Saidpur Government College

Call Directions Website Contact the organization

Saidpur Government College "Saidpur Government College" is the first college of Nilphamari district. Established in 1953. Affiliated with National University and Dinajpur Education Board.

ইয়োগা বা যোগ ব্যায়াম, শরীর চর্চার নাম করে আপনি কিংবা আপনার পরিবারের যদি কেউ বলেন আমি ইয়োগা করছি তবে আপনি না জেনেই শির...
18/09/2026

ইয়োগা বা যোগ ব্যায়াম, শরীর চর্চার নাম করে আপনি কিংবা আপনার পরিবারের যদি কেউ বলেন আমি ইয়োগা করছি তবে আপনি না জেনেই শিরকে লিপ্ত।
আল্লাহ আমাদের প্রতিটা অ্যাকশন কাউন্ট করে। আপনি কিছু করার আগে কেন যাচাই করছেন না এটা একটা মূর্খতা এবং অজ্ঞতার কারণ। আপনি অন্ধভাবে ট্রেন্ড ফলো করতে পারেন না।

মেয়েদের মধ্যে এটা বেশি হয়ে উঠেছে ইয়োগা করতে হবে। আবার হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের ধ্যান রয়েছে অনেকে এদের সাথে আমাদের রাসূলদের চিন্তাভাবনায় মগ্ন থাকার ধ্যানকে মিলিয়ে ফেলে। আস্তাগফিরুল্লাহ। রাসুলরা এমন কিছুই করতো না তারা গভীরভাবে চিন্তা করতো আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে এবং একাকী তার ইবাদাত করতো, জিকির করতো, শুকরিয়া আদায় করতো এবং ক্ষমা চাইতো।

মেডিটেশন বা ধ্যান যেভাবে প্রমোট করা হয় তারও সোর্স আমাদের জানা উচিত। জাতিসংঘে ধ্যান করাচ্ছে কিংবা কোনো কোম্পানিতে ধ্যান করাচ্ছে এটাও অন্ধের মতো অনুকরণ করবে আর বলবে মাইন্ড ঠিক রাখার জন্য। আসলে এই গুলো রিচুয়াল। এটা মুশরিকদের থেকে আসা। তারা সালাত অপেক্ষা মেডিটেশনকে প্রায়োরিটি দিবে।

অরা (Aura) এটাকে কেউ কেউ নিজেদের করে নিয়েছে কিন্তু এটা এস্ট্রোলোজি যা হিন্দুদের এবং জৈনদের রিলিজিওন প্রমোট করে মানে সরাসরি শিরক।

আজ আমি কোনো রেফারেন্স দিলাম না কারণ যাচাই করার কাজ আপনার।

নারীদের স্বাধীনতার নামে এতো কনটেন্ট তৈরী করা হয়েছে যে আজ যদি কোনো ইউনিভার্সিটি গ্র্যাজুয়েট মেয়ে ইসলামিকও হয় তবে সে কোনো না কোনো ভাবে মুশরিকদের ধর্মকে পালন করছে না জেনেই। একইভাবে পুরুষদের ক্ষেত্রে হলেও নারীরা অতিরিক্ত।

আমরা এমন মিডিয়ার ফাঁদে রয়েছি যে ফিতনা থেকে বাঁচতে আপনাকে পরামর্শ দিতে দিতেও নিজেই ফিতনার মধ্যে ডুবে যাচ্ছি।

ইয়োগা, মেডিটেশন, অরা এই সব শির্ক থেকে বাঁচার চেষ্টা করি। আপনি শরীর চর্চা করুন, জিকির করুন, সালাত আদায় করুন এবং রাসূলদের মতো আল্লাহর ক্রিয়েশন (ভুমন্ডল, নভোমন্ডল) নিয়ে ভাবুন।

02/07/2026

শুভ কামনা সকল উচ্চ মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য।

আজ শির্ক বা শিরক সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানি -"নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে অংশীদার করা ক্ষমা করেন না, তবে তিনি যাকে ইচ্ছা ...
26/06/2026

আজ শির্ক বা শিরক সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানি -

"নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে অংশীদার করা ক্ষমা করেন না, তবে তিনি যাকে ইচ্ছা অন্যান্য পাপ ক্ষমা করে দেন। আর যে আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার করে, সে এক গুরুতর পাপ করেছে।"

— সূরা আন-নিসা ৪:৪৮

শিরক থেকে সুরক্ষিত থাকতে রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন। এটি নিয়মিত পাঠ করতে পারেন:

