Sylhet City Corporation

Sylhet City Corporation সিলেট পৌরসভা গঠিত হয় ১৮৭৮ সালে এবং সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা হয় ২৮ জুলাই ২০০২ সালে।

27/08/2026

যানজটমুক্ত শহর চাই, কিন্তু আইন মানতে রাজি না

আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক: আলোর দিশারী হয়ে এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহানবী (সা.)সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দ...
26/08/2026

আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক: আলোর দিশারী হয়ে এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহানবী (সা.)

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই পৃথিবীতে আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে আখেরি জামানার নবী হিসেবে প্রেরণ করেছেন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনা করতে পারলেই আমরা প্রকৃত অর্থে তাঁর উম্মত হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারব।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল উপলক্ষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ আমাদের জন্য সর্বোত্তম পথনির্দেশনা। তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন অতিবাহিত করার তৌফিকের জন্য আমাদের মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে হবে।

প্রশাসক বলেন, ইসলামে জ্ঞান অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় সিলেট নগরীর পশ্চিমাংশের একটি প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষা খাতে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিপুল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনের তুলনায় তা অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হয়।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশন নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সীমিত নিজস্ব আয় ও নানা আর্থিক সংকটের মধ্যেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে নগরের রাস্তাঘাট, ড্রেন, কালভার্ট ও আলোকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সড়কসংলগ্ন সীমানাপ্রাচীর ও গেটের বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। এটি দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রয়োজনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্ধারণ করে জানালে পর্যায়ক্রমে সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ও হলরুমসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মুকিত জাহাঙ্গীর, সাবেক সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক খাঁন রাজা ও টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান শফিক।

এ সময় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন সহকারী পরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম, সহকারী প্রধান শিক্ষক শামছুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য মো. নূর কাশেম, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. ফয়জুল হক, মো. আফসর খান, ইমদান হোসেন রিপন, আজিজ খান সজিব, আব্দুর রাজ্জাক রাজন, জাবেদ আহমদ, শাহীন আহমদ, অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র শিক্ষক ইকবাল হোসেন আকন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক সৈয়দ মোহাম্মদ আদনান।

সিলেটে বেসিক সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক: প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব...
25/08/2026

সিলেটে বেসিক সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক: প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনেও ভূমিকা রাখে

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান শুধু ক্রিকেটের মাঠেই নয়, বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আয়োজনে দুই দিনব্যাপী বেসিক সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সবাইকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনারা নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম একটি আন্তর্জাতিক ভেন্যু। এখানে নিয়মিত দেশি-বিদেশি ক্রিকেট দল অংশ নেয়। টেস্ট ক্রিকেট, নারী ক্রিকেটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আয়োজন এখানে অনুষ্ঠিত হয়। ভবিষ্যতেও সিলেটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আয়োজন রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সরকারের বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও নিরাপত্তা বাহিনী আন্তর্জাতিক ম্যাচে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। তবে ক্রিকেট বোর্ডের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মাঠের নিরাপত্তা বজায় রাখা, দর্শকদের ব্যবস্থাপনা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা একাডেমিক যোগ্যতা থাকলেই দায়িত্ব পালনে দক্ষতা অর্জন করা যায় না। বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ, দায়িত্ববোধ, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা একজন কর্মীকে দক্ষ করে তোলে। তাই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে হবে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যে জ্ঞান অর্জন করেছেন, তা শুধু সনদ পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবেন না। দায়িত্ব পালনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এই জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করলে আপনাদের দক্ষতা ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হবে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদ বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর আশরাফ আরমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের হেড অব সিকিউরিটি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) কাজী শামীম ফরহাদ, বিসিবির সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার এস এম ওয়াসিকুর রহমান, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার জয়দীপ দাস সুজক, সিকিউরিটি কো-অর্ডিনেটর আলী ওয়াসিকুজ্জামান অনিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক: ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবেসিলেট সিটি কর্পোরেশ...
24/08/2026

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক: ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ব্যবসায়ীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করা জরুরি। সিলেট নগরীতে একটি সুন্দর ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে নগর ভবনে সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, একটি নগরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যত বেশি গতিশীল হবে, সেই নগরের উন্নয়নও তত বেশি ত্বরান্বিত হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, একই সঙ্গে নগরবাসী যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারেন—দুটি বিষয়কে সমন্বয় করেই নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, সিলেট নগরীর যানজট নিরসন, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত এবং নগরের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সিলেট মহানগর পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন। পর্যায়ক্রমে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত সম্পূর্ণ হকারমুক্ত করা হবে। অবৈধভাবে সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন নগরীতে প্রবেশ ও চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি যত্রতত্র যানবাহন পার্কিংও করতে দেওয়া হবে না।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরীর ফুটপাত পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি নগরের শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বও ব্যবসায়ীদের রয়েছে। নিজেদের মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে যাতে অবৈধভাবে কোনো যানবাহন পার্কিং না করা হয় এবং হকাররা যাতে ফুটপাত দখল করে বসতে না পারেন, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশন একা চাইলেই একটি নগরের সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। নগরকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি কর্পোরেশন, পুলিশ, ব্যবসায়ী, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাধারণ নগরবাসী—সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ব্যবসায়ীরা সহযোগিতা করলে যানজট নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

