Voice Of PCP - কেওক্রডং

Voice Of PCP - কেওক্রডং Official representative of Chittagong Hill Tracts Hill Students’ Council (P*P) On 20 May 1989 at 2002 no.

The Chittagong Hill Tracts Hill Students' Council in shortly P*P is only progressive and representative political student organization of the fourteen multilingual indigenous Jumma students of Chittagong Hill Tracts (CHT), south-eastern part of Bangladesh, studying different educational institutions throughout the country. It was formed on 20 May 1989 based on the fundamental principles of E

ducation, Integration, Equality and Progress. The protection and preservation of the basic rights of oppressed and persecuted Jumma peoples of Chittagong Hill Tracts is the core ideology of P*P. Prior to the British colonial invasion, CHT region was historically fully independent area under its own Kingdom. But utter negligence, deprivation, oppression, exclusion and all-round exploitation of the colonial rulers starting with the then British imperial authority followed by Pakistani military rulers and by far, most significantly the successive regimes of Bangladesh, in particular which fuelled to emergence of Jumma nationalism and rights to self determination movement among the Jumma peoples and they formed the first ever and only political party named ‘Parbatya Chattgram Jana Samhati Samiti (PCJSS)’ that has been advancing this movement since 1972. The continual rejection of constitutional recognition of Jumma peoples by then ruling class of Bangladesh, the Parbatya Chattgram Jana Samhati Samiti (PCJSS) has started its struggle for ascertaining the demands of the Jumma people and rights to self-determination began in constitutional way. To put down self-determination movement of Jumma peoples, then ruling class of Bangladesh had enforced militarization in CHT through various name like Operation Dig Out (1976-1977), Operation Trident (1977-1979), Operation Punching Tiger (1979-1987), Operation Dabanal (1988-2001) and Operation Uttaran (2001-Present). Beside distractive military operation, then military dictator Ziaur Rahman forcefully settled approximately 400,000 Bengali peoples in 1979 by occupying thousand acres land of Jumma peoples and used them against Jumma peoples. In order to prosecute the program named ‘Ethnic Cleansing’ against Jumma peoples various destructive communal attacks, rapes, burring homes and massacres have been carried out by Military and Bengali settlers jointly since then. The first communal attack and massacre was happened at Kalampati, Kawkhali, Rangamati Hill Tracts on 25 March 1980 by Military and Bengali settlers jointly where more than 600 homes were burnt down and more than three hundreds Jumma peoples had been killed. In this crucial situation of CHT, the Jumma students studying various educational institutions in three hill districts, Dhaka, Chittagong, Rajshahi and from all around the country had started to organize to protest the ongoing oppression, exploitation, communal attacks, rapes, massacres operated by
military personals and Bengali settlers. Such a horrible and barbarous massacre was materialized at Longadu, Rangamati Hill Tracts by Village Defense Police (V.D.P) personals and Bengali settlers on 4 May 1989. In this cruel massacre around 6 villages owned by Jumma peoples had been attacked and burnt down by Bengali setters backed by Bangladesh Army and brutally killed more than 36 and hundreds of innocent Jumma peoples had been wounded. Jumma students studying in different educational institutions had come forward to protest this massive attack organizationally and realized to form a political student organization and this was the historical background of founding the Chittagong Hill Tracts Hill Students Council. room of Rashid Hall in Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET) an emergency meeting was held to organize a massive demonstration to protest heinous massacre that had happened in Longadu. Many student representatives from Dhaka University, Chittagong University, Jahangirnaghar University and Dhaka Tribal Hostel were presented there and decided to form a political student organization named ‘Greater Chittagong Hill Tracts Hill Students Council’. In the following day on 21 May 1989, a silent procession and demonstration was rallied out and thousands of Jumma students from different educational institutions of Dhaka, Chittagong, Rajshahi, Jahangirnaghar areas participated in this historical procession. At afternoon, a press conference was held to present the convening committee of P*P, Prashanta Tripura as Convener and Bidhan Chakma, Dhiraj Chakma, Shuvashis Chakma, Mong Thowai Marma, Shakti Pada Tripura, Prasit Bikash Khisa were the convening members of P*P that present in this press conference. In later, the first council of P*P was held on 09 July 1989 at Dhaka. A 17 member committee was formed with Bidhan Chakma as President while Dhiraj Chakma and Kerol Chakma as General Secretary and Organizing Secretary respectively which was the first central committee of P*P; a first political student organization during the military regime throughout the country as well as in the Chittagong Hill Tracts. Through this political platform of Jumma students the new era of self determination movement begun with new hope and struggle. In addition to the demand to solve the different problems of Jumma students and to establish a common scientific, public-oriented and secular education system Chittagong Hill Tracts Hill Students Council (P*P) organized the movement to resolve the actual political solution with the constitutional guarantee of the Chittagong Hill Tracts problems since its founding time. The Chittagong Hill Tracts Hill Students Council might be viewed as the renewal form of the earlier organization of the indigenous Jumma students. In later, The Greater Chittagong Hill Tracts Hill Students Council was named into Chittagong Hill Tracts Hill Students Council in shortly P*P and considered as an associate organization and student wing organization of the Parbatya Chattgram Jana Samhati Samiti (PCJSS) involved in struggling for rights to self-determination of the Jumma indigenous peoples in Chittagong Hill Tracts, Bangladesh and besides its own, having common political aims and objectives with PCJSS.

