17/08/2026
বাংলাদেশে এক শ্রেণির ডোমেস্টিক পশু আছে, যাদের কাছে ইতিহাস মানে শুধু ১৫ আগস্ট।
শোক বলতে তারা শুধু ১৫ আগস্টকেই বুঝে।
অথচ ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এর মাঝে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যুতে এদের শোক দেখা যায়না। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতেও এদের শোক দেখা যায়না। শাপলা গণহত্যা, পিলখানা ম্যাসাকারেও এদের শোক দেখা যায়না।
এদের শোক শুধু ১৫ আগস্ট নিয়ে।
তাদের কাছে হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামলও স্বর্গের মত লাগে।
অথচ এরা আওয়ামীলীগ করেনা।
হাসিনার ১৭ বছর শুধু সমাজ বই দিয়ে শেখ মুজিবের ইতিহাস খাওাইছিলো। মুজিবের পূজা করাইছিলো। কিন্তু তাঁর কালো ইতিহাস এই জেনারেশনের কাছ থেকে লুকাইতে পারেনি।
শেখ মুজিবের ৩ বছরের শাসনামলে মানুষ অতিষ্ট হয়ে তাঁর পতন ডেকে আনছিল।
এই শেখ মুজিব, জাতীয় রক্ষীবাহিনী ঘঠন করে দমন-পীড়ন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলো।
শেখ মুজিবের শাসনামলে চুরি, দুর্নীতি, খাদ্য সংকট, মূল্যস্ফীতি, কালোবাজারি এবং স্বজনপ্রীতির কারণে ১৯৭৪ এ দেশে দুর্ভিক্ষ নেমে আসছিলো। সেই দুর্ভিক্ষে লাখ লাখ মানুষ খাদ্যের অভাবে মারা গিয়েছিলো।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম স্বৈ-রাচার হিসেবে এই শেখ মুজিব নতুন বিশেষ ক্ষমতা আইন নিয়ে আসছিলো। এই আইনের মাধ্যমে বিচার ছাড়া যে কাউকে দীর্ঘ সময় আটক রাখার ব্যবস্থা করেছিলেন বঙ্গবল্টু।
১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে কার্যত একদলীয় ব্যবস্থা চালু করে শেখ মুজিব। যেটাকে বলা হয় বাকশাল ও একদলীয় শাসন। এর মাধ্যমে সকল বিরোধী দল রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে নিজে একা ক্ষমতায় থাকার জন্য গণতন্ত্রের অবসান ঘটায়।
শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে যেন কেউ কথা বলতে না পারে সে জন্য জাসদ, সর্বহারা পার্টি ও অন্যান্য বিরোধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে রাজনৈতিক শক্তির দমন করতো।
এছাড়া নির্বিচারে হ-ত্যা, গু-ম, খু-ন এগুলো ছিল মুজিবের কাছে ডাল ভাত।
এমনকি নিজে বাঁচার জন্য শেষদিন শেখ রাসেলকে সেনাবাহিনীর গুলির সামনে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিলো।
অথচ এতো কিছুর পরে এসব মুজিববাদ দের দেখে একটা কথাই মাথায় আসে,"ইবলিশ, শয়তান হওয়ার আগে অতিমাত্রায় ইবাদত-বন্দেগি করতো।"