের স্বীকৃতি দিতে হবে। আদিবাসীদের মধ্যে সংকীর্ণ জাতীয়বাদ পরিহার করে একতাবদ্ধ সংগ্রাম করতে হবে। আদিবাসীদের শোষণ, বঞ্চনার ইতিহাস বলতে গিয়ে তিনি কাপ্তাই বাঁধের কথা বলেন। আশির দশকে তৎকালীন সরকার কর্তৃক জোরপূর্বক সেটেলার বাঙালিদের পুনর্বাসন করা হয়েছিল তা আলোচনা করেন। "সেটেলার" শব্দটি নিয়ে বলেন, এটি আমাদের দেয়া কোনো ট্যাগ নয়, এটি সরকার কর্তৃক সরকারি গ্যাজেটভুক্ত একটি নাম। দীর্ঘ সময় সরকারের সাথে আলোচনার পরে ৯৭ এ চুক্তিতে উপনীত হলেও চুক্তি আজও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা হয়নি। কোন সরকার আজ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক সদিচ্ছায় সমাধানে এগিয়ে আসেনি বরং কৌশলে বিভক্তি করেছিল। তিনি আরো বলেন, আমাদের উন্নয়নের নামে ভূমিচ্যুত করা হয়েছে। পাহাড় ও সমতলে একই চিত্র আমরা দেখতে পাই। আমরা যদি এক হয়ে আন্দোলন করতে না পারি আমাদের আন্দোলন এখানেই থেমে যাবে। আদিবাসী হিসেনে স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য গর্বের। সর্বোপরি তিনি কিছু দাবি উত্থাপন করেন-

রাষ্ট্রের প্রতি দাবি-
১. আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান এবং পাঠ্যপুস্তকে আদিবাসীদের সঠিক ইতিহাস কৃষ্টি ও সংস্কৃতি অন্তর্ভুক্তিকরণ।
২. রাষ্ট্র কর্তৃক জাতিসংঘ ঘোষিত আদিবাসী ঘোষণাপত্রে স্মারককরণ।
৩. আদিবাসীদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রথাগত ভূমি অধিকার নিশ্চিতকরণ।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে।
৫. সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করতে হবে।
৬. পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে সংঘটিত ধর্ষণের বিচার এবং নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দাবি-
১. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য কোটা সিট বাড়ানো।
২. প্রত্যেক আবাসিক হলে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে কমপক্ষে ৩/৪ টি রুম বরাদ্দ রাখতে হবে।
৩. আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য টিএসসিসিতে রুম বরাদ্দ রাখতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে এসব দাবি উত্থাপনের মাধ্যমে আদিবাসী দিবস-২০২৬ এর আলোচনা সভার সমাপ্ত হয়।

বার্তা প্রেরক
প্রাচুর্য্য চাকমা
সাংগঠনিক সম্পাদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস- ২০২৬International Day of the World’s Indigenous Peoples"আদিবাসী জীবন ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান সুরক্ষায়...
08/08/2026

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস- ২০২৬
International Day of the World’s Indigenous Peoples

"আদিবাসী জীবন ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান সুরক্ষায়
এগিয়ে"

“Honouring Indigenous Midwives: Sefeguarding Life and Well-being”

র‍্যালি ও আলোচনা সভা

৯ আগস্ট ২০২৬, রবিবার, বিকাল ৩ ঘটিকা
ডীনস্ কমপ্লেক্স ভবন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আয়োজনে:

★আদিবাসী ছাত্র পরিষদ, রাবি

★গারো শিক্ষার্থী পরিবার, রাবি

★আদিবাসী স্টুডেন্টস এ্যাসোসিয়েশন অব রাজশাহী ইউনিভার্সিটি

★পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ১৯ জুন ২০২৬রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পিসিপির উদ্দ্যোগে বার্ষিক পিকনিক ও পুনর্মিলনী- ২...
19/06/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১৯ জুন ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পিসিপির উদ্দ্যোগে বার্ষিক পিকনিক ও পুনর্মিলনী- ২০২৬ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