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা আন-আশরিকা বিকা, ওয়া আনা আ'লামু; ওয়া আসতাগফিরুকা লিমা লা আ'লামু।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি সজ্ঞানে তোমার সঙ্গে শিরক করা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই এবং যা আমার অজ্ঞাত, তা থেকেও তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

--------------------------------------------------------------------------

শিরক হলো আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করা, যা ইসলামে সবচেয়ে ক্ষমার অযোগ্য গুনাহ। এটি থেকে মুক্ত থাকতে হলে তাওহিদের সঠিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং দৈনন্দিন জীবনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

শিরক থেকে বেঁচে থাকার জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো:

আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস: আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয়, তিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী—এই বিশ্বাস দৃঢ় করা। কোনো পীর, দরবেশ, বা অন্য কোনো সৃষ্টিকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে না করা।

একমাত্র আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা: বিপদ-আপদে, রোগ-শোকে বা যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি একমাত্র আল্লাহর কাছেই প্রার্থনা করা এবং সাহায্য চাওয়া।

মানত ও কোরবানি: মানত, জবেহ বা কোরবানি শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করা।

রিয়া বা লোক দেখানো ইবাদত বর্জন: ইবাদত বা সৎকর্ম মানুষকে দেখানোর জন্য বা প্রশংসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে না করা, বরং একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা।

কুসংস্কার থেকে দূরে থাকা: ভাগ্য পরিবর্তন, অকল্যাণ দূর করা বা ভালো কিছুর আশায় তাবিজ-কবজ, গ্রহরত্ন বা জ্যোতিষীদের ওপর নির্ভরতা পরিহার করা।

আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলা: হালাল ও হারামের বিধান একমাত্র আল্লাহ নির্ধারণ করেন। অন্য কাউকে আল্লাহর আইনের সমতুল্য বা তার বিপরীত আইন তৈরির অধিকার না দেওয়া।

--------------------------------------------------------------------------

শিরক মূলত দুই ভাগে বিভক্ত:

১. শিরকে আকবর (বড় শিরক):এই ধরণের শিরক মানুষকে ইসলাম থেকে সম্পূর্ণ বের করে দেয়। এর অন্তর্ভুক্ত কাজগুলো হলো:

ইবাদতে শরিক করা: আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উদ্দেশ্যে নামাজ, রোজা, কুরবানি বা মানত করা।

প্রার্থনা বা সাহায্য চাওয়া: মৃত ব্যক্তি, অলি-আউলিয়া বা কোনো মূর্তির কাছে এমন কিছু প্রার্থনা করা, যা একমাত্র আল্লাহর কুদরতের অধীন।

ভয় ও ভরসা: আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো শক্তি বা সত্তাকে অদেখা ভয়ের যোগ্য মনে করা বা তাদের উপর চূড়ান্ত ভরসা করা।

বিধান প্রণয়ন: আল্লাহর হালাল বা হারাম করা বিধানের পরিবর্তে মানুষের তৈরি করা আইনকে চূড়ান্ত হিসেবে মেনে নেওয়া।

২. শিরকে আসগর (ছোট শিরক): এটি মূলত লুক্কায়িত বা গোপন শিরক। এটি সরাসরি ঈমান ধ্বংস না করলেও বড় শিরকের পথ প্রশস্ত করে। এর অন্তর্ভুক্ত কাজগুলো হলো:

লোক দেখানো আমল (রিয়া): মানুষকে দেখানোর জন্য বা প্রশংসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো সৎ কাজ করা বা ইবাদত দীর্ঘ করা।

আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে কসম করা: 'আল্লাহর কসম' না বলে অন্য কোনো নবী, পীর বা সৃষ্টির নামে কসম করা।

কুসংস্কার ও তাবিজ: কোনো সুতা, কবজ, বা আংটি রোগ বা বালা-মুসিবত দূর করতে পারে—এমন বিশ্বাস রাখা।

আল্লাহু আকবার (اللَّهُ أَكْبَرُ) - "আল্লাহ মহান" বা "আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ"লা ইলাহা ইল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা:) -...
20/06/2026

আল্লাহু আকবার (اللَّهُ أَكْبَرُ) - "আল্লাহ মহান" বা "আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ"

লা ইলাহা ইল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা:) - আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের উপযুক্ত বা অন্য কোনো উপাস্য নেই এবং হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর প্রেরিত রাসূল।