*Aims and Objectives of the P*P:

(1) To develop the educational, cultural and moral values of Jumma students society as a whole;
(2) To preserve and promote endangered languages, literatures, sports and cultures of Jumma peoples;
(3) To preserve the interests of Jumma students ensure the wellbeing of them;
(4) To promote the expansion of education among fourteen multilingual Jumma students, to maintain brotherhood among fourteen multilingual Jumma peoples and to play vita role in securing existence of Jumma nationals;
(5) To eliminate and erase of discrimination, suppression, exploitation and deprivation among fourteen different multilingual Jumma nations;
(6) To develop the progressive and democratic ideologies among Jumma students and make them progressive;
(7) To organize women freedom movement aiming at establishing right to equity and status of women in the society;

For further more information:
https://chtpcp1989.org/

প্রেস বিজ্ঞপ্তি০৬ আগস্ট ২০২৬থানচি, বান্দরবানপিসিপি থানচি থানা শাখার ১২তম বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিতগত ০৪ আ...
06/08/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
০৬ আগস্ট ২০২৬
থানচি, বান্দরবান

পিসিপি থানচি থানা শাখার ১২তম বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

গত ০৪ আগস্ট ২০২৬ (মঙ্গলবার) “সকল প্রকার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের বৃহত্তর আন্দোলনে জুম্ম ছাত্র সমাজ অধিকতর সামিল হউন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে হিউম্যানিটারিয়ান হলে পিসিপি থানচি থানা শাখার ১২তম বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিল-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি থানচি থানা কমিটির সভাপতি চসাথোয়াই মার্মা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি রেংইয়ং ম্রো, পিসিপি বান্দরবান জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এডিসন চাকমা প্রমুখ।

সম্মেলনে থানচি থানা শাখার সভাপতি সিংওয়াইমং মার্মার সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক উমংহ্লা মার্মা সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন থানা শাখার দপ্তর সম্পাদক উশৈসিং মারমা।

প্রধান অতিথি চসাথোয়াই মার্মা বলেন, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ঘর প্রয়োজন, মাটি প্রয়োজন; এই মাটি এই ঘর রক্ষার জন্য আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম করতে হবে। যে মানুষ জাতির জন্য কাজ করতে পারে, যে মানুষ অধিকারের জন্য সংগ্রাম করতে পারে তিনিই প্রকৃত অর্থে মানুষ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই মাটি, এই ভূমি আমরা কখনো ছাড়তে পারি না। এম এন লারমা সেই বেঁচে থাকার লড়াই সংগ্রাম করার চেতনা আমাদের জাগিয়ে দিয়ে গেছে। বেঁচে থাকার একমাত্র পন্থা হলো লড়াই সংগ্রাম করা। তাই শাসকগোষ্ঠীর নিপীড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে পাহাড়ে ভিন্ন ভাষাভাষী জুম্ম জাতিগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই সংগ্রাম করতে হবে।

