Voice of Langadu Upazila - ভয়েস অব লংগদু উপজেলা

Voice of Langadu Upazila - ভয়েস অব লংগদু উপজেলা ভয়েস অব লংগদু - কথা বলে আর্তপীড়িত মানুষের।

লংগদু উপজেলায় সর্ব প্রথম এবং সর্ববৃহৎ
একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন কমিউনিটি।

প্রেরণার মুখ | লংগদুর নিবেদিত মানুষের পথচলা।পাহাড়বেষ্টিত রাঙামাটির লংগদু উপজেলার বগাচতর ইউপির শান্ত, নিবিড় ও লেকবেষ্টিত ...
31/07/2026

প্রেরণার মুখ | লংগদুর নিবেদিত মানুষের পথচলা।

পাহাড়বেষ্টিত রাঙামাটির লংগদু উপজেলার বগাচতর ইউপির শান্ত, নিবিড় ও লেকবেষ্টিত গ্রাম মধুয়াছড়া। এই গ্রামের ষাটোর্ধ্ব এক নিরাহংকার, নিবেদিতপ্রাণ ও সমাজ পরিবর্তনের আলোর দিশারীর নাম হাজী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি নিজ গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে লংগদু উপজেলার এক জীবন্ত অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।

নিরহংকারী ও নিবেদিতপ্রাণ এই মানুষটির হাত ধরেই ২০০৩ সালে লংগদু উপজেলায় সর্বপ্রথম তাবলীগ জামায়াতের আনুষ্ঠানিক দাওয়াতি কার্যক্রম শুরু হয়। সেই থেকে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা ও অক্লান্ত পরিশ্রমে উপজেলার পাহাড়ি পাড়া-মহল্লায় দ্বীনের আলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ইসলামের সৌন্দর্যে আলোকিত হতে থাকে পাহাড়ি জনপদের বয়োবৃদ্ধ থেকে শুরু করে অসংখ্য শিশু-কিশোরের জীবন।

লংগদু উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দ্বীনি শিক্ষার প্রসারেও রয়েছে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান। উপজেলার পানি-বেষ্টিত ও দুর্গম কালাপাকুজ্জা ইউনিয়নের দক্ষিণ রহমতপুর গ্রামে ধর্মীয় শিক্ষার আলো ছড়াতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন একটি এবতেদায়ী মাদ্রাসা। একই ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে মুসল্লিদের জন্য গড়ে তুলেছেন একটি জামে মসজিদ। এছাড়া ২০০৪ সালে বগাচতর ইউপির মধুয়াছড়া এলাকায় ধর্মীয় শিক্ষার একমাত্র বাতিঘর বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি মাদ্রাসায় তিনি নতুন করে ব্যক্তিগত উদ্যোগে, দৃঢ় মনোবল ও আল্লাহর ওপর অটল ভরসা রেখে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেন। বর্তমানে মাদ্রাসাটি সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেখানে তিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।

ষাটোর্ধ্ব এই মানুষটি তাঁর জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠা দিয়ে সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তিনি বর্তমানে রাঙামাটি জেলা এবতেদায়ী শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং একই সঙ্গে লংগদু উপজেলা জাতীয় ইমাম সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের একজন জ্যেষ্ঠ ও সম্মানিত সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে বর্তমানে লংগদু উপজেলার পাঁচটি এবতেদায়ী মাদ্রাসা সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা এলাকায় ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

ব্যক্তিগত জীবনে হাজী মোহাম্মদ কামাল হোসেন একজন আদর্শ পিতা। তিনি তিন পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। তাঁর স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও সুশিক্ষার ফলস্বরূপ তাঁর তিন পুত্রই পবিত্র কোরআনের হাফিজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। একমাত্র কন্যাও ইসলামী আদর্শ ও নৈতিক মূল্যবোধে সুসংগঠিত হয়ে বেড়ে উঠেছে। শৈশব থেকেই তিনি সন্তানদের মাঝে কোরআনের শিক্ষা, দ্বীনি জ্ঞান ও নৈতিকতার বীজ বপন করেছেন, যা আজ তাদের জীবনে আলোর দিশা হয়ে প্রতিফলিত হচ্ছে।

