NewsCard

NewsCard NewsCard is a platform for sharing news on current affairs, culture, business, sports, tech, and more. Stay tuned!

হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৩৬দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিল থামছে...
26/05/2026

হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৩৬

দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ১৩৬টি শিশু।

মঙ্গলবার (২৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১০ শিশুর মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। বাকি ১টি শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩টি শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৩ জনে। এই সময়ের মধ্যে ৯৪৫টি শিশু নতুন করে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বিপরীতে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ১৮১টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত আড়াই মাসেরও কম সময়ে সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৫৫৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৮৮টি শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪৬৭ জনের।

১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৬ হাজার ২৩ জন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৭৭২ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫২ হাজার ৫৩০ রোগী, যাদের মধ্যে ৪৮ হাজার ৮০০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ ও উপসর্গ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

Source: Somoy News

#হাম, , #বাংলাদেশ, #শিশুমৃত্যু, #স্বাস্থ্যসংকট, #হামেরপ্রাদুর্ভাব, , , , , #

শিশু আছিয়া থেকে রামিসা, এরপর কে?মাত্র ১৫ মাসের ব্যবধান। আবারও শিশু ধর্ষণের নৃশংসতার সাক্ষী দেশ। ২০২৪ সালের মার্চে মাগুর...
21/05/2026

শিশু আছিয়া থেকে রামিসা, এরপর কে?

মাত্র ১৫ মাসের ব্যবধান। আবারও শিশু ধর্ষণের নৃশংসতার সাক্ষী দেশ। ২০২৪ সালের মার্চে মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়াকে নির্মমভাবে ধর্ষণ করা হয়। সেসময় পুরো দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। বছর না ঘুরতেই এবার রাজধানীতে নির্মমতার শিকার দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া সাত বছরের রামিসা। প্রতিবেশীর লালসার শিকার হয় মেয়েটি। শুধু এতেই ক্ষান্ত হয়নি ধর্ষক। ধর্ষণের পর শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা, শরীর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়। ধারাল চাকু দিয়ে গোপনাঙ্গে খোঁচানো হয়।

এমন অবস্থায় একরকম আতঙ্কিত অভিভাবকরা। নারীদের নিরাপত্তা, নিরাপদ বাংলাদেশ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সেই সঙ্গে বিচারের দীর্ঘসূত্রতা যেন বিচারহীনতার সংস্কৃতির বার্তা দিচ্ছে। কার্যকর ও দৃশ্যমান কোনো শাস্তি না থাকায় নারীর প্রতি সহিংসতা বা ধর্ষণের মতো ঘটনা বেড়েই চলেছে। অপরাধ বিশ্লেষকদের কথাতেও উঠে আসছে বিষয়টি।
পুলিশের প্রতিবেদনও একই বার্তা দিচ্ছে। গতবছর ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে ২৭ শতাংশ। কিন্তু বিচার পেয়েছেন কতজন?

একেকটা ইস্যু আসে আর একেকটা ধামাচাপা পড়ে। এই দেশের এমন সংস্কৃতি বহুদিনের। শিশু আছিয়া ধর্ষণ এবং মৃত্যুর পর যখন উত্তাল হয়েছিল দেশ, তখন দ্রুত মামলার রায় হলেও সেটা কার্যকর কবে হবে কেউ জানে না। এরই মধ্যে দেশে নানা ধরনের ইস্যু সামনে চলে এসেছে। একসময় যে আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিয়ে সারা দেশে আলোচনা ছিল সেই আছিয়ার কথাই হয় তো ভুলে গেছে সবাই।

শিশু আছিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি হিটু শেখকে গত বছরের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। এর চারদিন পর জানা যায় হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স নথি হাইকোর্টে পৌঁছেছে। রায় ঘোষণা এবং ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানোর বয়স একবছর পূর্ণ করেছে। তারপরের অগ্রগতি কতটুকু তা জানা নেই। যদিও ছুটির দিন বাদে টানা শুনানি করে মাত্র ১৪ কার্যদিবসে আলোচিত এই ধর্ষণ এবং হত্যা মামলায় শেষ হয় বিচারকাজ। শুধু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডই নয়, এরকম বহু ধর্ষণের ঘটনার কাগজ হয়তো জমে আছে আদালতে। হয়তো কাগজের ওপর পড়ে গেছে ধুলোর আস্তরণ। ধর্ষণের দায় স্বীকার করার পরও বছরের পর বছর ধরে মামলা ঝুলে আছে নিষ্পত্তি হয়নি। আবার কারও কারওটার রায় হলেও সেই রায় কার্যকর হয়নি। হয়তোবা অনেকেই জামিনেও বের হয়ে যাচ্ছে।