রেংইয়ং ম্রো বলেন, শাসকগোষ্ঠী নানাভাবে জুম্মদের উপর দমন-পীড়ন জারি রেখেছে। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে ৯৮ ভাগ অমুসলিম হওয়া শর্তেও জুম্মদের কে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিলো। ৭২ এর সংবিধানে আমাদের জাতীয় অস্তিত্ব মুছে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের চিত্র আমরা দেখেছি। অমুসলিম অধ্যুষিত পার্বত্য চট্টগ্রামকে মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে পরিণত করার লক্ষ্যে অবৈধভাবে সেটেলারদের পার্বত্য চট্টগ্রামে অনুপ্রবেশ করানোর মধ্য দিয়ে জুম্মদের সংখ্যালঘু থেকে সংখ্যালঘুতে পরিণত করার ষড়যন্ত্র শাসকগোষ্ঠী এখনো চলমান রেখেছে। জুম্মদের নানাভাবে নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও জুম্মরা নিজেদের অধিকারের কথা বলতে পারে না, নিজেদের অস্তিত্বের কথা বলতে পারে না। যারা এই অস্তিত্বের কথা বলে যারা অধিকারের কথা বলে তাদেরকে নানাভাবে নিপীড়ন, নির্যাতন চালানো হচ্ছে। পাহাড়কে নানাভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ২৪ বছর রক্তক্ষয়ী লড়াই সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি হয়েছে। আজ ২৮ বছর অতিক্রান্ত হলেও এখনো কোনো সরকার চুক্তি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেনি বরং চুক্তি বাস্তবায়নে পথে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ার কথা রয়েছে, কিন্তু এত বছর অতিবাহিত হলেও সরকারের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বর্তমান সরকারকেও আমরা চুক্তি লঙ্ঘন করে নানা ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দেখছি। চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে পাহাড়ী একজন মন্ত্রী থাকার উল্লেখ থাকলেও একজন বাঙালি প্রতিমন্ত্রীকে দিয়ে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনে জুম্ম ছাত্র সমাজকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।

এডিসন চাকমা বলেন, ঔপনিবেশিক কাল থেকে এই পাহাড়ের মানুষ প্রতিনিয়ত নিপীড়ন, নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। যে পাহাড়ের জুম্মরা একসময় নিজেদের মতো করে বেঁচে ছিলো, স্বাধীনভাবে বেঁচে ছিলো সেই পাহাড়ের জুম্মরা এখন যন্ত্রণাকাতর জীবন অতিবাহিত করছে। শাসকগোষ্ঠীর নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে জুম্মদের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য মুছে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। জুম্মদেরকে বাঙালি জাতীয়তাবাদ চাপিয়ে দেওয়া, ইসলামি সম্প্রসারণ, বাঙালিকরণ করার নানা পরিকল্পনা শাসকগোষ্ঠী বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। জুম্ম জনগণ যখনই অধিকার চেয়েছে, অধিকারের জন্য কথা বলেছে তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, নিপীড়ন, নির্যাতন চালানো হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রতিনিয়ত উন্নয়নের নামে ভূমি বেদখল করা হচ্ছে। এইসব ভূমি বেদখল ও নির্যাতন নিপীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজকে ঐকবদ্ধভাবে লড়াই সংগ্রাম করতে হবে।

কাউন্সিল অধিবেশনে সিংওয়াইমং মার্মাকে সভাপতি, উমংহ্লা মার্মাকে সাধারণ সম্পাদক এবং ক্যসাইনু মার্মাকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট থানচি থানা শাখা কমিটি গঠন করা হয়। নবনির্বাচিত কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান পিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অন্তর চাকমা।

বার্তা প্রেরক
মাংচং ম্রো
তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
পিসিপি, থানচি থানা শাখা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম পলিটেকনিক শাখার সাবেক সভাপতি জী...
04/08/2026

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম পলিটেকনিক শাখার সাবেক সভাপতি জীবেশ চাকমা'র অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা।

03/08/2026

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য জেলা পরিষদের ন্যস্ত বান্দরবান স্বাস্থ্য বিভাগের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, চিকিৎসা উপকরণের অপ্রতুলতা এবং হামে আক্রান্ত রোগীদের সুচিকিৎসা পাওয়াসহ মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন।