দ্বীনের খেদমতের এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি যেমন অগণিত মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও দোয়া অর্জন করেছেন, তেমনি সম্মুখীন হয়েছেন নানা প্রতিকূলতারও। সমাজের কিছু প্রতিহিংসাপরায়ণ মানুষ তাঁর সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজকে বাধাগ্রস্ত করতে কখনো আর্থিক সংকট সৃষ্টি করেছে, কখনো মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছে, আবার কখনো সম্মানহানির অপচেষ্টা চালিয়েছে। তবুও তিনি থেমে যাননি, অটল থেকেছেন তাঁর আদর্শ ও বিশ্বাসে। আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা শব্দে নয়, কর্মে নিজেদের পরিচয় রেখে যান সময়ের বুকে। হাজী মোহাম্মদ কামাল হোসেন তেমনই এক নীরব আলোর কারিগর, যিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে গড়ে তুলেছেন একটি আলোকিত প্রজন্ম। তাঁর জীবন যেন এক দীপ্ত শিখা, যার আলোয় পথ খুঁজে পায় অগণিত মানুষ; যার উষ্ণতায় জেগে ওঠে মানবতা, ঈমান ও নৈতিকতার চেতনা। পাহাড়ের নির্জনতায়, লেকের নীরব জলে, গ্রামের প্রতিটি অলিগলিতে তাঁর পদচিহ্ন আজ একেকটি জীবন্ত ইতিহাস।

এই পৃথিবীতে সবাই বেঁচে থাকে, কিন্তু কিছু মানুষ বেঁচে থাকেন মানুষের হৃদয়ে চিরকাল। হাজী মোহাম্মদ কামাল হোসেন তেমনই একজন, যাঁর জীবন আমাদের শেখায়, নিজেকে নয়, সমাজকে নিয়ে ভাবলেই প্রকৃত সার্থকতা আসে। তাঁর নিঃস্বার্থ ত্যাগ, অক্লান্ত পরিশ্রম ও অটল বিশ্বাস আমাদের হৃদয়ে নতুন করে জাগিয়ে তোলে দায়িত্ববোধ ও অনুপ্রেরণা।

ভয়েস অব লংগদু, স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন কমিউনিটি পক্ষ হতে সমাজের কল্যাণে নিবেদিত এই মহান মানুষটির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি । হাজী মোহাম্মদ কামাল হোসেন এর মতো নিবেদিতপ্রাণ মানুষের জীবনগাথা আমাদের আগামীর পথচলায় প্রেরণা যুগায়। সমাজের কল্যাণে তাঁর নিরলস অবদান আমাদেরকে আরও দায়িত্বশীল, আরও মানবিক হতে শেখায়। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করেই লংগদু তথা সমগ্র সমাজে মমতা, ন্যায় ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে যাবে। মহান আল্লাহ তাঁর এই খেদমতকে কবুল করুন এবং তাঁকে সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু দান করুন।

— আসুন মমতা ছড়াই,
— কথা বলি আর্তপীড়িত মানুষের।

ভয়েস অব লংগদু — একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন কমিউনিটি।

31/07/2026

বজ্রপাত থেকে সাবধান! | ভয়েস অব লংগদু।

​সম্মানিত লংগদুবাসী,
​সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টিপাতের সাথে বজ্রপাতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। বজ্রপাত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও সামান্য সচেতনতা বড় ধরনের প্রাণহানি ও বিপদ থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে। লংগদু উপজেলার সকল স্তরের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে ভয়েস অব লংগদু সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী অনলাইন কমিউনিটি -র পক্ষ থেকে কিছু জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে -

​বজ্রপাতের সময় যা করবেন (করণীয়):
​দ্রুত নিরাপদ স্থানে যান:
আকাশে মেঘের ডাক শোনা গেলে বা বিদ্যুৎ চমকাতে দেখলে দেরি না করে পাকা দালান বা টিনের ছাউনীর নিচে আশ্রয় নিন।

​উঁচু গাছ ও খুঁটি থেকে দূরে থাকুন:
কোনো অবস্থাতেই বড় গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি, মোবাইল টাওয়ার বা লোহা জাতীয় পোল-এর নিচে দাঁড়াবেন না।
​জলাশয় ত্যাগ করুন: যদি আপনি নৌকা বা কাপ্তাই লেকের পানিতে থাকেন, তবে দ্রুত তীরে ফিরে আসুন এবং পানি থেকে দূরে থাকুন।

​ঘরে থাকলে করণীয়:
বজ্রপাতের সময় জানালার কাছে থাকবেন না। ঘরের ভেতরের জানালার গ্রিল বা ধাতব দরজা স্পর্শ করবেন না।

​বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম:
ফ্রিজ, টিভি, কম্পিউটারসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগ খুলে রাখুন। ল্যান্ডফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

