Kamaria Union BNP

Kamaria Union BNP Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kamaria Union BNP, Political Party, Sherpur.

আলহামদুলিল্লাহ
28/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ

টাকা দিয়ে সবাইকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসাতে ফাঁসাতে টাকার যোগান দিতে মরিয়া হয়ে ভীমগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও...
20/12/2025

টাকা দিয়ে সবাইকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসাতে ফাঁসাতে টাকার যোগান দিতে মরিয়া হয়ে ভীমগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আতিউর রহমান মডেল ডিগ্রি কলেজের সরকারি স্থাপনার প্রাচীর ভেঙে ৩ কোটি টাকার ধ্বংসযোগ্য মামলায় প্রধান আসামি থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মহিলা নেত্রী পপি আক্তার
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন | ভীমগঞ্জ
ভীমগঞ্জে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে পরিকল্পিতভাবে প্রাচীর ভাঙচুর, দখলচেষ্টা ও কোটি টাকার সরকারি সম্পদ ধ্বংসের একটি ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে অনুসন্ধানে। ভীমগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আতিউর রহমান মডেল ডিগ্রি কলেজের সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও মহিলা নেত্রী পপি আক্তারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার, স্থানীয় সূত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য বিশ্লেষণে উঠে আসে— এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চক্রের অংশ। অভিযোগ রয়েছে, এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায় করা হতো। সেই অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জোগান দিতেই সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি ও স্থাপনায় নজর পড়ে এই চক্রের।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গভীর রাতে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়। এতে শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, প্রতিষ্ঠানের মালিকানা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, এটি সরাসরি রাষ্ট্রীয় সম্পদের ওপর সংগঠিত আক্রমণ।
একজন স্থানীয় শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“দিনের আলোয় সাধারণ কেউ সাহস পেত না। বিএনপি নেত্রী পপি আক্তারের কিশোর গ্যাং বাহিনী ও তার নেতৃত্বে ঘটনাটি ঘটেছে। এটি সাধারণ দখল নয়, পুরোপুরি শক্তির মহড়া।”
মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পদ ধ্বংস, বেআইনি অনুপ্রবেশ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও আর্থিক ক্ষতিসাধনের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে এটি দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড ও ক্ষতিপূরণযোগ্য অপরাধ।
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও মহিলা নেত্রী পপি আক্তারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত একটি শক্তিশালী চক্র পরিচালনা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তিনি নিয়মিতভাবে অনুসারীদের মাধ্যমে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের নির্দেশ দিয়ে থাকেন বলেও দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পপি আক্তারের নির্দেশে একাধিক ব্যক্তিকে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে। অনেক ভুক্তভোগী সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপের কারণে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস না পেলেও অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সবচেয়ে বেশি।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“এলাকায় কেউ তার কথার বাইরে গেলে বিপদে পড়তে হয়। মামলা, মারধর আর চাঁদাবাজির ভয় দেখিয়ে সবাইকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হয়।”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব অপকর্মের মাধ্যমে গড়ে ওঠা এক ধরনের ‘সন্ত্রাসী মাফিয়া নেটওয়ার্ক’ ভীমগঞ্জের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনাকে এই ধারাবাহিক অপরাধের সর্বশেষ ও ভয়াবহ উদাহরণ হিসেবে দেখছেন তারা।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দ্রুত পপি আক্তারসহ তার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এলাকায় অপরাধ আরও বেপরোয়া রূপ নিতে পারে।
বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে আশা করছে এলাকাবাসী।
এদিকে অভিযুক্ত পপি আক্তার গতকাল রাত থেকেই আত্নগোপনে আছে বলে জানা যায়। অনুসন্ধানে উঠে আসা নথিপত্র, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বিষয়টিকে সাধারণ রাজনৈতিক মামলার গণ্ডি ছাড়িয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনের গুরুতর অভিযোগে পরিণত করেছে।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল প্রশ্ন তুলছেন—
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে জাতির ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে, সেখানে এই ধরনের দখল ও ধ্বংসযজ্ঞ হলে রাষ্ট্র কীভাবে নিশ্চুপ থাকে?
বর্তমানে মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামও বেরিয়ে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে।
সরকারি সম্পদ রক্ষায় এই মামলার পরিণতি কী হয়— সেদিকেই এখন নজর ভীমগঞ্জবাসীর।