মোদ্দাকথা, ধর্ষণের মতো এমন জঘন্য ঘটনার পরও দ্রুত শাস্তি না হওয়ার আক্ষেপ রয়ে যায় নির্যাতিত পরিবারে।

তাই তো শিশু রামিসার বাবার কণ্ঠ থেকেও আক্ষেপের সুরে বেরিয়ে এলো সেই একই বার্তা।

এই দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি ধিক্কার জানিয়ে তিনি বললেন,
আমি কিছুই চাই না। কারণ বিচার আপনারা করতে পারবেন না। আপনাদের এই ধরনের কোনো রেকর্ড নাই। আপনারা পারবেন না। আমার মেয়েও ফিরে আসবে না। আপনারা বিচার করতে পারবেন? পারবেন না। আপনারা কোনো এক্সাম্পল দাঁড় করাতে পারবেন? পারবেন না। আমার থেকে স্ট্যাম্পে লিখিত নেবেন? পারবেন না, আপনারা পারবেন না। এটা বড়জোর ১৫ দিন। তারপর আরেকটা বড় কোনো ঘটনা আসবে। এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে। শেষ এটা। আমি দেখতেছি। আমার বয়স ৫৫। কোনো এক্সাম্পল আছে? দিতে পারবেন?

Source: Somoy News

, , , , #বাংলাদেশ, #শিশুনিরাপত্তা, #নারীনিরাপত্তা, #ধর্ষণবিরোধী, #নারীর_নিরাপত্তা, #রামিসা, #আছিয়া, , , #ধর্ষকের_ফাঁসি_চাই

যুদ্ধে ‘জীবন দিতে ইচ্ছুক’ ইরানি তরুণ-তরুণীদের গণবিয়ে দিলো কর্তৃপক্ষইরানের কর্তৃপক্ষ রাজধানী তেহরানে শত শত দম্পতির গণবিয়ে...
20/05/2026

যুদ্ধে ‘জীবন দিতে ইচ্ছুক’ ইরানি তরুণ-তরুণীদের গণবিয়ে দিলো কর্তৃপক্ষ

ইরানের কর্তৃপক্ষ রাজধানী তেহরানে শত শত দম্পতির গণবিয়ে আয়োজন করেছে। যেসব তরুণ-রুণী যুদ্ধে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে রাজি হয়েছেন, কেবল তাদের জন্যই এই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে। খবর রয়া নিউজের।

গত সোমবার (১৮ মে) রাতে তেহরানের বিভিন্ন বড় বড় চত্বরে এই গণবিয়ে আয়োজন হয়। তেহরানের কেন্দ্রীয় এলাকায় ইমাম হোসেইন স্কয়ারে একাই ১১০ জন দম্পতি বিয়ে করেন। অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় যাতে যুদ্ধের সময় মানুষের মনোবল বাড়ে।

এই দম্পতিরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। এই কর্মসূচিতে তারা শপথ নিয়েছেন যে, যুদ্ধের সময় বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাইরে মানবঢাল তৈরি করে শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করবেন।

এরই মধ্যে দেশের লাখ লাখ মানুষ এই উদ্যোগে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ। সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিও এতে অংশ নিয়েছেন।
বিয়ের অনুষ্ঠানে দম্পতিরা মেশিনগানযুক্ত সামরিক জিপে করে ইমাম হোসেইন স্কয়ারে আসেন। সেখানে একজন ধর্মীয় নেতার উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। মঞ্চ সাজানো হয় বেলুন আর সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বড় ছবি দিয়ে।

সাদা গাউন পরা এক কনে বলেন, ‘দেশ যুদ্ধে আছে ঠিকই, কিন্তু তরুণদেরও বিয়ে করার অধিকার আছে।’ তার বর বলেন, ‘আমরা ইমাম আলীর সাথে ফাতিমার বিয়ের বার্ষিকীতে বিয়ে করতে পেরে খুব খুশি। আমরা রাস্তায় মানুষের জন্য শুভকামনা নিয়ে এসেছি।’

