Niloy Parvez I নিলয় পারভেজ

Niloy Parvez I নিলয় পারভেজ Lion Md. I hold an LL.B. (Hons) and LL.M. in Constitutional and Administrative Law, along with two postgraduate diplomas in Data Science and Digital Marketing.

শিল্প উদ‍্যোক্তা | রাজনীতিক "জাতীয়তাবাদ আমার বিশ্বাস, গণতন্ত্র আমার পথ, বাংলাদেশ আমার স্বপ্ন" | গবেষক "বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা: বিচারিক প্রয়োগ এবং সীমাবদ্ধতার ওপর একটি সমালোচনামূলক পর্যালোচনা।" | মানবাধিকার কর্মী Niloy Parvez (NP)
Founder & Chairman, NP Group of Industries Limited
Founder & Chairman, Bengal Human Rights International (BHRI)
PhD Researcher (Proposed), Universit

y of Dhaka

I am an entrepreneur, political analyst, and human rights activist, working at the intersection of politics, business, and technology. As the Founder and Chairman of NP Group of Industries Limited, I oversee multiple ventures, including IT, manufacturing, fisheries, dairy & agro, hospitality, media, education, and consumer products. By leveraging modern technology and innovation, I have driven sustainable growth and enhanced the group’s competitiveness in diverse markets. Alongside my entrepreneurial work, I am pursuing my PhD research at the University of Dhaka, focusing on “Constitutional Protection of Fundamental Rights in Bangladesh: A Critical Study on Judicial Enforcement and Limitations.” My research integrates political analysis with data-driven insights to explore solutions in governance, public policy, and human rights. Previously, I served as a Divisional Director (Grade-04) at the Ministry of Defence, Government of the People’s Republic of Bangladesh (2012–2022), where I was responsible for administrative leadership and strategic policy execution. With extensive experience in political analysis, human rights activism, data science, and digital transformation, I remain committed to fostering justice and building innovative institutions across Bangladesh and internationally.

19/08/2026

ওহে মুন্ত্রী নুনু চলো একটু ডলি…

অপরাধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স !আমি সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি, নিম্নোক্ত ৫ শ্রেণীর ব্যক্তির জন্য আমার কাছে কোনো স...
15/08/2026

অপরাধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স !
আমি সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি, নিম্নোক্ত ৫ শ্রেণীর ব্যক্তির জন্য আমার কাছে কোনো সুপারিশ গ্রহণযোগ্য নয়:

• মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী
• মাগীবাজ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ব্যক্তি
• চাঁদাবাজ
• ধান্দাবাজ
• দালাল

এদের পক্ষে সুপারিশ নিয়ে এলে স্বজনপ্রীতি বা সম্পর্কের খাতির দেখার সুযোগ নেই। অন্যায়ের সাথে আপস করা আমার নীতিতে নেই।

- লায়ন মো. নিলয় পারভেজ (এনপি)

একজন মানুষের ভেতরে কতটা মানসিক দেউলিয়াত্ব আর অন্ধ অহংকার থাকলে বিপুল রক্তপাতের পরও নির্বিকারভাবে সব অস্বীকার করে তাকে "ম...
06/08/2026

একজন মানুষের ভেতরে কতটা মানসিক দেউলিয়াত্ব আর অন্ধ অহংকার থাকলে বিপুল রক্তপাতের পরও নির্বিকারভাবে সব অস্বীকার করে তাকে "মেটিকুলাস ষড়যন্ত্র" বলে চালিয়ে দেওয়া যায়, তা সাধারণ সুস্থ মস্তিষ্কের চিন্তার অতীত!

শুধু তিনি একা নন, তাঁর দলের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরের কর্মী-সমর্থকরা এখন সেই একই ষড়যন্ত্রতত্ত্বের অন্ধ চর্চায় ব্যস্ত। অনুশোচনার সামান্যতম লেশমাত্র নেই তাদের মধ্যে!

