05/10/2026
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তখন তথাকথিত অনেক পরিবেশবাদী ও সুশীল সমাজ এর তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। সেই সময় এমন কোনো অপপ্রচার ছিল না, যা চালানো হয়নি।
তবে আমরা থেমে থাকিনি। আমাদের উদ্যোগে সেই সুশীল সমাজের অনেককে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্বশরীরে নিয়ে গিয়েছি, তাদের সাথে সামনাসামনি আলোচনা করেছি। তাদের সাথে কথা বলে বারবারই আমার মনে হয়েছে—ঠিক কী কারণে তারা বিরোধিতা করছেন, তা আসলে তাদের নিজেদের কাছেও পরিষ্কার ছিল না।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য ছিল আমাদের বিদ্যুৎ খাতে জ্বালানির বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা। গ্যাস, কয়লা, ফার্নেস অয়েল, ডিজেল ও আঞ্চলিক বিদ্যুৎ আমদানি—সব মিলিয়ে একটি টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে আমাদের একক কোনো জ্বালানির ওপর নির্ভর করে বসে থাকতে না হয়। সত্যি বলতে, সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কয়লার নির্ভরযোগ্য বিকল্প এখনো খুব কমই আছে।
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসার পর জাতীয় গ্রিডে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে অন্যতম নির্ভরযোগ্য শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে।
পরিবেশবাদীদের প্রধান আশঙ্কা ছিল পরিবেশের ক্ষতি নিয়ে। কিন্তু আমাদের মেগা প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে সেই আশঙ্কার কোনো ভিত্তি নেই। কারণ রামপাল, পায়রা কিংবা মাতারবাড়ির মতো বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো নির্মিত হয়েছে বিশ্বমানের ‘আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল’ প্রযুক্তিতে যা বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি। পরিবেশ সুরক্ষার দিক থেকে এই কেন্দ্রগুলো এমনকি ইউরোপ-আমেরিকার অনেক পুরোনো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চেয়েও বহুগুণে উন্নত ও নিরাপদ।