Abul Hasnat Md. Mahboob-E-Alahi Hashu

Abul Hasnat Md. Mahboob-E-Alahi Hashu শিক্ষার বিকল্প নাই
জানার এবং শেখার
কোন বয়স নাই।

29/08/2026

হঠাৎ কমিশনের চেয়ারম্যানের পদত্যাগে ...

23/08/2026

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের সংসদ সদস্যদের তালিকা,

সিরাজগঞ্জের সংসদীয় ইতিহাসে সময়ের সঙ্গে নির্বাচনী এলাকার সীমানা ও আসন নম্বরে পরিবর্তন এসেছে। ১৯৭৩ ও ১৯৭৯ সালে সিরাজগঞ্জ পৃথক জেলা ছিল না; তখন বর্তমান সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা তৎকালীন পাবনা জেলার সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৮৪ সালে সিরাজগঞ্জ পৃথক জেলা হওয়ার পর সিরাজগঞ্জের নিজস্ব সংসদীয় আসনগুলো গঠিত হয়।

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ১৯৭৩ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

তৎকালীন পাবনা জেলার আসনসমূহের মাধ্যমে বর্তমান সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব হয়।

পাবনা: ০১
ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

➡️ অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার)
➡️ যোগাযোগমন্ত্রী
➡️ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
➡️ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী — ১৯৭৫
ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ছিলেন জাতীয় চার নেতার অন্যতম। ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে তিনি পাবনা-১ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

পাবনা-২:
সৈয়দ হায়দার আলী
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

পাবনা-৩:
রওশনুল হক মতি মিঞা
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

পাবনা: ০৪
আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

পাবনা-৬:
আবু বকর
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

◾ উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে সিরাজগঞ্জ পৃথক জেলা ছিল না। তাই বর্তমান সিরাজগঞ্জ-১/২/৩/৪/৫/৬ হিসেবে সরাসরি ভাগ করে দেখানো ঐতিহাসিকভাবে সঠিক নয়।

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ১৯৭৯ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

পাবনা-৫:
প্রফেসর ডা. এম. এ. মতিন
(বাংলাদেশ মুসলিম লীগ)

➡️ পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, গণপূর্তমন্ত্রী, যোগাযোগমন্ত্রী এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পাবনা-৬:
এ কে এম মাহবুবুল ইসলাম
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

পাবনা-৭:
সৈয়দ হোসেন মনসুর
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

পাবনা-৪:
আব্দুল লতিফ মির্জা
(জাসদ)

📌 ১৯৭৯ সালের আসনগুলোও তৎকালীন বৃহত্তর পাবনা জেলার সীমানা অনুযায়ী ছিল।

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ১৯৮৬ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

সিরাজগঞ্জ-১:
মোহাম্মদ নাসিম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-২:
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
(জাতীয় পার্টি)

সিরাজগঞ্জ-৩:
ইসহাক হোসেন তালুকদার
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৪:
আব্দুল লতিফ মির্জা
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৫:
মফিজ উদ্দিন তালুকদার
(জাতীয় পার্টি)

সিরাজগঞ্জ-৬:
নুরুল ইসলাম তালুকদার
(জাতীয় পার্টি)

সিরাজগঞ্জ-৭:
এম. এ. মতিন
(জাতীয় পার্টি)

➡️ এম. এ. মতিন এ সময় মন্ত্রী ও পরবর্তীতে উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ১৯৮৮ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

সিরাজগঞ্জ-১:
শফিকুল ইসলাম
(সম্মিলিত বিরোধী দল)

সিরাজগঞ্জ-২:
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
(জাতীয় পার্টি)

➡️ ১৯৮৮ সালে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে পরবর্তীতে বিএনপিতে যোগ দেন।

সিরাজগঞ্জ-৩:
আতাউর রহমান
(জাসদ)

সিরাজগঞ্জ-৪:
আব্দুল হামিদ তালুকদার
(জাতীয় পার্টি)

সিরাজগঞ্জ-৫:
শহীদুল ইসলাম খান
(জাতীয় পার্টি)