ইরানে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ প্রায় প্রতিদিনই ইরানিরা বড় বড় সমর্থন সমাবেশের আয়োজন করছে। এই গণবিয়েও তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চলছে, তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আবার হামলার হুমকি দিচ্ছেন।

যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন সাধারণ নাগরিকরা
এদিকে নতুন করে যুদ্ধের হুমকির মধ্যে ইরানে যুদ্ধের জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন সাধারণ নাগরিকরাও।

মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখন তাদের সাধারণ নাগরিকদের, এমনকি নারীদেরও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে একে-৪৭ রাইফেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আসন্ন যেকোনো সংঘাতের মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন শহরের প্রধান স্কয়ার ও বুথগুলোতে এই সামরিক মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে।

Source: Somoy News

যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, ইরান থেকে ইউরেনিয়াম সরাতেই হবে: নেতানিয়াহুইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানে...
11/05/2026

যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, ইরান থেকে ইউরেনিয়াম সরাতেই হবে: নেতানিয়াহু

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সাথে যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। কারণ তাদের হাতে এখনও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়ে গেছে। ইরান থেকে এটা অপসারণ করতে হবে। রোববার (১০ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

ইরান বহুদিন ধরে পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। দেশটির হাতে বর্তমানে প্রায় ৪৪০ কেজির মতো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। এটা পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর উপকরণ। তবে ইরানের দাবি, তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও এই ধরনের শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহারের জন্যই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে।

এই পরমাণু কর্মসূচির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু এর মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরাইলের সঙ্গে মিলে ইরানে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এই আগ্রাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল, তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করা। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ টানা হামলা চালিয়েও তাদের সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।


এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চলছে। যদিও হরমুজ প্রণালী ঘিরে মাঝে মাঝেই সংঘর্ষ ঘটছে। তবে এর মধ্যে সংঘাতের অবসানের লক্ষ্যে পরোক্ষভাবে কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখন বলছেন, যেকোনো চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে হবে। এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রস্তাব দিয়েছেন, মস্কো ইরানের ইউরেনিয়াম নিজেদের দেশে নিয়ে যেতে প্রস্তুত।

তারই ধারাবাহিকতায় ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে এবার কথা বললেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী। সিবিএস নিউজের ‘সিক্সটি মিনিটস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নিতে হবে। এই উদ্যোগ সফল না হওয়া পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে—এমনটা বলা যাবে না।

নেতানিয়াহুর কথায়, ‘এটা (যুদ্ধ) এখনও শেষ হয়নি, কারণ এখনও সেখানে পারমাণবিক উপকরণ আছে—সমৃদ্ধকরণের মধ্য দিয়ে যাওয়া ইউরেনিয়াম—এটাকে ইরান থেকে বের করে আনতে হবে। এখনো সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র আছে, যেগুলো অকেজো করে দিতে হবে।’

কীভাবে এই ইউরেনিয়াম সরানো হবে, সে প্রশ্নের জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, ‘সেখানে (ইরানে) গিয়ে (ইউরেনিয়াম) বের করে নিয়ে আসতে হবে।’ তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এমনটা চিন্তা করেন। তার কথায়, ‘আমি সেনা ব্যবহারের বিষয়ে কোনো কথা বলবো না। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাকে বলেছেন, তিনি সেখানে যেতে চান।’


Source: Somoy News

জাহাজে হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার হুমকি ইরানেরইরানের ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী হামলা চালালে মধ্যপ্র...
10/05/2026

জাহাজে হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার হুমকি ইরানের

ইরানের ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী।

শনিবার (৯ মে) রাতে এক বার্তায় বিপ্লবী গার্ড বলেছে, যদি আমাদের জাহাজ আগ্রাসনের শিকার হয় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন অবকাঠামোতে শক্তিশালী হামলা চালানো হবে।
গত শুক্রবার (৮ মে) একসঙ্গে দুটি বিশালাকৃতির ট্যাংকারে হামলা চালায় মার্কিন নৌবাহিনী। এরপরই এমন সতর্কতা দিলে বিপ্লবী গার্ড। বিপ্লবী গার্ডের অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ড সতর্কতা দিয়ে বলেছে, ‘মিসাইল ও ড্রোন শত্রুদের দিকে তাক করা আছে। আমরা ছোড়ার নির্দেশের অপেক্ষায় আছি।’

