Sylhet, সিলেট

Sylhet, সিলেট Sylhet (Bengali: সিলেট) is a metropolitan city in northeastern Bangladesh. It is the administrative seat of Sylhet Division.

সিলেট জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল সিলেট। এটি সিলেট বিভাগের অধিক্ষেত্রভুক্ত একটি জেলা। উপজেলার সংখ্যানুসারে সিলেট বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা। সিলেট বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদ। বনজ, খনিজ ও মৎস্য সম্পদে ভরপুর এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জন্য এ জেলা খ্যাত। জৈন্তিয়া পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য, জাফলং এর মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য, জাফলং চা বাগান, ভোলাগঞ্

জের সারি সারি পাথরের স্তূপ, পাথরের বিছানাখ্যাত বিছনাকান্দি, রাতারগুল জলাবন পর্যটকদের টেনে আনে বার বার।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সিলেট জেলার বিপুল সংখ্যক লোক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অভিবাসন গ্রহণ করেছে। তারা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখে। সিলেটের পাথর, বালির গুণগতমান দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। জেলার প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে যা সারা দেশের সিংহভাগ চাহিদা পূরণ করে থাকে। স্বাধীনতা যুদ্ধে এ জেলার ভূমিকা অপরিসীম। মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম এ জি ওসমানী এ জেলারই কৃতী সন্তান।

১৭৬৭ খ্রিষ্টাব্দে এ অঞ্চল ব্রিটিশদের করায়ত্ত হবার পর ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট জেলার সৃষ্টি হয় এবং প্রথম কালেক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মিঃ উইলিয়াম থ্যাকারে। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এক পর্যায়ে সিলেট জেলাকে ভেঙ্গে চারটি জেলা সৃষ্টি করা হয় । স্বাধীনতাপূর্ব সদর মহুকুমার এলাকা নিয়ে বর্তমানে সিলেট জেলা গঠিত । ১২(বার)টি উপজেলা নিয়ে বর্তমান সিলেট জেলা গঠিত।

সিলেট জেলার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা হলো সিলেট শহর । ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলেই সিলেট দ্রুত বিকাশ লাভ করেছে। সিলেট পৌরসভা সৃষ্টি ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দে । ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুন এক মারাত্মক ভূমিকম্প গোটা সিলেট শহরটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে ফেলে। পরবর্তী কালে ধ্বংসস্ত্তপের ওপর গড়ে উঠে ইউরোপীয় ধাঁচের আরও সুন্দর ও আধুনিক শহর। ১৮৯০ এর দশকের শেষ ভাগে বেশ কিছু রাস্তাঘাট তৈরি করা হয়। ১৯১২-১৫ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের একটি শাখা সিলেটের সাথে সংযুক্ত হলে দেশের অন্যান্য অংশের সাথে সিলেটের বিচ্ছিন্নতার প্রকৃত অবসান ঘটে।

চা শিল্পের কারণে বিশ শতকের প্রথম দিকে সিলেট শহরের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৫০ ও ১৯৬০ দশকে প্রবাসী সিলেটিদের কল্যাণে সিলেটের শহর দ্রুত নগরায়ণ ঘটতে থাকে। এই নগরায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

#সিলেট #সিলেটজেলা #সিলেটি #বাংলাদেশ #বাংলারপ্রকৃতি #চায়েরদেশ #জাফলং #সোয়াম্পফরেস্ট #রাতারগুল #পাংথুমাই #বিছানাকান্দি #লাভারসপয়েন্ট #খাসিয়াপুঞ্জি #সিলেটেরসংস্কৃতি #হজরতশাহজালাল #হজরতশাহপরান #সিলেটপ্রাকৃতিকসৌন্দর্য #চা_বাগান #কোম্পানীগঞ্জ #জীবনানন্দেরবাংলা #পর্যটন #সিলেটীবিবিধ #সিলেটেরপর্যটন #বাংলাদেশপর্যটন

৫ আগস্ট, ২০২৪— "ঐ দিল্লি না ঢাকা?"— "ঢাকা, ঢাকা!"২৯ জুন, ২০২৬শুধু হিন্দুরাই নাকি ভারতের দালাল!অথচ ভারত ভিসার জন্য আবেদনক...
29/06/2026

৫ আগস্ট, ২০২৪
— "ঐ দিল্লি না ঢাকা?"
— "ঢাকা, ঢাকা!"