সিসিক প্রশাসক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, আমরা এমন একটি নগর গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ব্যবসায়ীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা করবেন, ক্রেতারা নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করবেন এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন। এ লক্ষ্যেই নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতেও কাজ করা হচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ট্রেড লাইসেন্স সহজীকরণসহ ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া তুলে ধরে সিসিক প্রশাসকের সহযোগিতা কামনা করেন। তারা পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও উন্নত নগর গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, সিলেট নগরী সবার। নগরীর উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যবসায়ীরাও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে চান। সিটি কর্পোরেশন ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করলে ব্যবসায়ীরা নগর উন্নয়নের প্রতিটি কার্যক্রমে সহযোগিতা করবেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল মুনিম মল্লিক মুন্না। সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাভেলের সঞ্চালনায় হোসেন আহমদ, আমিনুল হক বেলাল সহ নগরীর বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিজেদের মতামত ও দাবিদাওয়া তুলে ধরেন।

পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক: হাসান মার্কেটের স্থলে হবে অত্যাধুনিক সুপার মার্কেটসিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্র বন্দরবাজারে হাসান...
24/08/2026

পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক: হাসান মার্কেটের স্থলে হবে অত্যাধুনিক সুপার মার্কেট

সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্র বন্দরবাজারে হাসান মার্কেটের স্থলে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সুপার মার্কেট নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে হাসান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সিসিক প্রশাসক বলেন, হাসান মার্কেট সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। ঐতিহ্যবাহী এই মার্কেটের স্থলে একটি অত্যাধুনিক সুপার মার্কেট নির্মাণ করা প্রয়োজন। যেহেতু এই স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই এখানে মার্কেট নির্মাণের আগে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট এবং নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। আমরা সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে যত দ্রুত সম্ভব মার্কেট নির্মাণের পথে এগোব। মার্কেটে থাকবে আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা। পাশাপাশি এখন যারা ব্যবসা করছেন তারা যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেদিকেও আমরা দৃষ্টি রাখব।

মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন হাসান মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. রইছ আলী। সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মো. আজিজুল করিমের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী আকিক, আজমল হোসেন চৌধুরী, সহসভাপতি আক্তার হোসেন সোহেল, সহসাধারণ সম্পাদক মো. সাহেদ বকস্, আজিজুল মকসুদ তালহা, কোষাধ্যক্ষ জাবেদ আহমদ, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. নুরুল ইসলাম, মো. সিরাজুল ইসলাম, রিন্টু চক্রবর্তী, মো. আব্দুল রহিম, সাদ্দাম হোসেন মিলন, বিজয় দাস সানি, সমিতির সদস্য মীর মোহাম্মদ জাকারিয়া, নিটু দেব, শাহজাহান আহমদ, আবু হানিফ, সবুজ আহমদ, আব্দুল্লাহ আহমদ খোকন, এরশাদ আলম, কাউসার আহমদ, অফিস সহকারী সালমান হোসেন ইমন প্রমুখ।

নগরীর বিভিন্ন এলাকাপরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক: সিটি কর্পোরেশনের কোনো এলাকাই অনুন্নত থাকবে নাসিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশা...
24/08/2026

নগরীর বিভিন্ন এলাকাপরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক: সিটি কর্পোরেশনের কোনো এলাকাই অনুন্নত থাকবে না

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিটি কর্পোরেশনের কোনো এলাকাই অনুন্নত থাকবে না। নগরীর বর্ধিত এলাকাগুলো উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও পর্যায়ক্রমে এসব এলাকার সড়ক, ড্রেনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হচ্ছে। নগরবাসীর নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি কর্পোরেশনের সীমানা সম্প্রসারিত হয়েছে, কিন্তু সে অনুযায়ী আয় বাড়েনি। তারপরও নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। কীভাবে সিলেট নগরীকে বন্যা ও জলাবদ্ধতামুক্ত করা যায়, কীভাবে নগরীকে আরও সুন্দর ও বসবাসযোগ্য করে গড়ে তোলা যায়—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি শুধু প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী নই, কাজ বাস্তবায়নে বিশ্বাসী। কাউকে মিথ্যা আশ্বাস দিতে চাই না। যেসব উন্নয়ন কাজের প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রশাসক বলেন, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সুনামপুর এলাকায় ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণের কাজও চলছে। ধারাবাহিকভাবে এলাকার অন্যান্য সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়ন কাজও বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নয়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি এলাকার প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হবে।