কী এক আশ্চর্য অন্ধত্ব! নেত্রী যা বলবেন, অনুসারীরা নাকি তা-ই চোখ বন্ধ করে গিলে নেবে! অথচ কেয়ামতের সেই বিচারালয়ে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষের বিবেক ও বুদ্ধির হিসাব নেবেন। বিবেক তো মানুষের ভেতরের সেই পরম ছাঁকনি, যা দিয়ে ভালো-মন্দ, সত্য-মিথ্যা ও ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য চিনতে হয়। সেদিন নেত্রী বা দল রক্ষা করবে না, নিজের হিসাব নিজেকেই দিতে হবে।

বাস্তবতা তো দুনিয়াতেই স্পষ্ট; নিজের অগুনতি নেতা-কর্মীকে চরম বিপদের মুখে ফেলে, আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে বিদেশে পাড়ি জমালেন নেত্রী! আর সেই অন্ধ অনুসারীদের দিন কাটছে এখন জঙ্গলে, আর রাত কাটছে নৌকায়। গোটা বিশ্ব স্বচক্ষে দেখল, সামরিক হেলিকপ্টারে চেপে তিনি দেশ ছেড়ে পালালেন। আর আজ মিথ্যাচারের বয়ান তৈরি করা হচ্ছে ; তিনি নাকি পালাননি, ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন!

পালিয়ে না গিয়ে থাকলে দীর্ঘ সময় ধরে ভারতে কোন 'রাষ্ট্রীয় সফরে' বহাল আছেন তিনি? ডিসেম্বরের অপেক্ষায় কেন? এখনই চলে আসুন না! ১৫ই আগস্টের শোক দিবসে নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়ালে তারাও হয়তো নতুন করে উজ্জীবিত হতে পারত!

আসলে, অহংকারই পতনের মূল। তিনি চরম অহংকারে প্রকাশ্যে গর্জন করে বলতেন “বাংলাদেশে এমন কোনো শক্তি নেই যে আওয়ামী লীগকে ফেলতে পারে!” মুখে কখনো একটা 'ইনশাআল্লাহ' বলার প্রয়োজনও বোধ করেননি। বলতেন “শেখ হাসিনা পালায় না!” বিশ্বজগতের পরম মালিক তাঁর এই দুটি অহংকারকেই স্বয়ং তাঁর মুখের ওপর চূর্ণ-বিচূর্ণ করে মিলিয়ে দিলেন ধূলোয়।

মনে রাখা দরকার, এটা ১৯৭১ ছিল না, এটা ছিল ২০২৪। মানুষের হাতে হাতে ছিল স্মার্টফোন, ইন্টারনেটের খোলা জানালা। চোখের সামনে যা ঘটেছে, ইতিহাসের পাতা থেকে তা মুছে ফেলা অসম্ভব। জাতিসংঘের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে; জুলাই আন্দোলনের দিনগুলোতে সারাদেশে অন্তত ১,৪০০ মানুষ জীবন হারিয়েছেন। এটা কোনো রাজনৈতিক বিরোধীপক্ষের বানানো মনগড়া রিপোর্ট নয়।

পুলিশের সাঁজোয়া যান (আর্মার্ড ভেহিকল) থেকে গুলিবিদ্ধ ছাত্রের নিথর দেহ রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলার দৃশ্য আমরা দেখেছি। লাশের স্তূপ দেখেছি। এমনকি স্তূপীকৃত লাশ আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অমানবিক নজিরও দেখতে হয়েছে। গুলিবিদ্ধ মানুষকে বাঁচানোর জন্য রিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সেই প্রাণপণ আকুতি বিশ্ব দেখেছে। শিশু, যুবক, বৃদ্ধ; কারো রেহাই মেলেনি।

এত রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ের পর এখন দাবি করা হচ্ছে, “আমার তিন হাজার পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে!” অথচ সরকারি দাপ্তরিক হিসেব অনুযায়ী নিহত পুলিশের সংখ্যা ৪৪ এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিত বা পলাতক পুলিশের সংখ্যা ১৮৭। তাহলে কোন সমীকরণে সবকিছু উড়িয়ে দিয়ে একে “মেটিকুলাস ষড়যন্ত্র” বলে আখ্যা দেন আওয়ামী নেত্রী? মানুষ ভুল করলে ক্ষমা চায়, আর শয়তান ভুলের ওপর অনড় থাকে!

অন্ধ সেজে থাকলে তো আর প্রলয় থেমে থাকে না। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে এমন এক চাটুকারিতার দেয়াল গড়ে উঠেছিল, যেখানে অপ্রিয় সত্য পৌঁছানোর কোনো সুযোগ ছিল না। সত্য বলার মতো সাহস কারো ছিল না। অথচ একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে রাগ ও অনুরাগের ঊর্ধ্ব থেকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি তাঁর অতিরিক্ত রাজনৈতিক আনুগত্যের খেসারত দিতে গিয়ে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ নিজ ভূমে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত হয়েছিল। তারা একধরণের অপরাধবোধে ভুগেছে 'কেন আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারলাম না!' এবার না হয় তাদের বয়স নির্বিশেষে সেই আক্ষেপের অবসান ঘটার সুযোগ এলো!