এদিকে হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। অবরোধ ভেঙে ইরানি বন্দরে প্রবেশের চেষ্টা করা তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় কয়েকজন নিখোঁজ হয়েছেন বলে দাবি করে ইরানি সংবাদমাধ্যম। যদিও স্থানীয় এক কর্মকর্তা সেই তথ্য অস্বীকার করেছেন।

হরমুজ এলাকায় আবারও সংঘর্ষ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইরানের সামরিক সূত্র। তাদের দাবি, মার্কিন জাহাজ উপসাগরে প্রবেশ করলে কঠোর জবাব দেয়া হবে।

উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ওয়াশিংটন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশ ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক তৈরির চেষ্টা করছে। যেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে এখনো বড় মতপার্থক্য রয়ে গেছে।

কূটনৈতিক এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইরানের কট্টরপন্থি ‘জেবহে-ই পায়দারি’ বা এন্ডুরেন্স ফ্রন্ট। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের আদর্শকে রক্ষার দাবি করা এই গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতাকেই ‘আত্মসমর্পণ’ হিসেবে দেখছে বলে উঠে এসেছে সিএনএনের প্রতিবেদনে।

এমনকি তারা আলোচনায় অংশ নেয়া ইরানি কর্মকর্তাদেরও প্রকাশ্যে সমালোচনা করছে। ইরানের নতুন নেতৃত্ব ঐক্যের বার্তা দিলেও, এই গোষ্ঠী দেশটির ভেতরে বিভক্তি আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

Source: Somoy News

কিমকে টার্গেট করলেই পরমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া!উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে এমন একট...
09/05/2026

কিমকে টার্গেট করলেই পরমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া!

উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে এমন একটি বিধান যুক্ত করেছে, যাতে দেশটির নেতা কিম জং উন নিহত বা বিদেশি হামলায় অক্ষম হয়ে পড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পারমাণবিক হামলা চালানো হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, গত ২২ মার্চ পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত নর্থ কোরিয়ার ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলির প্রথম অধিবেশনে এই সংশোধনী অনুমোদিত হয়। পরে এই পরিবর্তনের বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানায়।


সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের সর্বাধিনায়ক থাকবেন কিম জং উন। তবে বিদেশি শক্তির হামলায় দেশের পারমাণবিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিপদের মুখে পড়লে ‘স্বয়ংক্রিয় ও তাৎক্ষণিকভাবে’ পারমাণবিক হামলা চালানো হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানে দেশটির শীর্ষ নেতাদের হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে এমন পদক্ষেপ নিতে পারে পিয়ংইয়ং। সেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা নিহত হওয়ার পর উত্তর কোরিয়া নিজেদের নিরাপত্তা কৌশল নতুনভাবে মূল্যায়ন করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিম জং উন ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক। তিনি সাধারণত বিমানে ভ্রমণ এড়িয়ে চলেন এবং ভারী সাঁজোয়া ট্রেন ব্যবহার করেন। তার সঙ্গে সবসময় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে।

Source: Somoy News

ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটির অন্তত ২২৮ স্থাপনা ধ্বংস, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্যগত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইর...
07/05/2026

ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটির অন্তত ২২৮ স্থাপনা ধ্বংস, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে ব্যাপক হামলা শুরু করলে জবাবে ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হামলায় মার্কিন ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির যে চিত্র যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে এনেছে, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি তার চেয়ে অনেক বেশি।

মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টের বুধবার (৬ মে) প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, পত্রিকাটির স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ অনুযায়ী যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিমান হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ‘মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত ঘাঁটি বা স্থাপনাগুলোর অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে’।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, এসব হামলায় লক্ষ্যবস্তু ছিল মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ‘বিমান সংরক্ষণ কাঠামো, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমান, এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার, যোগাযোগ ও বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম’।
মার্কিন এই সংবাদপত্রটি লিখেছে, ‘ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কখনও স্বীকার করা বা এর আগে কোনো প্রতিবেদনে উঠে আসা যেকোনো তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি’।