একই পরিবারের ৬ সদস্যকে কামারিয়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক পদে দায়িত্ব দেওয়াটা সাংগঠনিকভাবে কতটা যৌক্তিক??যাদের মধ্যে ৫...
14/12/2025

একই পরিবারের ৬ সদস্যকে কামারিয়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক পদে দায়িত্ব দেওয়াটা সাংগঠনিকভাবে কতটা যৌক্তিক??
যাদের মধ্যে ৫ জনই ছিলো আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রীয় কর্মী যার প্রত্যেকটি প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সকলেই অবগত।
এই কমিটি কতটা যৌক্তিক? Tarique Rahman Bangladesh Nationalist Party-BNP BNP Media Cell Bangladesh Jatiyotabadi Jubodal
শুধু তাই নয়, উক্ত কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিব অতীতে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রীয় ছিলেন তারা কীভাবে এই কমিটির মূল দায়িত্ব পেলেন??
কমিটিটি গঠিত হয়েছে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট যার মধ্যে ৪০-৫০ জন সদস্যই আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রীয় ছিলেন এবং তারা ৫ তারিখের পর বিএনপির নেতা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সভাপতি থেকে শুরু করে সদস্য সচিব ও ২১ জন যুগ্ন আহবায়ক পদের ১৫ জনই আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রীয় ছিলেন। তারা কীভাবে এই কমিটিতে পদ পেলেন??আমাদের ইউনিয়নে যারা বিএনপির কর্মী তাদের বেশিরভাগদের নামই নেই এই কমিটিতে। ৫-৭জন রয়েছে বিএনপির দু:সময়ের কর্মীদের নাম, তবে তাদের দেওয়া হয়েছে কেবল সদস্য পদ শেষ সারিতে।
বিষয়টিতে আমরা কামারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সকল নেতাকর্মী হতাশাগ্রস্ত। অবিলম্বে আমরা উক্ত কমিটির বিলুপ্তিসহ কমিটি দাতাদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা ও বহিষ্কারাদেশ চাই।
পাশাপাশি ৫ তারিখের পরের কর্মী না বরং ৫ তারিখের আগের কর্মীদের সকল কমিটিতে দেখতে চাই।

কামারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য ও ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিস্টের দোসর ছাইদুল মিয়া। জুলাই আগস্ট ছাত...
19/11/2025

কামারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য ও ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিস্টের দোসর ছাইদুল মিয়া।
জুলাই আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপক্ষে ফ্যাসিবাদের পক্ষে যার ছিলো শক্ত অবস্থান। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার জুলুম ছিলো এই ছাইদুলের প্রধান কাজ। তার ভয়ে ৩ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী কেন্দ্রে বিগত ১৭ বছর আআওয়ামীলীগের বিপক্ষে কেউ কথা বলতে পারেনি, কেউ ভোট দিতে পারেনি। এখনো এলাকায় আওয়ামীলীগের সুনাম করে বেড়ায় এই ফ্যাসিস্ট দোসর।
প্রশাসনের নিকট এলাকাবাসীর আবেদন, দ্রুত এই ফ্যাসিস্টের দোসর ছাইদুল মিয়াকে গ্রেফতার করে কামারিয়া ইউনিয়নকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করার।
এই ফ্যাসিস্ট দোসরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাই।

বিগত ১৭ বছর আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রীয় একজন নেতা গোলাম মোস্তফা। যিনি সরকার পতনের আগে খুনুয়া ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভা...
06/11/2025