সমগ্র জাতিকে তিনি এমন এক বিভাজনের মুখে দাঁড় করিয়ে গেছেন যে, আজ জাতীয় ঐক্যই চরম সংকটে। দেশের অসংখ্য তরুণ প্রথম সুযোগেই চিরতরে দেশ ছেড়ে পালিয়ে বাঁচতে চায়। তাঁর ও তাঁর দলের দৃষ্টিতে একমাত্র তারাই দেশপ্রেমিক, আর বাকি সবাই যেন সমাজের নিগৃহীত হরিজন সম্প্রদায়! দেশপ্রেম কি কেবল একটি নির্দিষ্ট পরিবারের জমিদারি বা বাজারের কোনো বিক্রিযোগ্য পণ্য?
বাস্তবতা হলো; এ দেশের কৃষক, শ্রমিক, খামারি, জেলে আর ঘামঝরা সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বড় দেশপ্রেমিক। তাদের কোনো দ্বিতীয় দেশ বা বিকল্প পাসপোর্ট নেই। এই মাটিতেই তারা ফসল ফলায়, মাছ ধরে, শ্রম দিয়ে দেশকে টিকিয়ে রাখে। আর রাজনীতির নামে আমরা বিগত দিনে উপহার পেয়েছি; চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট আর মেধাভিত্তিক ব্যবস্থার ধ্বংসস্তূপ!

তবুও বলব, এখনো সময় শেষ হয়ে যায়নি। বয়সের ভার চেপেছে, ওপারে পাড়ি দেওয়ার সময় সমাগত প্রায়। ইতিহাসের ভুল থেকে শিক্ষা নিন। মহাকালের মুখোমুখি হওয়ার আগে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চান। নির্দ্বিধায় বলুন 'ভুল হয়েছে, অন্যায় হয়েছে, নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরেছে।' সত্য স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে মানুষ ছোট হয় না, বরং পাপের বোঝা হালকা হয়।

আজ ঐতিহাসিক ৫ই আগস্ট; দীর্ঘ ষোলো বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসানের দিন। ছাত্র-জনতা ও মেহনতি মানুষের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের এক অনন্য বিজয়ের দিন। ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের অগ্নিঝরা দিনগুলোতে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদ ও নির্যাতিত মানুষের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও অশেষ ভালোবাসা।

আল্লাহ তাঁদের প্রতি ন্যায়বিচার করুন এবং যারা জুলুম ও রক্তের ওপর রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের প্রত্যেকের প্রাপ্য বিচার সুনিশ্চিত করুন। আমিন, ছুম্মা আমিন।

#এনপি

আমার প্রাণপ্রিয় 'বাচ্চা পার্টি'র অভিভাবকহীন খোকাদের উদ্দেশ্যে...যেদিন ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তোমরা এক পটভূমি ...
30/07/2026

আমার প্রাণপ্রিয় 'বাচ্চা পার্টি'র অভিভাবকহীন খোকাদের উদ্দেশ্যে...

যেদিন ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তোমরা এক পটভূমি তৈরি করলে আর তার ওপর দাঁড়িয়ে জন্ম হলো নতুন এক বাংলাদেশের, ঠিক তখনই অভিভাবকের মতো বলেছিলাম: "বাচ্চারা, অনেক হয়েছে, এবার লক্ষ্মীটি হয়ে ঘরে ফিরে যাও।"

কিন্তু না, তোমরা তো শোনার পাত্র নও ! ঘরের খাওয়া ছেড়ে কয়েকদিনের মাথায় শখ হলো রাজনীতি করার। বানিয়ে ফেললে 'ন্যাশনাল চিলড্রেন পার্টি' !

