30/06/2014
রমজান মাস। এ মাস তাকওয়া অর্জনের মাস,
আত্মশুদ্ধির মাস, লাইলাতুল কদরের মাস। রহমত,
বরকত ও মাগফিরাতের মাস। জাহান্নাম
থেকে মুক্তি লাভের মাস। এ মাস কুরআন নাজিলের
মাস। এ মাসে সিয়াম বা রোজা রাখা মুসলমানদের
জন্য ফরজ। এরশাদ হচ্ছে, ‘হে ইমানদারগণ
তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন
ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পুর্ববর্তীদের ওপর
যাতে তোমরা খোদা ভীরু ও সংযমী হও’। আল্লাহর
বাণী থেকে বুঝা যায় যে, আমাদের উপরই কেবল
সিয়াম বা রোজা ফরজ করা হয় নি।
বরং পূর্ববর্তী সব নবী রাসূল ও তাদের
অনুসারীদের উপরও সিয়াম বা রোজা ফরজ ছিল।
আয়াতে কারীমায় ২টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
যথা : ১. পূর্ববতী সব নবী রাসূলের প্রতি সিয়াম
বা রোজা ফরজ ছিল ২. সিয়াম বা রোজা ফরজ
করার মূল উদ্দেশ্য হল তাকওয়া অর্জন করা।
মাহে রমজানে আল্লাহতাআলা মহাগ্রন্থ আল
কুরআন নাজিল করেছেন। এরশাদ হচ্ছেÑ‘রমজান
মাসই হলো সে মাস, যে মাসে কুরআন নাজিল
করা হয়েছে, যা মানুষের জন্য হেদায়াত
এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথ নিদেশ
আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পাথক্য রয়েছে’।
রমজান মাসে কুরআন নাজিলের কারণ হলো, মানুষ
যেন সত্য মিথ্যার পার্থক্য বুঝে চলতে পারে। আল
কুরআন হচ্ছে মানব জাতির জন্য পূর্ণঙ্গ জীবন
বিধান এবং সত্য পথে চলার জন্য আলোর রশ্নি।
বান্দারা রোজা পালনের মাধ্যমে খোদার হুকুম
পালন করে থাকেন। কুরআনের আয়াত দ্বারা যেমন
রোজার বিশেষ গুরুত্ব ও
মর্যাদা বুঝানো হয়েছে তেমনি রোজা একটা কষ্টকর
এবাদত সেটাও বুঝানো হয়েছে। কুরআনের
বাক্য,‘যারা তোমাদের পুর্বে ছিল’ এটা ব্যাপক
অর্থবোধক একটি শব্দ। এ শব্দ দ্বারা হজরত
আদম (আ.) থেকে শুরু করে হজরত ঈসা (আ.)
পর্যন্ত সকল নবীর উম্মত এবং শরীয়তকেই
বোঝানো হয়েছে।
আমাদের বুঝতে হবে তাকওয়া কি?
কি ভাবে তাকওয়া অর্জন করা সম্ভব ? রমজান
মাসে রোজা পালনের মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন
করা সম্ভব। তাকওয়াই হচ্ছে রমজান মাসের
সারবস্ত বা রোজার আসল কথা। হজরত উমর
(রা.) কা’ব আল আহবারাকে জিজ্ঞাসা করেন,
তাকওয়া কি? উত্তরে কাব (রা.) জিজ্ঞাসা করেন
আপনি কি কখনো কণ্টকাকীর্ণ পথে চলেছেন? তখন
আপনি কী পন্থা অবলম্বন করেন? হজরত উমর
(রা.) বলেন, সর্তক হয়ে কাপড় গুটিয়ে চলেছি। কাব
(রা.) বলেন, ‘এটাই তাকওয়া’। পৃথিবীর বুকে পাপ
পঙ্কিলময় কাটা ছাড়ানো রয়েছে,
তা থেকে সর্তকভাবে নিজেকে বাচিয়ে চলার নাম
হলো তাকওয়া। মোট কথা সব
কাজে মনে প্রাণে আল্লাহকে ভয়
করাকে তাকওয়া বলে।
ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম। নৈতিকর্তার ধর্ম।
নৈতিকতায় তৃতীয় স্তর হচ্ছে তাকওয়া।
তাকওয়া বলতে খোদা ভীতি বুঝায়। তাকওয়ার অর্থ
কেবল ভয় ভীতি নয়। তাকওয়া অর্থ
ফরহেজগারিতা। ভয় ভীতির আরবী শব্দ
হচ্চে ‘খাওফুন’। প্রকৃত পক্ষে তাকওয়ার অর্থ -