বিগত ১৭ বছর আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রীয় একজন নেতা গোলাম মোস্তফা। যিনি সরকার পতনের আগে খুনুয়া ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। জুলাই আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপক্ষে ফ্যাসিবাদের সম্রাট আতিকের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন। হঠাৎ ৫ তারিখের পর তিনি বিএনপির ত্যাগী নেতা হিসেবে নিজেকে দাবি করছেন। এখন প্রশ্ন হলো এই কমিটির পূর্বে আপনার বিএনপিতে কোনো কমিটির প্রমাণ আছে?? এই পকেট কমিটির কথা আপনি আর টাকাখোর জাহাঙ্গীর ছাড়া কেউ জানে?? জেলা বিএনপির কোনো নেতা এই বিষয়ে অবগত আছে নাকি পকেট কমিটির দায়িত্বে আছেন আপনি???
আতিক এমপির নির্বাচনে নৌকার এজেন্ট থাকাকালীন গণধোলাইয়ের কথা আপনার মনে আছে??? সেখানে আপনাকে মেরেছিলো কারা আওয়ামীলীগ নাকি বিএনপি???
এসব ভুয়া কমিটি গ্রহণযোগ্য হবে না। জেলা বিএনপি কতৃক অনুমোদিত কমিটি ছাড়া কোনো কমিটি গ্রহণযোগ্য না।
অতএব ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে জেলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন।
আপনার সামনে দুইটা অপশন খোলা থাকলো, হয় জনগণের গণধোলাই আর নাহয় জেলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন। তারপর চাদাবাজি করার চিন্তা মাথায় রাখবেন। বিএনপিতে আপনার মতো হাইব্রিড লোক স্থান পাবে না।
আপনার জেলে যেতেই হবে প্রস্তুতি নিন। অনেক তো হলো মামলা বানিজ্য সেই সুযোগ আর পাবেন না।

শেরপুর জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গোলাম মোস্তফা তার নিজেই মুখেই সহজ স্বীকারোক্তী দিয়েছে। সে নাটকীয় কা...
06/11/2025

শেরপুর জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
গোলাম মোস্তফা তার নিজেই মুখেই সহজ স্বীকারোক্তী দিয়েছে। সে নাটকীয় কায়দায় ২০১৪ সালের পর থেকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রীয় ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি খুনুয়া ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।
তবে তার দাবি এসব তিনি নিজেকে রক্ষা করার জন্য করেছেন যা এক ধরনের নাটক। ( নাটকের জন্য গোলাম মোস্তফা সেরা যা এখন বিএনপির সাথে করছে)
পরবর্তীতে তার দাবি তার দোকানে ৩০ লক্ষ টাকা লুটপাট করেছে কামারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ভীমগঞ্জ স্থানীয় সদস্যরা। (অযৌক্তিক)
তাহলে বিএনপির নেতাকর্মীদের হাত থেকে তিনি রক্ষা পাওয়ার জন্য আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রীয় হয়েছিলেন????
৩০ লক্ষ টাকার একটা হিসাব দিই, দোকানের সাইজ ২০ বর্গফুট সেখানে ৩০ লক্ষ টাকার ঔষধ রাখা আদোও সম্ভব???
তিনি এই লুটপাটের মামলায় আমাদের বিএনপির কিছু কর্মীর নামে থানায় মামলা করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ তদন্তে দেখে দোকানে তালা ভাঙেনি এবং ঘরের টিন কাটেনি। তাহলে লুটপাট ডাকাতি কীভাবে হলো???মোস্তফা-র দোকানের চাবি কী হারিয়ে গিয়েছিল পরে লুটপাট হয়েছে???
যাক এই কথা আর না বলি, নাটকীয় কায়দায় নিজেকে রক্ষার জন্য ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কোনো কমিটিতে বিএনপির কোনো নেতা পদ নিয়েছিলো এমন কোনো ইতিহাস শেরপুরের মাটিতে আছে???
তার আরও একটি দাবি সে ২০১৪ সালে ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ছিলো, এই কমিটির কোনো প্রমাণ আছে নাকি নিজেকে বাচাতে মিথ্যার আশ্রয়???
আচ্ছা সর্বশেষে একটা প্রশ্ন করি, বিগত ১৭ বছরে বিএনপির কোনো মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন আপনি??? ( অবশ্যই না)
তাহলে আপনি কিসের বিএনপি???
আর একটা কথা আপনি বাদল হত্যা মামলাকে ইস্যু করে বলেছেন আপনি সোচ্চার। হ্যা আপনি সোচ্চার বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড বা মামলাকে কেন্দ্র করে আপনি অবশ্যই চাদাবাজিতে সোচ্চার এটা কামারিয়ার মানুষ ভালো করেই জানে। তবে আপনি সঠিক বিচারের জন্য সোচ্চার না বরং নিজের প্রতিহিংসা বাস্তবায়নে, চাদাবাজিতে সোচ্চার।
ডাকাতি করতে গিয়ে মামলা খেয়েছিলেন ২০১৪ সালে রাজনীতি করতে গিয়ে নয়। অতএব ডাকাতি মামলাকে কেউ অবশ্যই বিএনপির রাজনৈতিক মামলা বলবে না।
আচ্ছা আপনি নিজেকে বাচাতে আওয়ামীলীগ করেছেন এবং ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মানলাম, কিন্তু আপনি জুলাই আগস্টে কেনো ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন??