আজ ১৯ জুন ২০২৬ শুক্রবার পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখার উদ্যোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রুয়েট ও রাজশাহীতে অবস্থানরত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত আদিবাসী শিক্ষার্থীদের মধ্যকার পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে পিকনিক ও পুনর্মিলনী- ২০২৬ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর এন্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. আমিরুল ইসলাম কনক। আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমির প্রধান জনাব হরেন্দ্রনাথ সিং। উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি সুমন চাকমা, সাধারণ সম্পাদক ময়ন্ত তঞ্চঙ্গ্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাচুর্য্য চাকমা এবং পিসিপির বিভিন্ন পদের নেতৃবৃন্দ।এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।

সঞ্চালনা করেন পিসিপি রাজশাহী মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ময়ন্ত তঞ্চঙ্গ্যা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পিসিপি রাজশাহী মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাচুর্য্য চাকমা।

রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমির প্রধান জনাব হরেন্দ্রনাথ সিং বলেন, আমার অনেকবার সুযোগ হয়েছে এমন সুন্দর আয়োজনে উপস্থিত থাকার। বিশেষ কোনো ব্যস্ততা বা কারণ ব্যতীত প্রতিবারই আসার চেষ্টা করি। এভাবে আপনারা সবসময় মিলেমিশে থাকবেন এই আশা ব্যক্ত করেন।

প্রফেসর ড. আমিরুল ইসলাম কনক তার বক্তব্যে বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮ বছর ধরে পাহাড়ী শিক্ষার্থীদের সাথে আমার পথচলা। তিনি আরাও বলেন, আমার ছাত্র উপদেষ্টা থেকে পদত্যাগ করার অর্থ এই নয় যে আমি পাহাড়ী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। আমি তোমাদের সবাইকে ভালোবাসি তাই চেষ্টা করি তোমাদের যেকোনো প্রোগ্রামে অংশ নেয়ার। সমাজে সবচেয়ে দায়িত্বশীল সমাজের একটা অংশ তোমরা। তাই তোমাদের দায়িত্ব হলো সুশিক্ষিত হয়ে জাতির হাল ধরে জাতিকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তোমরা প্রত্যেকে জাতির কর্ণদ্বার এবং রোল মডেল।

পছনু মারমা তার বক্তব্যে বলেন, আমরা পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে অনেক দূরে পড়াশুনা করতে আসছি। তাই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে আমরা যেন আমাদের শেকড় ভুলে না যায়। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরাই আমাদের আইডল। তাই একজন সচেতন শিক্ষার্থী হিসেবে উচিত সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সকল ক্ষেত্রে জ্ঞান অর্জন করা।

পিসিপি রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি সুমন চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। আমরা ঐক্যবদ্ধ না বলে পাহাড়ে এত এত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। যার কোনো বিচার আমরা আজো পাইনি। অথচ পাহাড়ের অনেক ছেলে-মেয়ে আজো এই গণহত্যা সম্পর্কে জানে না যেটা খুবই লজ্জাকর একটি বিষয়।

আমরা রাজনীতিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করি বা না করি আমাদের উচিত রাজনৈতিক সচেতন হওয়া। আমাদের এ লড়াই অস্তিত্ব টিকে থাকা লড়াই। আমরা যদি পিছিয়ে যায় হেরে যাবে জাতি। তাই প্রবীণ প্রজন্মের চিন্তা বাদ দিয়ে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে ভাবতে হবে এবং এদেরই পাহাড়ের হাল ধরতে হবে। পিকনিকে যারা সার্বিক সহযোগিতায় তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।

আলোচনা শেষে শুরু হয় ছেলে এবং মেয়েদের খেলাধুলার পুরস্কার বিতরণ, ম্যাজিক বক্স এবং ক্যাম্পাসের নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে লটারির আয়োজন যেখানে রাখা হয়েছিল চমৎকার সব পুরস্কার৷ লটারির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পিকনিক ও পুনর্মিলনী- ২০২৬ সমাপ্ত হয়।

বার্তা প্রেরক-
চেইহ্লা প্রু মারমা
তথ্য প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখা।

Where is Kalpana Chakma? Thirty years after her enforced disappearance, her fate and whereabouts remain unknown. We call...
12/06/2026

Where is Kalpana Chakma?
Thirty years after her enforced disappearance, her fate and whereabouts remain unknown. We call for truth, justice, and accountability.

