Bangladesh Public Procurement Authority

Bangladesh Public Procurement Authority BPPA is implementing electronic procurement – e-GP.

The Central Procurement Technical Unit (CPTU) was transformed into Bangladesh Public Procurement Authority (BPPA) on 18 September 2023, under Act No. 32 of 2023, the Bangladesh Public Procurement Authority Act 2023. Through e-GP, BPPA is promoting good governance with the establishment of a unified national procurement framework to ensure efficiency, transparency, fairness and better value for money in public procurement.

ই-জিপিতে পূর্ণাঙ্গ রূপান্তরে বিপিপিএ-এর দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্তঅফলাইন ক্রয়ের জন্য ঢালাও অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে...
23/08/2026

ই-জিপিতে পূর্ণাঙ্গ রূপান্তরে বিপিপিএ-এর দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত

অফলাইন ক্রয়ের জন্য ঢালাও অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জনাব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, এনডিসি, এমসিআইপিএস। তিনি বলেন, ই-জিপি সিস্টেম থেকে অব্যাহতি চাওয়ার আগে ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে অফলাইনে ক্রয়ের জন্য তাদের প্যাকেজ সংখ্যা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং ই-জিপি ব্যবহার শুরুর একটি নির্দিষ্ট তারিখও দিতে হবে।

বিপিপিএ-এর সিইও বলেন, “অফলাইন ক্রয়ের জন্য বিপিপিএ ঢালাও অনুমতি দেবে না। বর্তমান সরকার সব সরকারি ক্রয় ই-জিপির আওতায় আনার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

২০ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে চার সপ্তাহব্যাপী বেসিক পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজমেন্ট (পিপিএম) প্রশিক্ষণের প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য আয়োজিত বিপিপিএ ও এর কার্যক্রমবিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ৮ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে ইএসসিবি ক্যাম্পাসে শুরু হওয়া প্রশিক্ষণটি ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে শেষ হবে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মোট ২৮ জন কর্মকর্তা এ প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন, যার মধ্যে চারজন নারী কর্মকর্তা রয়েছেন।

বিপিপিএ-এর সিইও প্রশিক্ষণার্থীদের চার সপ্তাহের প্রশিক্ষণ থেকে সর্বোচ্চ জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান। তিনি বিপিপিএ-এর প্রতিষ্ঠা, কার্যাবলি ও পরিচালনা পর্ষদ, ই-জিপি সিস্টেম ও এর অগ্রগতি, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ, টেকসই সরকারি ক্রয়, বিপিপিএ-এর প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি বিস্তৃত উপস্থাপনা দেন।

সরকারি ক্রয়ে ‘উদ্দেশ্য অনুযায়ী উপযোগিতা’ (ফিট ফর পারপাস) এবং ‘অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার’ নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে সিইও বলেন, টেকসই ক্রয়ের ক্ষেত্রে শুধু মূল্যকে একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হিসেবে দেখা হবে না। তিনি বলেন, “টেকসই উন্নয়ন অর্জনের জন্য টেকসই সরকারি ক্রয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

সিইও বলেন, মানুষ, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক লাভ—টেকসই ক্রয়ের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মাত্রা। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ৪-আর-বর্জ্য হ্রাস, পুনঃব্যবহার, পুনঃচক্রায়ন ও পুনরুদ্ধার-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ইএসসিবিতে চলমান প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীরা সরকারি ক্রয় কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে বিপিপিএ কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ই-জিপি হেল্প ডেস্ক, রিভিউ প্যানেলসহ সরকারি ক্রয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।

বিপিপিএ-এর পরিচালক (প্রশিক্ষণ) শেখ মুহাম্মদ রেফাত আলী এবং সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট জনাব মো. মোশাররফ হোসেন প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন শাখা পরিদর্শন করেন। জনাব রেফাত আলী বিপিপিএ-এর সম্মেলন কক্ষে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছে সংস্থার কার্যাবলি ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন এবং তাদের মধ্যে বিপিপিএ-এর বার্ষিক প্রতিবেদনের কপি বিতরণ করেন।