​যা করবেন না (বর্জনীয়):
​খোলা মাঠে কাজ করবেন না। মাঠে থাকা অবস্থায় বজ্রপাত শুরু হলে দৌড়াবেন না; বরং কানে আঙুল দিয়ে নিচু হয়ে বসে পড়ুন (উবু হয়ে)। ​বৃষ্টির সময় বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল বা খোলা ট্রাক চালানো এড়িয়ে চলুন। ​একই গাছের নিচে দলবদ্ধ হয়ে আশ্রয় নেবেন না।

​বিশেষ অনুরোধ:
বজ্রপাতে কেউ আহত হলে তাকে দ্রুত নিকটস্থ লংগদু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, বজ্রপাতে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে বিদ্যুৎ থাকে না, তাই তাকে স্পর্শ করা বা প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে কোনো ভয় নেই।

​আপনার সচেতনতাই পারে আপনার ও আপনার পরিবারের প্রাণ রক্ষা করতে। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে সচেতন হতে সাহায্য করুন।
​নিরাপদে থাকুন, সচেতন থাকুন।

​ধন্যবাদান্তে,
ভয়েস অব লংগদু।

এমন গর্বিত সদস্যদের নিয়েই আমাদের পথচলা | ভয়েস অব লংগদু। জীবন চলার বাঁকে কঠিন বাস্তবতার মাঝেও এমন অনেক মানুষ আছে, যারা নি...
30/07/2026

এমন গর্বিত সদস্যদের নিয়েই আমাদের পথচলা | ভয়েস অব লংগদু।

জীবন চলার বাঁকে কঠিন বাস্তবতার মাঝেও এমন অনেক মানুষ আছে, যারা নিজের কথা না ভেবে, অন্যের ক্ষুধা, কষ্ট আর প্রয়োজনকে হৃদয় দিয়ে অনুভব করেন। ভয়েস অব লংগদু সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী অনলাইন কমিউনিটি পরিবারের এমনই একজন মানবিক সদস্য (নিবন্ধন নং - ০০৬৬) জনাব ফজলে রাব্বি সাহেব।

অদ্য ৩০ জুলাই ২০২৬, চট্টগ্রামস্থ হোটেল বাসমতীতে কর্মস্থলের সভা শেষে আয়োজকদের দেওয়া উন্নত মানের একটি লাঞ্চ বক্স হাতে নিয়ে ফিরছিলেন। হোটেল থেকে বের হতেই দেখলেন এক বৃদ্ধা মা কাঁপা কাঁপা হাতে তার দিকে এগিয়ে আসছে এবং সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছে … আর ঠিক সেই মুহূর্তে একটুও দেরি না করে, সভা শেষে পাওয়া উন্নত মানের লাঞ্চ বক্সটি তুলে দিলেন সেই বৃদ্ধা মায়ের হাতে। এবং অত্যন্ত আন্তরিকতা আর ভালোবাসার সাথে, বৃদ্ধা মাকে জানালেন এই লাঞ্চ বক্সের ভেতরে কী কী খাবার আছে, এবং জিজ্ঞেস করলেন বৃদ্ধা “মায়ের আর কিছু খেতে ইচ্ছে করছে কিনা ?” এরপর সামর্থ্যনুযায়ী কিছু সহায়তা দিয়ে নীরবে পথ চললেন…

আমাদের সম্মানিত সদস্যদের এমন নিঃস্বার্থ মানবতা, সত্যিই হৃদয়কে নাড়া দেয়… তবে
এটাই তার প্রথম নয়, ফজলে রাব্বি সাহেব প্রায় প্রতিনিয়তই অফিস, মিটিং কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পাওয়া উন্নত মানের খাবার তিনি নিজের কিংবা তার পরিবারের জন্য রাখেন না, বরং পথেই খুঁজে নেন এমন কাউকে, যার কাছে এই খাবারটাই আজকের দিনের সেরা প্রাপ্তি।

ভয়েস অব লংগদু সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী অনলাইন কমিউনিটির অনুপ্রেরণার কলাম এর এডমিন কর্তৃক যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, উন্নতমানের এমন কোন খাবার হাতে পেলেই কেন তিনি এমন করেন? অত্যান্ত সহজ ও শাবলীল ভাবে জানালেন... “আমরা তো প্রায়ই ভালো খাবার খাই… কিন্তু এই মানুষগুলো পারে না। তাদের মুখে একটু হাসি দেখলেই মনে হয়, আজকের দিনটা সার্থক।”