বাঁচা, আত্মরক্ষা করা, নিস্কৃতি পাওয়া ইত্যাদি।
আর পরিভাষায় তাকওয়া হলো, আল্লাহর ভয় ও
তার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে যাবতীয় অপরাধ,
অন্যায় ও অপছন্দনীয় চিন্তা, কথা ও কাজ-কর্ম
থেকে আত্মরক্ষার মনোভাবকে তাকওয়া বলে।
প্রত্যেক মানুষ জীবনে সুখ, শান্তি, আশার
প্রত্যাশা, রিজিক বৃদ্ধি ও সম্মান বৃদ্ধির
কামনা করেন। ষড়যন্ত্র মোকাবেলায়
নিরাপত্তা এবং পরকালের
জীবনে সফলতা কামনা করেন। আসলে পার্থিব
জীবনে প্রত্যেক মানুষ বাচার জন্য মেধা, শ্রম ও
যোগ্যতাকে পুরোপুরি ভাবে কাজে লাগায়। কিন্তু
প্রশ্ন হলো, আমরা পরকালের অসীম জীবনের
জন্য কতটুকু সময় ও শ্রম ব্যয় করেছি? এরশাদ
হচ্ছে- ‘হে ইমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর যেমন
ভয় করা উচিৎ
এবং আত্মসমর্পণকারী হওয়া ব্যতীত মৃত্যুবরণ
করো না’। এ আয়াত দ্বারা আল্লাহকে যথাযথ
ভাবে ভয় করার কথা বলা হয়েছে। আল্লাহকে ভয়
ছাড়া পরকালের সফলতা লাভ
করা কোনোক্রমে সম্ভব না। মানুষ প্রতিনিয়ত
মনে মনে অনেক পরিকল্পনার করে থাকেন।
আল্লাহতাআলা মানুষের মনের গোপন সব খবর
রাখেন এবং জানেন। এরশাদ হচ্ছে- ‘আল্লাহকে ভয়
কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের মনের সব বিষয়
সর্ম্পকে খবর রাখেন’। অন্য জায়গায় বলেছেন-
‘আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখো নিশ্চয়ই
আল্লাহ সব বিষয়েই জানেন’।
এভাবে অমুসলিমরা মুসলিমদের
প্রতি নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে চলেছেন। কিন্তু
আল্লাহ তাআলা সু-কৌশলে অমুসলিমদের তীক্ষè
ষড়যন্ত্র থেকে মুসলমানদের রক্ষা করে যাচ্ছেন।
যা অন্য কেউ সহজে বুঝতে পারে না। এরশাদ হচ্ছে-
‘যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ কর
এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে তাদের কোন
ষড়যন্ত্রই তোমাদের কোন
ক্ষতি করতে পারবে না।’
মহান আল্লাহ মানুষকে সৃস্টির
সেরা জাতি হিসাবে সৃষ্টি করেছেন। দিয়েছেন
চাওয়া পাওয়ার চাহিদা। তিনি মানুষের এ সব
চাওয়া পাওয়া পুরনের জন্য কুরআনে
প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন। এরশাদ হচ্ছে-
‘যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য চলার
পথ বের করে দেন এবং রিজিকের ব্যবস্থা এমন
ভাবে করেন যা সে কল্পনা করতে পারে না।’
এখানে যে ব্যক্তি আল্লাহ কে ভয় করে চলবে, তার
জন্য চলার পথ সহজ হবে। নশ্বর পৃথিবীতে সব
মানুষের আলাদা আলাদা কর্ম চাহিদা রয়েছে। কোন
মানুষের পক্ষে সব কর্ম টাহিদা পালন করা সম্ভব
নয়। কিন্তু যাদের
মাঝে খোদা ভীতি বা তাকওয়া রয়েছে তার জন্য
প্রতিটি কাজ করা অতি সহজ। এরশাদ হচ্ছে-
‘যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ
করে দেন’।
পবিত্র মাহে রমজানে আল্লাহ
তাআলা আসমানি কিতাব ও সহিফা সমূহ নাজিল
করেছেন। হজরত আবুজর গিফারী (রা,) হতে বর্ণিত
তিনি বলেন, হজরত রাসূল (সা.) বলেছেন হজরত
ইব্রাহিম (আ) এর উপর সহিফা সমুহ ৩ রমজানে,
