Rafi's Voice - কথায় রাফি

Rafi's Voice - কথায় রাফি শালবন মিস্ত্রি পাড়া ,
২৫ নং ওয়ার্ড, ২/১

বাংলাদেশে এক শ্রেণির ডোমেস্টিক পশু আছে, যাদের কাছে ইতিহাস মানে শুধু ১৫ আগস্ট।শোক বলতে তারা শুধু ১৫ আগস্টকেই বুঝে। অথচ ১৯...
17/08/2026

বাংলাদেশে এক শ্রেণির ডোমেস্টিক পশু আছে, যাদের কাছে ইতিহাস মানে শুধু ১৫ আগস্ট।

শোক বলতে তারা শুধু ১৫ আগস্টকেই বুঝে।

অথচ ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এর মাঝে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যুতে এদের শোক দেখা যায়না। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতেও এদের শোক দেখা যায়না। শাপলা গণহত্যা, পিলখানা ম্যাসাকারেও এদের শোক দেখা যায়না।

এদের শোক শুধু ১৫ আগস্ট নিয়ে।

তাদের কাছে হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামলও স্বর্গের মত লাগে।

অথচ এরা আওয়ামীলীগ করেনা।

হাসিনার ১৭ বছর শুধু সমাজ বই দিয়ে শেখ মুজিবের ইতিহাস খাওাইছিলো। মুজিবের পূজা করাইছিলো। কিন্তু তাঁর কালো ইতিহাস এই জেনারেশনের কাছ থেকে লুকাইতে পারেনি।

শেখ মুজিবের ৩ বছরের শাসনামলে মানুষ অতিষ্ট হয়ে তাঁর পতন ডেকে আনছিল।

এই শেখ মুজিব, জাতীয় রক্ষীবাহিনী ঘঠন করে দমন-পীড়ন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলো।

শেখ মুজিবের শাসনামলে চুরি, দুর্নীতি, খাদ্য সংকট, মূল্যস্ফীতি, কালোবাজারি এবং স্বজনপ্রীতির কারণে ১৯৭৪ এ দেশে দুর্ভিক্ষ নেমে আসছিলো। সেই দুর্ভিক্ষে লাখ লাখ মানুষ খাদ্যের অভাবে মারা গিয়েছিলো।

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম স্বৈ-রাচার হিসেবে এই শেখ মুজিব নতুন বিশেষ ক্ষমতা আইন নিয়ে আসছিলো। এই আইনের মাধ্যমে বিচার ছাড়া যে কাউকে দীর্ঘ সময় আটক রাখার ব্যবস্থা করেছিলেন বঙ্গবল্টু।

১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে কার্যত একদলীয় ব্যবস্থা চালু করে শেখ মুজিব। যেটাকে বলা হয় বাকশাল ও একদলীয় শাসন। এর মাধ্যমে সকল বিরোধী দল রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে নিজে একা ক্ষমতায় থাকার জন্য গণতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে যেন কেউ কথা বলতে না পারে সে জন্য জাসদ, সর্বহারা পার্টি ও অন্যান্য বিরোধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে রাজনৈতিক শক্তির দমন করতো।

এছাড়া নির্বিচারে হ-ত্যা, গু-ম, খু-ন এগুলো ছিল মুজিবের কাছে ডাল ভাত।

এমনকি নিজে বাঁচার জন্য শেষদিন শেখ রাসেলকে সেনাবাহিনীর গুলির সামনে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিলো।

অথচ এতো কিছুর পরে এসব মুজিববাদ দের দেখে একটা কথাই মাথায় আসে,"ইবলিশ, শয়তান হওয়ার আগে অতিমাত্রায় ইবাদত-বন্দেগি করতো।"

11/08/2026

এই মুহুর্তে দেশের ৪৭ টি বিদুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদুৎ ঘাটতির লোডশেডিং হচ্ছে প্রতিদিন সারাদেশে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হবার কারন হচ্ছে গ্যাস, কয়লা, জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট।