ছবিতে থাকা ব্যক্তিটির নাম →গোলাম মোস্তফা। যিনি ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আগে খুনুয়া-১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দা...
05/11/2025

ছবিতে থাকা ব্যক্তিটির নাম →গোলাম মোস্তফা।
যিনি ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আগে খুনুয়া-১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। ছবিতে থাকা অফিসটি তার নিজস্ব পরিচালনায় আওয়ামীলীগের কার্যালয় হিসেবে পরিচালিত হতো।
গোলাম মোস্তফা ছিলেন ফ্যাসিস্ট সরকার আমলের একজন প্রভাবশালী আওয়ামীলীগের নেতা। তার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন মিটিং মিছিল অনুষ্ঠিত হতো। যার ফলে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের হুইপ আতিক তাকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্তানে দায়িত্ব দিয়েছেন। আওয়ামীলীগের প্রত্যেকটি মিটিং মিছিলে খুনুয়া ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে তিনি নেতৃত্ব দিতেন। আপনারা জানলে অবাক হবেন যে, ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষ জুলাই আগস্ট বিপ্লবে ছাত্র-জনতার বিপক্ষে ইউনিয়নভিত্তিক সর্বোচ্চ অবস্থান গ্রহণ করেছিলো এই ফ্যাসিস্ট সভাপতি গোলাম মোস্তফা। কিন্তু তার নামে অলৌকিক শক্তির প্রয়োগে কোনো মামলা হয়নি।
এখন সে হঠাৎ করেই পরিস্থিতি বুঝে অর্থের বিনিময়ে তার রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন করেছে। নিজেকে এখন বিএনপির একজন নির্যাতিত কর্মী দাবি করেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের আমলে তার মূল ব্যবসা ছিলো মামলা বানিজ্য করে চাদাবাজি করা, সরকার পতনের পরও তার একই রূপ। তিনি এখন নিজেকে বিএনপির নেতা দাবি করেন।
এখন বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে আমার প্রশ্ন : বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন নির্যাতিত বিএনপির কর্মী কেউ দেখেছেন??
খুনুয়া -১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি কীভাবে বিএনপির নির্যাতিত কর্মী হয়???তাহলে তাকে নির্যাতন করেছে কোন রাজনৈতিক দল??
👉জেলা বিএনপির প্রতি আহবান থাকবে এরকম নির্যাতিত বিএনপিকে প্রশ্রয় দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। যেহেতু সে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের একজন দোসর তাকে দ্রুত আইনের আওতায় গ্রেফতার করুন।
আওয়ামীলীগের এরকম একটা ফ্যাসিস্ট ক্ষমতাসীন এবং ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিএনপির ক্ষতি ছাড়া কখনোই উপকারে আসবে না। এরা কালসাপ সুযোগ বুঝে আবার আওয়ামীলীগেই ফিরে যাবে। পদধারী হিসেবে ফ্যাসিস্ট এর রক্ত এর শরীরে তাই একে বিএনপির সাথে জড়িত হওয়ার জবাবদিহিতাসহ দ্রুত আইন-আনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
→ মনে রাখবেন ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষে জুলাই আগস্টে এরাই আমাদের বিপক্ষে শক্ত অবস্থানে দাড়িয়েছিলো। এরাই আওয়ামীলীগের বিএনপিকে নির্যাতন করেছে।
ফ্যাসিস্টের নাম↓
নাম : গোলাম মোস্তফা (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি)
পদবী: ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি

ভীমগঞ্জ বাজারে ইদানিং মাদক সম্রাট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছে এই মিশু। বিএনপির নেতা মরহুম খায়ের বাদলের স্ত্রী লেডি কিলার পপি আ...
05/11/2025

ভীমগঞ্জ বাজারে ইদানিং মাদক সম্রাট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছে এই মিশু। বিএনপির নেতা মরহুম খায়ের বাদলের স্ত্রী লেডি কিলার পপি আক্তারের বাম হাত। ভীমগঞ্জ বাজারে যে কিশোর গ্যাংটি পরিচালিত হচ্ছে তার লিডার এই মিশু। বিভিন্ন অপকর্মসহ প্রতিনিয়ত এলাকার চুরি ছিনতাই এদের পেশা।
এলাকায় খোজ নিলে দেখা যায়, এই মিশুর পকেটে ৭-৮ মাস আগেও গাজা খাওয়ার জন্য টাকা ছিলো না। কিন্তু হঠাৎ রাতারাতি হয়ে গেছে উচ্চ বিলাসী। তার পরিবারের একটা কুড়ে-ঘর ছাড়া আবাদী ১ শতাংশ জমি নেই। তার বাবা কোনো কাজ করে না। মা কোনো কাজ করে না। এই কিশোর গ্যাং মিশুর কোনো ইনকাম সোর্স নেই ব্যবস্থা বানিজ্য ইত্যাদির মতো। তাহলে কোথা থেকে আসছে এতো অর্থ? এসব জানা দরকার।
আসুন জেনে নেই, মিশুর পরিবার এখন সুখি পরিবার। চুরি ডাকাতি ছিনতাই চাদাবাজি ইত্যাদি করে মিশু আজ লাখ টাকার মালিক। তাছাড়া এলাকায় গাজার সাপ্লায়ার হিসেবে সে অল্প বয়সেই সুনাম অর্জন করেছে। এই সুনামে তার পরিবার গর্ববতী।
ছবিতে থাকা গাড়িটির দাম আনুমানিক ৩ লক্ষ টাকা। গতকাল একটি স্টোরি দিয়ে সে জানায় ৭ দিনের মধ্যে সে এই গাড়িটি কিনবে। তাহলে বলুন তার কোনো বৈধ ইনকাম সোর্স নেই তবে টাকা কোথা থেকে আসে???
প্রশাসনের নিকট এই নিউজ অনুসন্ধানের জোর দাবি জানাই!
এলাকাবাসীরা একটু আওয়াজ তুলুন একে আইনের আওতায় এনে দিন!
শেরপুর জেলা বিএনপির প্রতি আহবান এদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

কামারিয়া ইউনিয়নে হওয়া প্রত্যেকটি হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড খু*নি চান মিয়া। বৃত্তে থাকা ব্যক্তিটির নাম চান মিয়া। ফ্যাসিস...
04/11/2025

