সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ √
(1)

সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২০০১ ইং সালে কার্যক্রম শুরুর প্রারম্ভিক সময় হতে সুনামগঞ্জ জেলার কৃষি, শিল্প ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। আধুনিক সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, বৃহৎ-সহ মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের ব্যাপক প্রসার এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও তথ্য প্রযুক্তি বিকাশের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে সুনামগঞ্জ জেলা তথা সারা বাংলাদেশের মানুষের জীবনযা

ত্রার মান উন্নয়নে দেশব্যাপী পরিচালিত পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের একটি অংশরূপে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। লাভ নয়, লোকসান নয় - গ্রাহকগণই প্রকৃত মালিক ও সেবক মূলনীতিতে এবং সমবায় ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

16/08/2026
12/08/2026

সম্মানিত গ্রাহকগণের অবগতির জন্য—

• পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না।
• ইচ্ছাকৃতভাবে কখনোই লাইন বন্ধ রাখা হয় না।
• লোডশেডিং একটি জাতীয় সমস্যা।

বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতিতে আপনাদের ধৈর্য, সহযোগিতা ও সহমর্মিতা একান্তভাবে কাম্য।

কর্তৃপক্ষ
সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

নোটিশ (পল্লী বিদ্যুৎ সিমিতির শিক্ষানবিশ লাইনম্যান পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত সংক্রান্ত)
12/08/2026

নোটিশ (পল্লী বিদ্যুৎ সিমিতির শিক্ষানবিশ লাইনম্যান পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত সংক্রান্ত)

12/08/2026

কথা বলছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্ক হোন ঝড়বৃষ্টির সময়!বর্তমানে প্রচুর ঝড়বৃষ্টি ও তুফান হচ্ছে। এ সময় বিদ্যুৎ সংক্রান্ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি...
04/08/2026

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্ক হোন ঝড়বৃষ্টির সময়!

বর্তমানে প্রচুর ঝড়বৃষ্টি ও তুফান হচ্ছে। এ সময় বিদ্যুৎ সংক্রান্ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই নিজে সতর্ক থাকুন, অন্যকেও সচেতন করুন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:

১) ভিজে হাতে বা ভিজা মেঝেতে দাঁড়িয়ে কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র স্পর্শ করবেন না।

২) ঝড়বৃষ্টির সময় বিদ্যুতের খোলা তার, ভাঙ্গা পোল বা বৈদ্যুতিক খুঁটির কাছে যাবেন না।

৩) বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলে নিজে থেকে সারানোর চেষ্টা না করে নিকটস্থ বিদ্যুৎ অফিসে জানান।

৪) বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ইত্যাদি) বন্ধ রাখুন এবং প্লাগ খুলে রাখুন।

৫) নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়িতে সার্কিট ব্রেকার (MCB/RCCB) ব্যবহার করুন।

৬) পানি জমে থাকা জায়গায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়লে দ্রুত সেই এলাকা এড়িয়ে চলুন এবং সতর্ক করে দিন এবং সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসকে অবহিত করুন।

স্মরণ রাখুন, সতর্কতাই দুর্ঘটনা এড়ানোর প্রধান উপায়।

নিজে বাঁচুন, অন্যকেও বাঁচান। সচেতন থাকুন, নিরাপদ থাকুন!

30/07/2026

একটি দেশের বিদ্যুৎ সেবা ৩ টি ধাপে পরিচালিত হয়। সেগুলো হলো -জেনারেশন, সঞ্চালন, বিতরণ। জেনারেশন মানে হল বিদ্যুৎ উৎপাদন। দেশে এই কাজটি করে থাকে পিডিবিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এর নিয়ন্ত্রাধীন বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো। দেশে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে দিয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি এমন নয় যে আপনার বাড়ির পাশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র থাকলেই আপনাকে সেখান থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ দিয়ে দেয়া হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ আগে জাতীয় গ্রীডে আসবে। আর গ্রীড থেকেই সারা দেশে সঞ্চালন করা হবে।পুরো বাংলাদেশের গ্রীড সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে পিজিসিবি (পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি বাংলাদেশ)। পিজিসিবি এর আরেকটি প্রতিষ্ঠান হল এনএলডিসি(ন্যাশনাল লোড ডিস্পারশন সেন্টার)। তারাই মূলত দেশের কোথায় লোড শেডিং দেয়া হবে, কোন বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদন এ যাবে, কোন কেন্দ্র কখন বন্ধ থাকবে এসব নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর তা পিজিসিবি এর ১৩২ কেভি বা তদোর্ধ্ব সঞ্চালন লাইন এর মাধ্যমে সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