২৯ জুন, ২০২৬
শুধু হিন্দুরাই নাকি ভারতের দালাল!
অথচ ভারত ভিসার জন্য আবেদনকারীদের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগই লেবাসধারী অহিন্দু।
এরা আসলে কারা?
খারেজি ইমান এত দুর্বল হইলে অইবে?

27/06/2026

৪/৫ জন নাস্তিকের ফাঁ-সীর জন্য শফি সাহেব লক্ষাধিক তৌহিদী জনতা নিয়ে আসছিল শাপলা চত্বরে। কিন্তু লাখো বলাত-কারেও তাদের টু শব্দ নেই!

বাংলাদেশেও আছে তৌহিদী জনতা।তৌহিদী জনতার উৎপাত নবীর মৃত্যুর দিন থেকে। দাফনের জন্য যখন গোসল দিতে নেওয়া হয়, তখন একদল মিছিল ...
26/06/2026

বাংলাদেশেও আছে তৌহিদী জনতা।
তৌহিদী জনতার উৎপাত নবীর মৃত্যুর দিন থেকে। দাফনের জন্য যখন গোসল দিতে নেওয়া হয়, তখন একদল মিছিল শুরু করলো। গোসল দেওয়া যাবে না! গোসল দিলে কাপড় খুলতে হবে, নবীর অবমাননা হবে! যখন আবু বকরকে খলিফা নির্বাচন করা হয়, তখন আরেকদল গেলো ফাতেমা ও আলীর ঘর জ্বালিয়ে দিতে, কারণ তাঁরা খলিফার প্রতি আনুগত্য প্রকাশে দেরি করছিলেন! এরাই তৌহিদী জনতা। আবু বকর ২৭ মাস শাসন করেছিলেন, এবং পুরো সময়টাই তৌহিদী জনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে কাটাতে হয়েছিলো। তৌহিদী জনতাই প্রথম ইসলাম ত্যাগ করে মুসাইলিমাকে নতুন নবী মেনেছিলো।

তোহিদী জনতা খলিফা উমরকে কারা হত্যা করিয়েছিলো আবু লুলুয়াকে দিয়ে,নামাজরত অবস্থায়। খলিফা উসমানকে অবরুদ্ধ করেছিলো কারা? তৌহিদী জনতা। কোরান পড়া অবস্থায় তাঁকে হত্যা করেছিলো। তাঁর স্ত্রী বাঁচাতে গিয়েছিলেন, ভদ্রমহিলাকেও ছুরি মেরেছিলো।

হযরত আলী( রাঃ) কেও তৌহিদী জনতা খুন করেছিলো। কোনো কাফের মুশরিক নয়। ফজরের নামাজ পড়ছিলেন, এ অবস্থায় আব্দুর রহমান নামের এক তৌহিদী জঙ্গী ছুরি চালিয়ে দেয়। এবং সেই জঙ্গী ছিলো ইতিহাসের প্রথম ইসলামী রাজনীতিক দল খারেজী কাফেলার সদস্য। পৃথিবীতে যতো ইসলামী দল আছে, এগুলো সব খারেজী কাফেলার বংশধর। যাকে তাকে কাফের নাস্তিক বলার চল খারেজিরাই শুরু করেছিলো। কথায় কথায় তাফসির। কোরানের ভুলভাল তাফসিরও খারেজিদের আবিষ্কার। নারীদের বুরকা পরতে হবে, এ নিয়মও খারেজিরা চালু করেছিলো।

এবং বাংলাদেশে, তৌহিদী জনতার ভেতর যে-বিকৃত যৌনাচার দেখা যায়, সেটার উৎসও খারেজিরা। নবীপত্নী আয়েশা, ইমাম হাসানের স্ত্রী হাফসা, ইমাম হুসাইনের স্ত্রী সহরবানু, উনাদের প্রত্যেককে যৌন হয়রানি ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ আছে তৎকালীন তৌহিদী জনতার বিরুদ্ধে। নবীর বংশ নির্বংশ করেছিলো তৌহিদী জনতা। ইমাম হাসানকে বিষপ্রয়োগ, হুসাইনকে কারবালায় হত্যা, এগুলো তৌহিদী জনতা করেছিলো। কাফেররা নয়। হুসাইনের পুত্র আলি আকবর, শিশুপুত্র আলি আসগর, হাসানের তিন পুত্র কাসেম, আবু বকর, ও আব্দুল্লাহ, এঁরা নবীর রক্তবাহক ছিলেন না? এঁদের প্রত্যেককে তৌহিদী জনতা হত্যা করেছিলো।