সকালে সিসিক প্রশাসক ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে জামেয়া তাহফিজুল কোরআন বরইকান্দি সুনামপুর মাদ্রাসায় এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও নাগরিকদের দাবিদাওয়া শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এ সময় ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. রায়হান হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান রইছ আলী, মকসুদ মিয়া, মসকুর মিয়াসহ মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের কুচাই মাঝপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে কুচাই পূর্বপাড়ায় আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় মোগলাবাজার থানা বিএনপির সদস্য সচিব জামাল আহমদ, সিলেট মহানগর যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক বাবর আহমদ, সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সহসভাপতি আব্দুল হাছিব, কুচাই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদ উদ্দীন রুকন, ইসমাইল হোসেন তকবির, আব্দুল জলিল, আনোয়ার হোসেন, নুরে আলম সাদেক, দিলাল আহমদ, ফখরুল ইসলাম, নাহিদ আহমদ, রিমন আহমদ, সাব্বির আহমদ, তানজির আহমদসহ স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর মতবিনিময়স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন...
24/08/2026

সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর মতবিনিময়

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন দেশের সকল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা। এ সময় সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট নগরীর চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও নাগরিক সেবার সার্বিক পরিস্থিতি মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং সৌজন্য বিনিময় করেন।

মতবিনিময়কালে নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও জনমুখী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। বিগত দিনের অনিয়ম ও স্থবিরতা কাটিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের প্রত্যক্ষ সেবা নিশ্চিত করার জন্য একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে।

সাক্ষাৎকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট সিটি করপোরেশনের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়ন, নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় তিনি সিলেট নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং নাগরিক সেবা আরও কার্যকর করার বিষয়ে মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

মন্ত্রী দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহিদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খেলার মাঠ উন্নয়নে সচিবালয়ে সভা: প্রতি দুই থেকে তিন ওয়ার্ডের সমন্বয়ে হবে খেলার মাঠ  # ফুটসাল মাঠ হবে প্রতি ওয়ার্ডেসিলেটসহ...
24/08/2026

খেলার মাঠ উন্নয়নে সচিবালয়ে সভা: প্রতি দুই থেকে তিন ওয়ার্ডের সমন্বয়ে হবে খেলার মাঠ # ফুটসাল মাঠ হবে প্রতি ওয়ার্ডে

সিলেটসহ দেশের সিটি কর্পোরেশনগুলোর খেলার মাঠের উন্নয়ন, সংস্কার ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সচিবালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নগরভিত্তিক ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরি এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলাধুলার সুযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকরাও অংশ নেন। সভায় সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিদ্যমান খেলার মাঠের উন্নয়ন ও সংস্কার, মাঠ ব্যবস্থাপনায় কর্পোরেশনের নিজস্ব পরিকল্পনা এবং নতুন খেলার জায়গা নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়। প্রতি দুই থেকে তিনটি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে একটি খেলার মাঠ এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে ফুটসাল মাঠ নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

সভায় অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা সুস্থ, মাদকমুক্ত ও ক্রীড়ামুখী প্রজন্ম গড়ে তুলতে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশের প্রতিটি নগরীতে খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
সভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আম্বরখানা–দর্শন দেউড়ি আরসিসি ড্রেন নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক: সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা উন্নত নগর গড়তে চ...
22/08/2026

আম্বরখানা–দর্শন দেউড়ি আরসিসি ড্রেন নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক: সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা উন্নত নগর গড়তে চাই