১৯৯৬ সালের ১২ জুন রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার নিউ লাল্যাঘোনা গ্রামের পার্শ্ববর্তী কজইছড়ি সেনাক্যাম্পের তৎকালীন লে. ফেরদৌস ওরফে মো: ফেরদৌস কায়ছার খান এবং ভিডিপি সদস্য নূরুল হক ও সালেহ আহমেদের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত সেনা ও ভিডিপি সদস্য কর্তৃক হিল উইমেন্স ফেডারেশনের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক কল্পনা চাকমাকে অপহরণ করা হয়। দীর্ঘ তিন দশক পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি এবং ঘটনার বিচারও সম্পন্ন হয়নি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের নবনির্বাচিত ৩০ তম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে জিকো চাকমা, সাধারণ সম্পাদক অন্ত...
21/05/2026

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের নবনির্বাচিত ৩০ তম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে জিকো চাকমা, সাধারণ সম্পাদক অন্তর চাকমা ও সাংগঠনিক সম্পাদক সৈসানু মারমা নির্বাচিত হয়েছেন।

পিসিপি'র ৩৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৩০ তম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ২০২৬ উপলক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টারিং করা হয়েছে।আা...
13/05/2026

পিসিপি'র ৩৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৩০ তম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ২০২৬ উপলক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টারিং করা হয়েছে।

আাগামী ২০ মে ২০২৬ তারিখে রাঙ্গামাটির কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণে ছাত্র ও জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত ছাত্র ও জনসমাবেশে দলে দলে যোগদান করুন।

শিক্ষা             সংহতি                সাম্য                  প্রগতিসকল প্রকার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ...
03/05/2026

শিক্ষা সংহতি সাম্য প্রগতি

সকল প্রকার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃহত্তর আন্দোলনে জুম্ম ছাত্র সমাজ অধিকতর সামিল হউন

৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৩০তম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল

উদ্বোধন ও সমাবেশ:
২০ মে ২০২৬, বুধবার
সকাল ১০:০০ ঘটিকা
কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণ, রাঙ্গামাটি

প্রতিনিধি সম্মেলন ও কাউন্সিল:
২১ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার
সকাল ১০:০০ ঘটিকা
জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, রাঙ্গামাটি

উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি:
শ্রী ঊষাতন তালুকদার
সহ-সভাপতি, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি

সভাপতিত্ব করবেন :
রুমেন চাকমা
সভাপতি, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ

কোনো মায়ের অশ্রুই মিথ্যা নয়। আজ ধর্মসিং চাকমার মায়ের আর্তনাদ ছিল সত্যিই এক হৃদয়বিদারক মুহূর্ত। ভিডিওটি আমি শেষ পর্যন্ত দ...
17/04/2026

কোনো মায়ের অশ্রুই মিথ্যা নয়। আজ ধর্মসিং চাকমার মায়ের আর্তনাদ ছিল সত্যিই এক হৃদয়বিদারক মুহূর্ত। ভিডিওটি আমি শেষ পর্যন্ত দেখার সাহস পাইনি; সারমর্মটুকু বোঝার পরপরই স্কিপ করে দিয়েছি। পরক্ষণেই নিজের ভেতরে জন্ম নিয়েছে অনেক প্রশ্ন, অনেক জিজ্ঞাসা।

​পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে কি কেবল এই ধর্মসিং চাকমার মায়ের কান্না? না, এখানে অজস্র মায়ের কান্না মিশে আছে। আমার পরিবারও এর শিকার। পঙ্গু দাদীর সামনে দিয়ে তাঁর পুত্রের (আমার কাকার) লাশ কাঁধে করে নিয়ে যেতে দেখেছি—এটি কোনো বানানো গল্প নয়, এক চরম সত্য। এভাবে অনেক মায়ের কান্না দেখেছি; দেখেছি সন্তান, স্ত্রী আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের হাহাকার। প্রতিটি কান্না দেখে এক বিষাক্ত দীর্ঘশ্বাস আমার বুক চিরে বেরিয়ে এসেছে।

