Madhyanagar Upazila - মধ্যনগর উপজেলা

Madhyanagar Upazila - মধ্যনগর উপজেলা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Madhyanagar Upazila - মধ্যনগর উপজেলা, Government Organization, Madhyanagar, Sunamganj.

এটি স্থানীয় জনগণের দ্বারা পরিচালিত একটি Unofficial পেজ। আমরা সত্য, তথ্যবহুল এবং নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

We publish true, verified & unbiased local news and information about everything.

বর্ষা এলেই বই-খাতা ছেড়ে ঘরে বন্দি শিশুরা, টাঙ্গুয়ার হাওরে শিক্ষার সংকট চরমেনিজস্ব প্রতিবেদক | তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ)বর্ষা ...
21/07/2026

বর্ষা এলেই বই-খাতা ছেড়ে ঘরে বন্দি শিশুরা, টাঙ্গুয়ার হাওরে শিক্ষার সংকট চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক | তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ)

বর্ষা মৌসুম এলেই টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ের শিশুদের শিক্ষাজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। উত্তাল নদী, নৌকানির্ভর যাতায়াত এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কার কারণে বছরের একটি বড় সময় অনেক শিক্ষার্থীকে বই-খাতা ছেড়ে ঘরেই থাকতে হয়। ফলে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ের জয়পুর ও গোলাবাড়ি গ্রামের অসংখ্য শিশু শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের সীমান্তঘেঁষা এই জনপদের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, হাওরাঞ্চলের শিশুদের জন্য নিরাপদ ও টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জয়পুর ও গোলাবাড়ি গ্রামের শিক্ষার্থীদের পাটলাই নদীর প্রায় এক থেকে দেড় কিলোমিটার উত্তাল জলরাশি পেরিয়ে ছিলানী তাহিরপুরে অবস্থিত জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হতো। বর্ষা মৌসুমে নদীতে প্রবল ঢেউ ও স্রোতের কারণে শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে ভয় পান অভিভাবকরা। অনেক সময় কয়েকদিন, এমনকি কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে যেতে পারে না শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় বছরের পর বছর ধরে এ অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থা চরম সংকটে রয়েছে। অনেক শিশু নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে না পেরে মাঝপথেই লেখাপড়া ছেড়ে দেয়। কেউ পরিবারের জীবিকার তাগিদে কাজে নেমে পড়ে, আবার কেউ টাঙ্গুয়ার হাওরে আসা পর্যটকদের সামনে গান গেয়ে সামান্য আয়ের চেষ্টা করে। শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে তাদের শৈশব ক্রমেই সংগ্রামের বাস্তবতায় হারিয়ে যাচ্ছে।

এই সংকট নিরসনের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি নরসিংদীর মাধবদীর একদল দ্বীনি শিক্ষানুরাগীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় মা'হাদুদ দা'ওয়া আল ইসলামিয়া চারগাঁও জয়পুর মাদরাসা। প্রতিষ্ঠানটি চালু হওয়ার পর স্থানীয় অনেক শিশুর জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয়েছে। দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগও পাচ্ছে তারা। তবে শিক্ষকসংকট, শ্রেণিকক্ষের অভাব এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনের তুলনায় কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেই হবে না; বরং হাওরাঞ্চলের বাস্তবতা বিবেচনায় নিরাপদ যাতায়াত, পর্যাপ্ত শিক্ষক, মানসম্মত শিক্ষা উপকরণ এবং টেকসই অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে শিশুদের নিরাপদে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছানোর জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, টাঙ্গুয়ার হাওরের শিশুরাও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের শিশুদের মতো সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকার রাখে। তাদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্বও।

প্রশ্ন উঠছে—স্বাধীনতার এত বছর পরও যদি বর্ষা এলেই টাঙ্গুয়ার হাওরের শিশুরা বই-খাতা ছেড়ে ঘরে বন্দি থাকতে বাধ্য হয়, তাহলে সমান শিক্ষার অধিকার কতটা নিশ্চিত হয়েছে? এখন স্থানীয়দের একটাই প্রত্যাশা—হাওরাঞ্চলের শিশুদের জন্য এমন কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে বর্ষা আর তাদের শিক্ষাজীবনের সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে না থাকে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ): সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন যেন উন্নয়নের ছোঁয়া না পাওয়া ...
19/07/2026