এমনকি কাবা ঘরও রক্ষা পায়নি। উমাইয়াবাহিনী ও যুবায়েরবাহিনী যখন মুখোমুখি হয়, ৬৮৩ সালে, তখন তৌহিদী জনতা কাবা ঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিলো। এই যে এখন গণহত্যা গণহত্যা শুনি, ম্যাসকিলিং, কেউ কি জানে যে কাবা ঘরে একবার গণহত্যা হয়েছিলো? হ্যাঁ, তৌহিদী জনতা কাবা ঘরে গণহত্যা চালিয়েছিলো, হাজার হাজার হাজীকে হত্যা করেছিলো। ৯৩০ সালে। এবং হাজীরা যে কালো পাথরে চুমো খায়, হাজরে আসওয়াদ, এটা তৌহিদী জনতা চুরি করে বাহরাইনে নিয়ে গিয়েছিলো! ২০ বছর সেটির হদিস পাওয়া যায়নি। হাজীরা চুমো খেতে পারেনি।

ফাতেমী খলিফারা অনেক লাইব্রেরি নির্মাণ করেছিলো, যেগুলোকে দার আল-হিকমা ডাকা হতো। সেই লাইব্রেরিগুলো কারা ধ্বংস করেছিলো? তৌহিদী জনতা। কতো গুরুত্বপূর্ণ বই যে তৌহিদী জনতা পুড়িয়েছে, ইয়ত্তা নেই। ২০১৬ সালে যে মসজিদে নববীতে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়েছিলো, সেটা তো তৌহিদী জঙ্গীই করেছিলো। কী বলবেন এদেরকে? মুসলমানরা যদি তৌহিদী জনতা উরফে তৌহিদী জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শক্তভাবে না দাঁড়ায়, এদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সন্তানদের সচেতন না করে, তাহলে ইসলামের বিলুপ্তি আসন্ন। মুসলিম-বিদ্বেষও বাড়বে। পৃথিবীতে হাজার হাজার ধর্ম এসেছে, হাজার হাজার ধর্ম বিলুপ্ত হয়েছে। ইসলামের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী ধর্ম পৃথিবীতে ছিলো, কিন্তু অন্ধ অনুসারীদের কর্মকাণ্ডে লুপ্ত হয়েছে।

♦️আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হলো নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে।অথচ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত বিষোদগার ছড়িয়...
26/06/2026

♦️আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হলো নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে।

অথচ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত বিষোদগার ছড়িয়েছেন, গণতন্ত্র গেল গেল বলে ফেনা তুলেছেন মুখে। বছরের পর বছর সমালোচনা করেছেন, টকশো কাঁপিয়েছেন, কলাম লিখেছেন। জানিপপ নাকি কি যেন একটা নামে নির্বাচন মনিটর করেছেন। মনের মাধুরী মিশে রিপোর্ট তৈরি করেছেন। তবুও দিব্যি ভালোই তো ছিলেন আপনাদের ভাষায় গণতন্ত্রহীন ফ্যাসিস্ট এর দেশে।

মাঝে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার গুণীজনের প্রতি কদর এর সুযোগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হয়েছেন!

কিন্তু ইতিহাস বড়ই বিচিত্র স্যার বিধাতার বিচার বড় নির্মম!

আপনারা যারা একসময় কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, তাদের কারও কারও জন্য আজ সমালোচনার সীমারেখা যেন অন্য জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

জুলাই সন্ত্রাসী পূর্ণ সমর্থন দিলেন সুবিধা না পেয়ে যেইনা ড. ইউনূসের সমালোচনা করলেন, আর তার ফলফল হলো মামলা কারাগারে আটক।
আর আজকে বিএনপি এসে আপনাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে করল বহিষ্কার!