সাবেক সিপিটিইউর পরিচালক (রুলস), সাবেক অতিরিক্ত সচিব জনাব মাসুদ আকতার খান ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে নিয়মিত পাওয়া বিভিন্ন ক্রয়সংক্রান্ত প্রশ্ন ও চিঠির বিষয়ে বিপিপিএ কীভাবে মতামত প্রদান করে, সে প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের অবহিত করেন। তিনি জানান, এ ধরনের মতামত প্রদানের বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

বিপিপিএ-এর পরিচালক মিস অপর্ণা বৈদ্য ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণ পদ্ধতি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং এ-সংক্রান্ত জারি করা একটি প্রজ্ঞাপন প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে বিতরণ করেন। বিপিপিএ-এর পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আলী আহম্মেদ খাঁন রিভিউ প্যানেল এবং ডিবারমেন্ট রিভিউ বোর্ডের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের অবহিত করেন।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘প্রকিউরমেন্ট মডার্নাইজেশন টু ইমপ্রুভ পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি (পিএমআইপিএসডি)’ প্রকল্পের আওতায় বিপিপিএ চার সপ্তাহব্যাপী বেসিক পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজমেন্ট (পিপিএম) প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে।

বিপিপিএ-এর দ্বিতীয় ব্যাচের চার সপ্তাহের পিপিএম প্রশিক্ষণ শুরুবাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) আয়োজিত চার সপ...
16/08/2026

বিপিপিএ-এর দ্বিতীয় ব্যাচের চার সপ্তাহের পিপিএম প্রশিক্ষণ শুরু

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) আয়োজিত চার সপ্তাহব্যাপী (২১ দিন) বেসিক পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজমেন্ট (পিপিএম) প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ঢাকার রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ (ইএসসিবি) ক্যাম্পাসে ১৫ আগস্ট, ২০২৬ তারিখ থেকে শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণটি অনাবাসিক।

বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ছয়জন নারীসহ ৩৪ জন কর্মকর্তা এ প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণটি ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে শেষ হবে।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)-এর সচিব জনাব সিরাজুন নূর চৌধুরী। বিপিপিএ-এর পরিচালক (প্রশিক্ষণ) শেখ মুহাম্মদ রেফাত আলী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিপিপিএ-এর পরিচালক ও জাতীয় পর্যায়ের প্রকিউরমেন্ট প্রশিক্ষক জনাব শাহ ইয়ামিন-উল ইসলাম রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ইএসসিবি ও আইইবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পিপিএম প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে আইএমইডি সচিব বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা বাড়াতে এ ধরনের পেশাগত প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্ব ও অতিরিক্ত ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ক্রয়প্রক্রিয়ায় ও ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্বের কারণে অনেক সময় প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে যায়। সচিব বলেন, সরকারি ক্রয়ে পেশাদারত্ব প্রতিষ্ঠা এখন অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তারা তাদের দক্ষতা বাড়াতে এবং নির্ধারিত সময়ে ও দক্ষতার সঙ্গে ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সক্ষম হবেন।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় চলমান Procurement Modernization to Improve Public Service Delivery (PMIPSD) প্রকল্পের আওতায় ২০২৬-‘২৭ অর্থবছরে বিপিপিএ ২২টি অনাবাসিক ও পাঁচটি আবাসিক চার সপ্তাহব্যাপী পিপিএম প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে।

এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় প্রথম আবাসিক চার সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ আগামী ২২ আগস্ট, ২০২৬ তারিখ থেকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ইএসসিবি ক্যাম্পাসে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

বিপিপিএ-এর চার সপ্তাহের সরকারি ক্রয় প্রশিক্ষণ শুরুবাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর চার সপ্তাহব্যাপী (২১ ...
11/08/2026