নিজস্ব প্রতিবেদক, মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ): সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন যেন উন্নয়নের ছোঁয়া না পাওয়া এক জনপদ। বছরের পর বছর অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে বর্ষা মৌসুম এলেই এই ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তখন নৌকাই হয়ে ওঠে হাজারো মানুষের একমাত্র চলাচলের মাধ্যম।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো এখনো টেকসইভাবে নির্মিত হয়নি। বর্ষার পানিতে অধিকাংশ কাঁচা ও নিম্নাঞ্চলের রাস্তা তলিয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

প্রতিদিন স্কুল-কলেজে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নৌকায় যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে বিলম্ব হওয়ায় বাড়ে ঝুঁকি। কৃষকরা সময়মতো উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে না পারায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধিদের কাছে সড়ক উন্নয়ন, সেতু নির্মাণ ও স্থায়ী যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানানো হলেও বাস্তবে দৃশ্যমান অগ্রগতি খুবই কম। নির্বাচনের সময় উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি মিললেও বর্ষা এলেই সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবতা চোখে পড়ে না।

এলাকাবাসীর মতে, দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের সঙ্গে উপজেলা সদর ও আশপাশের এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা হলে শুধু দুর্ভোগই কমবে না, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের বাসিন্দারা দ্রুত টেকসই সড়ক, প্রয়োজনীয় সেতু-কালভার্ট এবং দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষায়, "আমরাও বাংলাদেশের নাগরিক। বর্ষা এলেই যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপের বাসিন্দা হয়ে না থাকতে হয়—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"

মধ্যনগর–মহিষখলা সড়ক ভয়াবহ ভাঙনে বিচ্ছিন্ন, চরম দুর্ভোগে ৮/৯ গ্রামের মানুষ— টানা বৃষ্টি ও প্রবল স্রোতে সুনামগঞ্জের মধ্যনগ...
13/07/2026

মধ্যনগর–মহিষখলা সড়ক ভয়াবহ ভাঙনে বিচ্ছিন্ন, চরম দুর্ভোগে ৮/৯ গ্রামের মানুষ—

টানা বৃষ্টি ও প্রবল স্রোতে সুনামগঞ্জের মধ্যনগর–মহিষখলা সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভয়াবহভাবে ধসে গিয়ে কার্যত সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সংযোগ সড়কের প্রবেশমুখে বড় বড় ফাটল, মাটি ধসে পড়া এবং সেতুর সংযোগ অংশ ভেঙে যাওয়ায় এখন এই পথে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ।

এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮০টিরও বেশি মোটরসাইকেল চলাচল করত। পাশাপাশি ৮ থেকে ৯টি গ্রামের হাজারো মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিকাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও নিত্যপ্রয়োজনে এই রাস্তার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় পুরো এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে সামান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগেই সড়কটি ভেঙে পড়ে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন তাদের কার্যকর উপস্থিতি চোখে পড়ছে না। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে জরুরি কোনো উদ্যোগও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়।

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক। পাশাপাশি ভবিষ্যতে একই ধরনের বিপর্যয় এড়াতে টেকসই ও স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

26/06/2026

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে মহিষখলা বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও।

বিস্তারিতঃ ভিডিও তে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ ও মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশনে বিপন্ন পাখিকুল, হুমকির মুখে গ্রামীণ পরিবেশের ভারসাম্য।হাতে নিয়ে বি...
21/06/2026

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ ও মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশনে বিপন্ন পাখিকুল, হুমকির মুখে গ্রামীণ পরিবেশের ভারসাম্য।

হাতে নিয়ে বিস্কুট কিংবা চানাচুর খাওয়ার সময় ছোঁ মেরে নিয়ে যেত কাক। গাছের ডালে বাসা বেঁধে ডিম দেওয়া, আর সেই ডিম পাড়তে গেলে দলবেঁধে তেড়ে এসে ঠোকর দেওয়ার চিরচেনা সেই দৃশ্য এখন গ্রামীণ জনপদ থেকে উধাও। গ্রামীণ জীবনে আধুনিকতার ছোঁয়া, বিদ্যুতায়ন এবং মোবাইল টাওয়ারের ভিড়ে হারিয়ে গেছে পরিবেশের অন্যতম বন্ধু ও 'ঝাড়ুদার' হিসেবে পরিচিত পাখি— কাক।

গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মাত্র কয়েক বছর আগেও গ্রামে প্রচুর কাকের আনাগোনা ছিল। কিন্তু গ্রামে বিদ্যুৎ আসার পর এবং পরবর্তীতে মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের পর থেকেই কাকের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমতে শুরু করে। বর্তমানে গ্রামের আকাশ বা গাছে কাকের দেখা মেলা ভার।

পরিবেশবিদ ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হঠাৎ অন্তর্ধানের পেছনে কাজ করছে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ:

১. মোবাইল টাওয়ারের অদৃশ্য রেডিয়েশন ও দিকভ্রান্ত পাখি
মোবাইল টাওয়ার সচল রাখতে ব্যবহৃত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণ (EMF Radiation) পাখিদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কাকের মস্তিষ্কে প্রাকৃতিকভাবে একটি দিকনির্ণয় ব্যবস্থা থাকে, যা পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের সাহায্যে কাজ করে। টাওয়ারের শক্তিশালী রেডিয়েশন এই ব্যবস্থাকে ওলটপালট করে দেয়। ফলে কাক দিক হারিয়ে ফেলে, তীব্র মানসিক চাপে ভোগে এবং তাদের প্রজনন ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।

২. বিদ্যুতের তারের মরণফাঁদ ও আবাসন সংকট
গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর পর যত্রতত্র হাই-ভোল্টেজ তারের জাল বিছানো হয়েছে। কাক সাধারণত দলবেঁধে তারের ওপর বসে। ট্রান্সফরমার বা খোলা তারে ডানা ঝাপটানোর সময় অসাবধানতাবশত শর্ট-সার্কিট হয়ে (Electrocution) প্রতিনিয়ত অসংখ্য কাক মারা যাচ্ছে। এছাড়া বিদ্যুতের লাইন সচল রাখতে রাস্তার পাশের বড় বড় প্রাচীন গাছ কেটে ফেলায় কাক তাদের নিরাপদ আশ্রয় ও বাসা বাঁধার জায়গা হারিয়েছে।

৩. কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার ও তীব্র খাদ্যাভাব
কৃষি কাজে আধুনিকায়নের ফলে এখন ফসলি জমিতে প্রচুর রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষাক্ত পোকা-মাকড় কিংবা ব্যাঙ খেয়ে অনেক কাক বিষক্রিয়ায় মারা যাচ্ছে। পাশাপাশি, গ্রামে এখন উন্মুক্ত স্থানে ময়লা-আবর্জনা বা খাবারের উচ্ছিষ্ট ফেলার প্রবণতা কমে আসায় কাক তীব্র খাদ্যাভাবে পড়েছে।

৪. উচ্চ বুদ্ধিমত্তা ও নিরাপদ আশ্রয়ে 'দেশান্তর'
প্রাণিবিজ্ঞানীদের মতে, কাক অত্যন্ত বুদ্ধিমান পাখি। কোনো এলাকা তাদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠলে বা নিয়মিত সেখানে নিজেদের প্রজাতির মৃত্যু দেখলে তারা সেই এলাকাকে 'রেড জোন' হিসেবে চিহ্নিত করে। ফলে জীবন বাঁচাতে কাকের দল প্রত্যন্ত গ্রাম ছেড়ে শহরের ডাম্পিং ইয়ার্ড বা আধা-শহুরে এলাকায় চলে যাচ্ছে, যেখানে খাবার পাওয়া সহজ এবং টাওয়ারের ঘনত্ব তুলনামূলক কম।

পরিবেশের ওপর প্রভাব:
কাককে বলা হয় প্রকৃতির ঝাড়ুদার। পচনশীল আবর্জনা ও ক্ষতিকর পোকা-মাকড় খেয়ে তারা পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। গ্রাম থেকে কাকের এই সম্পূর্ণ বিলুপ্তি পরিবেশের খাদ্যশৃঙ্খল ও ভারসাম্যের জন্য এক বড় ধরনের সতর্কসংকেত। আজ কাক হারিয়ে গেছে, কাল হয়তো অন্য কোনো পাখি বা জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়বে। আধুনিক প্রযুক্তির সুফল ভোগ করার পাশাপাশি প্রকৃতির এই বন্ধুদের টিকিয়ে রাখার বিষয়ে এখনই ভাবার সময় এসেছে।