কামারিয়া ইউনিয়নে হওয়া প্রত্যেকটি হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড খু*নি চান মিয়া।
বৃত্তে থাকা ব্যক্তিটির নাম চান মিয়া। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ছেলেটি ছিলো আতিক এমপির সন্ত্রাসী মহলের ডান হাত। এলাকায় সন্ত্রাসী থেকে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলো এই চান মিয়া। আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, ফ্যাসিস্ট আতিকের ক্ষমতা ব্যবহার করে সে রাতারাতি হয়ে গিয়েছিলো পূর্বাঞ্চলের একমাত্র মাদক সম্রাট /মাদকের সাপ্লায়ার। আতিক এমপির ক্ষমতা ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে ছেলেটি। তারপরও সে ছিলো প্রশাসনের ধরা ছোয়ার বাইরে। বিভিন্ন অপকর্মের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন তাকে কিছু বলতে পারেনি।
তার ক্ষমতার একটা উদাহরণ দিই,
আপনারা জানেন রিমন হত্যা মামলার প্রধান আসামী তথা মাস্টারমাইন্ড এই চান মিয়া। এই মামলায় প্রাথমিকভাবে আনুমানিক ৮-১০ জন এজাহারভুক্ত আসামী ছিলো। প্রত্যেকটি আসামী ২-৩ মাস করে জেল খেটে জামিনে বের হয়েছে। কিন্তু এই চান মিয়া প্রধান আসামী হওয়া সত্ত্বেও আতিক এমপির ক্ষমতায় এক মিনিটের জন্যও কারাগারে যায়নি।
এছাড়াও কামারিয়া ইউনিয়নে ঘটমান কয়েকটি হত্যাকান্ডের সাথে এই চান মিয়া পরোক্ষভাবে জড়িত। কিন্তু তার নামে আতিক এমপি মামলা হতে দেয়নি।
আরও অনেক বিষয় যা বলে শেষ করা যাবে না।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের পতনের সময় এই খু*নি চান মিয়া ছাত্র-জনতার বিপক্ষে আতিক এমপির সাথে সরাসরি অবস্থান নিয়ে ছিলেন। কিন্তু থানা বিএনপির নেতা মহরুম খায়ের বাদল তার কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হতে দেয়নি।
তাছাড়া এখনো সে বিভিন্নভাবে সরাসরি ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের মিছিলে অংশগ্রহণ করে প্রতিনিয়ত বিএনপির বিপক্ষে ছাত্রদের বিপক্ষে পোস্ট এবং কমেন্ট করে যাচ্ছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে এখনো প্রশাসনিক কোনো হস্তক্ষেপ নেই।
প্রশাসন আতিক এমপিকে এখনো ভয় পাচ্ছে??
বিএনপি ছাত্র-জনতা এখনো আতিক এমপিকে ভয় পাচ্ছে??
অবশ্যই না, তাহলে কেনো এই সন্ত্রাস খু*নি, জুলাই আগস্টের অন্যতম সন্ত্রাসীকে এখনো প্রশাসন গ্রেফতার করা হচ্ছে না??
কামারিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন এবং আছেন এই খু*নি সন্ত্রাসী মাদক সম্রাট আতিক এমপির সন্ত্রাসী ডান হাত চান মিয়া।
তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাই। পাশাপাশি তাকে দ্রুত আইনের আওতায় গ্রেফতার করা হোক।
শেরপুর জেলা বিএনপি BNP Media Cell Bangladesh Nationalist Party-BNP

04/11/2025

ভীমগঞ্জ বাজারের বর্তমান অবস্থা 🤣🤣🤣

ছবিতে চিহ্নিত ব্যক্তি দুইজন আওয়ামীলীগের দোসর। জুলাই আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামীলীগের পক্ষে সর্বোচ্চ অবস্থান ছিলো এই দুই ...
04/11/2025

ছবিতে চিহ্নিত ব্যক্তি দুইজন আওয়ামীলীগের দোসর। জুলাই আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামীলীগের পক্ষে সর্বোচ্চ অবস্থান ছিলো এই দুই ফ্যাসিস্টের দোসরের।
এদের একজন গোলাম মোস্তফা। মাদক ব্যবসাই যার মূল পেশা। তারপর মামলা বানিজ্য চাদাবাজি বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করেই দিন যায় এই জুলাই আগস্ট খু*নির। অপরদিকে ফারুক ভীমগঞ্জ বাজারে বিভিন্ন চাদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত।
এই দুজনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
নাহলে এই দুইটাকেই সাধারণ জনগণ কয়েকদিনের মধ্যেই গণ-ধোলাই দিবে। গণধোলাইয়ের দায়ভার কামারিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নিবে না।
তাই সিদ্ধান্ত আপনাদের ফ্যাসিস্ট প্রটোকল দিবেন নাকি ফ্যাসিস্টকে জেলে পাঠাবেন৷
বিদ্র: এই ফ্যাসিস্টের দোসর মোস্তফা ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক।

Address

Sherpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kamaria Union BNP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share