14/04/2026

"অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।"
- সূরা ইউসুফ: ১০৬

কাফের-মুশরিকদের উৎসবে বা তাদের উৎসবের আদলে করা উৎসবে শরিক হয়ে আল্লাহর সাথে পরোক্ষভাবে কাউকে শরিক করা থেকে বিরত থাকুন। ইস...
14/04/2026

কাফের-মুশরিকদের উৎসবে বা তাদের উৎসবের আদলে করা উৎসবে শরিক হয়ে আল্লাহর সাথে পরোক্ষভাবে কাউকে শরিক করা থেকে বিরত থাকুন।

ইসলামে সবচেয়ে বড় পাপ শির্ক বা শিরক করা।

"নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শরিক করাকে ক্ষমা করেন না, তবে এর নিম্ন পর্যায়ের গুনাহ তিনি যার জন্য ইচ্ছা করেন, ক্ষমা করেন।"
- সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৮, ১১৬

শিরক যেভাবে হয় (উদাহরণসহ):

আকীদাগত বা বিশ্বাসের শিরক (শিরকে আকবর):

সৃষ্টির উপাসনা: আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো (মূর্তি, কবর, জিন, বা মানুষ) ইবাদত করা ।

গায়েব বা অদৃশ্যের জ্ঞান: নবী, অলি বা জ্যোতিষীরা গায়েব বা ভবিষ্যতের কথা জানেন—এমন বিশ্বাস করা।

ক্ষতি বা কল্যাণের মালিক মনে করা: আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ কল্যাণ বা অশুভ করতে পারে—এমন বিশ্বাস করা।

ভালোবাসা ও ভয়ের শিরক: দুনিয়ার কাউকে আল্লাহর সমপরিমাণ বা তার চেয়ে বেশি ভালোবাসা বা ভয় করা।

কাজের মাধ্যমে শিরক (শিরকে আসগর):

লোক দেখানো ইবাদত (রিয়া): আল্লাহর সন্তুষ্টির বদলে মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য নামাজ, দান বা কোনো নেক আমল করা।

আল্লাহ ছাড়া নামে শপথ: আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে (যেমন- পীর, মাজার, বা বাচ্চার দোহাই দিয়ে) শপথ করা।

কুসংস্কার: ভাগ্য জানতে জ্যোতিষী, গণক বা হাতের রেখা দেখার কাছে যাওয়া।

তাবীজ ও শিরকী কুসংস্কার: রোগ বা বালা-মুসিবত থেকে বাঁচতে তাবীজ, সুতা, বা আংটির উপর ভরসা করা।

মানত ও কুরবানীর শিরক: আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উদ্দেশ্যে মানত করা বা পশু জবেহ করা।

আরো বিস্তারিত জানতে শিরক নিয়ে গবেষণা করুন এবং শিরক থেকে বেঁচে থাকুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে শিরক থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুক।

27/03/2026
28/02/2026

ইরানের মিনাৰ গার্লস স্কুলে আমে/রিকান-ইজ/রায়েলের মি/সাইল হামলায় অর্ধশত শিক্ষার্থী নি/হতের ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। শান্তি ফিরিয়ে আনার নাম করে নিরহ জনগণের উপরে সন্ত্রাসী হামলা এবং যুদ্ধ বন্ধের জন্য গোটা বিশ্বকে আহ্বান জানাচ্ছি। এই বর্বর ঘটনার জন্য যে যেভাবে যতটুকু পারেন নিন্দা জানান, বয়কট করুন তাদের পণ্য। ইয়া যুল-জালালি-ওয়াল-ইকরাম মুজলুম মুসলমানদের সহায় হোক।

- সৈয়দপুর সরকারি কলেজ

28/02/2026

আর তোমরা দূর্বল হয়ো না এবং দুঃখিত হয়ো না, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও তাহলে তোমরাই বিজয়ী হবে।
-( সূরা আল-ইমরান: ১৩৯)

শহীদ মিনারে ফুল দেয়া শিরক নাকি শিরক নয়?উত্তরে যাওয়ার আগে একটু ইতিহাস ঘেটে নেই। "জরোয়াস্ট্রিয়ানিজ্ম" বা জরাথ্রুস্টবাদ -...
21/02/2026

শহীদ মিনারে ফুল দেয়া শিরক নাকি শিরক নয়?