তারপর পিজিসিবি এর গ্রীড সাবস্টেশন থেকে ৩৩ কেভি লাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন বিতরণ সংস্থা; যেমন- পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহ, ওজোপাডিকো, নেসকো, ডিপিডিসি, ডেসকো ইত্যাদির কাছে পাঠানো হয়। তারপর বিতরণ সংস্থা গুলো ১১ কেভি লাইনের মাধ্যমে গ্রাহক প্রান্তে পৌঁছায়। এভাবেই ধাপে ধাপে উৎপন্ন বিদ্যুৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র হতে মানুষের দোরগোড়ায় এসে পৌঁছায়; যার মূলে রয়েছে হাজারো বিদ্যুৎ কর্মীর ত্যাগ ও পরিশ্রম।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লোডশেডিং এ বিতরণ সংস্থার কোন কিছু করার থাকে না। পাওয়ার গ্রীডের ট্রান্সফর্মার এর ক্যাপাসিটি যদি চাহিদার তুলনায় কম থাকে বা জাতীয় গ্রীডে উৎপাদন কম থাকে সেক্ষেত্রে তাদের নির্দেশেই লোড শেডিং করা লাগে।পিজিসিবির রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হয় বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

বর্তমানে যে সংকট চলছে তার প্রধান কারণ হলো প্রচন্ড তাপদাহ, সন্ধ্যার পর ব্যাপক হারে বিদ্যুৎ এর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়া। মার্কেটে মার্কেটে লাইটিং,শীতাতপ যন্ত্র ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণে পিক আওয়ারে প্রচুর বিদ্যুৎ এর চাহিদার সৃষ্টি হয়।এই ব্যাপক চাহিদার যোগান দিতে হিমশিম খেতে হয় পিজিসিবি এর গ্রীড সাবষ্টেশন গুলোকে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে বিতরণ প্রতিষ্ঠানকে লোড শেডিং করায়।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহ নিজে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না। তারা শুধুমাত্র গ্রীড থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করে। ফলে গ্রীড সমস্যাজনিত কারণে লোডশেডিং করে থাকলে এক্ষেত্রে বিতরণ সংস্থার কিছু করার থাকে না। জাতীয় স্বার্থে লোডশেডিং করানো হয়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহ যদি গ্রীডের কথা না মেনে লোডশেডিং না করে, সেক্ষেত্রে গ্রীড তাদের সিস্টেম বাঁচাতে বাধ্য হয় ৩৩ কেভি লাইন বন্ধ করে দিতে। লোডশেডিং কারো প্রয়োজন অনুযায়ী করা সম্ভব নয়।অনেকেই বলে থাকেন রাতের সময় লোডশেডিং না করতে। আসলে ব্যাপারটা বলা যত সহজ বাস্তবতা তত সহজ নয়। যখনই চাহিদা বেশি ওই সময়টাতেই চাহিদা এবং যোগানের ভারসাম্য রক্ষার জন্য লোডশেডিং করতে হবে। অন্যথায় সিস্টেমের মারাত্বক ক্ষতি হবে পরে যা কাটিয়ে উঠতে হয়ত পুরো একটি জেলাকেই দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ বিহীন থাকা লাগতে পারে।

একটা সিস্টেমের টেকনিক্যাল ডিফিকাল্টিসগুলো অনুধাবন ও সহনশীল আচরণ করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ রইলো।

লেখাটি সংগৃহিতঃ

Address

Weizkhali, Sunamganj 3000
Sunamganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি:

Shortcuts

Share