বিপিপিএ-এর চার সপ্তাহের সরকারি ক্রয় প্রশিক্ষণ শুরু

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর চার সপ্তাহব্যাপী (২১ দিন) মৌলিক পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজমেন্ট (পিপিএম) প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ ৮ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে ঢাকার রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ (ইএসসিবি) ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে।
বিপিপিএ আয়োজিত প্রথম ব্যাচের এই অনাবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে শেষ হবে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মোট ২৮ জন কর্মকর্তা এতে অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে চারজন নারী কর্মকর্তা রয়েছেন।
বিপিপিএ-এর ফ্ল্যাগশিপ মৌলিক সরকারি ক্রয় প্রশিক্ষণের মেয়াদ আগে ছিল তিন সপ্তাহ। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বিপিপিএ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘প্রকিউরমেন্ট মডার্নাইজেশন টু ইমপ্রুভ পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি’ (পিএমআইপিএসডি) প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের মেয়াদ এখন চার সপ্তাহে উন্নীত করার পাশাপাশি এর পরিধিও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিপিপিএ মোট ২২টি অনাবাসিক ও পাঁচটি আবাসিক ব্যাচে চার সপ্তাহের এই প্রশিক্ষণ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে।
প্রশিক্ষণের মেয়াদ ও পরিধি বাড়ানোর ফলে অতিরিক্ত কেস স্টাডি ও ব্যাবহারিক সেশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে শেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংশোধিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিপিপিএ কার্যালয় এবং একটি ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় পরিদর্শনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সরকারি ক্রয় কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
এছাড়া, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস, ২০২৫ (পিপিআর, ২০২৫)-এ ভৌত সেবাকে সরকারি ক্রয়ের একটি পৃথক শ্রেণি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এ বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ সেশনের প্রয়োজন হয়েছে। তিন সপ্তাহের পুরোনো কোর্সে ই-জিপি বিষয়ে ওরিয়েন্টেশনের জন্য বরাদ্দ এক দিনের সেশন নতুন চার সপ্তাহের কর্মসূচিতে বাড়িয়ে তিন দিন করা হয়েছে।
বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও সরকারের সচিব জনাব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন। ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর জনাব মো. আশরাফুল আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট (হিউম্যান রিসোর্সেস) ইঞ্জিনিয়ার শেখ আল আমিন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
বিপিপিএ-এর পরিচালক ও জাতীয় পর্যায়ের প্রকিউরমেন্ট প্রশিক্ষক জনাব শাহ ইয়ামিন-উল ইসলাম রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিপিপিএ-এর পরিচালক ও যুগ্মসচিব শেখ মুহাম্মদ রেফাত আলী এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কো-অর্ডিনেটর ড. তাওহীদ হাসানও উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিপিপিএ-এর সিইও সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে সরকারি ক্রয় কার্যক্রমের মানোন্নয়নে মৌলিক প্রকিউরমেন্ট প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

টেকসই সরকারি ক্রয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন অর্জনের জন্য টেকসই ক্রয় বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, অংশগ্রহণকারীদের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধিমালার বিভিন্ন বিধান এবং স্ট্যান্ডার্ড টেন্ডার ডকুমেন্টসের (এসটিডি) আলোকে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সম্যক ধারণা অর্জন করতে হবে।

সরকার দেশের সব সরকারি ক্রয়ে ই-জিপি বাধ্যতামূলক করায় অংশগ্রহণকারীদের ই-জিপি ব্যবস্থা সম্পর্কেও পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন বলে তিনি গুরুত্বারোপ করেন। স্বাগত বক্তব্যে জনাব মো. আশরাফুল আলম প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য বিপিপিএ-কে ধন্যবাদ জানান এবং প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসূচিতে স্বাগত জানান।

ইঞ্জিনিয়ার শেখ আল আমিন বলেন, ইএসসিবি-তে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে আইইবি সবসময় বিপিপিএকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। চার সপ্তাহব্যাপী দ্বিতীয় অনাবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ১৫ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে ইএসসিবি-তে শুরু হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে শেষ হবে। শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহে ছয় দিন প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর! 🎉বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি-এর অফিসিয়াল মোবাইল অ্যাপ এখন নতুন নাম "সরকারি ক্রয...
09/08/2026

আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর! 🎉

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি-এর অফিসিয়াল মোবাইল অ্যাপ এখন নতুন নাম "সরকারি ক্রয় দর্পণ (Sarkari Kroy Darpon)" হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন এই আপডেটে আধুনিক iOS সংস্করণ এবং সব নতুন আইফোন মডেলের জন্য পূর্ণ সাপোর্ট যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন আপডেটে যা থাকছে:
নতুন লোগো ও উন্নত ইউজার ইন্টারফেস
টেক্সট সার্চ, নেটিভ জুম এবং সহজে ব্যবহারের জন্য নতুনভাবে সাজানো কন্ট্রোলসহ ফাইল দেখার দারুণ অভিজ্ঞতা।

অ্যাপ স্টোর থেকে এখনই ডাউনলোড বা আপডেট করুন:
https://apps.apple.com/us/app/sarkari-kroy-dorpon/id1527051500

03/08/2026

আজ (৩ আগষ্ট ২০২৬) পিপিআর ২০২৫ অনুসারে একটি নতুন আদর্শ ক্রয় দলিলের ই-ভার্সন "ই-পিপিএস৫" (e-PPS5) ইজিপি পোর্টালে আপলোড করা হয়েছে।

টেকসই ক্রয়ের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে বিপিপিএ-এর নতুন সিইওজনাব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান এনডিসি, এমসিআইপিএস ২...
30/07/2026

টেকসই ক্রয়ের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের প্রত্যয়
নিয়ে বিপিপিএ-এর নতুন সিইও

জনাব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান এনডিসি, এমসিআইপিএস ২৮ জুলাই, ২০২৬ তারিখে সরকারের সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করে একই দিনে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেছেন। সরকার ২৮ জুলাই, ২০২৬ তারিখে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

বিপিপিএ-তে যোগদানের আগে তিনি বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৮তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) ব্যাচের একজন সদস্য হিসেবে তিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জনপ্রশাসন, উন্নয়ন পরিকল্পনা, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, প্রকল্প প্রণয়ন ও ব্যবস্থাপনা এবং সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন।

বিপিপিএ-এর দায়িত্ব গ্রহণের পর জনাব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান টেকসই সরকারি ক্রয়ের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তাঁর মতে, সরকারি ক্রয় কেবল সাশ্রয়, দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং এটি পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক মূল্য সৃষ্টির একটি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার মহাপরিচালক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমি (নাডা)-এর প্রকল্প পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

জনাব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান ২৫ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। এর আগে তিনি প্রায় পাঁচ বছর বেসরকারি খাতে কর্মরত ছিলেন। সরকারি চাকরীজীবনে পরিকল্পনা কমিশনে সহকারী প্রধান, সিনিয়র সহকারী প্রধান এবং উপপ্রধান হিসেবে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি বাংলাদেশ সরকার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনর্ব্যবহার প্রকল্প-এর জাতীয় প্রকল্প সমন্বয়কারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এ দায়িত্বে তিনি পেশাগত নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল শিল্পচর্চা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

১৯৭০ সালের ৫ আগস্ট শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন জনাব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে যথাক্রমে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৩ সালে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক এবং ২০০৭ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ২০১৬ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার অব প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই ম্যানেজমেন্ট (এমপিএসএম) ডিগ্রি অর্জন করেন, যা আধুনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় তাঁর একাডেমিক দক্ষতার পরিচায়ক। এছাড়া ২০০৯ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যাক্রোইকোনমিক অ্যানালাইসিস-এ স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা অর্জন করেন। ২০২২ সালে তিনি মর্যাদাপূর্ণ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) কোর্স সম্পন্ন করেন এবং বর্তমানে চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই (সিআইপিএস)-এর সদস্য (এমসিআইপিএস)।