উত্তরে যাওয়ার আগে একটু ইতিহাস ঘেটে নেই।

"জরোয়াস্ট্রিয়ানিজ্ম" বা জরাথ্রুস্টবাদ - প্রাচীন পার্সি বা বর্তমান ইরানে এই ধর্মে প্রচলিত ছিল টাওয়ার বা মিনারের সামনে নীরবতা পালন করা।
মিনার বা টাওয়ারের সামনে কেন নীরব থাকতো তারা?

তারা মনে করতো এতে যা যা হবে
— মৃত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা ও আচার-অনুষ্ঠান
— "আত্মা ও পাথর" সংযোগ
— মৃত্যুর পবিত্রতা
— চূড়ান্ত দাতব্য কাজ
— দূষণ এড়ানো

দেব-দেবীর পূজার করার সময় মুশরিকরা নীরব থাকে কেন?

১. আধ্যাত্মিক আত্মসমর্পণ এবং নম্রতা (অহংকার বিনাশ)
২. গভীর মনোযোগ এবং একাগ্রতা
৩. শ্রদ্ধা এবং শ্রদ্ধার প্রকাশ
৪. ইতিবাচক শক্তি এবং শান্তি গড়ে তোলা
৫. সাংস্কৃতিক এবং মানসিক তাৎপর্য

শহীদ মিনারে ফুল দেয়া নিয়ে ইসলামে কি বলে?

পুষ্পার্ঘ নিবেদন, এক মিনিট নীরবতা পালন করা, মোমবাতি জ্বালানো, মশাল জ্বালানো, শিখা অনির্বাণ বা শিখা চিরন্তন প্রজ্বলন ইত্যাদির সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।

এই গুলো বিজাতিরা পালন করছে আসছে - রোমান সম্রাজ্যের পেগানিস্ট , সুমেরীয় সভ্যতার মুশরিক থেকে বর্তমানের ইহুদি, খ্রিস্টান, সনাতনীরা একই ভাবে মুসলিমদের সেক্যুলার বানানোর কথা বলে এই ধরণের উপশিরক বা শিরকের কাজে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

"যে ব্যক্তি বিজাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে, সে তাদের দলভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে।" [সুনানে আবু দাউদ, অধ্যায়: পোশাক-পরিচ্ছেদ হা/৪০৩১-হাসান সহিহ]

“যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ, অনুসরণ ও সামঞ্জস্য বিধান করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে”

হাদীসটি ইমাম বুখারী ও মুসলিম রহ. বর্ণনা করেছেন; ‘ফতহুল বারী’: ১৩/৩০০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ২৬৬৯।

হাদিস থেকে আমরা কি পাচ্ছি, এখানে স্পষ্ট যে যারা মুশরিকদের ন্যায় পাথরের সামনে নীরবতা পালন করলো, মাথা নিচু রাখলো, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা করলো পাথরকে তারাও মুশরিকদের দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলো।

যদিও এখানে সরাসরি পূজা করা হচ্ছে না কোনো দেবতাদের কিন্তু দেখতে হবে তাদের কি সম্মান জানানোর কথা বলে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে কি না? কারণ অন্ধঅনুকরণ ইসলামে নেই। দেখবেন শহীদ মিনারের বেদিতে জুতা পড়ে উঠা যায় না যেমনটা মূর্তিদের বেদিতেও একই ভাবে সম্মান করা হয় যদি কেউ উঠে তবে তর্ক বিতর্ক থেকে মারামারি হয়ে যায়।

মুসলিমদের সব কিছু যাচাই করা সুন্নাহ।

‘‘হে মুমিনগণ, যদি কোনো পাপী তোমাদের কাছে কোনো খবর আনে, তবে তোমরা তা পরীক্ষা করবে যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়কে ক্ষতিগ্রস্থ না কর, এবং পরে তোমাদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হও।’’
- সূরা (৪৯) হুজুরাত: আয়াত ৬

এখানে হামিদুর রহমান এবং নভেরা আহমেদ ছিলেন ভাস্কর শিল্পী। তারা নামে মুসলমান ছিলেন কিন্তু প্রকাশ্যে এবং আচরণে কখনোই মুসলিম ছিলেন কি না সন্দেহ তবে মুক্তমনা ছিলেন। নভেরা আহমেদ বা ভাস্কর নভেরা একজন মুশরিক ছিলেন সরাসরি সনাতন বেশ ছিল যা তার বাহ্যিক ভাবে দৃশ্যমান। এখনো উইকিপিডিয়াতে তার ছবিসহ বায়ো দেয়া আছে।

