ভোটার আইডি এবং জন্ম নিবন্ধন সংশোধন

ভোটার আইডি এবং জন্ম নিবন্ধন সংশোধন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভোটার আইডি এবং জন্ম নিবন্ধন সংশোধন, Public Service, Tejkunipara.

19/08/2025

ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০২৫ এ নিবন্ধিত ভোটারদের কারো কোনো তথ্যে ভুল থাকলে, তারা ১০ আগস্ট, ২০২৫ তারিখ হতে ২১ আগস্ট, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত ফ্রি সংশোধনের সুযোগ পাবেন।

এই সংশোধন করার জন্য সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে ফরম-১৪ তে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে সংশোধনের স্বপক্ষে উপযুক্ত ডকুমেন্ট দাখিল করতে হবে।

ফ্রী সংশোধনঃ  ভোটার তালিকা হালনাগাদ- ২০২৫ খ্রি. নিবন্ধিত ভোটারদের কারো কোনো তথ্যে ভুল থাকলে, আগামী ১০ আগস্ট ২০১৫ খ্রি. হ...
11/08/2025

ফ্রী সংশোধনঃ

ভোটার তালিকা হালনাগাদ- ২০২৫ খ্রি.
নিবন্ধিত ভোটারদের কারো কোনো তথ্যে ভুল থাকলে, আগামী ১০ আগস্ট ২০১৫ খ্রি. হতে ২১ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. পর্যন্ত ফ্রি সংশোধনের সুযোগ পাবেন। এ সুযোগ হাতছাড়া করলে পরবর্তীতে অনেক ঝামেলায় পড়তে হবে।
ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০২৫ খ্রি.
নিবন্ধিত ভোটারদের তালিকা আগামী ১০ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. প্রকাশ করা হবে। উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা অফিসে বা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর অফিসে প্রকাশিত ভোটার তালিকা প্রদর্শন করা হবে।

এই সংশোধন করার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে ফরম-১৪ তে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে সংশোধনের স্বপক্ষে উপযুক্ত ডকুমেন্ট দাখিল করতে হবে। সংশোধন আবেদন পাওয়ার পর আগামী ২৬ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার প্রয়োজনীয় সংশোধন কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

♦ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০২৫ ♦ নিবন্ধিত ভোটারদের তালিকা আগামী ১০ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে প্রকাশ করা হবে। উপজেলা/থানা নির্বাচন ...
04/08/2025

♦ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০২৫ ♦

নিবন্ধিত ভোটারদের তালিকা আগামী ১০ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে প্রকাশ করা হবে। উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে এবং সংস্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে বা পৌরসভা অফিসে বা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর অফিসে প্রকাশিত ভোটার তালিকা প্রদর্শন করা হবে।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০২৫ এ নিবন্ধিত ভোটারদের কারো কোনো তথ্যে ভুল থাকলে, তারা আগামী ১০ আগস্ট, ২০২৫ তারিখ হতে ২১ আগস্ট, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত ফ্রি সংশোধনের সুযোগ পাবেন।

এই সংশোধন করার জন্য সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে ফরম-১৪ তে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে সংশোধনের স্বপক্ষে উপযুক্ত ডকুমেন্ট দাখিল করতে হবে। সংশোধন আবেদন পাওয়ার পর আগামী ২৬ আগস্ট, ২০২৫ তারিখের ভিতর সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার প্রয়োজনীয় সংশোধন কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেছেন, 'আজ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ক্যাটেগরিক...
26/07/2025

১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেছেন, 'আজ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ক্যাটেগরিকালি বলেছেন, আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ও প্রক্রিয়া ঘোষণা করবেন। এর চেয়ে আনন্দের কিছু হতে পারে না।'

আপনার স্মার্ট এনআইডি কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা জানার জন্য খুব সহজেই অনলাইনে চেক করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে www.nidw.gov.b...
07/06/2025

আপনার স্মার্ট এনআইডি কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা জানার জন্য খুব সহজেই অনলাইনে চেক করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে www.nidw.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Smart Card Status Check’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর, আপনার বর্তমান এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ এবং প্রদত্ত ক্যাপচা কোড দিয়ে ফর্মটি পূরণ করে সাবমিট করুন।

যদি দেখা যায় “স্মার্ট কার্ডের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি”, তাহলে বুঝতে হবে আপনার কার্ডটি এখনো তৈরি হয়নি এবং আপনি এই ধাপে স্মার্ট কার্ড পাচ্ছেন না।

আর যদি স্ট্যাটাসে "Completed" লেখা আসে এবং একটি বক্স আইডি নম্বর দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত।
কোথা থেকে ও কিভাবে সংগ্রহ করবেন?