তারপর সেই বাচ্চা পার্টির ব্যাচ বুকে লাগিয়ে শুরু করলে 'সমন্বয়ক গ্যাং' এর মহোৎসব। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও ছাড় দিলে না ! তাঁকে চাপের মুখে ফেলে ব্যাকআপ হিসেবে ব্যবহার করলে এই বাচ্চা পার্টিকে। আর এরপর সারা বাংলাদেশে যা তা করলে, একেকজন রাতারাতি শত শত কোটি টাকার মালিক হয়ে গেলে। তাতেও পেট ভরলো না ? শুরু করলে বাচ্চা পার্টির 'ব্যাসার্ধ বর্ধিতকরণ' এর কাজ।
তখনও ভালোবেসে বলেছিলাম, "খোকারা আমার, আর বাড়াবাড়ি কোরো না, ঘরে ফিরে যাও।" কথা কানে তো তোলোইনি, উল্টো এখন এসেছো বিএনপিকে আওয়ামী লীগের পথ দেখাতে !

বাপধনরা আমার, একটু কান খুলে শুনে রাখো। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন শুধু তোমাদের আন্দোলনে হয়নি। 'গণঅভ্যুত্থান' মানে জনগণের অভ্যুত্থান ! সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমেছিলো বলেই আজ তোমরা এই জায়গায় আসতে পেরেছো। এমনকি যেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলো, আন্দোলনের মাঠে তাঁদেরও অনেক অনেক লক্ষ লক্ষ সাধারণ ভোটার ছিল, এই ইতিহাস ভুলে যেও না।

এখন ক্ষমতার গরম দেখিয়ে শাহবাগ থেকে কোটালীপাড়া যেখানেই মার খেতে যাও না কেন, মনে রেখো তখন আর কেউ তোমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে না।

বাপেরা আমার, সময় থাকতে ভালোয় ভালোয় বলছি, এখনও সময় আছে ঘরে ফিরে যাও !

প্রযত্নে;
তোমাদের নিলয় আঙ্কেল ❤️


20/07/2026

সামনে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির ভয়াবহ পতন।
ভারত হবে টুকরো টুকরো।

একজন সংসদ সদস্য (MP) যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়ান এবং তদন্তে বা বিচারিক প্রক্...
17/07/2026

একজন সংসদ সদস্য (MP) যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়ান এবং তদন্তে বা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিজেই দোষী সাব্যস্ত হন, তবে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে এবং জেলে যেতে হতে পারে।

আইন সবার জন্য সমান; এই সাংবিধানিক নীতির আলোকেই বিষয়টি পরিচালিত হয়। নিচে এর বিশদ আইনি ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
১. মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রচলিত ফৌজদারি আইন:

কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা করা এবং ফেঁসানো নিজে একটি গুরুতর অপরাধ। তদন্তে বা আদালতের বিচারে যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো সংসদ সদস্য এই ঘটনার মূল হোতা বা পরিকল্পনাকারী ছিলেন, তবে তার বিরুদ্ধে মূলত নিচে উল্লিখিত ধারায় বিচার ও শাস্তি হতে পারে:

>> দণ্ডবিধি (Penal Code), ১৮৬০-এর ২১১ ধারা: কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে যদি কেউ মিথ্যা মামলা বা আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে, তবে তা এই ধারায় অপরাধ। অপরাধের গুরুত্ব ভেদে (যেমন মিথ্যা মামলাটি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধের বিষয়ে হয়) এই ধারায় অপরাধীর সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

>> দণ্ডবিধির ১৯৩ ও ১৯৪ ধারা (মিথ্যা সাক্ষ্য বা প্রমাণ তৈরি): মিথ্যা মামলা সাজানোর জন্য যদি জালিয়াতি, ভুয়া প্রমাণ বা মিথ্যা সাক্ষী তৈরি করা হয়, তবে এই ধারায় ৭ বছর থেকে শুরু করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

>> দণ্ডবিধির ১২০বি ধারা (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র): একাধিক ব্যক্তি মিলে যদি কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চক্রান্ত করে, তবে এই ধারায় অংশ নেওয়া সংসদ সদস্যসহ সকলের সমান শাস্তি হতে পারে।

২. মামলার প্রক্রিয়া ও আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া:
তদন্ত সংস্থা (যেমন পুলিশ বা পিবিআই) যদি তদন্ত শেষে আদালতকে জানায় যে মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল এবং এই চক্রান্তের পেছনে সংসদ সদস্যের প্রত্যক্ষ ভূমিকা বা নির্দেশ ছিল:

১. ভুক্তভোগী ব্যক্তি সরাসরি ওই সংসদ সদস্য এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আদালতে পাল্টা ফৌজদারি মামলা (নালিশী মামলা বা সিআর মামলা) দায়ের করতে পারেন।