তারিখঃ ৩ আগস্ট ২০২৬,রোজ সোমবার, সময়ঃ ১০ ঘটিকায়, প্রেসক্লাব বান্দরবান।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা ছাত্র জনতা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি৩০ জুলাই ২০২৬রোয়াংছড়ি, বান্দরবানপিসিপি রোয়াংছড়ি থানা শাখার ১৮তম বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিতআ...
30/07/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৩০ জুলাই ২০২৬
রোয়াংছড়ি, বান্দরবান

পিসিপি রোয়াংছড়ি থানা শাখার ১৮তম বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

আজ ৩০ জুলাই ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) “সকল প্রকার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের বৃহত্তর আন্দোলনে জুম্ম ছাত্র সমাজ অধিকতর সামিল হউন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে রোয়াংছড়ি টাউন হলে পিসিপি রোয়াংছড়ি থানা শাখার ১৮তম বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিল-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি বান্দরবান জেলা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক অংশৈ মং মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অন্তর চাকমা, পিসিপি বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি উশৈহ্লা মারমা প্রমুখ।

সম্মেলনে রোয়াংছড়ি থানা শাখার সভাপতি হ্লামংচিং মারমার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনিলাল তঞ্চঙ্গ্যার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অংশৈ সাই মারমা।

প্রধান অতিথি অংশৈ মং মারমা বলেন, দীর্ঘ ১৫/১৬ বছর আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন চুক্তি বাস্তবায়ন করেনি এবং বর্তমান বিএনপি সরকার আসতে না আসতে চুক্তি লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। এখানকার অঞ্চল সেনা ছাউনিতে ঘেরা, কিন্তু দেশের অন্যান্য জায়গায় কয়টি আর্মি ক্যাম্প দেখা যায়? অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামের বেলায় অগণিত ক্যাম্প রয়েছে। সামান্য রোয়াংছড়ি উপজেলাতেও প্রত্যক জায়গায় সেনা ক্যাম্প রয়েছে। প্রতিনিয়ত এখানকার মানুষ হয়রানি শিকার হচ্ছে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এইসব শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে তরুণদের রুখে দাঁড়াতে হবে। যে এই পাহাড়কে ভালোবাসবে এই মাটিকে ভালোবাসবে সে লড়াই সংগ্রামে ঠিকে থাকবে। তিনি তরুণদের লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

অন্তর চাকমা বলেন, এই পাহাড়ের ইতিহাস শোষণ বঞ্চনার ইতিহাস। আমরা নানাভাবে সেই ব্রিটিশ আমল থেকে শোষণ নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছি। জুম্ম জনগণকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছে। লড়াই সংগ্রামে বহু কর্মী শাসকগোষ্ঠীর নিপীড়নের শিকার হয়েও নিজেদের অবদান রেখে গেছে। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরে মহান নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা সংসদে শোষণ বঞ্চনার কথা বলেছিলেন কিন্তু এই উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদ ইসলামী সম্প্রসারণবাদের শাসকগোষ্ঠী জুম্ম জনগণের দূর্দশা কথা কর্ণপাত করেনি। তারই বিপরীতে জুম্ম জনগণ এম এন লারমার নেতৃত্বে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অধিকারের আদায়ে প্রতিরোধ সংগ্রাম করেছে। যার ফলস্বরূপ বাংলাদেশ শাসকগোষ্ঠী ১৯৯৭সালে জুম্ম জনগণের সাথে চুক্তি করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু আজ ২৯টি বছর অতিক্রম হয়ে গেলেও কোনো সরকার চুক্তি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রণী ভূমিকা রাখেনি। প্রতিনিয়ত এখনো পার্বত্য চট্টগ্রামে নানাভাবে নিপীড়ন নির্যাতন করা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত জিজ্ঞাসাবাদ চেকিং এর মতো হয়রানি তল্লাশি ব্যাপকভাবে তারা অব্যাহত রেখেছে। এই পাহাড়ে নানাভাবে দমন-পীড়ন চালানোর জন্য এইখানে নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জুম্ম জনগণের মধ্যে যে ঐক্য সংহতি বিনষ্ট করতে শাসকগোষ্ঠী নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। ‘ভাগ কর শাসন কর নীতি’ অবলম্বন করে জুম্মদের অস্তিত্বকে বিলুপ্ত করে দেওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম জুম্ম অধ্যুষিত অঞ্চল ছিল, সেই জুম্ম অধ্যুষিত অঞ্চলকে মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে পরিণত করার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে বহিরাগতদের পুনর্বাসন করিয়ে জুম্মদের ভিটা-মাটি বেদখল করা হয়েছে। এছাড়াও কখনো সেনা ক্যাম্প সম্প্রসারণের নামে, কখনো উন্নয়নের নামে জুম্মদের ভূমি বেদখলের চিত্র আমরা এখনো দেখতে পায়। পাহাড়ের ভূমি সমস্যা এখনো বিরাজমান রয়েছে। চুক্তি মোতাবেক ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি কমিশনের কোনো কার্যক্রম অগ্রগতি সরকার করেনি। এইখানে অনেক সরকার শাসকের স্থানে এসেছে কিন্তু কোনো সরকার চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেউ এগিয়ে আসেনি। তাই সকল ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনকে বৃহত্তর আন্দোলনে এই ছাত্র সমাজকে সামিল হয়ে লড়াই সংগ্রাম বেগবান করতে হবে।