এর সাথে আছে ডলার সংকট। তার সাথে যোগ হয়েছে সরবরাহকারী প্রতিষ্টানের বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস ও জ্বালানী তেল কিনতে না পারা এবং বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি বকেয়া থাকা। তার সাথে যোগ হয়েছে সম্প্রতি এল এন জি টার্মিনালে দুর্ঘটনা। সেটা এখন মেরামত সম্পন্ন হয়নি। তার সাথে যোগ হয়েছে সামুদ্রিক বৈরী আবহাওয়া। যার কারনে এল এনজি নিয়ে আসা বিদেশি জাহাজগুলো বন্দরে ভিড়তে না পারা।

আপনি আমি বিদুৎ বিল কি বকেয়া রাখি? রাখি না। বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানো হয়েছে যাতে ভর্তুকি কম দিতে হয় সরকারকে। কিন্তু বাস্তবে পিডিবি কি করেছে? আপনার আমার কাছে থেকে বিদ্যুতের দাম নিয়েছে। কিন্তু সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে টাকা দিতে পারছে না! বিদুৎ এর দাম বাড়িয়ে টাকা নিচ্ছে। তারপরেও বকেয়া শেষ হচ্ছে না। তার মানে চিন্তা করে দেখেন এই এক খাতে এরা কি পরিমান টাকা তারা লুটপাট করেছে এবং করছে। এটা শুধু বিএনপি এসে একা করে নি। আওয়ামিলীগ এবং ইউনুস সরকারের আমলেও এই দুর্নীতি চলমান থেকেছে এখনো চলছে। আপনি যদি বকেয়া রাখেন তাহলে সাপ্লাইয়াররা আর কত বাকীতে মাল দিবে বলেন?

এবার আসি আসল কথায়। দেশের রিজার্ভ সংকট একদম ই নেই। কারণ আওয়ামিলীগ রেখে গিয়েছিল ১৫ বিলিয়নের মতো। ইউনুস সরকার সেটা ২৯ বিলিয়ন করে রেখে গিয়েছিল। বিএনপি এসে এখন সেটা ৩২ বিলিয়নে রুপান্তর করেছে৷ সুতরাং রিজার্ভ সংকট নেই। ডলার সংকট নেই। যদি তারা বলে এই দুটো সংকট আছে। তার মানে মিথ্যা বলছে এবং তারা টাকা সরাচ্ছে।

তাহলে শেষ কথা হচ্ছে, বিদুৎ এর জ্বালানী আমদানি করা যাচ্ছে না বিধায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ। এবং বিদ্যুৎ সরবরাহকারীদের বকেয়া পরিশোধ না করায় এবং জ্বালানী সাপ্পাইয়ারদের টাকা বকেয়া থাকায় সরকার সরাসরি স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানী কিনতে পারছে না। আর এই কারনেই সরকার বসুন্ধরাকে জ্বালানি আমদানির অনুমতি দিয়েছে। তারা কিনে এনে সরকারকে দিবে অথবা সরাসরি বাজারজাত করবে।

এখন সব শেষে প্রশ্ন হচ্ছে, জনগন বিদ্যুৎ বিলের টাকা বাকী রাখে নাই। আপনারা সেই টাকা কি করেছেন? কেন সাপ্লাইয়ারদের টাকা বকেয়া থাকবে ?

27/07/2026

বিশ্বনবীর (সা.) চোখে ১২ শ্রেষ্ঠ মানুষ
1. কুরআন শিক্ষা করা এবং অন্যকে শিক্ষা দেওয়া ব্যক্তি
2. উত্তম চরিত্রের অধিকারী
3. ঋণ পরিশোধে উত্তম যিনি
4. যার থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে
5. নিজের পরিবারের সঙ্গে সর্বোত্তম আচরণকারী
6. দীর্ঘ জীবন ও উত্তম আমলকারী
7. মানুষের সবচেয়ে বেশি উপকার করা ব্যক্তি
8. পবিত্র অন্তর ও সত্যবাদী জিহবার অধিকারী
9. প্রতিবেশী ও সঙ্গীর প্রতি উত্তম আচরণকারী
10. ক্রোধ সংযত রাখে এবং মানুষকে ক্ষমা করে
11. মানুষকে খাদ্য দান করে এবং পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে সালাম দেয়
12. আল্লাহর পথে জান ও মাল উৎসর্গকারী মুমিন ।