২. আদালত যদি সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে সংসদ সদস্যকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ড (যেমন ১ বছর, ২ বছর বা তার বেশি) প্রদান করেন, তবে তাকে অবশ্যই সাধারণ নাগরিকের মতোই কারাগারে যেতে হবে।

৩. সংসদ সদস্য পদ বাতিল হওয়ার ঝুঁকি:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য যদি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ন্যূনতম ২ (দুই) বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে তিনি তার সংসদ সদস্য পদ হারাবেন।

মিথ্যা মামলায় কাউকে ফাসানো এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করা স্পষ্টতই একটি নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ। ফলে আদালত যদি তাকে ২ বছর বা তার বেশি সাজা দেন, তবে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারাবেন এবং একজন সাধারণ কয়েদির মতোই তাকে সাজা ভোগ করতে হবে।

৪. তবে কি কোনো আইনি ফাঁকফোকর বা ব্যতিক্রম আছে?
আইনত দোষী সাব্যস্ত হলে জেলে যাওয়া বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তব প্রেক্ষাপটে কিছু আইনি প্রক্রিয়া বা ধাপ থাকে:
আপিল ও সাজা স্থগিত: নিম্ন আদালত কর্তৃক সাজা ঘোষণার পর সংসদ সদস্য যদি উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগে) আপিল করেন এবং উচ্চ আদালত আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার সাজা বা গ্রেপ্তার স্থগিত (Stay of conviction/sentence) করেন, তবে তিনি আপিল চলাকালীন সাময়িকভাবে জেলে যাওয়া এড়াতে পারেন।
জামিন: আপিল আবেদন বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় আদালত যদি তাকে জামিন দেন, তবে তিনি জেলের বাইরে থাকতে পারবেন। কিন্তু চূড়ান্ত আপিলেও যদি সাজা বহাল থাকে, তবে কারাগারে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য আইনের ঊর্ধ্বে নন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাউকে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠালে এবং পরবর্তীতে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারে সংসদ সদস্য দোষী সাব্যস্ত হলে, তাকে অবশ্যই আদালতের নির্দেশানুযায়ী সাজা খাটতে কারাগারে যেতে হবে।

শিক্ষার ধ্বংসস্তূপ বনাম সংস্কারের সংকটঃ একটি জাতির ভবিষ্যৎ কি আবারও জিম্মি ?অশুভ শক্তির নতুন ষড়যন্ত্রঃবাংলাদেশের শিক্ষাঙ...
14/07/2026

শিক্ষার ধ্বংসস্তূপ বনাম সংস্কারের সংকটঃ একটি জাতির ভবিষ্যৎ কি আবারও জিম্মি ?

অশুভ শক্তির নতুন ষড়যন্ত্রঃ
বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গন আজ এক গভীর সংকটের দ্বারপ্রান্তে। গত দেড় দশকের পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ কাটিয়ে যখনই শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি মেরুদণ্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তখনই একদল বিভ্রান্ত ও প্ররোচিত শিক্ষার্থী মাঠে নেমেছে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে। গভীর বিস্ময়ের বিষয় হলো, রাজপথে আন্দোলনরত এই শিক্ষার্থীদের সিংহভাগই জানে না; কেন তারা এই দাবি জানাচ্ছে। এটি কোনো স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন নয়, বরং পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি ও বহিঃশক্তির যোগসাজশে একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ।

ধাপ-১ঃ আন্দোলনের আড়ালে ‘লক্ষ্যহীন’ একদল প্ররোচিত প্রজন্ম:
আজ যারা রাজপথে পদত্যাগের দাবি নিয়ে চিৎকার করছে, তাদের দিকে তাকালে দেখা যায় এক চরম শূন্যতা। তাদের কাছে কোনো যৌক্তিক দাবি নেই, নেই কোনো গঠনমূলক প্রস্তাব। এই আন্দোলনের পেছনে রয়েছে নিছক প্ররোচনা। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে যেভাবে শিক্ষার্থীদের ব্রেইনওয়াশ করা হয়েছিল, আজও সেই একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে। তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে কেবল একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে; যাতে শিক্ষাঙ্গন অস্থিতিশীল থাকে এবং প্রকৃত মেধাবীরা পাঠদানে মনোনিবেশ করতে না পারে।