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করতে সিসিক ব্যাপকভাবে ড্রেন নির্মাণ করছে। আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে শুরু হওয়া দর্শন দেউড়ি হয়ে সুবিদবাজার পর্যন্ত এই বড় ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে তিনটি ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে আম্বরখানা থেকে দর্শন দেউড়ি আরসিসি ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। সিসিক প্রশাসক বলেন, আজ ছুটির দিন। সাধারণত শনিবার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি কাটানোর কথা। কিন্তু নগরীর উন্নয়নকাজ এগিয়ে নিতে আমরা রাত-দিন পরিশ্রম করছি। ছুটির দিনেও সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকরা কাজ করছেন। নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় একযোগে ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, শুষ্ক মৌসুম প্রায় আসন্ন। সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসবে। তাই শুষ্ক মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে সড়ক ও ড্রেন নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ বর্ষা মৌসুমে সড়ক ও ড্রেনের নির্মাণকাজ করা কঠিন। এ কারণে ছুটি না কাটিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আম্বরখানা থেকে দর্শন দেউড়ি পর্যন্ত এই ড্রেন নির্মাণ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। ড্রেনটি নির্মাণ হলে তিনটি ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করতে পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন নির্মাণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দর্শন দেউড়ি–দরগাহ–পুলিশ লাইন সড়কের কাজও শুরু করা হবে। এরই মধ্যে এ কাজের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়ন হলে নগরবাসীর চলাচল আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। আমরা নগরীর পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছি। কোনো রাস্তাঘাট যেন দীর্ঘদিন ভাঙা অবস্থায় পড়ে না থাকে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সিসিক প্রশাসক নগরীর উন্নয়নকাজে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, সুন্দর ও আধুনিক নগর গড়তে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সহযোগিতা করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সিলেট নগরীর সড়ক, ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে চাই।

পরিদর্শনকালে সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সামছুল হক পাটোয়ারী, সহকারী প্রকৌশলী খাদেমুল মুরসালিন খিয়াম, উপসহকারী প্রকৌশলী দেবব্রত দাশ তালুকদার, ঠিকাদার মোহাম্মদ আব্দুল মুমিন মামুন, কার্যসহকারী মোফাজ্জল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

গণিত অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক: এমসি কলেজের ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবেসিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্র...
22/08/2026

গণিত অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক: এমসি কলেজের ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য তুলে ধরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, এমসি কলেজ শুধু সিলেটের নয়, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে আগামী দিনেও এমসি কলেজকে আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ গণিত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, ১৮৯২ সালে রাজা গিরিশচন্দ্র সিংহ তাঁর পিতা মুরারিচাঁদ সিংহের নামে এমসি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে কলেজটি আজ দেশের অন্যতম স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। একসময় আর্থিক সংকটের কারণে কলেজটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলে আসামের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী খান বাহাদুর সৈয়দ আব্দুল মজিদ এগিয়ে এসে প্রতিষ্ঠানটির পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তিনি আরও বলেন, ব্রিটিশ ভারত, পাকিস্তান ও স্বাধীন বাংলাদেশ—তিনটি সময়কালেই এমসি কলেজ তার স্বকীয় ঐতিহ্য ও সুনাম ধরে রেখেছে। একসময় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ে এখানে উচ্চশিক্ষা দেওয়া হতো। সে সময় এমসি কলেজের সঙ্গে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানের তুলনা করা হতো। আসাম প্রদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুটি কলেজের একটি ছিল এমসি কলেজ এবং অন্যটি ছিল কটন কলেজ।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এমসি কলেজের গণিত বিভাগও দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এই বিভাগের অসংখ্য শিক্ষার্থী বিভিন্ন সময়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা সম্পন্ন করে দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। আজ সেই ঐতিহ্যবাহী বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে একত্রিত হয়েছেন—এটি অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়।

তিনি বলেন, এমসি কলেজের সঙ্গে বাংলাদেশের অনেক কৃতী মানুষের স্মৃতি ও অবদান জড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের তিনজন স্বনামধন্য অর্থমন্ত্রীও এই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। ফলে এই প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ও অবদান আমাদের গর্বিত করে।

এমসি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বিভিন্ন বিভাগ পুনরায় চালুর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে সিসিক প্রশাসক বলেন, একসময় এমসি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হতো। বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শুধু বিজ্ঞান বিভাগ চালু রয়েছে। আমরা চেষ্টা করব, ভবিষ্যতে মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগও পুনরায় চালু করা যায় কি না। একই সঙ্গে স্নাতক পর্যায়ে বাণিজ্য বিভাগ চালুর বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা যেতে পারে।

তিনি গণিত বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, অ্যালামনাইদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা শুধু বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াবে না, বরং বর্তমান শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ গঠনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এমসি কলেজের ঐতিহ্য ও সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।

গণিত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটির সভাপতি প্রফেসর অরুণ চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন এমসি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ তোফায়েল আহমদ, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আকমল হোসেন, প্রফেসর রাকেশ ঘোষ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর নিতাই চন্দ্র চন্দ, গণিত বিভাগের প্রফেসর মো. গিয়াস উদ্দিন ও গণিত বিভাগের প্রধান প্রফেসর তপতী চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অভিষেক অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মো. মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের কার্যকরী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাহিদুল হক সোহেল।

Address

Nagar Bhaban, Bandar Bazar
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00

Telephone

+8801969922722

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sylhet City Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Sylhet City Corporation:

Shortcuts

Share