কেমন লাগছে এখন স্যার ?? এখন হয়তো মনে মনে শেখ হাসিনার পায়ে ধরে মাফ চাওয়ার কথাই ভাবছেন!

হয়তো মনে হচ্ছে শত সমালোচনা শত অপবাদের পরেও একজন মমতাময়ী ফ্যাসিস্ট ছিল এইদেশে। যিনি দিনশেষে মায়ের স্নেহ আর বোনের মমতা দিয়ে আগলে রেখেছিল বাংলাদেশকে।

©️Adv Nazma Kawsar


23/06/2026

এটা জাতীয় লজ্জা। গ্রামের দিকের বেশিরভাগ স্কুলের এই দশা।

23/06/2026

মানুষের ইচ্ছাই সবচেয়ে বড় শক্তি

22/06/2026

মাইক, রেডিও, টিভি, ছবি, ভিডিও - শুরুতে হারাম ছিলো, আলেমরা উপকার পাওয়ার পরে হালাল হয়েছে।

ইতিহাস রচিত হলো।লিওনেল মেসি ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা! 🤩🇦🇷
22/06/2026

ইতিহাস রচিত হলো।
লিওনেল মেসি ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা! 🤩🇦🇷

রবিন খুদা নিশ্চয়ই ফ্যাসিবাদের দোসর।তা না হলে আশিক জোকারের এত লাফালাফির পরেও বাংলাদেশে না এসে - ভারত গিয়ে মোদির হাত ধরে?ট...
09/06/2026

রবিন খুদা নিশ্চয়ই ফ্যাসিবাদের দোসর।
তা না হলে আশিক জোকারের এত লাফালাফির পরেও বাংলাদেশে না এসে - ভারত গিয়ে মোদির হাত ধরে?

টোকাইগুলো কই? স্লোগান দেবে না? দিল্লি না ঢাকা?

পৃথিবীতে ' মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই গণতন্ত্র' এর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হচ্ছে ১৯৪৭ এ জন্ম নেওয়া পাকিস্তান। পাকিস্তান তার নিজ দেশ...
27/05/2026

পৃথিবীতে ' মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই গণতন্ত্র' এর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হচ্ছে ১৯৪৭ এ জন্ম নেওয়া পাকিস্তান। পাকিস্তান তার নিজ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানকে গুলি করে হত্যা করে। লিয়াকত আলী খানকে গুলি করা সাদ আকবর নিজেও একজন মুসলমান ছিলেন। লিয়াকত আলী খানের মেয়াদ ছিল ৪ বছর ৬১ দিন। মুসলিম মুসলিম ভাই বলে ভারত থেকে আলাদা হওয়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান নিজের স্বাধীন দেশেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ করতে পারেননি।অথচ এই লিয়াকত আলী খান লন্ডন থেকে পাকিস্তানের জাতির পিতা জিন্নাহকে উড়িয়ে আনা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথমসারির ছিলেন। লিয়াকত আলী খানরা না হলে পাকিস্তান আজ স্বাধীন হতো না।

পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান একজন ভারতীয় ছিলেন। ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের লিয়াকত আলী খান কাশ্মীর সমস্যাকে প্রথম জাতিসংঘে উপস্থাপন করেছেন।স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার মাত্র দুই বছরের মধ্যে পাকিস্তান ভারতের সাথে যুদ্ধ শুরু করে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তারিক আকবর খান ও জেনারেল আইয়ুব খানরা পাকিস্তানের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ নেয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করে। লিয়াকত আলী খানকে হত্যা করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন খাজা নাজিমুদ্দিন। মাত্র ১ বছর ১৮২ দিন এর মাথায় তার আরেক মুসলমান ভাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গভর্নর জেনারেল মালিক গোলাম মোহাম্মদ তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন।তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ১৯৫৩ সালের ১৭ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন মোহাম্মদ আলী বগুড়া। মাত্র দুই বছর ১১৭ দিনের মাথায় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল কর্তৃক তাকে বরখাস্ত করা হয়।তাকে সরিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন চৌধুরী মোহাম্মদ আলী। মাত্র ১ বছর ৩১ দিনের মাথায় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজ দল।

