16/08/2026
প্রকৃত সত্য উন্মোচন!
১৯৮৪ সালের মে মাসের 'মাসিক নিপুণ' পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে বেগম খালেদা জিয়ার বাবা এস্কান্দার মজুমদার জানান, আমার মেয়েকে রাজনীতি করার নামে এক্সপ্লয়েট করছে একটি বিশেষ দিনে জন্ম তার। ১৯৪৫ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর যেদিন সারা পৃথিবীর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হল সেদিন তিনি ভূমিষ্ঠ হলেন।
ডাক্তার অবনী গোস্বামী বললেন, এই মেয়ে নিশ্চয়ই একদিন বিখ্যাত হবে। শান্তির বাণী নিয়ে এসেছে সে। তার নাম রাখলেন 'শান্তি'। পিতা-মাতা ভাবলেন, দেশে বিরাজ করছে সাম্প্রদায়িক মনোভাব, এ অবস্থায় চিহ্নিত হিন্দু নাম রাখা উচিত নয়। অনেক ভেবেচিন্তে নাম রাখলেন খালেদা খানম। ডাক নাম পুতুল। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তাঁর বড় দু'বোন এবং ছোট দু'ভাই।
পরবর্তীকালে জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করে তিনি হন খালেদা জিয়া, এবং সেই সংবাদেই তিনি আজ বাংলাদেশের প্রথম সারির নেত্রী। আমরা তার আগাগোড়া জীবন ও তাঁর পারিবারিক পরিচয় জানার জন্য গিয়েছিলাম দিনাজপুরে। তার পিতা জনাব মোহাম্মদ ইস্কান্দার মজুমদার ও মাতা তৈয়বা খাতুন আমাদের কাছে তুলে ধরলেন সব ঘটনা। সেই সাথে মা-বাবা দু'জনেই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন বিভিন্ন ব্যাপারে। মেয়ের ব্যাপারে তারা বেশ উদ্বিগ্ন।
মা বললেন, জনসাধারণের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে জামাই জিয়াউর রহমান জীবন দিলেন, আজ আমার মেয়েকেও সেপথে যাচ্ছে, জানিনা ভবিষ্যতে কি হয়।
বাবা বললেন, আমার মেয়ে রাজনীতির জটিল প্যাঁচ-পয়ছ সম্পর্কে অভিজ্ঞতাধীন; মনে হয় কিছু রাজনৈতিক তাকে ব্যবহার করছে ক্ষমতা লাভের জন্য। ক্ষমতা পেয়ে গেলে আমার মেয়েকে তার যথাযথ প্রাপ্য সম্মান দেবে কিনা সে বিষয়ে আমি সন্দিহান।