উশৈহ্লা মারমা বলেন, একসময় আমাদের পালিয়ে পালিয়ে কাজ করতে হয়েছে, এখনো বিভিন্ন জায়গায় সেনা শাসনের অপতৎপরতায় পিসিপির কার্যক্রম ঠিকমতো করতে পারি না। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই ৭২ এর সংবিধানে বাঙালি বানিয়ে আমাদের অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হয়েছিলো। ঔপনিবেশিক শাসনের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামের শাসন ব্যবস্থা জারি রেখেছে। এখানে সেনা শাসনের যে তৎপরতা একদিকে উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদ চাপিয়ে দেওয়া, ইসলামী সম্প্রসারণ, নারী নির্যাতন, ধর্ষণের মতো কার্যক্রম পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসকগোষ্ঠী চলমান রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার আমাদের জুম্মদেরকে নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় শাসকগোষ্ঠী প্রতিনিয়ত জুম্মদের ভূমি বেআইনীভাবে বেদখল করে যাচ্ছে। আরেক দিকে জুম্মদেরকে সংখ্যালঘু থেকে সংখ্যালঘুতে পরিণত করে জুম্মদের অস্তিত্ব চিরতরে মুছে দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে। তিনি সংগঠনের আদর্শ লক্ষ্য ধারণ করে জুম্ম জাতির মুক্তির লড়াই সংগ্রাম জারি রাখার জন্য জুম্ম ছাত্র সমাজকে আহ্বান জানান।

কাউন্সিল অধিবেশনে মনিলাল তঞ্চঙ্গ্যাকে সভাপতি, চসিংথোয়াই মারমাকে সাধারণ সম্পাদক এবং অংসাপ্রু মারমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট রোয়াংছড়ি থানা শাখা কমিটি গঠন করা হয়। নবনির্বাচিত কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান পিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি রেং ইয়ং ম্রো।

বার্তা প্রেরক
শুভ্র তঞ্চঙ্গ্যা
তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
পিসিপি, রোয়াংছড়ি থানা শাখা

পার্বত‍্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রোয়াংছড়ি থানা শাখার ১৮তম বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিলসময়: ৩০ জুলাই ২০২৬, বৃহস...
29/07/2026

পার্বত‍্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রোয়াংছড়ি থানা শাখার ১৮তম বার্ষিক শাখা সম্মেলন ও কাউন্সিল

সময়: ৩০ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার
বিকাল: ৩.০০ টা
স্থান: টাউন হল, রোয়াংছড়ি বাজার

জুম্ম জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যোগদান করুন।

পিসিপি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ঢাবি ক্যাম্পাসে দেয়াল লিখন।
28/07/2026