মূলত তারা সুমেরীয় সভ্যতার ইনান্না, আরবীয় সভ্যতার উজ্জা, লাত, মানত কিংবা দূর্গা, লক্ষী, সরস্বতী দেবীর যেভাবে পূজা করা হয় ঠিক একই কনসেপ্টে একটি বড় এবং দুই পাশে ছোট ছোট আরো মিনার দিয়েছে।

নভেরা আহমেদের বাহ্যিক ভাবে সনাতন দৃশ্যমান, একই ভাবে তার শিল্পকর্ম কাদের দ্বারা অনুপ্রাণিত তাও দৃশ্যমান।

ভাস্কর নভেরার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মুসলিমদের পথভ্রষ্ট করা এবং সে কাদের দ্বারা অনুপ্রাণিত তা স্পষ্ট তাই সে মুশরিকদের পূজার কনসেপ্ট কপি করেছে আর আমাদের রাজনৈতিকরা না বুঝে এতো দিন গিলেছে, কারণ এটা নিয়ে তাদের মাথা ব্যথা নেই কারণ চেতনা ব্যবসা চলবে তাদের এবং এটাকে জাতীয় রূপ দিয়েছে। যা আরো একটা একই বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ করে বিশ্ব মান দাঁড় করিয়েছে। আসলে তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন, বিশ্ব স্বীকৃতি না।

আমাদের অনেক ইসলামিক স্কলার শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে সরাসরি শিরক বলে না আবার অনেকে উপশিরক বলে। তবে আমি এটার গড়া থেকে ইনভেস্টিগেট করে যা পেলাম তাতে মুসলমানদের ধোঁকা ছাড়া আর কিছুই দেয়া হয় নাই।

আমি এটাকে শিরক হিসাবেই গণ্য করবো কারণ অন্ধঅনুকরণ ইসলামে নেই এবং এটা থেকে মুসলমানদের দূরে সরে আসার আহবান জানাবো এবং না জেনে করার জন্য তওবা করার জন্য অনুরোধ করবো। আল্লাহ গাফুরুর রাহিম।

মুসলমানদের উচিত সে হোক দেশের প্রধান কিংবা বিরোধীদল যাচাই ছাড়া কোনো কাজে উৎসাহী না হওয়া। মানুষকে ইমপ্রেস করার জন্য আল্লাহকে আপসেট করানোর পরিণাম হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম। তাই স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে ভালোভাবে এই মিনার সম্মান বন্ধ করতে হবে।

"নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে অংশীদার করা ক্ষমা করেন না, তবে তিনি যাকে ইচ্ছা অন্যান্য পাপ ক্ষমা করে দেন। আর যে আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার করে, সে এক গুরুতর পাপ করেছে।"

— সূরা আন-নিসা ৪:৪৮

আমরা অনেক ভাবে শহীদের স্মরণ করতে পারি যেটা ইসলামে জায়েজ রয়েছে। আমরা কি তাদের জন্য দোয়া করেছি কিংবা তাদের পরিবারদের খোঁজ খবর নিয়েছি কিংবা নিজেদের ভাষাকে বিশ্বে আরো মূল্যায়িত করার চেষ্টা করেছি?

কোনো একটা ভালো কাজ দিয়ে দিনটা স্মরণীয় করা যেতে পারে যেমন দরিদ্রদের সদকা করা, বৃক্ষরোপন করা, আরো অনেক কিছু। কিন্তু আমরা উল্টো নিজেদের জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছি এতে না শহীদের উপকার হচ্ছে, না আমাদের ভাষার। ইহকাল এবং পরকাল উভয় ক্ষতিগ্রস্থ থেকে বাঁচতে আমাদের শিরক থেকে সচেতন হতে হবে এবং অন্ধঅনুকরণ বন্ধ করতে হবে।

ব্ল্যাক ফিলোসোফার হামিদুর রহমান এবং নভেরা আহমেদ বা ভাস্কর নভেরাকে জানতে ও তাদের কাজকর্ম দেখতে পারবেন উইকিপেডিয়া এবং ইন্টারনেটে।

© দ্যা ব্ল্যাক ফিলোসফার্স - হু কন্ট্রোলস আ সোসাইটি
- আতাউল করিম

Address

Bangla Bazar, Kundol
Saidpur
5310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saidpur Government College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Saidpur Government College:

Shortcuts

Share