যদি আপনার স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত থাকে, তাহলে দুটি উপায়ে আপনি তা সংগ্রহ করতে পারবেন:

নির্ধারিত তারিখে নির্ধারিত স্থানে
নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময় ও তারিখে স্থানীয় স্কুল, মাদ্রাসা বা উন্মুক্ত স্থানে স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চালাবে। ঘোষিত সময় অনুযায়ী সেখানে গিয়ে এনআইডি কার্ড বা ডেলিভারি স্লিপ দেখিয়ে কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।

উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে সরাসরি
কেউ চাইলে সরাসরি নিজ নিজ উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে এনআইডি কার্ড বা ডেলিভারি স্লিপ সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।

শেষ কথা

স্মার্ট এনআইডি কার্ড এখন শুধু পরিচয়পত্র নয়, বরং নাগরিক সেবা গ্রহণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট। তাই সময়মতো নিজের কার্ডের অবস্থা জেনে নেওয়া এবং নির্ধারিত সময়ে সংগ্রহ করা সবার জন্যই জরুরি।

06/06/2025

আগামী এপ্রিলের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন: জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আবারো সারাদেশে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট এনআইডি কার্ড) বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে। এর আগে ...
03/06/2025

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আবারো সারাদেশে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট এনআইডি কার্ড) বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে। এর আগে দেশের অনেক উপজেলায় স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে যেসব এলাকার ভোটাররা এখনো এই কার্ড পাননি, তাদের জন্য নতুন করে বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম কিছুদিন বন্ধ ছিল। ঈদুল আজহার পর থেকে আবারও পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮ থেকে ১০টি উপজেলায় স্মার্ট এনআইডি বিতরণ চলমান রয়েছে।

কিভাবে বিতরণ করা হবে স্মার্ট এনআইডি কার্ড?
যেসব উপজেলায় স্মার্ট আইডি কার্ড প্রিন্ট হয়ে গেছে, সেসব এলাকার উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে নির্ধারিত এলাকায় ক্যাম্প করে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। এ সংক্রান্ত তথ্য:
মাইকিং করে জানানো হবে।
জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে চিঠি পাঠানো হবে।
স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
ভোটাররা এই বিভিন্ন মাধ্যম থেকে নিজেদের এলাকার বিতরণ শিডিউল জেনে নিতে পারবেন।

কার্ড উত্তোলনের পদ্ধতি
যাদের এনআইডি কার্ড তৈরি হয়ে গেছে, তারা কোনো প্রকার ফি পরিশোধ না করেই কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। কার্ড উত্তোলনের জন্য প্রয়োজন হবে:

পুরাতন এনআইডি কার্ড, অথবা
ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া রিসিভ কপি, অথবা
জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (NID নম্বর)
যাদের এনআইডি কার্ড এখনো হাতে আসেনি বা হারিয়ে গেছে, তারাও উপরোক্ত দলিলপত্র নিয়ে উপস্থিত হলে স্মার্ট এনআইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। কোনো জিডি বা অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই।

যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তোলন করতে না পারেন?
যদি কেউ নির্ধারিত শিডিউলে স্মার্ট আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে না পারেন (যেমন: দেশের বাইরে ছিলেন বা অনুপস্থিত ছিলেন), তাহলে পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাচন অফিসে সরাসরি গিয়ে কার্ড উত্তোলন করা যাবে। মাঠ পর্যায়ে বিতরণ শেষে অবশিষ্ট কার্ডগুলো উপজেলা নির্বাচন অফিসে সংরক্ষণ করা হয়।

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা কার্যক্রম সারাদেশে সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এনআইডি সার্ভারে প্রবেশের সময় ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড...
13/05/2025

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা কার্যক্রম সারাদেশে সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এনআইডি সার্ভারে প্রবেশের সময় ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) না আসায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এনআইডি সেবা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোয় কোনো বিঘ্ন না ঘটলেও ইসি কর্মকর্তারা সেবা দিতে পারছে না।

আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এনআইডির ওটিপি জটিলতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।

হুমায়ুন কবীর বলেন, 'আমাদের সার্ভারে লগইন করতে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর একটি ওটিপি প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখন সেই ওটিপি আসছে না। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্ভারে ঢুকতে পারছেন না। এনআইডি সেবাও বন্ধ রয়েছে।'

