30/01/2024
nature
nation
দেশের জনগন যেন দেশ টা কে জংলা বানানোর জন্য প্রতিযোগিতায় উঠে পরে লেগে আছেন। কি শিক্ষিত কি অশিক্ষিত ক্ষেত। সবাই এ ব্যপারে একদম একাকার।
কর্পোরেটের লোকজন টাই সুট পরে অফিসে যাচ্ছেন ঠিকই কিন্তু রাস্তা পারাপারে নেই কোনো সচেতনতা। প্রধান সড়কের এপার থেকে অপারে হেলে দুলে আয়েশি ভঙ্গিতে ক্রস করছেন। যেন নিজের বাড়ির উঠোনের উপর দিয়ে হেটে যাচ্ছেন। গাড়ি এসে কষে ব্রেক করে দাড়ায়। রাগত ভঙ্গিতে গাড়ির দিকে তখন বাবু সাহেব।
এলাকার ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া খাল গুলো দুনিয়ার সব ময়লা আবর্জনায় ভাগাড়ে পরিণত হয়ে যায়। ঘরের সব পচা গান্ধা গুলো পলিথিনে ভরে ছড়াতে ছুরে মারছেন। বৃষ্টির দিনে সেই ছড়া খাল নর্দমা গুলো উপচে উঠে রাস্তা তথা বাড়ির ভেতরে ঢুকে পরছে। আপনি বাইক চালাচ্ছেন হঠাৎ ই খেয়াল করবেন যে সামনের সিএনজি থেকে পুচ করে পানের পিক কিংবা এক দলা কফ যুক্ত থুথু শুন্যে ভাসিয়ে দিল। আর তা এসে আপনার উপরে এসে পরছে। যদি বাইক টান মেরে তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন কেন এই কাজ করছে!!! সে তখন উত্ত্র দিবে আপনার উপর তো পরে নাই।
রাস্তায় যেখানে সেখান থামিয়ে যাত্রী উঠা নাম করছে। তা কিন্তু সাইড করে নয়। একে বারে খাড়া রাস্তার উপর। পিছনের গাড়ি এসে থামতে বাধ্য কিংবা বেখেয়াল বসত দ্রুত কোনো দ্রুতযান এসে জোরে সেই দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগলো।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে অভিভাবক রা এমন ভাবে তাদের গাড়ি গুলো পার্কিং করেন যেন তার বাপের জমিতে গাড়িটি রেখেছে। সব থেকে বড় কথা কোন এঙ্গেলে রাস্তায় পার্কিং করা লাগে সেটা ঐ আদতেই গন্ড মুর্খ অভিভাবকদের বুঝানো যায় না।
কিউট হুজুর গুলা রাস্তা মুখি পেশাব খানায় পেশাব করে লুঙ্গির ভেতরে আবেশ জড়ানো হাত ঢুকিয়ে নাচন কুদুন করা আর সেই খচ্চরামি সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পরে। তাই লোকজন রাস্তাঘাটে আজ সেই লজ্জাস্কর কাজ দিব্বি করে যাচ্ছে।
গভির রাত পর্যন্ত উচ্চ আওয়াজে মাইক বাজিয়ে ওয়াজের নামে নির্জাতন করেই যাচ্ছে। এর পাশাপাশি নতুন যুক্ত হয়েছে সনাতন ধর্মের সারা দিন রাত হাই ভলিওমে গান বাজনা।
জেগে উঠার এখনি সময়। সব অসচেতনা মুর্খতাপনা এবং সমাজে যন্ত্রনা সৃষ্টি করে সব অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে সবাই কে আগে নিজে সচেতন হতে। সাথে সাথে এসবের বিরুদ্ধে আন্দোলন তৈরি করতে হবে।