কয়েক দিন আগে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন একই ধরনের এক প্রতিবেদনে অঞ্চলের অন্তত ১৬টি মার্কিন ঘাঁটিতে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির’ কথা জানিয়েছিল।

এখন ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, কর্মকর্তাদের মতে বিমান হামলার হুমকি ‘অঞ্চলের কিছু মার্কিন ঘাঁটিকে স্বাভাবিকভাবে সেনা মোতায়েনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক করে তুলেছে এবং কমান্ডাররা যুদ্ধ শুরুর সময় থেকেই তাদের বাহিনীর একটি বড় অংশকে ইরানি হামলার আওতার বাইরে সরিয়ে নিয়েছেন।’
তবে এক সামরিক মুখপাত্র ওয়াশিংটন পোস্টকে জানান, ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ‘বিশেষজ্ঞদের বর্ণনাকে ব্যাপক ধ্বংস বা ব্যর্থতার লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়’, কারণ ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ জটিল এবং কিছু ক্ষেত্রে ‘ভুল ধারণা সৃষ্টি করতে পারে’।

ওয়াশিংটন পোস্টকে ওই সামরিক মুখপাত্র আরও বলেন, যুদ্ধ শেষ হলে সামরিক কমান্ডাররা ইরানের হামলা সম্পর্কে আরও পূর্ণাঙ্গ চিত্র দিতে পারবেন।

গত সপ্তাহে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেট কংগ্রেসে ঘোষণা দেন যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ব্যয় হবে ২৫ বিলিয়ন বা ২৫০০ কোটি ডলার। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন যে এই যুদ্ধে ব্যবহৃত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতে মাস বা বছর লেগে যেতে পারে।


Source: Somoy News

যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগের মাঝেই ইরানি পতাকাবাহী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর গোলাবর্ষণইরান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধে সমঝোতা স্মারক স্...
07/05/2026

যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগের মাঝেই ইরানি পতাকাবাহী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর গোলাবর্ষণ

ইরান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের দ্বারপ্রান্তে তেহরান-ওয়াশিংটন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, এটি সইয়ের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালী ফের চালু হবে। এরপর একটি চুক্তির জন্য আলোচনার টেবিলে বসবেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। ইরানের সঙ্গে একটি বড় চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও। তবে এর মাঝেই ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী একটি জাহাজে গোলাবর্ষণ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।

ইরান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধে কূটনৈতিক আলোচনার ডামাডোলের মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ওমান উপসাগরে একটি ইরানি পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘অবরোধ অমান্য করার চেষ্টা’ করলে তাতে হামলা চালানো হয়।

মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে কামানের গোলা ছুঁড়ে ওই জাহাজের রাডার ব্যবস্থা অকেজো করে দেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে তেহরানের কিছুটা নমনীয় হওয়ার আভাস মিলেছে। ইরানের বন্দর ও সমুদ্র-বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে কারিগরি ও চিকিৎসা সেবা দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই অঞ্চলে চলমান সামরিক অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দেন।

ট্রাম্প ইরানের সাথে চুক্তির বিষয়ে নিজের ইতিবাচক অবস্থানের কথাও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যেকোনো চুক্তির মূল শর্ত হবে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। এছাড়া ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেয়ার বিষয়েও কড়া বার্তা দেন তিনি।

অন্যদিকে, দীর্ঘ কথা চালাচালির পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে দাবি বিভিন্ন গণমাধ্যমের। তাদের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ বন্ধে একটি বিশেষ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। পাকিস্তান এই শান্তি প্রক্রিয়ায় প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।

ইরান সরকার এখনো মার্কিন প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে এবং শিগগিরই পাকিস্তানের মাধ্যমে তাদের চূড়ান্ত জবাব পাঠাবে বলে জানিয়েছে। এই চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

Source: Somoy News

ইরান রাজি না হলে হামলা আরও তীব্র হবে, হুমকি ট্রাম্পেরযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল...
06/05/2026

ইরান রাজি না হলে হামলা আরও তীব্র হবে, হুমকি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, চুক্তি হলে ইরান যুদ্ধের ও যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের অবসান হতে পারে। তবে ইরান রাজি না হলে বোমা হামলা আরও তীব্র হতে পারে।