আমাদের সম্মানিত সদস্য জনাব ফজলে রাব্বির এই একটি কথার মধ্যেই লুকিয়ে আছে মানবতার সবচেয়ে বড় সংজ্ঞা… আর হ্যাঁ লংগদু উপজেলায় ভয়েস অব লংগদু, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী অনলাইন কমিউনিটির নিবন্ধিত এমন দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী সদস্য প্রতিনিয়তই কোন না কোন ভাবে অন্যের জীবনে আলো জ্বালাচ্ছেন। এবং ফজলে রাব্বির মত এমন সব সদস্যদের ভালোবাসা, আর ত্যাগের মানবিকতাকেই সাথে নিয়ে এগিয়ে চলছে “ভয়েস অব লংগদু”। আগামীর পথ চলায় আপনিও আমাদের সহোযাত্রী হোন।

— আসুন মমতা ছড়াই ❤️
— কথা বলি আর্তপীড়িত মানুষের।

ভয়েস অব লংগদু, একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন কমিউনিটি।

আম্মু কোথায় ?এই প্রশ্ন শুনতেই ফুুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদে উঠছে সাত মাস বয়সী বাচ্চাটা!(মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে পোস্ট টি শেয়ার ...
30/07/2026

আম্মু কোথায় ?এই প্রশ্ন শুনতেই ফুুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদে উঠছে সাত মাস বয়সী বাচ্চাটা!

(মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে পোস্ট টি শেয়ার করে নিষ্পাপ এই শিশুটিকে তার মাকে খুঁজে পেতে সহোযোগিতা করুন)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার শাহ সৈয়দ আহমেদ দারাজ মাজার প্রাঙ্গনে শিশু থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা বলছেন তাকে সেখানে রেখে চলে যায় তার মা। এরপরে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন এবং সমাজসেবা বিভাগ থেকে বাচ্চাটাকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বর্তমানে বাচ্চাটা চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। বাচ্চাটা কতক্ষণ পরপরই শুধু চারিদিকে খুঁজছে খুব সম্ভবত বাবা মাকে খুঁজছে। বর্তমানে বাচ্চাটা চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সবকিছু সরবরাহ করা হয়েছে এবং বাচ্চাটা সম্পূর্ণ সুস্থ আছে আলহামদুলিল্লাহ।

এ বিষয়ে সমাজসেবা বিভাগে যোগাযোগ করা হলে ওনারা বলেন শিশুটিকে হয়তো কোন ভবঘুরের মা অথবা মানসিকভাবে অসুস্থ কোন নারী ওখানে রেখে গেছে।

সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান শিশুটিকে দত্তক নিতে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে দত্তক দেওয়ার আগে প্রথম এবং প্রধান শর্ত হচ্ছে তার প্রকৃত অভিভাবক খুঁজে বের করতে হবে। এবং প্রকৃত অভিভাবক পেলেই বাচ্চাটাকে ভালো একটা পরিবারের কাছে দত্তক দেওয়া যাবে।

বাচ্চাটার প্রকৃত অভিভাবক খুঁজে পেতে সাহায্য করুন। কেউ যদি বাচ্চাটাকে চিনে থাকেন অথবা তার অভিভাবক কে চিনে থাকেন তবে দয়া করে অভিভাবককে নিয়ে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র অথবা সমাজসেবা অফিসে যোগাযোগ করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা হলো।

(মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে পোস্ট টি করে নিষ্পাপ এই শিশুটিকে তার মাকে খুঁজে পেতে সহোযোগিতা করুন)।

পোস্ট ও ছবি কৃতজ্ঞতা - ডাঃ সাজ্জাদ,

শিশুদের নিরাপত্তায় জরুরি সতর্কতা | ভয়েস অব লংগদু। সম্মানিত লংগদু উপজেলাবাসীও উপজেলার সচেতন অভিভাবকবৃন্দ, মানবিক দায়িত্বব...
29/07/2026

শিশুদের নিরাপত্তায় জরুরি সতর্কতা | ভয়েস অব লংগদু।

সম্মানিত লংগদু উপজেলাবাসীও উপজেলার সচেতন অভিভাবকবৃন্দ, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সম্প্রতি ঢাকায় একটি ৪ বছরের শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসকের কাছে আনা হয়। দীর্ঘ প্রায় ২০ দিন ধরে শিশুটি কাশি, খেতে না চাওয়া এবং খাবার খেলেই বমি করার মতো সমস্যায় ভুগছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, শিশুটি হয়তো একটি কয়েন গিলে ফেলেছে। কিন্তু পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন, এটি কোনো সাধারণ কয়েন নয়, বরং একটি বাটন ব্যাটারী, যা শিশুটির খাদ্যনালীতে আটকে ছিল।