07/07/2026

দেশের মানুষের অবস্থা হয়েছে লাফাংা* র প্রেমিকের সাথে ভেগে যাওয়া প্রেমিকার মতো। প্রেমিকা ভেগে গিয়ে বিয়ে করলো। বিয়ের পর দেখলো জামাই খারাপ। 🤣🤣🤣
বাবা টাবা খায়৷ পরনারীতে আসক্ত। এখন বউ না পারে জামাই ছেড়ে বাপের বাড়ি যেতে। না পারে সইতে। কারণ চয়েজ তো তার।

বিএনপি বলতে গেলে আমাদের ই সরকার। আমরাই বসিয়েছি ভালোবেসে। এখন সে লাই পেয়ে ভাদাইম্মা সরকার হয়ে গেছে। এখন করব কি? বিচার দিব কারে? না পারি ছাড়তে না পারি সইতে।

এদিকে মনে করেন, জামায়াত হলো ধনী বাবার বখে যাওয়া ছেলে। সারাক্ষণ থাকে কিভাবে বউ ভাগিয়ে নিবে সেই ধান্দায়। বিদেশ ট্যুর, গাড়ী বাড়ী, ফ্ল্যাট, আইফোন টাইফোনের লোভ দেখায়!!!!

আর আওয়ামিলীগ হলো এক্স প্রেমিক। বিরাট ছ্যাক খেয়ে সারাদিন মাল মুল গাজামাজা বাঁশি টাশি টানে। পলিথিন জুতার কষ খায়। পার্কে সার্কে ফুটপাতে মাজারে মুজারে পরে থাকে।
জনগণের আর যাওয়ার জায়গা নাই।...... 😂😂

05/07/2026

কুরআন কীভাবে পড়তে হয়, ইরান সেইটাও আমাদের শিখাইয়া দিচ্ছে।

একেকটা দেশের প্রতিনিধিদের জন্য একেকটা আয়াত সিলেক্ট করা হইছে।

শুনলে মনে হবে, কথাগুলো সেই দেশকে উদ্দেশ্য করেই বলা।

যেমন সৌদির জন্য সিলেক্ট করা হয়েছে সূরা আল ইমরানের ১৩ নাম্বার আয়াত। যেখানে মূলত বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলা হইছে, পৃথিবীতে অলয়েজই দুইটা দল থাকেই। কে কোন পক্ষে থাকতেসে, সেইটাই হচ্ছে প্রশ্ন।

বাংলাদেশের জন্য চুজ করা হয়েছে সূরা আযহাবের ২৩ নাম্বার আয়াত।

খুবই পজিটিভ একটা আয়াত। বলা হইছে মুমিনদের মধ্যে কেউ কেউ আল্লাহর সাথে ওয়াদা করেছে। কেউ শহীদ হয়েছে আর কেউ শহীদ হওয়ার অপেক্ষায় আছে। কিন্তু তারা তাদের ওয়াদা চেঞ্জ করে নাই।

তুরস্ককে লড়াই এর আয়াত শোনানো হয়েছে, কাতারকে শোনানো হয়েছে শান্তি আর মীমাংসার আয়াত। যেহেতু কাতার এই কাজগুলোই করে ইন জেনারেল।

লেবাননকে শোনানো হয়েছে ত্যাগের গুরুত্ব। আর নিজেদের মিত্রদের ইরান মনে করাই দিসে, ইনসাফের পথে তোমরা যারা লড়াই করতেছ, তোমরাই শ্রেষ্ঠ।

কী চমৎকার, কী এসথেটিক্সের সাথে ওরা কুরআনকে রিড করে, ঔন করে, চিন্তা করেন।

কুরআন পড়ার মত পড়তে পারলে আসলে কুরআন মানুষের সাথে কথা বলে।

আমরা কুরআন ইউজ করি এরে ওরে ফতোয়া মারার জন্য, ভয় দেখানোর জন্য, আবার নিজেরাও কুরআনকে ভয় পাই।