সিরাজগঞ্জ-৬:
নুরুল ইসলাম তালুকদার
(জাতীয় পার্টি)

সিরাজগঞ্জ-৭:
এম. এ. মতিন
(জাতীয় পার্টি)

➡️ এম. এ. মতিন তখন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন এবং পরবর্তীতে উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ১৯৯১ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

সিরাজগঞ্জ-১:
মোহাম্মদ নাসিম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-২:
মির্জা মুরাদুজ্জামান
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৩:
আব্দুল মান্নান তালুকদার
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৪:
এম. আকবর আলী
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৫:
শহীদুল্লাহ খান
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৬:
আনসার আলী সিদ্দিকী
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

➡️ আনসার আলী সিদ্দিকী পরবর্তীতে বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সিরাজগঞ্জ-৭:
কামরুদ্দিন আহিয়া খান মজলিশ
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ১৯৯৬ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

সিরাজগঞ্জ-১:
মোহাম্মদ নাসিম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

➡️ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সিরাজগঞ্জ-২:
মোহাম্মদ নাসিম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

➡️ একই নির্বাচনে তিনি সিরাজগঞ্জ-১ ও সিরাজগঞ্জ-২—দুই আসনেই জয়ী হন। পরে সিরাজগঞ্জ-১ আসন ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে মোহাম্মদ সেলিম নির্বাচিত হন।

সিরাজগঞ্জ-৩:
আব্দুল মান্নান তালুকদার
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৪:
আব্দুল লতিফ মির্জা
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৫:
আব্দুল লতিফ বিশ্বাস
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৬:
মো. শাহজাহান
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৭:
হাসিবুর রহমান স্বপন
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

➡️ হাসিবুর রহমান স্বপন ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের শিল্প উপমন্ত্রী হন।

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ২০০১ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

সিরাজগঞ্জ-১:
মোহাম্মদ নাসিম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-২:
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

➡️ তিনি খালেদা জিয়া সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে কৃষি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

সিরাজগঞ্জ-৩:
আব্দুল মান্নান তালুকদার
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৪:
এম. আকবর আলী
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৫:
মোজাম্মেল হক
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৬:
মঞ্জুর কাদের
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৭:
এম. এ. মতিন
(বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি)

➡️ এম. এ. মতিন বাংলাদেশের উপ-প্রধানমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ২০০৮ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

📌 সীমানা পুনর্বিন্যাসের পর সিরাজগঞ্জ-৭ আসন বিলুপ্ত হয়ে সিরাজগঞ্জে আসন সংখ্যা ৬টিতে নেমে আসে।

সিরাজগঞ্জ-১:
তানভীর শাকিল জয়
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-২:
রুমানা মাহমুদ
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৩:
ইসহাক হোসেন তালুকদার
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৪:
মো. শফিকুল ইসলাম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৫:
আব্দুল লতিফ বিশ্বাস
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৬:
চয়ন ইসলাম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

➡️ আব্দুল লতিফ বিশ্বাস ২০০৯ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হন।

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ২০১৪ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

সিরাজগঞ্জ-১:
মোহাম্মদ নাসিম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

➡️ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী।

সিরাজগঞ্জ-২:
ডা. হাবিবে মিল্লাত
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৩:
ইসহাক হোসেন তালুকদার
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৪:
তানভীর ইমাম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৫:
আব্দুল মজিদ মণ্ডল
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৬:
হাসিবুর রহমান স্বপন
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ২০১৮ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

সিরাজগঞ্জ-১:
মোহাম্মদ নাসিম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-২:
ডা. হাবিবে মিল্লাত
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৩:
আব্দুল আজিজ
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৪:
তানভীর ইমাম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৫:
আব্দুল মমিন মণ্ডল
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৬:
হাসিবুর রহমান স্বপন
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ২০২৪ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