ধাপ-২ঃ কেন তারা পদত্যাগ চাইছে ? (আসলে কেন):
শিক্ষার্থীরা নিজেরাও জানে না কেন তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চায়। এর উত্তর লুকিয়ে আছে তাদের পেছনে যারা ইন্ধন দিচ্ছে। তারা আসলে মন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের পদত্যাগ চায় না, তারা চায় একটি দক্ষ ও কঠোর শিক্ষানীতিকে নস্যাৎ করতে। মন্ত্রী সাহেব যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক রান্নাঘর থেকে মুক্ত করে সত্যিকারের বিদ্যাপীঠে রূপান্তর করতে চাইছেন, তখনই সেই পুরনো কুশীলবদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। কারণ, শিক্ষাঙ্গন যদি মেধাবী হয়, তবে তারা তাদের লাঠিয়াল বাহিনী বা দলীয় ক্যাডার খুঁজে পাবে না।

ধাপ-৩ঃ ফ্যাসিবাদের দোসর ও বিদেশি শক্তির অশুভ আঁতাত:
এই অরাজকতার নেপথ্যে স্পষ্ট যোগসূত্র রয়েছে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী গোষ্ঠী এবং ভারতের ভূ-রাজনৈতিক এজেন্ডার। গত ১৫ বছর ধরে তারা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করেছে। ভারত চেয়েছিল বাংলাদেশ যেন মেধাশূন্য একটি জাতিতে পরিণত হয়, যাতে তারা চিরকাল আমাদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে পারে। ২০২৪ সালে সেই ফ্যাসিবাদের পতন ঘটায় তাদের সেই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। তাই এখন শিক্ষামন্ত্রীকে বিতর্কিত করে এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তারা আবারও ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছে।

ধাপ-৪ঃ বিগত ১৫ বছরের 'মেধাশূন্য' পরিস্থিতির বাস্তবতা:
আজ যারা আন্দোলনের ডাক দিয়েছে, তাদের কি একবারও মনে হয় না যে গত ২০১০-২০২৪ সাল পর্যন্ত কেন একটি শিক্ষার্থীও চাকরির বাজারে যোগ্য বলে বিবেচিত হচ্ছে না? আজকের এই বেহাল দশা একদিনে তৈরি হয়নি। আপনি যদি বর্তমানের তথাকথিত ১০০ জন গ্র্যাজুয়েটকে নিয়ে বসেন, তবে ৫ জনকেও কোয়ালিফাইড পাওয়া দুষ্কর। মুখস্থ বিদ্যা, অটো-পাস আর প্রশ্নফাঁসের সংস্কৃতি আমাদের প্রজন্মের মগজ ধোলাই করে দিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী যখন সেই পচন ধরা ক্ষত সারাতে সার্জারি করছেন, তখনই সেই ব্যথা সহ্য করতে না পেরে তারা চিৎকার শুরু করেছে।

ধাপ-৫:অভিভাবক ও সোশ্যাল মিডিয়া সংস্কৃতির ব্যর্থতা
বর্তমান আন্দোলনের একটি বড় কারণ হলো অভিভাবক মহলের একাংশের চরম দায়বদ্ধতাহীনতা। সন্তানদের বইয়ের চেয়ে ফেসবুক আর ইউটিউবের দিকে যারা বেশি ঝুঁকতে উদ্বুদ্ধ করেছেন, তারা এখন পড়াশোনার কঠোরতাকে মেনে নিতে পারছেন না। সন্তান পড়াশোনায় সময় না দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অহেতুক সময় কাটাচ্ছে, আর তার দায় গিয়ে পড়ছে শিক্ষাব্যবস্থার ওপর। এটি 'নন্দ ঘোষ'-কে দোষারোপ করার মতো এক হাস্যকর মানসিকতা।

ধাপ-৬ঃ শিক্ষাঙ্গনকে রক্ষা করার দায়বদ্ধতা:
এই ষড়যন্ত্রের জাল বুঝতে পারা অত্যন্ত জরুরি। আজকের এই অস্থিরতা যদি আমরা থামাতে না পারি, তবে ভবিষ্যতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম একটি মেধাহীন, বেকার এবং পরনির্ভরশীল জাতি হিসেবে গড়ে উঠবে। শিক্ষাঙ্গনকে আর কোনোভাবেই অস্থিতিশীল হতে দেওয়া যাবে না। মন্ত্রী পদত্যাগ করলেই কি সমস্যার সমাধান হবে? না, বরং যে সংস্কার শুরু হয়েছে, তা থমকে যাবে এবং অন্ধকার যুগ আবারও ফিরে আসবে।