পিসিপি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ঢাবি ক্যাম্পাসে দেয়াল লিখন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি২৫ জুলাই ২০২৬চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়চবিতে পিসিপি’র উদ্যোগে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধন...
25/07/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৫ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চবিতে পিসিপি’র উদ্যোগে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ সম্পন্ন

গতকাল ২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার) “জুম পাহাড়ের নবীন প্রাণ, শেকড়ের তরে শিক্ষাই হোক মোদের মুক্তির গান” স্লোগানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা—২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সদস্য শ্রী সুমন মারমা, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আনন্দ বিকাশ চাকমা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পাহাড়ি এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি শ্রীমতি গৈরিকা চাকমা, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অন্তর চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক উলিসিং মারমা প্রমুখ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রিয় জ্যোতি চাকমা (রিবেক)-এর সঞ্চালনায় এবং সহ-সভাপতি এনতেস চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রিশন চাকমা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বরণমাল্য পাঠ করেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী লিলি পাংখোয়া এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রীতি স্মারক পাঠ করেন পালি বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রেয়া তালুকদার। প্রধান অতিথি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন মহোদয়ের কাছ থেকে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র গ্রহণ করেন মনিষা তঞ্চঙ্গ্যা এবং ফুল ও বিদায়ী স্মারক গ্রহণ করেন একই শিক্ষাবর্ষের উসাহ্লা মারমা। বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমার কাছ থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র গ্রহণ করেন বিপুল তঞ্চঙ্গ্যা এবং ফুল ও সংবর্ধনা স্মারক গ্রহণ করেন একই শিক্ষাবর্ষের কনক চাকমা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. আনন্দ বিকাশ চাকমার কাছ থেকে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র গ্রহণ করেন লাল জুঁই লুসাই এবং ফুল ও সংবর্ধনা স্মারক গ্রহণ করেন একই শিক্ষাবর্ষের দর্শনা চাকমা।

মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ আল-আমীন মহোদয় বলেন, আদিবাসী শিক্ষার্থীরা স্ব স্ব জনগোষ্ঠীর অগ্রসর শিক্ষিত অংশ। কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে সমাজ, জাতি তথা দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। পাহাড়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অপরিসীম। জানার জন্য পড়তে হবে, নিজেকে আলোকিত করতে হবে। অর্জিত শিক্ষা সমাজের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সকল ধরনের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আগামীতেও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যেও যারা পিছিয়ে তাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে আসার জন্য রাষ্ট্র তথা মূল স্রোতধারার জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি আদিবাসীদের অগ্রসর অংশকেও সর্বাত্মক চেষ্টা করে যেতে হবে। প্রান্তিক অনেক জনগোষ্ঠী এখনো শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। সকলের শিক্ষার সুযোগ যেন নিশ্চিত হয় তার জন্য সকলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত।

অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমা বলেন, পড়াশোনায় মনযোগী হওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক মান এগিয়ে নিতে হবে। আদিবাসী শিক্ষার্থীদের গবেষণার দিকেও এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জিত শিক্ষা ও মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আগত জীবন ও সমাজের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা রাখতে হবে। আদিবাসী শিক্ষার্থীরা তাদের ভাষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় যেন তাদের দায়িত্ববোধকে ভুলে না যায়।

শ্রী সুমন মারমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে জুম্ম জনগণের সমাজব্যবস্থা এখনো পশ্চাৎপদ হওয়ায় আমাদের মধ্যে শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস লালন করার প্রবণতা আশংকাজনকভাবে কম দেখা যায়। ব্রিটিশরা সর্বপ্রথম পার্বত্য চট্টগ্রাম সরাসরি দখলের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের ওপর শোষণ-বৈষম্যের সূচনা করেছিল। এই অঞ্চলের মানুষ তখনকার সময় থেকেই তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। বর্তমান সময়েও পাহাড় ও পাহাড়ের মানুষের অবস্থান পূর্বের মতোই থেকে গেছে আত্ম পরিচয়ের সংকট ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চনার পরিবেশ নিয়ে।