সিরাজগঞ্জ-১:
তানভীর শাকিল জয়
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-২:
জান্নাত আরা হেনরী
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৩:
আব্দুল আজিজ
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৪:
মো. শফিকুল ইসলাম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৫:
আব্দুল মমিন মণ্ডল
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-৬:
চয়ন ইসলাম
(বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)

সিরাজগঞ্জ-২-এর ২০২৪ সালের বিজয়ী ছিলেন জান্নাত আরা হেনরী এবং ২০২৪-এর সংসদ সদস্য তালিকাতেও সিরাজগঞ্জ-১, ৫ ও ৬-এর সংশ্লিষ্ট নামগুলো পাওয়া যায়।

━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ ২০২৬ সাল :-
━━━━━━━━━━━━━━

সিরাজগঞ্জ-১:
মো. সেলিম রেজা
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-২:
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

➡️ ২০২৬ সালে মন্ত্রী: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।

সিরাজগঞ্জ-৩:
মো. আইনুল হক
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৪:
মো. রফিকুল ইসলাম খান
(বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)

সিরাজগঞ্জ-৫:
মো. আমিরুল ইসলাম খান আলীম
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

সিরাজগঞ্জ-৬:
এম. এ. মুহিত
(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)

২০২৬ সালের জাতীয় সংসদে বর্তমানে সিরাজগঞ্জের ছয় আসনের সদস্য হিসেবে সেলিম রেজা, ইকবাল হাসান মাহমুদ, আইনুল হক, রফিকুল ইসলাম খান, আমিরুল ইসলাম খান আলীম ও এম. এ. মুহিতের নাম রয়েছে।

━━━━━━━━━━━━━━
📌 তথ্য যাচাই ও বিশেষ নোট
━━━━━━━━━━━━━━

এই তালিকা প্রস্তুতের সময় তৎকালীন নির্বাচনী সীমানা, আসন পুনর্বিন্যাস এবং নির্বাচনের ফলাফল আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। ১৯৮৪ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠার পর সিরাজগঞ্জ-১ থেকে ৭ পর্যন্ত আসন সৃষ্টি হয়; ২০০৮ সালের সীমানা পুনর্বিন্যাসে সিরাজগঞ্জ-৭ বিলুপ্ত হয়। ২০২৬ সালের জন্য নির্বাচন কমিশন ২০০৮ সালের সীমানার কাঠামো পুনর্বহাল করে।

ভুলত্রুটি সম্পর্কে :
দীর্ঘ সময়ের নির্বাচনী ইতিহাস, পুরোনো নির্বাচনী সীমানা ও বিভিন্ন সময়ের আসন পুনর্বিন্যাসের কারণে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃত কোনো ভুল বা অসঙ্গতি থেকে যেতে পারে। কারও কাছে নির্ভরযোগ্য সরকারি/প্রামাণ্য তথ্য থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানাবেন। যাচাই সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (BSS), এবং নির্বাচনী ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের প্রকাশিত জীবনী/নথি।

নোট: ১৯৭৩ ও ১৯৭৯ সালের ক্ষেত্রে সিরাজগঞ্জ তখন পৃথক জেলা না থাকায় বর্তমান সিরাজগঞ্জ-১ থেকে ৬ হিসেবে নাম বসানো হয়নি। তৎকালীন পাবনা জেলার আসনসীমাই অনুসরণ করা হয়েছে এটাই ঐতিহাসিকভাবে সঠিক পদ্ধতি।

10/08/2026
অলি সাহেবআর কত
09/08/2026

অলি সাহেব
আর কত

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১ দল

09/08/2026

ফরহাদ মজহার এক পডকাস্টে ভয়ানক সব তথ্য দিয়েছেন। এসবের কিছু কিছু আমরা জানতাম, কিন্তু এতটা ডিটেইলে নয়।