অথচ কুরআন তো আসলে একটা এস্থেটিক জিনিস, এইটা আমরা ফিলও করতে পারি না।

কারণ আমরা কুরআনের অক্ষরকে গুরুত্ব দিতে যাইয়া কুরআনের প্রাণটাই মিস করে গেছি।

ইরানের লোকজনের এত সাহস কেমনে, কেমনেই বা ওরা ইউএস এর মত দেশের সাথে লাগতে যায় খালি হাতে, এই প্রশ্নটার উত্তর মেবি পাইছি আমি।

কুরআনকে যারা এত সুন্দর করে রিড করে, ফিল করে, কুরআন যাদের সাথে কথা বলে, তারা সাহসী হবে না তো কারা সাহসী হবে?
© Sadikur Rahman

04/07/2026

round of 16

21/06/2026
15/06/2026

টাকা পয়সা নিয়ে কিছু সত্য কথা বলি.. সবার ভালো লাগবে না পোস্টটা...

"টাকা কোনো ম্যাটার না, দিনশেষে মানসিক শান্তিই সব।"—এই টাইপ সস্তা মোটিভেশনাল লেকচার আমাদের বাংলাদেশে চলে না.

টাকা আপনাকে সুখ দিতে পারুক আর না পারুক, অন্তত নিজের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতাটা দেয়

আমাদের এই ১৬-১৭ কোটির ছোট্ট দেশটার দিকে তাকান। প্রতিদিন সকালবেলা যখন লাখ লাখ মানুষ স্রেফ একমুঠো ভাতের জন্য কিংবা একটু ভালো থাকার লড়াইয়ে রাস্তায় নামে—শহরটাকে জাস্ট একটা ব্যাটলগ্রাউন্ড মনে হয়

লোকাল বাসের হ্যান্ডেল ধরা থেকে শুরু করে কর্পোরেট অফিসের প্রমোশন—সবখানেই একটা নির্মম হিংস্রতা

এই ওভার পপুলেশনের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার ভয় আমাদের অবচেতন মনে এমনভাবে গেঁথে গেছে যে, আমরা প্রত্যেকে একটা অন্তহীন ইঁদুরদৌড়ে শামিল হতে বাধ্য হচ্ছি। সমাজ আমাদের ব্রেনে ঢুকিয়ে দিয়েছে: "হয় কাউকে মাড়িয়ে সামনে যাও, নাহলে নিজে পিষ্ট হওয়ার জন্য রেডি থাকো।"

আপনি মানেন কিংবা না মানেন... এটাই সত্য

এ দেশে সুস্থ থাকা পর্যন্ত সবকিছু ঠিক আছে, কিন্তু একবার অসুস্থ হয়েছেন তো মরেছেন। সরকারি হাসপাতালের কী অবস্থা সেটা আমরা সবাই জানি—আর বেসরকারি হাসপাতালে পা দেওয়া মানে লাইফ সেভিংস শেষ। স্রেফ একটা আইসিইউ বেড আর টেস্টের চক্করে পড়ে মধ্যবিত্ত পরিবার এক নিমেষে ফকির হয়ে যায়।

একটু ভালো মানের ট্রিটমেন্টের জন্য শেষমেশ জমি-জমা বা শেষ সম্বল বেঁচে ইন্ডিয়া, ব্যাংকক কিংবা সিঙ্গাপুর দৌড়াতে হয়।

কয়েকদিন আগে নিউজ এসেছিল অ্যাম্বুলেন্সে লাশ উঠাতে দেওয়া হয় না ঘুষ না দিলে, দক্ষিণবঙ্গ থেকে নিউজ এসেছিল যে অ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন মার্কস খুলে নেওয়ার কারণে একটা বা/চ্চা মারা গেছিল.