​প্রশ্ন হলো- আজকের এই ঘটনা কি নেহাতই বিচ্ছিন্ন কিছু? নাকি দীর্ঘ এক ঘটনাপ্রবাহের ফল? সোজা উত্তর হলো—এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং সুদীর্ঘ এক সংঘাতের ধারাবাহিকতা। এই পরিস্থিতি একদিনে তৈরি হয়নি। বিন্দু বিন্দু ক্ষোভ জমতে জমতে আজ আমরা ধর্মসিং চাকমার পরিণতি দেখছি। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আমাদের আরও অনেক ধর্মসিং বা অভিলাষ চাকমাকে দেখতে হবে, বুক চিরে বেরিয়ে আসবে আরও দীর্ঘশ্বাস। ​জীবন হোক কিংবা রাজনীতি—কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু সেই ভুলের সংশোধন করতে গিয়ে যদি আমরা আরও বড় ভুলের জন্ম দিই, তবে বারবার এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। যারা আজ রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করছে, তারা কি কিছুদিন আগে নিহত হওয়া নীতিদত্ত চাকমার হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছিল? উত্তর হলো—না। তবে তারা কি সত্যিই ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের অবসান চায়? প্রশ্ন থেকেই যায়।

​পার্বত্য চুক্তির পর যারা তা মেনে নিতে পারেনি, তারাই পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের স্বপ্ন দেখিয়ে জেএসএস কর্মীদের ওপর চড়াও হয়েছে। চুক্তিকে ‘কালো চুক্তি’ অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছে; যদিও পরবর্তীতে বলেছে তারা চুক্তির কিছু ধারা মানে, আবার কখনো বলেছে মানে না। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো—যারা এই সংঘাতের বীজ বপন করেছে, তাদের বড় একটি অংশ আজ মাঠে নেই; তারা বিদেশে নিরাপদ আশ্রয়ে আছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে কেউ মরুক বা বাঁচুক, তাতে তাদের কিছু যায়-আসে না। তাই তারা যে সত্যিই এই সংঘাত থামাতে চায়, তা বিশ্বাস করা কঠিন।
​পার্বত্য চুক্তির ভুল সংশোধন বা সমালোচনার নামে আজ হাজার গুণ বড় ভুলের জন্ম দেওয়া হয়েছে। সংলাপ ও আলোচনা অনেক হয়েছে, কিন্তু কেন তা বারবার ব্যর্থ হয়েছে, তা ইউপিডিএফ-এর শীর্ষ নেতারা ভালো করেই জানেন। উজ্জ্বল স্মৃতি বা প্রদীপন খীসারা এ বিষয়ে আরও ভালো অবগত। টুকটাক ফেসবুক বিবৃতি দিয়ে সমঝোতার কথা বললেও কেন আজ তারা সরাসরি সংলাপে যেতে ভয় পায়? তার উত্তরও পরিষ্কার। আর সংলাপ বা সমঝোতা করতে চাইলে করণীয় কী, তাও তাদের কাছে স্পষ্ট জানানো আছে; কিন্তু তারা কেন অগ্রসর হচ্ছে না? কারণ, অতীতে সংলাপ ব্যর্থতার পেছনে নিজেদের কৃত ভুলগুলো তারা স্পষ্ট জানে, কিন্তু তা স্বীকার করতে নারাজ।

​আমার উদাত্ত আহ্বান—সুস্থ মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসুন। আমরা সত্যিকারের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আর যেন কোনো ধর্মসিং চাকমার মতো ট্র্যাজেডি না ঘটে, আর যেন কোনো মায়ের কান্নায় বাতাস ভারী না হয়।

দীপেন চাকমা
সাবেক ছাত্রনেতা
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ

Address

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখা।:

Shortcuts

Share