তাওরাত ৬ রমজানে, ইনজিল ১৩
রমজানে এবং যবুর ১৮ রমজানে আবতীর্ণ হয়েছে।
আসমানি কিতাব মহাগ্রন্থ আল কুরআন রমজান
মাসের চব্বিশ তারিখে বায়তুল
ইজ্জতে একত্রে নাজিল হয়েছে (মাযহারী)। এরশাদ
হচ্ছে ‘নিশ্চয় আমি কুরআন অবতীর্ণ
করেছি মহিমান্বিত রাতে (কদর)।
তিনি আরো বলেন, ‘আমি তো এ কুরআন অবতীর্ণ
করেছি এক মোবারক রাতে’(দুখান)।
রমজান শব্দটি রমজ ধাতু থেকে এসেছে। অর্থ দহন
বা পোড়ানো। আবার ভারত উপমহাদেশে ফার্সির
প্রভাব থাকার কারণে পরিভাষায়
ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। রোজা ফার্সি শব্দ।
অর্থ উপবাস। আবার রোজার আরবী শব্দ
হচ্ছে সাউম। সাউমের আভিধানিক অর্থ
হচ্ছে বিরত থাকা। শরীয়তের পরিভাষায়
সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার
এবং স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকার নাম“সাউম’।
রমজান মাসের প্রখম দশ দিন রহমতের, দ্বিতীয়
দশ দিন মাগফিরাতের এবং শেষের দশ দিন দোজখ
থেকে মুক্তির ।
রমজান মাসে সুদ ঘুষ, মদ জুয়া, চুরি ডাকাতি,
জেনা ব্যভিচার, হিংসা বিদ্বেষ, হানাহানি, মারামারি,
আতœ অহঙ্কারসহ সব কিছু ভুলে সুখী, সুন্দর
সমাজ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করতে হবে। একমাত্র
সিয়াম সাধনার মাধ্যমে তাকওয়া বা খোদাভীতি গুণ
অর্জন করা সম্ভব। রমজান
মাসকে সামনে রেখে ওজনে কম দেয়া থেকে বিরত
থাকতে হবে। মিথ্যা কথা পরিহার করতে হবে।
সমস্ত কাজ কর্মে তাকওয়া বা খোদাভীতির গুণ
থাকতে হবে। তাকওয়া অর্জনের জন্য রমজান মাস
হচ্ছে আনন্দের মাস। বান্দার আনন্দ
হচ্ছে ত্রিশটি রোজা পালনে আল্লাহর নৈকট্য লাভ
করা।’ বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের জন্য
দুটি অতি আনন্দদায়ক সময়, একটি ইফতারের সময়
এবং অন্যটি আল্লাহর দিদারের সময়’।
’হাদিসে কুদসিতে এসেছে, আল্লাহ
বলেন-‘রোজা আমার জন্য, আমি নিজেই এর
প্রতিদান দিব’।
কুরআন নাজিলের কারণে আল্লাহ তাআলা রমজান
মাসের মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি করেছেন। রমজান
মাস সর্ম্পকে ‘হজরত রাসূল (সা.) বলেন, ‘যখন
রমজান মাস আগমন করে তখন জান্নাতের
দরজা খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ
করে দেয়া হয় এবং শয়তানকে শেকল পরানো হয়’।
তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি ইমানের সাথে একনিষ্ঠ
সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে তার
পেছনের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে’!! হজরত
রাসূল (সা.) আরো বলেছেন, ‘রোজা ঢাল স্বরূপ।
যদি তোমাকে কেহ গালি দেয় অথবা আঘাত করে,
তবে বলবে ভাই আমি রোজা রেখেছি।’
তিনি আরো বলেছেন-‘দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ,
এক জুম্মা থেকে আরেক জুম্মা, এক রমজান
থেকে আরেক রমজান এদের মধ্যকার সব গুনাহ
মুছে ফেলে। যদি কেনো ব্যক্তি কবিরাহ গুনাহ
থেকে বিরত থাকে তার জীবনের সব গুনাহ ক্ষমাহ
করা হবে।’ হজরত সালমান ফারসি (রা.)