১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ১ বছর ৫ দিনের জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।দ্য গ্রেট কলকাতা কিলিংস এর অন্যতম নায়ক বলা হতো সোহরাওয়ার্দীকে। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন পরবর্তীতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সোহরাওয়ার্দীকে ভারতের ' র' এজেন্ট ও পাকিস্তানের শত্রু হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এক মুসলমান আরেক মুসলমানকে তার রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য কিভাবে ভারতের " র' এজেন্ট বানিয়ে দেয় , ইসলামের শত্রু ও পাকিস্তানের শত্রু বানিয়ে দেয় তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হতে পারে পৃথিবীতে পাকিস্তান।

১৯৫৭ সালে মাত্র ৫৫ দিনের জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইব্রাহিম ইসমাইল চুন্দ্রিগড়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে স্যার ফিরোজ খান নুনকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বানায়।তার ক্ষমতার মেয়াদ মাত্র ২৯৫ দিন! তাকে হটিয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন মার্শাল ল জারি করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা।নিজে প্রেসিডেন্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন নুরুল আমিনকে।

মাত্র ১৩ দিনের জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।এরপর ১৪ ই আগষ্ট ১৯৭৩ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন জুলফিকার আলী ভুট্টো।৩ বছর ৩২৫ দিন পর তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন সেনাপ্রধান জিয়াউল হক। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করেন।২০০৭ সালে পাকিস্তানের আরেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর কন্যা বেনজির ভূট্রোকেও গুলি করে হত্যা করা হয়।

গত ৭৮ বছরে ১৯৪৭ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত পৃথিবীর ইতিহাসে পাকিস্তান ২২ জন প্রধানমন্ত্রী দেখেছে। ১৩ দিনের জন্যও প্রধানমন্ত্রী থাকার নজির পাকিস্তানে। এই পর্যন্ত পাকিস্তানের কোন সরকার তার ক্ষমতার পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেন নাই। বাংলাদেশের ছাগু আবু সাঈদ ,হাদী , আবরার ফাহাদ ও ঘেউ ঘেউ হাসনাতরা যখন তাই কথায় পাকিস্তান জিন্দাবাদ প্রসঙ্গ টেনে আনে তখন খুব হাসি পায়।দেশটা পাকিস্তান থাকলেই ভালো হতো বলে তখন দেখি এসব শুনে কাঁদতে কাঁদতে অনেক বাংলাদেশের মুসলমানদের লুঙ্গি খুলে পাকিস্তান জিন্দাবাদ হয়ে যায়।পাকিস্তানে এমনি হয়েছে । এক মুসলমান ভাই প্রধানমন্ত্রী হয়ে স্বর্গে যেতে চাইলে আরেক মুসলমান ভাই টেনে নামিয়ে ফেলেছে।এক মুসলমান স্বর্গের রাস্তা ধরলে আরেক মুসলমান তার পা টেনে ধরে পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিয়ে ভারত বিরোধিতা করে। নিজেরা নিজেদের পটুতে গত ৭৮ বছর ধরে এইভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভারতের উপর দোষ চাপিয়েছে।

পাকিস্তানের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পর্যন্ত তার পাঁচ বছর ক্ষমতার মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। মাত্র ৩ বছর ২৩৫ দিনের মাথায় আমেরিকার ইশারায় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে কারাগারে প্রেরণ করে পাকিস্তান সরকার।এমন এক আজব চিড়িয়া দেশ হচ্ছে পাকিস্তানীরা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে তো পাকিস্তান থেকেই পালিয়ে যেতে হয়েছে। মাত্র ২ বছর সাত মাস ক্ষমতায় থেকে তাকে পাকিস্তান ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় আবার নির্বাচিত হয়ে নওয়াজ শরীফ ক্ষমতায় ছিলেন মাত্র ২ বছর ২৩৭ দিন। তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন তার আরেক মুসলমান ভাই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ। পাকিস্তানের অন্যতম জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েও তার পূর্ণ মেয়াদ একবারও পূরণ করতে পারেননি।নওয়াজকে ক্ষমতাচ্যুত করা জেনারেল পারভেজ মোশাররফ এখন নিজেই পাকিস্তান ছেড়ে পালিয়ে আছেন।