মানবদেহের জন্য বাটন ব্যাটারী অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি শরীরের ভেতরে প্রবেশ করার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই (মাত্র ৪ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে) এর ভেতর থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ (এলকালি) বের হয়ে আশেপাশের টিস্যুকে মারাত্মকভাবে পুড়িয়ে ফেলতে পারে। এতে খাদ্যনালীতে আলসার, ক্ষত, এমনকি ছিদ্র হয়ে যাওয়ার মতো ভয়াবহ জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এটি শিশুর জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিও তৈরি করে।

এই ঘটনার ক্ষেত্রে, দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত ও চিকিৎসার মাধ্যমে এন্ডোস্কোপির সাহায্যে ব্যাটারীটি বের করা সম্ভব হয়েছে। তবে ইতোমধ্যেই শিশুটির খাদ্যনালীতে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছিল। যা আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।

লংগদু উপজেলার সম্মানিত সকল ছোট্ট সোনামণিদের অভিভাবকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হচ্ছে, শিশুরা খুব সহজেই ছোট ছোট বস্তু মুখে দিয়ে ফেলে বিশেষ করে কয়েন, বাটন ব্যাটারী, খেলনার ছোট অংশ ইত্যাদি। এগুলো দেখতে প্রায় একই রকম হওয়ায় অনেক সময় বোঝা যায় না শিশুটি কী গিলে ফেলেছে।

শিশুদের যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন: -
হঠাৎ করে কাশি শুরু হওয়া, খাবার খেতে না চাওয়া বা খেতে কষ্ট হওয়া, খাওয়ার পর বমি করা, অস্বাভাবিক অস্থিরতা বা গলায় কিছু আটকে থাকার লক্ষণ। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান, প্রয়োজনে এক্স-রে বা অন্যান্য পরীক্ষা করান। কখনোই “অপেক্ষা” করবেন না। বিশেষ করে ব্যাটারীর ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুগ্রহ করে, সব ধরনের বাটন ব্যাটারি শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন, রিমোট, ঘড়ি, খেলনা ইত্যাদির ব্যাটারী কভার সঠিকভাবে লাগানো আছে কিনা নিশ্চিত করুন। ব্যবহৃত ব্যাটারীও নিরাপদভাবে সংরক্ষণ বা নষ্ট করুন। আমাদের একটু অসচেতনতা একটি শিশুর জীবনে ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই, অন্যদেরও সচেতন করি এবং আমাদের শিশুদের নিরাপদ রাখি।

আপনার সতর্কতা—আপনার সন্তানের সুরক্ষা। আসুন, মমতা আর দায়িত্ববোধ নিয়ে গড়ে তুলি একটি নিরাপদ সমাজ ❤।

ছবি - তথ্য ও ছবি সংগৃহীত।
পোস্ট - ভয়েস অব লংগদু, এডমিন।

ভয়েস অব লংগদু — একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন কমিউনিটি।
— আসুন মমতা ছড়াই ❤️

লগো সম্পর্কে  |  ভয়েস অব লংগদু। ভয়েস অব লংগদু, লংগদু উপজেলার সর্ব প্রথম এবং সর্ব বৃহৎ একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন ক...
29/07/2026

লগো সম্পর্কে | ভয়েস অব লংগদু।

ভয়েস অব লংগদু, লংগদু উপজেলার সর্ব প্রথম এবং সর্ব বৃহৎ একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন কমিউনিটি । ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারী, লংগদু উপজেলার মানুষের জরুরী রক্তের প্রয়োজনে রক্তের যোগান দেওয়ার মধ্যে দিয়েই পথ চলা শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী এই অনলাইন কমিউনিটি। পরবর্তীতে উপজেলার অসহায়, অসুস্থ, আর্তপীড়িত মানুষের কল্যাণে নানাবিধ মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার মধ্যে দিয়ে উক্ত কমিউনিটির মানবিক সেবা কার্যক্রম প্রসারিত করা হয়।

সংগঠনের শ্লোগান -
প্রতিষ্ঠা পরবর্তী সময় হতে আমরা আমাদের একান্তই নিজস্ব ভাবে চারটি শ্লোগান ব্যবহার করে আসছি। যা বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ব্যবহার করছেনা।

শ্লোগান সমুহ হচ্ছে -
১। আসুন মমতা ছড়াই ❤️।
২। কথা বলে/বলি আর্তপীড়িত মানুষের।
৩। মানবতার টানে,ভয় নেই রক্তদানে।
৪। মুমূর্ষু রোগীর প্রানের টানে, এগিয়ে আসুন রক্তদানে।