তিনি বলেছেন-

”এটাকে ছাত্র আন্দোলন কখনো বলে না। যখন নাহিদের সঙ্গে দুই তারিখ রাতে আমার দীর্ঘ সময় কথা হয়েছে, তখন তারা বলছে, আন্দোলনে কম্প্রোমাইজ করতে হবে। ইতোমধ্যে তারা সেইফ হাউজে আছে। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র ও দূবাতাসগুলো সেই সেইফ হাইজগুলো তৈরি করেছে। সেইফ হাউজে মগজ ধোলাই হয়েছে। সেইফ হাউজ থেকে ওরা আমাকে ফোন করে জানাচ্ছে যে, তাদের উপর চাপ দিচ্ছে, আমরা যেনো পদত্যাগের কথা বলি। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে এবং যা ব্যবস্থা আছে, সব টিকে থাকবে।”

এরপর তিনি বলছেন, ”এই সেইফ হাউজ থেকেই মার্কিন যুক্তরাস্ট্র চেয়েছিল তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরে যাবে, কিন্তু ব্যবস্থা টিকে থাকবে। তরুণ ছাত্ররা বাঁচবার জন্য, তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আপনারা তাদেরকে বিভিন্ন সেইফ হাউজে রেখেছেন, প্রতিদিন তাদেরকে হাসিনার পদত্যাগের জন্য চাপ দিয়েছেন। নাহিদ অসুস্থ হয়ে যখন গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি, তখন তাকে সেইফ হাউজে নেবার জন্যে আমেরিকার দূতাবাসের গাড়ি চব্বিশ ঘণ্টা নিচে দাঁড়িয়ে থাকতো। অভ্যুত্থানের অন্তরালে এসব কাজগুলো চলেছে।”

তার মতে, ”... এই আন্দোলনে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের সম্পৃক্ততা প্রথম থেকেই ছিল। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র শেখ হাসিনাকে চায় নাই।...আমি শুরু থেকেই বলে আসছি, সরকার বদল মার্কিন যুক্তরাস্ট্রই করে দেবে। এটার জন্য আমাদের এত পরিশ্রমের দরকার নাই।”

দেখেন এটা আমরা জানি যে, যে সকল ছাত্ররা ২৪ এর আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে, সারজিস ও হাসনাত ছাড়া, বাকিদের তাত্ত্বিক গুরু ফরহাদ মজহার। তার স্টাডি সার্কেলে এদের গ্রুমিং হয়েছে। এমনকি অভ্যুত্থানের পরেও, সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় ফরহাদ মজহারের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তার স্ত্রী সেই সরকারে উপদেষ্টা পদেও ছিলেন।

ফলে ফরহাদ মজহারের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি হাঁড়ির খবর জানেন। তাছাড়া এই বক্তব্যকে ডিকোড করারও প্রয়োজন নেই। একেবারে পরিস্কার বক্তব্য।

জাস্ট এটা ভাবুন, ২৪ এর আন্দোলন মোটেও কোনো গণঅভ্যুত্থান নয়, এটি মার্কিন সরকারের অর্থায়নে ও পরিকল্পনায় প্রযোজিত এমন এক ড্রামা, যেখানে এদেশের লাখ লাখ তরুণ, স্বপ্নকামী মানুষ এক্সট্রার ভূমিকা পালন করেছে। এই যে রাস্তায় তরুণদের মিছিল, দেয়ালে গ্রাফিতি, সেখানে লেখা পরিবর্তনের স্বপ্ন, প্রাণ বিসর্জন দেয়া- সব মিথ্যে।

মানুষ যদি জানতো, তাহলে কি তারা আমেরিকার বুদ্ধিতে রাস্তায় নামতো? তার মানে এটি স্পষ্ট প্রতারণা।

তার বক্তব্য থেকে একটা বিষয় এখন পরিস্কার যে, সে সময় বিপুল হতাহতের পেছনে সরকার এককভাবে দায়ী নয়। এখানে নানাপক্ষ জড়িত ছিল, যেমনটা ছিল ইরানে। ইরানের আন্দোলনে মোসাদ যে বহু মানুষকে হত্যা করেছে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে সেসব উঠে এসেছে। উদ্দেশ্য হল, পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলা। সে কারণেই কি জুলাই-আগস্টে নিহত একটা হত্যারও তদন্ত হয়নি? খুঁজে বের করা হয়নি যে, কে কার গুলিতে নিহত হয়েছে? উপদেষ্টা সাখাওয়াতকে সরিয়ে দেওয়ার কারণও তাহলে এই? আমেরিকার চাপে?