পাকিস্তানের ইতিহাসে ৪ বছর ৮৬ দিন তথা সর্বোচ্চ ক্ষমতায় ছিলেন ইউসুফ রাজা গিলানি।তাকেও ক্ষমতাচ্যুত করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। পাকিস্তানে কে ক্ষমতায় থাকবে , কে কারাগারে যাবে , কাকে গুলি করে হত্যা করা হবে , কে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে যাবে এই সব সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। এজন্য পাকিস্তানের ৭৮ বছরের স্বাধীন রাষ্ট্রে ৩৪ বছর শাসন করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রায় ২০ বছর বন্দুক দিয়ে শাসন করেছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। রাজনীতি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর হাতের পুতুল ছাড়া আর কিছুই নয়।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম নেওয়ায় মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে বাংলাদেশের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। বিচারপতি সায়েমের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মেজর জিয়া নিজেই নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে।এই জিয়াউর রহমানের সময়ে বাংলাদেশে ২২ টি সামরিক অভ্যুত্থান ও হাজার হাজার সেনা কর্মকর্তা হত্যা হয়েছে।

পাকিস্তান যদি পৃথিবীর বুকে অন্যতম জ-ঙ্গী রাষ্ট্র হয় তবে বাংলাদেশের পরিণতি হচ্ছে মিনি পাকিস্তান।

" এটাই হচ্ছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই তত্ত্ব।" ছাগুদের দল এটাকে আইনস্টাইনের ' থিওরি অফ রিলেটিভিটি ' মনে করে মরুভূমিতে উটের পাখনা লাগিয়ে মহাকাশ জয় করার স্বপ্ন থেকেই " পাকিস্তান জিন্দাবাদ" দেয়।।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তানে যুক্ত হওয়ার আগে বাংলাদেশ একটি কৃষি ও ব্যবসা প্রধান সমৃদ্ধ জনপদ ছিল। চট্টগ্রাম বন্দর ছিল ব্রিটিশ ও ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক বন্দর।পাট, চা , চাল ও তুলার প্রধান রপ্তানিকারক দেশ ছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ তখন শুধু ভারতের কলকাতা বন্দরের সাথেই ব্যবসা করতো না, বার্মা তথা মায়ানমারের বন্দর পর্যন্ত ব্যবহার করতো।পূর্ব বাংলা আসাম ও বার্মার বাণিজ্যর কেন্দ্রবিন্দু ছিল বাংলাদেশ। সেসময় বাংলাদেশকে শোষণ করতো ব্রিটিশরা।এরপর পাকিস্তানীরা ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশে এসে বাংলাদেশের পাট , চা , চিনি , তুলা ও কাপড় শিল্প সব নিজেদের আয়ত্বে নিয়ে নেয়। বাংলাদেশের মানুষকে গোলাম বানিয়ে বাংলাদেশের কলকারখানা সহ সবকিছুর মালিক বন যায় পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আসা পাঞ্জাবিরা। মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই বলে পাকিস্তানের মোট বাজেটের মাত্র ১৯ শতাংশ বরাদ্দ করা হতো বাংলাদেশে। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ রপ্তানি আয় পাকিস্তানীরা লুটে নিয়ে যেতো পাকিস্তানে। দীর্ঘ ২৩ বছর বাংলাদেশের ৪.৫৬ বিলিয়ন ডলার লুট করার পরও পাকিস্তান আজও পৃথিবীর বুকে একটা ভিখারী রাষ্ট্র। ভারতকে শত্রু সাজিয়ে আমেরিকার দালালি করতে গিয়ে পাকিস্তান শুধু বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করেনি , তাদের আরেক প্রতিবেশী আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ পর্যন্ত ধ্বংস করে দিয়েছে।এক সময়ের উন্নত ও আধুনিক আফগানিস্তান আজ এক জ-ঙ্গী রাষ্ট্র ছাড়া আর কিছুই নয়। ইসলাম জিন্দাবাদ পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশে তাদের জনগণের সাথে এক ভয়াবহ রাজনৈতিক ধাপ্পাবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়।এসব রাষ্ট্রে এক মুসলমান আরেক মুসলমানকে হত্যা করে গদি দখলের নাম হচ্ছে " গণতন্ত্র ও ভোটের রাজনীতি" ।

সত্য সবসময় সুন্দর

লুসিড ড্রিম

Address

Sylhet Sadar
Sylhet
3107

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sylhet, সিলেট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share