উন্নয়ন প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, সরকারি ক্রয়, ডিজিটাল রূপান্তর, সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাঁর রয়েছে ব্যাপক অভিজ্ঞতা। তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত প্রশিক্ষক এবং বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি), জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি), বিপিআই, জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমি (নাডা) সহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক ও বক্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক উন্নয়নমূলক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত।

দেশ-বিদেশে তিনি অনেক পেশাগত প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ইন্দোনেশিয়ায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি সরকারি দায়িত্বে সিঙ্গাপুর, ভারত, থাইল্যান্ড, চীন, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও যুক্তরাজ্য সফর করেছেন।

জনাব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামানের লক্ষ্য বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা, যেখানে টেকসই সরকারি ক্রয় নীতি, সবুজ ও জলবায়ু-সহনশীল ক্রয়, উদ্ভাবন, স্থানীয় শিল্পের বিকাশ, ডিজিটাল প্রকিউরমেন্ট এবং সমগ্র ক্রয়চক্রে “ভ্যালু ফর মানি” নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তাঁর নেতৃত্বে বিপিপিএ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সরকারি ক্রয় সংস্কারকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারি ক্রয় হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং উন্নত জনসেবা নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

ব্যক্তিগত জীবনে জনাব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান বিবাহিত। তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

সরকারি ক্রয়ে সক্ষমতা বাড়াতে বিপিপিএ-এর ই-জিপি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহতসরকারি ক্রয় ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজন...
15/07/2026

সরকারি ক্রয়ে সক্ষমতা বাড়াতে বিপিপিএ-এর ই-জিপি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সক্ষমতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
বিকেন্দ্রীভূত প্রশিক্ষণ কৌশলের আওতায় বিপিপিএ ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ অবকাঠামো ও লজিস্টিক সুবিধা ব্যবহার করে ই-জিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে। ই-জিপি ব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান ব্যবহারকারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির চাহিদা পূরণে এসব প্রশিক্ষণ বিপিপিএ-এর নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)-এর বিকেআইআইসিটি (BKIICT) ল্যাবে পাঁচ দিনব্যাপী একটি ই-জিপি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এতে সরকারের বিভিন্ন ক্রয়কারী সংস্থার ৩১ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন। প্রশিক্ষণটি আগামী ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে শেষ হবে।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জনাব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক নাহিদ সুলতানা মল্লিক। এ সময় বিপিপিএ-এর পরিচালক জনাব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিপিপিএ-এর পরিচালক জনাব হারুন অর রশীদ এবং পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আলী আহম্মেদ খাঁন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ই-জিপি সিস্টেমের কার্যকর বাস্তবায়নে অংশীজনদের সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "সরকারি ক্রয় আইনের আওতায় ই-জিপির ব্যবহার বাধ্যতামূলক। তাই সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্রমবর্ধমান সংখ্যক ই-জিপি ব্যবহারকারীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে আমরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিকেন্দ্রীভূতভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছি।"
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক নাহিদ সুলতানা মল্লিকও ই-জিপি প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে এ ধরনের উদ্যোগে বিসিসির সার্বিক সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সক্ষমতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য বিসিসিতে আধুনিক ও সুসজ্জিত একাধিক প্রশিক্ষণ ল্যাব রয়েছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সরকারি ক্রয়ে লিড টাইম আরও হ্রাস পাওয়া প্রয়োজন: মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী জনাব আমির খসরু...
09/07/2026

সরকারি ক্রয়ে লিড টাইম আরও হ্রাস পাওয়া প্রয়োজন: মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী

মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি সরকারি ক্রয়ে ইতোমধ্যে ৫৪ দিনে নেমে আসা প্রকিউরমেন্ট লিড টাইম আরও কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-কে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই, ২০২৬) বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে অবস্থিত বিপিপিএ-এর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির ১০ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের সিনিয়র ভাইস-চেয়ার ও মাননীয় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জনাব জোনায়েদ সাকী এমপি, ভাইস-চেয়ার ও বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব জনাব সিরাজুন নূর চৌধুরী এবং পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