বুধবার (৬ মে) নিজের মালিকানাধীন সোশাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘যা নিয়ে সমঝোতা হয়েছে, ইরান যদি তা দেয় – তাহলে অপারেশন এপিক ফিউরি শেষ হয়ে যাবে।’ যদিও তিনি নিজেই নিশ্চিত নন যে ইরান আসলে সেই শর্তগুলো মেনে নেবে কি না।

তিনি আরও বলেন, শর্ত মেনে নিলে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যে মার্কিন অবরোধ চলছে, সেটি তখন তুলে নেয়া হবে এবং ইরানসহ সবার জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে।
একইসঙ্গে ডনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে আবারও বোমা হামলা শুরু হবে এবং ‘দুঃখজনকভাবে সেটি মাত্রা ও তীব্রতা আগের চেয়ে অনেক বেশি হবে’।

এদিকে যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে মার্কিন প্রস্তাব এখনও পর্যালোচনা বলছে বলে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ইরানের সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ-কে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার একটি মার্কিন প্রস্তাব এখনো বিবেচনাধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইরান মার্কিন প্রস্তাবটির বিষয়ে পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে তাদের মতামত বিনিময় করছে।

চলমান যুদ্ধ শেষ করতে এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দুই দেশের শান্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তানের একটি সূত্র এবং দুজন মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছে বলে বুধবার (৬ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেয়ার লক্ষ্যে শুরু করা অভিযানটি স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই হোয়াইট হাউস মনে করছে, তারা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে জবাব আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। তবে সূত্রগুলো বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর দুই পক্ষ এবারই চুক্তির সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।

Source: Somoy News

, , , , , , ,

মার্কিন জাহাজে হামলা হলে ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা’ হবেহরমুজ প্রণালীতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ পরিচালনাকারী মার্কিন জ...
05/05/2026

মার্কিন জাহাজে হামলা হলে ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা’ হবে

হরমুজ প্রণালীতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ পরিচালনাকারী মার্কিন জাহাজে হামলা চালালে ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা’ হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। যদিও হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা জানিয়েছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র হামলার কথা অস্বীকার করেছে।

গত রোববার (৩ মে) হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা জাহাজগুলোকে মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করবে বলে ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, যেসব দেশের জাহাজ প্রণালীতে আটকে আছে তাদের অনুরোধে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামের এই অভিযান চালানো হবে। যা সোমবার থেকেই শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

এই অভিযানে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ১৫ হাজার সামরিক কর্মী, ১০০টিরও বেশি স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক বিমান এবং এর পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ ও ড্রোন মোতায়েন করার কথা জানায়। একে ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলগত জলপথে ইরানের অবরোধ ভাঙার মরিয়া চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে ইরান বরাবরের মতো হুঁশিয়ারি দেয়, হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপকে ‘যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন’ হিসেবে গণ্য করা হবে। রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেন, ট্রাম্পের ‘বিভ্রান্তিকর পোস্ট’ দিয়ে হরমুজ প্রণালী ও পারস্য উপসাগর পরিচালিত হবে না।

এরপর ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বরাতে সোমবার (৪ মে) বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, হরমুজ প্রণালীর জাস্ক বন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাজটি থামাতে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) পক্ষ থেকে সতর্কতা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কতা উপেক্ষা করায় যুদ্ধজাহাজটিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। তবে মার্কিন বাহিনী এই নাকচ করে জানায়, তাদের কোনো জাহাজ হামলার শিকার হয়নি।

এরপর ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে হুমকি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, মার্কিন জাহাজে হামলা চালালে ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা’ হবে। সামরিক সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগের তুলনায় আমাদের কাছে এখন অনেক উন্নত মানের প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কাছে সেরা সব সরঞ্জাম আছে। সারাবিশ্বে আমাদের সামরিক সরঞ্জাম ও ঘাঁটি ছড়িয়ে আছে। সেগুলো সরঞ্জামে পরিপূর্ণ। আমরা সেই সবকিছুই ব্যবহার করতে পারি এবং প্রয়োজন হলে আমরা তা করব।’

Source: Somoy News

, , , , , , #ইরান, #যুক্তরাষ্ট্র, #ট্রাম্প, #মধ্যপ্রাচ্য, #সংঘাত

Address

Tejgaon

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NewsCard posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to NewsCard:

Shortcuts

Share