এনআইডি মহাপরিচালক আরও বলেন, 'এনআইডি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে ওটিপি সেবা ব্যবহার করছে, সেই সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ছবি তোলা ও বায়োমেট্রিক গ্রহণের কার্যক্রম চলমান আছে। ওটিপি সমস্যার সমাধান হলেই সব কার্যক্রম আবার শুরু হবে।'
হুমায়ুন কবীর বলেন, 'আমাদের সার্ভার বন্ধ না। এনআইডি কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য একটি ওটিপি সার্ভিস কিনেছি। সেটি যাদের কাছে থেকে নিয়েছি, তাদের সিস্টেমে একটা সমস্যা হয়েছে এবং ওরা সেটা মেরামত করছে। মেরামত হয়ে গেলে চালু হয়ে যাবে।'

বর্তমানে দেশে সাড়ে ১২ কোটি নাগরিকের তথ্য রয়েছে এনআইডি ডেটাবেজে। ১৮৬টি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা ইসি থেকে এনআইডি সেবা নিয়ে থাকে।

আজ দুপুর ১টার দিকে ইসির এনআইডি উইং সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, 'ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে ওটিপি সার্ভিস সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।'

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনে সারা দেশের জেলা অফিসারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এনআইডি সংশোধন আবেদন...
27/04/2025

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনে সারা দেশের জেলা অফিসারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এনআইডি সংশোধন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে ক্র্যাশ প্রোগ্রামের জেলা অফিসাররা দায়িত্ব পালন করবেন।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হালিম খান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে জানানো হয়, এনআইডি পরিচালনার অংশ হিসেবে ‘গ’ ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পত্তির জন্য ৬৪ জেলার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর আগে শুধু এই ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারতেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা। এছাড়াও ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের আবেদন সংখ্যা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বৃহত্তর ১৯টি সিনিয়র জেলার ‘খ’ ক্যাটাগরির অনিষ্পন্ন আবেদন নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ কার্যক্রম (ক্র্যাশ প্রোগ্রাম) পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলার আবেদন সংখ্যা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের অঞ্চলের/জেলার অনিষ্পন্ন আবেদনগুলো ৩০ জুনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
অফিস আদেশে আরও জানানো হয়, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা ‘গ’ ক্যাটাগরির আবেদনগুলো নিষ্পত্তিসহ বিশেষ কার্যক্রম (ক্র্যাশ প্রোগ্রাম) সফল করতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও তত্ত্বাবধান করবেন বলেও অফিস আদেশে জানানো হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা নিজ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিশেষ কার্যক্রমের (ক্রাশ প্রোগ্রাম) সমন্বয় ও তত্ত্বাবধান করবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অবশ্যই পুরাতন আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করবেন। সেইসঙ্গে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে পরিচালক (পরিচালনা) বিশেষ কার্যক্রম (ক্রাশ প্রোগ্রাম) সামগ্রিক বিষয় মনিটরিং এবং প্রতি ১৫ দিন অন্তর অন্তর এ কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদন এনআইডি মহাপরিচালককে অবগত করবেন।

যুক্ত হচ্ছে ৪৩ লাখ নতুন ভোটারতরুণদের সুযোগ দিতে সংশোধন হচ্ছে আইন...বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যুক্ত...
13/04/2025

যুক্ত হচ্ছে ৪৩ লাখ নতুন ভোটার
তরুণদের সুযোগ দিতে সংশোধন হচ্ছে আইন...
বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া নতুন ভোটারদের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে ভোটার তালিকা আইন এবং ভোটার তালিকা বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে ইসি সচিবালয়। ইতোমধ্যে এ প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদে উপস্থাপনের জন্য শিগগির প্রস্তাবটি পাঠানো হবে আইন মন্ত্রণালয়ে।

এই সংশোধনীর মাধ্যমে প্রতিবছর ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা এবং ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে বর্তমানে যে নিয়ম রয়েছে, সেটির পাশাপাশি নতুন বিধান যুক্ত করা হচ্ছে। ওই বিধান যুক্ত হলে বছরের যে কোনো সময়ে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পাবে নির্বাচন কমিশন। আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে অর্থাৎ চলতি বছরের যে কোনো সময়ে খসড়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে পারবে। এর ফলে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের তালিকায় যুক্ত হওয়া অন্তত ৪৩ লাখ ২৭ হাজারের বেশি নতুন ভোটার আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এই ভোটারদের সিংহভাগই তরুণ। তবে নির্বাচন যত বিলম্ব হবে, তরুণ ভোটারের সংখ্যা তত বাড়বে। ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে আইন সংশোধনে ইসির প্রস্তাব পেলে তা বিবেচনা করবে সরকার। তবে এ বিষয়ে কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জানতে চাইলে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, নতুন ভোটারদের ভোটার তালিকাভুক্তির কোনো চিন্তা থাকলে সরকার তা ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণ সমাজ নেতৃত্ব দিয়েছে। তাই যতটা পারা যায় তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করা উচিত।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ডিসেম্বরে ভোটগ্রহণের টার্গেট রেখে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানিয়েছেন।

ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আগামী সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন চটজলদি ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু করে। চলমান ভোটার তালিকা হালনাগাদে গত ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৫৮ লাখ ৮৯ হাজার ৮৬৬ জন নতুন ভোটার নিবন্ধন হয়েছে, যা বিদ্যমান ভোটারের প্রায় ৫ শতাংশ। নতুনদের সিংহভাগই তরুণ। তাদের মধ্যে ৪৩ লাখ ২৭ হাজারই বাদ পড়া ভোটার। তাদের জন্ম ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তারও আগে এবং তারা সবাই ১৮ বছরের বেশি বয়সি। অর্থাৎ ভোটার হওয়ার যোগ্য। বাকিদের বয়স আগামী বছরের ১ জানুয়ারি ১৮ বছর পূর্ণ হবে। তালিকায় প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ভোটার যুক্ত হচ্ছেন। একইভাবে ২১ লাখ ৭ হাজার মৃত ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করেছে ইসি।

ইসির কর্মকর্তারা বলেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী হালানাগাদে যুক্ত হওয়াদের নামের খসড়া তালিকা আগামী ২ জানুয়ারি এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ২ মার্চ প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। ওই সময়ের আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে নতুন ভোটারদের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি, তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। এছাড়া তালিকায় চিহ্নিত হওয়া মৃত ভোটারদের নাম থেকে যাবে। এ নিয়ে আইনি জটিলতাও তৈরি হতে পারে। যদিও বর্তমান আইনে বিদ্যমান ভোটার তালিকায় নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে ইসির।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ভোটার তালিকা আইনের সংশোধনী প্রস্তাব তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশনের আইন সংস্কার সংক্রান্ত কমিটি। ওই কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। ওই প্রস্তাব এখনো নির্বাচন কমিশনের সভায় অনুমোদন পায়নি। এটি কমিশনে অনুমোদন পেলে তা অধ্যাদেশ আকারে জারির জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, চলতি বছরে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হলে আইন সংশোধন করতে হবে। আইন সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে।

আইনে যে সংশোধনীর প্রস্তাব : সূত্র জানায়, ভোটার তালিকা আইনের ৩-এর দফা ‘জ’ এবং ১১(১) ধারায় সংশোধনীর প্রস্তাব করেছে ইসির এ সংক্রান্ত কমিটি। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে ধারা-৩ এর উপধারা (জ) ‘ভোটার যোগ্যতা অর্জনের তারিখ অর্থ এই আইনের অধীনে প্রতিটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন, সংশোধন, পুনঃপরীক্ষিত বা হালনাগাদের ক্ষেত্রে যেই বৎসর উহা এইরূপে প্রণীত, সংশোধিত, পুনঃপরীক্ষিত বা হালনাগাদকৃত হয় সেই বৎসরের জানুয়ারি মাসের পহেলা তারিখ অথবা কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ’ প্রতিস্থাপন করার সুপারিশ করা হয়েছে। আর ধারা ১১-এর ১ উপধারায় উল্লেখিত ‘০২ জানুয়ারি হইতে ০২ মার্চ পর্যন্ত’ এরপর ‘অথবা কমিশন কর্তৃক স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত’ শব্দসমূহ এবং ‘পূর্বের বৎসরের ০২ জানুয়ারি’-এর পর ‘বা কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত ভোটার যোগ্যতা অর্জনের তারিখ’ শব্দসমূহ যুক্তের সুপারিশ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী বছরের শুরুর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে চলমান হালনাগাদ কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া নাগরিকরা ভোট দিতে পারবেন না। এই সংশোধনী পাশ হলে সংসদ নির্বাচনের আগে যাদের বয়স ১৮ বছর হবে তারা ভোট দিতে পারবেন।

ইসির তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ১২ কোটি ৩৭ লাখ ভোটার রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ তরুণ ভোটার, যাদের বয়স ১৮ থেকে ২৯ বছর। ভোটার তালিকা হালনাগাদের পর তরুণ ভোটারের এই সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে।

Address

Tejkunipara
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভোটার আইডি এবং জন্ম নিবন্ধন সংশোধন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category