তিনি আরও বলেন, প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সেই শিক্ষাকে জাতি ও সমাজের প্রয়োজনে কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষার উদ্দেশ্য হবে আমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি লাভ করা। পার্বত্য অঞ্চলে জুম্ম জনগণ সমাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে মুক্ত নয়। ১৯৯৭ সালের জুম্ম জনগণের পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যকার স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি এখনো অবাস্তবায়িত রাখা হয়েছে। যার ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের জন্য ন্যায্যতা নিশ্চিত হয়নি। চুক্তির শতভাগ বাস্তবায়ন হলে পাহাড়ের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা বহুগুণে সমাধান হতো।

অধ্যাপক ড. আনন্দ বিকাশ চাকমা বলেন, পাহাড়ের পূর্বের তুলনায় বহুগুণে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও আমাদের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে। সমতল থেকে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া ক্যাম্পাসের বৈচিত্র্যের সৌন্দর্যকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার স্রোত থেকে বিচ্যুত হওয়া যাবে না। সকলে মিলে আমরা যেন এই ক্যাম্পাসে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের ভিত্তি রচনা করতে পারি। সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই শিক্ষা গ্রহণকে সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে।

শ্রীমতি গৈরিকা চাকমা বলেন, পাহাড়ে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করতে গিয়ে আমি বহুকিছু স্মৃতিচারণ করতে পারি। এই দায়বোধ থেকে পাহাড়ের বাতিঘর খ্যাত মোনঘরকে আমি ছেড়ে যেতে পারিনি। পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শিক্ষা না থাকলে আমরা কন্ঠস্বর উঁচুতে তুলতে পারবো না। সামগ্রিক ভাবে এগিয়ে যেতে পারবো না। তাই আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সবার আগে নিজের জাতি ও শেকড়কে ভালোবাসতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অন্তর চাকমা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমাজের অগ্রসর ও অগ্রগামী অংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানের জগতে আপনারা পদার্পণ করে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলবেন। মুক্তবুদ্ধি চর্চার ক্ষেত্র হিসেবে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শেখার বহুকিছু আছে। বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে আপনারা জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবেন। সেই জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে বিলিয়ে দিবেন সমাজের জন্য। সবকিছুর পাশাপাশি আমাদের সকলকে পাহাড় নিয়ে অবদান রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে সমাজ ও দেশের কল্যাণে নিজেকে সমর্পিত করার চেষ্টা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানবেন্দ্র লারমারা তৎকালীন সময়ে আত্মমুখী চিন্তা না করে জাতির কল্যাণে কাজ করে গিয়েছেন। নিজের শেকড়কে বাঁচিয়ে রাখতে তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে অবদান রাখা উচিত।

উলিসিং মারমা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের শেকড় ও সংস্কৃতি চর্চার ও তুলে ধরার জায়গা। এই মহাবিশ্বে আমাদের জাতীয় সত্ত্বা যেন সমুন্নত রাখতে পারি সেভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। আমরা অনেকেই সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে রাজনৈতিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত থাকতে চাইনা। যদিও আমাদের প্রত্যেকের জীবনে রাজনৈতিক প্রভাব বিদ্যমান থাকে। সেজন্য অন্তত রাজনীতি সচেতন হওয়াটা আমাদের জরুরি। সমাজ ও সামগ্রিকতার কথা চিন্তা করে শিক্ষিত সমাজকে এখানে অর্জিত জ্ঞানকে নিজ জাতি ও দেশের স্বার্থে কাজে লাগাতে হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি এনতেস চাকমার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ এর আলোচনা সভা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। আলোচনা সভা শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীবৃন্দ ও রঁদেভূ শিল্পীগোষ্ঠী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা ও অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বার্তা প্রেরক,
রিশন চাকমা
তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
পিসিপি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

পিসিপি ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা-২০২৬ এর অনুষ্ঠানে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ...
24/07/2026

পিসিপি ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা-২০২৬ এর অনুষ্ঠানে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর আদিবাসী শিক্ষার্থী পরিবারের অংশগ্রহণ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতারিখ: ২৪ জুলাই ২০২৬ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখার নবীন...
24/07/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ২৪ জুলাই ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখার নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