টাকা না থাকলে এ দেশে চিকিৎসা পাওয়া তো দূর, একটু মানবিক আচরণও পাওয়া যায় না। টাকা এখানে মানুষের জীবনের দাম নির্ধারণ করে

কোয়ালিটি এডুকেশন এখন চড়া দামে বিক্রি হয়। ভালো প্রাইভেট স্কুল আর নামী প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি কতটা এক্সপেনসিভ আমার বলে দেওয়ার দরকার নেই

আপনি হয়তো চান আপনার সন্তান বা আপনার ফ্যামিলি যেন বেস্ট এডুকেশনটা পায় আর সেই বেস্ট এডুকেশনটা লক করা আছে একটা বড় প্রাইসিং ট্যাগের পেছনে

শুধু তাই নয় ECA প্রোগ্রামগুলোর বেশিরভাগ খরচ নিজে থেকে উঠাতে হয় এত বড় খরচ সাধারণ ঘরের কোন বাচ্চা উঠাতে পারবে না

১৬-১৭ কোটির এই দেশে পপুলেশন আকাশচুম্বী, কিন্তু সেই তুলনায় জবের অপরচুনিটি বা বিজনেস খুবই লিমিটেড।

11/06/2026

নতুন ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় ভুল কী জানেন?
তারা পণ্যের খরচ হিসাব করে কিন্তু ব্যবসা চালানোর খরচের হিসাব করে না
ধরুন একটি টি-শার্ট তৈরি করতে আপনার খরচ হলো ১০০ টাকা
আপনি সেটি ১৫০ টাকায় বিক্রি করলেন
অনেকেই ভাববেন
লাভ = ৫০ টাকা
কিন্তু বাস্তবতা হলো ব্যবসার লাভ এত সহজে হিসাব করা যায় না
কারণ পণ্যের খরচ ছাড়াও আরও অনেক খরচ আছে
✓ প্যাকেজিং
✓ মার্কেটিং
✓ যাতায়াত
✓ কর্মচারী
✓ ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ
✓ দোকান বা অফিস খরচ
✓ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — আপনার সময়ের মূল্য
ধরুন
পণ্যের খরচ = ১০০ টাকা
অপারেশন খরচ = ২৫ টাকা
তাহলে প্রকৃত লাভ
১৫০ - (১০০ + ২৫) = ২৫ টাকা
অর্থাৎ প্রতি টি-শার্টে আপনার আসল লাভ ২৫ টাকা।
এখন যদি আপনার লক্ষ্য হয় মাসে ২,৫০০ টাকা লাভ করা, তাহলে আপনাকে বিক্রি করতে হবে
২,৫০০ ÷ ২৫ = ১০০টি টি-শার্ট
যদি বিক্রি হয় মাত্র ৮০টি
তাহলে লাভ হবে
৮০ × ২৫ = ২,০০০ টাকা
অর্থাৎ বিক্রির পরিমাণ কমলে লাভও সরাসরি কমে যাবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো
ব্যবসার খরচ সাধারণত দুই ধরনের
১. Fixed Cost (স্থায়ী খরচ)
যেমন
মেশিন, ফার্নিচার, কম্পিউটার, দোকান সাজানো ইত্যাদি
২. Running Cost (চলমান খরচ)
যেমন:
ভাড়া, বেতন, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট, পরিবহন, মার্কেটিং ইত্যাদি।
নতুন উদ্যোক্তারা প্রায়ই একটি ভুল করেন।
তারা Fixed Cost-এর পুরো টাকাটা একবারেই লাভ-লোকসানের হিসাবে ধরে ফেলেন, ফলে শুরুতেই হতাশ হয়ে যান।
কিন্তু সঠিক নিয়ম হলো Fixed Cost-কে তার ব্যবহারকাল অনুযায়ী ভাগ করে মাসিক খরচ হিসেবে ধরা।
উদাহরণ
মেশিনের দাম = ১,২০,০০০ টাকা
ব্যবহারকাল = ৫ বছর (৬০ মাস)
তাহলে মাসিক খরচ:
১,২০,০০০ ÷ ৬০ = ২,০০০ টাকা
ব্যবসায় টিকে থাকতে চাইলে শুধু বিক্রি বাড়ালেই হবে না
হিসাবও জানতে হবে।
মনে রাখবেন
লাভ = বিক্রয় মূল্য − (পণ্যের খরচ + অপারেশন খরচ + সময়ের মূল্য)
যে উদ্যোক্তা হিসাব বোঝে,
সে ছোট পুঁজিতেও ব্যবসা বড় করতে পারে। 📈

Address

Rangpur

Telephone

+8801705852871

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rafi's Voice - কথায় রাফি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share