প্রকিউরমেন্ট লিড টাইম বলতে দরপত্র আহ্বান থেকে চুক্তি স্বাক্ষর পর্যন্ত সময়কে বোঝায়।

বিপিপিএ-এর প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন এবং সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা সংস্কারের প্রশংসা করে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, "ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেম এবং বিপিপিএ-এর গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগের ফলে সরকারি ক্রয়ে লিড টাইম প্রায় ১০০ দিন থেকে কমে ৫৪ দিনে নেমে এসেছে, যা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন আরও ত্বরান্বিত করতে এটি আরও কমিয়ে আনতে হবে।"

প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। দক্ষতা, প্রতিযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া আরও দ্রুত সম্পন্ন করা গেলে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং উন্নয়নের সুফল দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছাবে।"

বিপিপিএ-এর পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে তিনি সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং ক্রয়ের মানোন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা যত উন্নত হবে, প্রকল্প বাস্তবায়ন তত বেশি সময়োপযোগী ও ফলপ্রসূ হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে বসে দাপ্তরিক কার্যক্রম তদারকি করবেন বলে জানান।

এর আগে সভায় সভাপতির অনুমতিক্রমে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য-সচিব এবং বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জনাব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বিপিপিএ-এর প্রতিষ্ঠা, সাংগঠনিক কাঠামো, আইনগত দায়িত্ব, ই-জিপি ব্যবস্থার অগ্রগতি, চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত অগ্রাধিকার বিষয়ে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী বিপিপিএকে চলমান আধুনিকায়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন দ্রুততর করার, ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেম ও ডিজিটাল স্বাক্ষরের বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করার এবং সরকারি ক্রয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিগুলোর যথাযথ যাচাই প্রক্রিয়া জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য দক্ষ প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ এবং তাঁদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি কার্যকর তদারকি ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে বিপিপিএ পরিচালনা পর্ষদের সভা নিয়মিত আয়োজনের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ই-জিপি সিস্টেমে পূর্ণাঙ্গ রূপান্তরে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্তদক্ষ, স্বচ্ছ ও সময়মতো সরকারি ক্রয় নিশ্চিত করতে দেশে সর...
08/07/2026

ই-জিপি সিস্টেমে পূর্ণাঙ্গ রূপান্তরে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

দক্ষ, স্বচ্ছ ও সময়মতো সরকারি ক্রয় নিশ্চিত করতে দেশে সরকারি ক্রয় কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালনা করতে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সরকার।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জোনায়েদ সাকী এমপি ৭ জুলাই, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত "ই-জিপি সিস্টেমের উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক ই-জিপি বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি" শীর্ষক দুটি অংশীজন পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন।

দিনের প্রথম কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে এবং দ্বিতীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন প্রাঙ্গণে অবস্থিত বিপিপিএ ভবনের সম্মেলন কক্ষে।

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) আয়োজিত এসব কর্মশালা ছিল ধারাবাহিক অংশীজন পরামর্শ কার্যক্রমের অংশ। কর্মশালাগুলোর উদ্দেশ্য ছিল ই-জিপি সিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করা, সরকারি ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং বিপিপিএ-এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশীজনদের মতামত ও সুপারিশ সংগ্রহ করা।

সকালের কর্মশালায় বিভিন্ন সংস্থার প্রধান ও প্রকল্প পরিচালকেরা অংশ নেন, যারা ই-জিপি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ই-জিপি প্ল্যাটফর্মের আধুনিকায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অনুষ্ঠিত বিকেলের অধিবেশনে সরকারি আইটি সংস্থা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগ, আইসিটি খাতের ব্যবসায়ী সংগঠন, কম্পিউটার অ্যাসোসিয়েশন ও সোসাইটিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

উভয় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জনাব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব জনাব সিরাজুন নূর চৌধুরী।