থেকে বণিত তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন-
হে লোক সকল, তোমাদে কে ছায়া দান
করতে যাচ্ছে একটি মহান মাস, একটি মোবারক
মাস। এ মাসে এমন একটি মহান রাত রয়েছে,
যে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। আল্লাহ এ মাসের
সিয়ামকে ফরজ এবং কিয়ামকে নফল করেছেন।
যে ব্যক্তি এ মাসে একটি নফল কাজ
করবে সে অন্য মাসে একটি ফরজ কাজ করার
সওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি এ মাসে একটি ফরজ
কাজ করবে সে অন্য মাসে সত্তরটি ফরজ কাজের
সওয়াব পাবে। মাসটি হলো ধৈর্যের মাস, যার
পরিণতি হলো জান্নাত। এ মাস
হলো সহমর্র্মিতার। এ মাস এমন মাস
যাতে মুমিনের রিজিক বৃদ্ধি করা হয়। তিনি (সা.)
আরো বলেছেন, যে ব্যক্তি এ মাসে তার
অধিনস্তদের বোঝা হালকা করে দেবে,আল্লাহ
তাকে ক্ষমাহ করে দেবেন এবং তাকে জাহান্নাম
থেকে মুক্ত করে দেবেন’। হজরত আবু হুরায়রা (রা.)
থেকে বনিত তিনি বলেন, হজরত রাসূল (সা.)
বলেছেন-আমার উম্মতকে রমজান
মাসে পাচটি বিশেষ গুণ দান করা হয়েছে, যা তাদের
আগে কাউকে দেয়া হয় নি। যথা : ১. রোজাদারের
মুখের দুগন্ধ আল্লাহর কাছে মিশকের চেয়ে উত্তম।
২.ইফতার না করা পর্যন্ত ফিরিস্তারা তাদের
জন্য দোয়া করতে থাকবে। ৩. রোজাদারের জন্য
প্রতিদিন আল্লাহ জান্নাতকে সৌন্দর্য মণ্ডিত
করেন এবং বলেন, আমার নেক বান্দাহগণ দুঃখ-কষ্ট
সহ্য করে অচিরেই এখানে পৌঁছবে। ৪.অবাধ্য
শয়তানকে এ মাসে বন্দী করে রাখা হয় বলে অন্য
মাসের মতো এ মাসে তারা পাপকাজ সংঘঠিত
করতে পারে না। ৫.রমজান মাসের শেষ রজনিতে
তাদের ক্ষমাহ করে দেয়া হয়। রাসূল
(সা.)কে বলা হয়, তা কি লায়লাতুল কদর?
জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ, বরং শ্রমিক তার কাজ
পূর্ণ করলেই তাকে পারিশ্রমিক দেয়া হয়।”
তিনি আরো বলেন, ‘রোজাদারের মুখের গন্ধ
আল্লাহর নিকট মেশক অপেক্ষা অধিক উত্তম।
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যে কেহ
একটি রোজা রাখিবে, তিনি তাহাকে দোজখের
অগ্নি হতে সত্তর বৎসরের রাস্তা দূরে রাখিবেন।’
রোজাদার পরনিন্দা হতে বিরত থাকলে সমস্ত
দিবসই তার এবাদত রুপে গণ্য হবে। হালাল বস্তুর
দ্বারা ইফতার করত ঐ সময়
দোয়া করলে রোজাদারের দোয়া আল্লাহর দরবারের
কবুল হয়। যে রোজাদার
ব্যক্তি মিথ্যা কথা পরিত্যাগ করতে পারে নাই
খোদা তার রোজার প্রতি রাজী নয়।
রমজান মাসের রোজাকে শুধু এবাদত
এবং তাকওয়া অর্জনের প্রশিক্ষণ রুপেই নিদিষ্ট
করা হয় নাই। বরং আল্লাহ
তাআলা কুরআনকে মানুষের পূর্ণাঙ্গ জীবন
ব্যবস্থা হিসাবে বিরাট নিয়ামত রুপে দান করেছেন।
কুরআন মজিদ থেকে আমরা তার সন্তোষ বিধানের
পথ ও পন্থা জেনে সে অনুযায়ী চলার
চেষ্টা করতে হবে। রমজান মাসে রোজা পালনের
মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন করা, কুরআন নাজিলের
পবিত্র মাসে আমাদের রোজা শিক্ষা, নৈতিক
‘প্রশিক্ষণ’ নয় বরং সেই সঙ্গে কুরআনের ন্যায়
বিরাট নিয়ামতের শোকর আদায় করা উচিৎ। তাই
আসুন, আমরা সবাই দিনে রোজা পালন
করি এবং রাতে কুরআন তিলাওয়াত করি। তখ্য
সুত্রঃ তাফসিরুল কুরআন, বোখারী শরীফ,
ইসলামী সাহিত্য।