লগো সম্পর্কে -
লংগদু উপজেলার অসহায় অসুস্থ ও দুঃস্থ পীড়িত মানুষের প্রতি আমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকেই স্বেচ্ছসেবী এই কমিউনিটির সূচনা হয়। এবং ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ বুঝাতেই লগোতে ❤️ লাভ/হৃদয় সিম্বল ব্যবহার করা হয়। লাভ/হৃদয় চিহ্নের মঝে ভয়েস সিম্বল ব্যবহারের কারন, লংগদু উপজেলার মানুষর প্রতি আমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকেই স্বেচ্ছাসেবী এই কমিউনিটির সৃষ্টি হয়েছে। তাই অসহায় অসুস্থ ও আর্তপীড়িত মানুষের নিদারুণ দুঃখ কষ্টের করুন কন্ঠের কথা গুলোকে, সবার মাঝে পৌঁছে দিয়ে স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক আবেদনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানানোর জন্য, এবং অসহায় অসুস্থের পাশে দাঁড়ানোর আহবান গুলো সবার মাঝে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ থেকেই লগোতে ভয়েস/কথা/তরঙ্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। কারন আমরা সবার মাঝে মানবতার বার্তা পৌঁছে দিয়ে একটি মানবিক লংগদু গড়ে তোলতে চাই।

এছাড়া, লগোর রাউন্ড বর্ডারের দুই পাশে দুটি উজ্জ্বল রক্তের লাল ফোটা সাইন দিয়ে লংগদু অত্র উপজেলার মানুষের জন্য ঢাকা সিটি এলাকা, চট্টগ্রাম সিটি এলাকা, খাগড়াছড়ি সদর, রাঙামাটি সদর জুড়ে ভয়েস অব লংগদু এর জোরালো রক্তদান কার্যক্রম এবং রক্তদানের মাধ্যমেই আমাদের আত্মপ্রকাশ এমন ধারনাকে বুঝানো হয়েছে।

লগো তে লিখা সম্পর্কে -
লগোর উপরের অংশে - ইংরেজিতে আমাদের শ্লোগান - "Let's spread compassion" যাহার বাংলা অর্থ "আসুন মমতা ছড়াই"।
লগোর নিচের অংশে - ইংরেজিতে আমাদের সংগঠনের নাম লিখা রয়েছে।
- Voice of Langadu - ভয়েস অব লংগদু।

লগোতে রংয়ের ব্যবহার -
গোল বৃত্তাকার এই লগোটিতে সর্ব মোট তিন ধরনের রংয়ের ব্যবহার করা হয়েছে।
⚪ সাদা - সাদা রং শান্তির প্রতীক, ভয়েস অব লংগদু স্বেচ্ছাসেবী অনলাইন কমিউনিটির সম্মানিত সকল সদস্যরা অত্র উপজেলার অসহায় অসুস্থ ও দুঃস্থ পীড়িত মানুষের জন্য শান্তির নীড় খুঁজে বেড়ায় সর্বদা। এবং সমাজের অসহায় অসুস্থ মানুষের অসহায়ত্বের নিদারুণ দুঃখ বেদনা লাগবের জন্য কাজ করে যায় নিরলস ভাবে।

⚫ চমকালো ব্লাক - কালো/ব্লাক রং দিয়ে অন্ধকার, শোক, দুঃখ, নিরাশ, হতাশা বোঝানো হয়। কালো রং শোক বা দুঃখের প্রতীক হওয়ার কারনে আমরা লগোতে কালো রং দ্বারা লংগদু উপজেলার অসহায় অসুস্থ ও দুঃস্থ পীড়িত মানুষের নিদারুণ দুঃখ কষ্ট গুলোকে বুঝাতে চেষ্টা করেছি। ।

🔴 লাল - লাল রং দৃঢ় সংকল্পতা, আকাঙ্ক্ষা এবং ভালোবাসার প্রতীক। লংগদু উপজেলার অসহায় অসুস্থ ও আর্তপীড়িত মানুষের প্রতি আমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা, মায়া, মমতা কে বুঝাতে এবং তাদের সকল দুঃখ কষ্ট গুছিয়ে, সাবলম্বী ও সচ্ছল জীবন গড়ে তুলে, মুখে আনন্দের হাঁসি ফুটানোর জন্য আমাদের যে দৃঢ় প্রচেষ্টা বা সংকল্পতা তাকেই বুঝানো হয়েছে।