বিপিপিএ-এর পরিচালক জনাব শাহ ইয়ামিন উল ইসলাম উভয় কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়া বিকেলের কর্মশালায় বিপিপিএ-এর সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট জনাব মো. মোশাররফ হোসেন জাতীয় ই-জিপি সিস্টেম উন্নয়নের রোডম্যাপ উপস্থাপন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ সময়মতো বাস্তবায়ন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং সরকারি ক্রয়ে দক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর ই-জিপি ব্যবস্থা অপরিহার্য।

তিনি বলেন, সরকারি উন্নয়ন ব্যয়ের একটি বড় অংশই সরকারি ক্রয়ের মাধ্যমে ব্যয় হয়। তাই উন্নয়ন প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার সুশাসন আরও শক্তিশালী করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, "দেশের সব সরকারি ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি বাস্তবায়ন করতে চাই। এজন্য ই-জিপি ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, আরও ব্যবহারকারীবান্ধব এবং সব অংশীজনের চাহিদার সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে।"

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি পুরো সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জনাব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, ই-জিপি বাস্তবায়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে বিপিপিএ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিকভাবে অংশীজন পরামর্শ সভার আয়োজন অব্যাহত রাখবে।

তিনি বলেন, "ই-জিপি বাস্তবায়ন নিয়ে মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মতামত সংগ্রহের জন্য আমরা ঢাকার বাইরে আরও অংশীজন সংলাপের আয়োজন করব। এসব পরামর্শের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের অংশগ্রহণে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান প্রণয়ন করা হবে।"

আইএমইডি সচিব জনাব সিরাজুন নূর চৌধুরী বলেন, প্রকল্প প্রণয়নের দুর্বলতা অনেক সময় প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যকারিতা ব্যাহত করে। তাই সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উন্নত মানসম্পন্ন ফলাফল নিশ্চিত করতে শক্তিশালী সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার পাশাপাশি উন্নত প্রকল্প পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির ওপরও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

এএফডি প্রতিনিধিদলের বিপিপিএ-এর ই-জিপি সিস্টেম পরিদর্শনফ্রান্সের উন্নয়ন সংস্থা Agence Française de Développement (AFD)-এ...
06/07/2026

এএফডি প্রতিনিধিদলের বিপিপিএ-এর ই-জিপি সিস্টেম পরিদর্শন

ফ্রান্সের উন্নয়ন সংস্থা Agence Française de Développement (AFD)-এর তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল গত ৫ জুলাই, ২০২৬ বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) পরিদর্শন করে দেশের ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেমের কার্যক্রম, পরিচালনা পদ্ধতি এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত হয়।

বিপিপিএ-এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিপিপিএ-এর পরিচালক জনাব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। এ সময় এএফডি প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এএফডি অর্থায়নকৃত প্রকল্পগুলোর ক্রয় কার্যক্রমকে জাতীয় ই-জিপি সিস্টেমের সঙ্গে সমন্বয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিপিপিএ-এর পরিচালক প্রতিনিধিদলকে জানান, ই-জিপি প্ল্যাটফর্‌ম ব্যবহার করতে হলে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০১১ সালে ই-জিপি চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২৪টি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এই প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে ই-জিপি সিস্টেমের প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন।

পরে ই-জিপির Enhancement, Operation and Maintenance (EOM)-এর টিম লিডার নাজমুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রতিনিধিদলের সামনে ই-জিপি সিস্টেমের ওপর একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন। দরপত্র আহ্বান থেকে চুক্তি সম্পাদন এবং ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ডিজিটাল ক্রয় প্রক্রিয়া, সিস্টেমের বিভিন্ন কার্যকারিতা এবং সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দক্ষতা, প্রতিযোগিতা ও সুশাসন নিশ্চিতকরণে ই-জিপির গুরুত্বপূর্ণ অবদান তুলে ধরেন।

Address

BPPA Bhaban, Planning Commission Campus Sher-e-Bangla Nagar
Tejgaon
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Public Procurement Authority posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh Public Procurement Authority:

Shortcuts

Share