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসবে, আমেরিকা এই কাজটা কেনো করেছে?

ভুল করেও বলবেন না যে, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য। কারণ পৃথিবীর যত জায়গায় সরকার পরিবর্তনে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করেছে, কোথাও সেটা গণতন্ত্রের জন্য করেনি। করেছে তার স্বার্থের জন্যভ পাকিস্তানে নির্বাচিত সরকার প্রধান ইমরান খান বহু বছর ধরে জেলে। আাফগানিস্তানকে শেষ করে দিয়েছে।

ভেনিজুয়েলার প্রধানমন্ত্রী স্ত্রীসহ নিউইয়র্কের জেলে, এখন প্রতিদিন ভেনিজুয়েলা থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৭৯ লাখ লিটার তেল আমেরিকা সরিয়ে নিচ্ছে। নানা রকমরে অবরোধ আরোপ করে কিউবাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। ফিলিস্তিনকে শেষ করেছে ইসরায়েলের জন্য। মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছে ওখানকার তেল ও ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য। আর কত দেশের কথা বলবো? এসবের কোনটায় গণতন্ত্র এসেছে? সর্বত্র দীর্ঘ মেয়াদে অশান্তি। ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তুলে শুধু ইরান বেঁচে গেছে।

তো শেখ হাসিনাকে কেনো সরাতে হল? সে কেনো পথের কাঁটা? দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার আধিপত্য, বাংলাদেশের ২৫ কোটি মানুষের বাজারে ঢুকা, ঔষধ থেকে জ্বালানি, পাকিস্তান ও সৌদির সাথে যৌথ বলয়ে ঢুকতে অস্বীকৃতি, বঙ্গোপসাগরে দখলদারিত্ব- তার মানে শেখ হাসিনা যা যা বলতেন সেসবই কি কারণ? বাংলাদেশকে প্রায় বিক্রি করে দেয়া বাণিজ্য চুক্তি যে করতে চায়নি শেখ হাসিনার সরকার, ওটাই কি অন্যতম বড় কারণ?

তার মানে, বাংলাদেশ যে দীর্ঘ মেয়াদী অস্থিতিশীলতায় জড়িয়ে পড়েছে, তার আশু সমাধান হচ্ছে না।

তারচেয়ে বড় কথা, ইউনূস গংদের চেয়েও আমেরিকাকে আরও বড় কোনো কিছু দেওয়ার বিনিময়ে যদি এখন শেখ হাসিনা ফিরে আসেন, তাহলে কি তাকে খুব বেশি দোষারোপ করা যাবে? বাংলাদেশ তাহলে এখন বিক্রির জন্য উন্মুক্ত?

ফরহাদ মজহারের এই বক্তব্যের পর, ২৪ এর আন্দোলনকে আর কোনোভাবেই বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থান বলার সুযোগ নাই।

কি নামে ডাকবো, সেটাও তাহলে তারাই ঠিক করে দিক। আমাদের বলার মত আর কোনো ভাষা অবশিষ্ট নাই।

27/07/2026

রাজধানীতে চলাচলকারী ১৮ জন মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট বা বিশেষ পাহারা প্রত্যাহার করেছে সরকার। তবে সরকার নির্ধারিত ছয়জন মন্ত্রী এবং একজন উপদেষ্টা এই বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা বজায় রাখা হয়েছে।

#প্রত্যাহার

Address

মোক্তারপাড়া, সিরাজগঞ্জ।
Sirajganj
৬৭০০

Telephone

+8801711348100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abul Hasnat Md. Mahboob-E-Alahi Hashu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Abul Hasnat Md. Mahboob-E-Alahi Hashu:

Shortcuts

Share

Category