লগো ডিজাইনার -
চমৎকার ভাবার্থ আর নিখুঁত শৈল্পিক আঁচড়ে লগোটি তৈরি করেছেন, ভয়েস অব লংগদু সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী অনলাইন কমিউনিটির সম্মানিত সদস্য, জনাব আলাউদ্দিন তানজিম।

আসুন মমতা ছড়াই ❤️ | কথা বলি আর্তপীড়িত মানুষের।

সময়ের আগে শিশুকে দাঁড় করানো হতে পারে বিপজ্জনক! | ভয়েস অব লংগদু। অনেক সময় পরিবারের সদস্যরা ভালোবাসা ও আগ্রহের জায়গা থেকে ...
27/07/2026

সময়ের আগে শিশুকে দাঁড় করানো হতে পারে বিপজ্জনক! | ভয়েস অব লংগদু।

অনেক সময় পরিবারের সদস্যরা ভালোবাসা ও আগ্রহের জায়গা থেকে ছোট শিশুদের খুব অল্প বয়সেই দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন। বিশেষ করে দাদি-নানিরা সন্তান জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই শিশুকে দাঁড় করিয়ে দিতে চান। অথচ এই কাজটি শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

মনে রাখুন,
শিশুর দাঁড়ানোর স্বাভাবিক বয়স ৭ থেকে ১২ মাস। এর আগে শিশুর শরীর, বিশেষ করে পায়ের হাড় থাকে অনেকটাই বেতের মতো নমনীয়। তাই খুব ছোট বয়সে দাঁড় করালে পা ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে যেতে পারে, যাকে বলা হয় Bowed Legs।

যা কখনোই করবেন না:
১। ৭ মাসের নিচে কোনো শিশুকে দাঁড় করাবেন না।
২। হাঁটার ট্রেনার বা ওয়াকার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন শিশুদের জোর করে পা সোজা করে দাঁড় করাবেন না।
৩। শিশু ধীরে ধীরে নিজেই বসতে, দাঁড়াতে ও হাঁটতে শিখবে, এটা তার স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশের অংশ। অভিভাবকদের দায়িত্ব হলো ধৈর্য ধরা ও সঠিক সময়ে সঠিক যত্ন নেওয়া।

আসুন, শিশুর সুরক্ষায় আমরা সকলে আরও সচেতন হই।

সচেতনতায় - ভয়েস অব লংগদু।
একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন কমিউনিটি।

তথ্য সূত্র - ডাক্তার মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন টিপু সাহেব এর ফেসবুক পাতা হতে সংগৃহীত এবং ভয়েস অব লংগদু কর্তৃক সংযোজিত।

এক নজরে দেখে নিন, যে ২৬ টি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক আছে। আর যে ৮টিতে নেই।
27/07/2026

এক নজরে দেখে নিন, যে ২৬ টি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক আছে। আর যে ৮টিতে নেই।

টুথপেস্টে লুকানো মাইক্রোপ্লাস্টিক এক নীরব স্বাস্থ্যঝুঁকি | ভয়েস অব লংগদু। আমরা প্রতিদিন যে টুথপেস্ট ব্যবহার করি, সেটি যে...
27/07/2026

টুথপেস্টে লুকানো মাইক্রোপ্লাস্টিক এক নীরব স্বাস্থ্যঝুঁকি | ভয়েস অব লংগদু।

আমরা প্রতিদিন যে টুথপেস্ট ব্যবহার করি, সেটি যে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে—এমন চিন্তা হয়তো অনেকের মনেই আসে না। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)-এর প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে, দেশের বাজারে প্রচলিত টুথপেস্টের একটি বড় অংশেই রয়েছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক, যা আমাদের শরীর ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হতে পারে।

গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায়, এর মধ্যে ২৬টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক কণার উপস্থিতি রয়েছে যা শতকরা হিসাবে প্রায় ৭৬.৫ শতাংশ। বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে যখন জানা যায়, শিশুদের জন্য বাজারজাত কিছু টুথপেস্টেও এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এই অদৃশ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

তবে আশার কথা হচ্ছে, সব টুথপেস্টে এই ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশে উৎপাদিত কিছু টুথপেস্ট যেমন জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো), ক্লোজ আপ রেড হট জিঙ্ক ফ্রেশ টেকনোলজি এগুলোতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়নি। এছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জ টুথপেস্টেও এ ধরনের কণা পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক অত্যন্ত ক্ষুদ্র হওয়ায় সহজেই মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি এটি পরিবেশ দূষণের একটি বড় উৎস, যা মাটি, পানি ও জীববৈচিত্র্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
এই প্রেক্ষাপটে আমাদের সবার দায়িত্ব সচেতন হওয়া। টুথপেস্ট কেনার সময় উপাদান সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা, শিশুদের জন্য নিরাপদ পণ্য নির্বাচন করা এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যের দিকে ঝুঁকে পড়া এখন সময়ের দাবি।