"শেকলে বাঁধা বন্দী জীবন, বিবর্ণ পাহাড়, অস্তিত্ব রক্ষাই হোক নবীনের দৃপ্ত অঙ্গীকার" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই ২০২৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে "নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, নার্সিং এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত ২০২৪-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক হ্লামংচিং মারমা অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি কনেজ চাকমা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় স্টাফ সদস্য ত্রিজিনাদ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের সভাপতি জিকো চাকমা এবং হিল উইমেন্স ফেডারেশনের তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক চন্দ্রিকা চাকমা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী পিসিপির সভাপতি ও বিশেষ অতিথিদের বক্তব্যে উত্থাপিত সকল দাবি (পাহাড়ের সামাজিক উৎসবগুলোতে ছুটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটার সিট বৃদ্ধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আদিবাসী সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং ভাষাবিজ্ঞান বিভাগে আদিবাসী ভাষা শিক্ষা কোর্স চালুর দাবি) বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কাজ ও গবেষণার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনসংগ্রাম সম্পর্কে অবগত। প্রতিকূল পরিবেশ অতিক্রম করে উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে আসা পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা প্রদান করছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কোনো আদিবাসী শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ অর্জন করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, রাষ্ট্র পাহাড়ি জনগোষ্ঠীকে যে বৈষম্য ও সীমাবদ্ধতার মধ্যে রেখেছে, একদিন তারা অবশ্যই সেই অবস্থা থেকে মুক্ত হবে।

তিনি বলেন, মাতৃভাষা ভিন্ন হওয়ায় অনেক পাহাড়ি শিক্ষার্থী শুরুতে বাংলা ভাষায় কিছুটা সমস্যার মুখোমুখি হলেও হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। শিক্ষকদের সহযোগিতা নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে গিয়ে শিক্ষা ও দক্ষতার মাধ্যমে সব প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে হবে। তিনি আশ্বাস দেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শিক্ষা, গবেষণা ও ব্যক্তিগত বিকাশে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবেন।

ত্রিজিনাদ চাকমা বলেন, জাতীয় জীবনে আদিবাসীদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্নে ছাত্রসমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। রাজধানীতে অধ্যয়নরত প্রতিটি জুম্ম শিক্ষার্থী জুম্ম জনগণের একজন বার্তাবাহক। তাদের ওপর সংঘটিত নিপীড়ন ও বৈষম্যের বাস্তবতা দেশের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পূর্বসূরীদের দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ফলেই আজ রাজধানীতে উচ্চশিক্ষা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সেই ইতিহাস ধারণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলনে তরুণ ছাত্রসমাজকে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।

জিকো চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কঠিন বাস্তবতা অতিক্রম করে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীরা কেবল সাধারণ শিক্ষার্থী নন, তারা জুম্ম ছাত্রসমাজের প্রতিনিধি। উচ্চশিক্ষা শেষে তাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জুম্ম জনগণের কল্যাণ, দেশ ও জাতি গঠনে এবং আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আদিবাসীদের বিভিন্ন সামাজিক উৎসব একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিজস্ব সংস্কৃতি ও উৎসব থেকে বঞ্চিত হন। এ কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে আদিবাসীদের সামাজিক উৎসবসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে ছুটির ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

বক্তব্যে চন্দ্রিকা চাকমা বলেন, নবীনরা পাহাড়ের একেকটি বুনোফুল। তাদের পদচারণায় আজ রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। তিনি সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে এমএন লারমার আদর্শ ধারণের মাধ্যমে জুম্ম জনগণের অধিকার ও অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে ছাত্রসমাজকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সমাজে নারীর সমঅধিকার, সমমর্যাদা এবং নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

পিসিপি ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি কনেজ চাকমার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ২০২৬ এর প্রথম পর্ব শেষ হয়।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

বার্তা প্রেরক
পহেল চাকমা
তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ,
ঢাকা মহানগর শাখা

24/07/2026

শেকলে বাঁধা বন্দী জীবন: বিবর্ণ পাহাড় অস্তিত্ব রক্ষাই হোক নবীনের দৃপ্ত অঙ্গীকার নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ২০২৬

Address

North Kalindipur
Rangamati
4500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of PCP - কেওক্রডং posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Voice Of PCP - কেওক্রডং:

Shortcuts

Share