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর একসময় দেশীয় নানা প্রজাতির মাছের অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে আগের তুলনায় ...
19/06/2026

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর একসময় দেশীয় নানা প্রজাতির মাছের অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে আগের তুলনায় মাছের উৎপাদন ও প্রজাতির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। স্থানীয় জেলেরা জানান, যে সব মাছ একসময় প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত, এখন সেগুলোর অনেকগুলোই বিরল হয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিত মাছ শিকার, প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা, জলদূষণ, নাব্যতা সংকট এবং জলজ পরিবেশের অবনতির কারণে মাছের প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে হাওরের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সংরক্ষণ, অভয়াশ্রম বৃদ্ধি, অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টাঙ্গুয়ার হাওরের হারিয়ে যাওয়া মাছের প্রজাতি রক্ষা করা সম্ভব। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও অনেক দেশীয় মাছ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনাকে ঘিরে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। প্রিয় দলের পতাকা উড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হ...
11/06/2026

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনাকে ঘিরে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। প্রিয় দলের পতাকা উড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে এক ফুটবলপ্রেমী কিশোর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিশোরটি একটি কাঁচা বাঁশের মাথায় তার প্রিয় দলের পতাকা বেঁধে বাড়ির পাশে থাকা একটি আমগাছের মাথায় উড়ানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় হঠাৎ বাঁশটি ভারসাম্য হারিয়ে পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয় সে।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তার আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিশ্বকাপের আনন্দ উদযাপনের সময় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে বিদ্যুতের তারের আশপাশে পতাকা টানানো বা উঁচু বাঁশ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের পূর্ব মায়ানী তেঁতুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।...
24/05/2026

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের পূর্ব মায়ানী তেঁতুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। গরুটি মোটাতাজা করেছেন উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের সরকারটোলা এলাকার জিন্নাত আলী মুহুরী বাড়ির দিদারুল আলম।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির অদূরে মাঠে বাধা ছিল ৩ মণ ওজনের ষাঁড়টি। রোববার দুপুরে হটাৎ বজ্রপাতে গরুটি মারা যায়। গত শুক্রবার বিক্রির জন্য আবুতোরাব বাজারে তোলা হয়েছিল। ক্রেতারা ১লাখ ১০ হাজার টাকা বলেছিল। কিন্তু মালিক দিদারুল আলম ১ লাখ ২০ হাজার টাকার জন্য বিক্রি করেনি। পরে রোববার বজ্রপাতে ষাঁড়টি মারা গেলে কান্নায় ভেঙে পড়ে গরুর মালিম দিদারুল আলম।

গরুর মালিক দিদারুল আলম বলেন, অনেক কষ্টে কোরবানিতে বিক্রির জন্য গরুটি মোটাতাজা করেছি। আজ সকালে বাড়ির পাশে মাঠে বেঁধে আসি। দুপুরের পর খবর পাই বজ্রপাতে গরুটি মারা গেছে। গরুর কাছে গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের গরুটি মারা যাওয়ায় আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেল।

24/05/2026

মধ্যনগর রাস্তার বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ ঝাড়লেন ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক..

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নে রাস্তার অভাবে পানির উপর দিয়ে ট্রলারে বাইক পারাপার, চরম দুর্ভোগে...
24/05/2026

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নে রাস্তার অভাবে পানির উপর দিয়ে ট্রলারে বাইক পারাপার, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামীণ এলাকায় পাকা সড়কের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা উন্নয়ন না হওয়ায় বাধ্য হয়ে অনেক জায়গায় পানির উপর দিয়ে ট্রলারের সাহায্যে মোটরসাইকেলসহ যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হচ্ছে।

এলাকাবাসীরা জানান, জরুরি প্রয়োজনে যেমন রোগী হাসপাতালে নেওয়া, বাজারে যাতায়াত কিংবা শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাওয়া—সবকিছুতেই অতিরিক্ত কষ্ট পোহাতে হয়। অনেক সময় ট্রলার না থাকলে পুরোপুরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয়রা দ্রুত রাস্তা নির্মাণ ও স্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তাদের দাবি, টেকসই বাঁধ ও সড়ক নির্মাণ করা হলে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান অনেক উন্নত হবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

Address

Madhyanagar
Sunamganj
2456

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Madhyanagar Upazila - মধ্যনগর উপজেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share