পরিশেষে বলবোঃ- মেধার জয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই:
শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের আহ্বান; আপনারা অন্যের হাতের পুতুল হবেন না। রাজপথে অন্যের উস্কানিতে যে স্লোগান আপনারা দিচ্ছেন, তা আপনাদের নিজেদের ভবিষ্যৎই নষ্ট করছে। যে বিদেশি শক্তি এবং পতিত ফ্যাসিবাদী চক্র আপনাদের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে, তারা আপনাদের মঙ্গলের জন্য লড়ছে না; লড়ছে তাদের হারানো প্রভাব ফিরে পাওয়ার জন্য।

শিক্ষামন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপগুলো হলো সেই ওষুধের মতো, যা শুরুতে তেতো মনে হলেও রোগ সারাতে অপরিহার্য। আসুন, ষড়যন্ত্রকারীদের চিনতে শিখি এবং ব্যক্তিগত আবেগের ঊর্ধ্বে উঠে মেধাভিত্তিক বাংলাদেশের জন্য কাজ করি। আজকের এই সংস্কারই আগামী দিনের উজ্জ্বল বাংলাদেশের মূল ভিত্তি।

সকলের প্রতি আহ্বান: এই প্ররোচিত আন্দোলন থেকে সাধারণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বের করে আনার জন্য আপনার দৃষ্টিতে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ কী হতে পারে বলে আপনি মনে করেন ?

——-
লায়ন মো. নিলয় পারভেজ -এনপি
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম‍্যান
আলমাস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ঢাকা

আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে চট্টগ্রাম অঞ্চলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিন ধরে চলা ভারী বর্ষণের ফলে স...
10/07/2026

আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে চট্টগ্রাম অঞ্চলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিন ধরে চলা ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় দুর্ভোগে পড়েছেন এই অঞ্চলের মানুষ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অজস্র পরিবার। সংকটময় এই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে মানবিক ও কার্যকর বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় দুর্যোগকবলিত এলাকার সার্বক্ষণিক তদারকি ও খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী । একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলা, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ:

১। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে সার্বক্ষণিক দুর্যোগকবলিত এলাকার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং মনিটরিং করাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও নিয়মিতভাবে ডিসি, ইউএনও এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

২। চট্টগ্রাম বিভাগের দুর্যোগকবলিত এলাকায় এখন পর্যন্ত ১,০৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

৩। জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই ৫টি জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা অনুদান এবং ৩,৪৫০ মেট্রিক টন চাল দুর্গত মানুষদের কাছে দ্রুততম সময়ে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

৪। সরকারের নির্দেশনায় দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

৫। জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজনবোধে সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

৬। চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বর্ষণে প্লাবিত অঞ্চল পরিদর্শন, ত্রাণ বিতরণ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তার বার্তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ দুর্গত এলাকায় ছুটে গিয়ে সার্বক্ষণিক অবস্থান করছেন, সশরীরে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

৭। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে রাষ্ট্র পরিচালনাকারী দল বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সবাই ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক উদ্যোগে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছেন। একই সঙ্গে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় সরকারের প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী এবং কোস্টগার্ড মাঠপর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত একযোগে কাজ করছে। এই সংকটে রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গ জনগণের পাশে রয়েছেন।

৮। ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

৯। এই দুর্যোগে হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানাতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।

১০। টানা ভারী বর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেলপথের উচ্চতা বৃদ্ধির কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এছাড়াও পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য সরকার নিরাপদ স্থানে আবাসনের ব্যবস্থা করবে।

আমরা বিশ্বাস করি, সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত, মানবিক প্রয়াস ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই সংকটে গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছেন। জনগনের সরকার সবসময় আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে।

মো. নিলয় পারভেজ- এনপি
সদস‍্য,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের দীর্ঘ ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, স্বাধীনতার মূল কারিগর, আমাদের বাংলা মায়ের ...
03/07/2026