আপনি বা আপনার পরিবার কোন টুথপেস্ট ব্যবহার করছেন? আপনার মতামত জানাতে পারেন কমেন্টে। পোস্ট টি শেয়ার করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন। আপনার সচেতনতা অন্যদের জন্যও হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

ভয়েস অব লংগদু — একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন কমিউনিটি।
— কথা বলে আর্তপীড়িত মানুষের।

বর্ষাকালে পানি ব্যবহারে সচেতন হোন | ভয়েস অব লংগদু।সম্মানিত লংগদু উপজেলাবাসী,বর্ষাকালে আমাদের উপজেলার প্রাকৃতিক পরিবেশ যে...
26/07/2026

বর্ষাকালে পানি ব্যবহারে সচেতন হোন | ভয়েস অব লংগদু।

সম্মানিত লংগদু উপজেলাবাসী,
বর্ষাকালে আমাদের উপজেলার প্রাকৃতিক পরিবেশ যেমন সুন্দর হয়ে ওঠে, তেমনি কাপ্তাই লেকের শাখা উপশাখা নিকটবর্তী এলাকায় বসবাসরত লোকজনের বাড়ির আঙ্গিনার কাছাকাছি পানি থাকায়, পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও বেড়ে যায়।

প্রতিবছরই এই সময়ের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি পায় এবং পাহাড়ের পাদদেশে থাকা পান যোগ্য অসংখ্য নিরাপদ পানির ঝর্না তলিয়ে যায়। পাশাপাশি নিচু এলাকার বহু নলকূপও ডুবে যায়। অন্যদিকে পাহাড়ি উঁচু এলাকায় পানির স্তর অনেক নিচে থাকায় অনেক ক্ষেত্রে সেখানে নলকূপ স্থাপন করাও সম্ভব হয়না। ফলে এসব এলাকার অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে সরাসরি কাপ্তাই লেকের পানি পান করে থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারন কাপ্তাই লেকের প্রবাহিত পানিতে জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া ও দূষিত পদার্থ থাকতে পারে, যা মানব দেহে প্রবেশ করে ডায়রিয়া, আমাশয়, জন্ডিসসহ নানা ধরনের পানিবাহিত রোগের কারণ হতে পারে।

আপনার সচেতনতাই হতে পারে বড় সুরক্ষা -

১। কাপ্তাই লেকের পানি সরাসরি পান করার আগে অবশ্যই কমপক্ষে ১০–১৫ মিনিট ভালোভাবে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে, এতে ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস হয়।
২। পানি সংরক্ষণের জন্য সবসময় পরিষ্কার ও ঢাকনাযুক্ত পাত্র ব্যবহার করা উচিত, যাতে পানি পুনরায় দূষিত না হয় এবং দীর্ঘসময় নিরাপদ থাকে।
৩। পানি সংগ্রহের সময় যতটা সম্ভব পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত উৎস নির্বাচন করতে হবে, কারণ উৎসের মান পানির নিরাপত্তার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।
৪। সুযোগ থাকলে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বা ফিল্টার ব্যবহার করুন যা পানিকে অতিরিক্তভাবে জীবাণুমুক্ত করতে সাহায্য করে।
৫। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন, কারণ দূষিত পানি তাদের স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং দ্রুত অসুস্থ করে তুলতে পারে।
৬। বর্ষার পানিতে ডুবে যাওয়া নলকূপের পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন, কারণ এ ধরনের পানিতে সহজেই জীবাণু ও ময়লা মিশে গিয়ে পানিকে অনিরাপদ করে তোলে।

আপনার একটু সতর্কতা আপনার পরিবারকে মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই নিরাপদ পানি ব্যবহার করুন, সুস্থ থাকুন।

নিজে সচেতন হোন, পোস্ট টি শেয়ার করে অন্যকেও সচেতন করুন।

ভয়েস অব লংগদু — একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক অনলাইন কমিউনিটি।

Address

Langadu Upazila, Ragamati
Rangamati
4500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of Langadu Upazila - ভয়েস অব লংগদু উপজেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Voice of Langadu Upazila - ভয়েস অব লংগদু উপজেলা:

Shortcuts

Share

Category