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের দীর্ঘ ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, স্বাধীনতার মূল কারিগর, আমাদের বাংলা মায়ের বীর সন্তানদের সঠিক তালিকা নিয়ে আজ অবধি দেশব্যাপী একটি ধুম্রজাল ও বিতর্ক রয়ে গেছে। যে বীর সেনানীরা নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে, রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে আমাদের একটি স্বাধীন ভূখণ্ড, লাল-সবুজের পতাকা এবং মাতৃভাষা উপহার দিয়েছেন, তাদের পরিচয় নিয়ে স্বাধীনতার এত বছর পরেও সংশয় থাকা একটি স্বাধীন জাতির জন্য চরম লজ্জাজনক। একটি দেশের প্রকৃত ইতিহাস যদি অর্ধশতক পরেও বিকৃত থাকে এবং যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই দেশ অর্জিত হয়েছে, তাদের নিয়েই যদি বিভ্রান্তি ও রাজনীতি চলে, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কার আদর্শ বুকে ধারণ করবে, তা আজ এক মস্ত বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমাদের এই ঐতিহাসিক ধুম্রজাল থেকে অতিসত্বর বের হয়ে আসতে হবে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি শতভাগ সঠিক ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিনিয়ত ভুয়া বা নকল মুক্তিযোদ্ধা তৈরি হচ্ছে, যারা রাজনৈতিক প্রভাব বা অনৈতিক সুবিধার মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। এমনকি অনেক জনপ্রতিনিধি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছেন, যারা নিজেদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিলেও বাস্তবে মুক্তিযুদ্ধে তাদের অংশগ্রহণের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। এই নকল ব্যক্তিরা কেবল রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও ভাতাই ভোগ করছেন না, বরং তারা আমাদের জাতীয় গৌরব ও ইতিহাসকে কলঙ্কিত করছেন।

ইতিহাস সাক্ষী, যখনই যে সরকার ক্ষমতায় আসে, তখনই কিছু সুবিধাবাদী এবং স্বার্থান্বেষী মহল দলীয় ভাবমূর্তি ব্যবহার করে নিজেদের বা নিজেদের অনুসারীদের মুক্তিযোদ্ধা সাজানোর এক নোংরা খেলায় মেতে ওঠে। এর থেকে ব্যতিক্রম নয় বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিও। বর্তমান সরকারের ভেতরে কিংবা জনপ্রতিনিধিদের মধ্যেও এমন কিছু ব্যক্তি অনায়াসে স্থান করে নিয়েছেন, যারা নিজেদের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাবি করলেও তাদের সেই দাবির সপক্ষে কোনো প্রকৃত সত্যতা নেই, অথচ তারা রহস্যজনকভাবে সরকারি গেজেটভুক্ত হয়ে বসে আছেন। এই ধরনের প্রহসন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, কারণ এটি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা।

এই জাতীয় প্রহসন এবং ইতিহাসের বিকৃতি থেকে জাতিকে মুক্ত করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাংলাদেশের গৌরবময় ও সত্য ইতিহাস জানাতে হলে এখনই সময় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সাহেবের কাছে আজ আমাদের আকুল আবেদন, আপনি অবিলম্বে দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নতুন করে অত্যন্ত সততা ও কঠোরতার সাথে যাচাই-বাছাই করার উদ্যোগ গ্রহণ করুন। কোনো প্রকার রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে প্রতিটি এলাকার তালিকা স্ক্রিনিং করা হোক, যেন সকল নকল ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার মুখোশ উন্মোচিত হয় এবং তাদের গেজেট বাতিল করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা যায়।

আমাদের মাতৃভূমির সার্বভৌমত্ব এবং ইতিহাসের পবিত্রতা রক্ষার্থে এই শুদ্ধি অভিযান আজ সময়ের দাবি। যারা দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছিলেন, সেই প্রকৃত বীরদের তালিকা জনসম্মুখে উন্মুক্ত করে তাদের প্রাপ্য সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করা হোক এবং ছদ্মবেশী অপশক্তিকে এই পবিত্র তালিকা থেকে চিরতরে উৎখাত করা হোক। আসুন, দল-মত নির্বিশেষে আমরা সবাই মিলে দাবি তুলি, যেন স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর হলেও আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এই বিশাল ক্ষতটি চিরতরে নিরাময় হয় এবং বাংলাদেশ একটি কলঙ্কমুক্ত ও সত্যনিষ্ঠ ইতিহাসের আলোয় আলোকিত হতে পারে।


জনতার সেনাপতি
মো. নিলয় পারভেজ-এনপি

Address

Gulshan
Shahzadpur
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Niloy Parvez I নিলয় পারভেজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Niloy Parvez I নিলয় পারভেজ:

Shortcuts

Share