02/16/2023
জনাব ফুজেল আহমদ কতৃক উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের জবাবে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টো নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য:
————————————————-
আগামী ১৯শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টো, কানাডার নির্বাচনে জনাব ফুজেল আহমদ সহকারী সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য একজন প্রার্থী। তিনি গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত একটি সভায় নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তার অভিযোগ উত্থাপন করেন এবং নির্বাচন কমিশনকে এব্যাপারে লিখিতভাবে অবহিত করেন।
জনাব ফুজেল আহমদ কতৃক উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের জবাবে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য নিম্নরূপ:
প্রথমেই তিনি এ মর্মে অভিযোগ করেন যে উনাকে উনার বৈধ প্রার্থীতার বিষয়ে অফিসিয়ালি কিছু জানানো হয়নি এবং এজন্য তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্তের অভিযোগ আরোপ করেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট জবাব হলো- গত ২৪শে জানুয়ারী ছিল প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২৭শে জানুয়ারি জনাব ফুজেল আহমদকে ভোটার তালিকা হস্তান্তর করা হয় এবং প্রাপ্তিস্বীকার পত্রে স্বাক্ষরপূর্বক তিনি ঐ ভোটার তালিকা গ্রহণ করেন। তাছাড়া বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রজ্ঞাপন জারি করেও বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
সুতরাং, যেখানে একজন বৈধ প্রার্থী হিসেবে তিনি নিজে প্রাপ্তিস্বীকার পত্রে স্বাক্ষর করে ভোটার তালিকা গ্রহণ করেন সেখানে উনাকে অফিসিয়ালি না জানানোর অভিযোগটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন।
জনাব ফুজেল আহমদ অভিযোগ করেন যে, গত ১৩ই জানুয়ারী ছিল মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কতৃক জানুয়ারীর ৩১ তারিখে দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে ঐ তারিখ ২২শে জানুয়ারি বলে উল্লেখ করা হয় এবং বিষয়টিকে তিনি ‘গোপনে সময় বৃদ্ধি’ বলে আখ্যায়িত করেন।
নির্বাচন কমিশন এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঐ অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে।
নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার জন্য জনাব ফুজেল আহমদের এহেন ভিত্তিহীন অভিযোগের জবাবে নির্বাচন কমিশন কতৃক নমিনেশন পেপার জমাদান প্রক্রিয়ায় সকল প্রার্থীর প্রতি যে কোনপ্রকার পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি, নির্বাচন কমিশন সে ব্যাপারে বিষদ ব্যাখ্যা দেয়ার তাগিদ অনুভব করছে।
জনাব ফুজেল আহমদ ১৩ই জানুয়ারী ইমেইল করে উনার নমিনেশন পেপার জমা দেন। উনার নমিনেশন পেপারে উনি পদের নাম উল্লেখ করেন ‘Joint Secretary’। উল্লেখ্য যে, সংবিধানের কোথাও Joint Secretary বলতে কোন পদের নাম নেই, পদটির আসল নাম Assistant General Secretary। এহেন গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য কোন প্রার্থীর এরূপ ভুল বিস্ময়কর বটে। নির্বাচন কমিশন সাথে সাথে উনাকে শুদ্ধ করে পদের নামটি লিখার ব্যাপারে অবহিত করেন এবং নূতন নমিনেশন পেপার জমা দেবার বিষয়টি জানান। কিন্তু জনাব ফুজেল আহমদ জানান যে, কাজের চাপ হেতু তিনি ঐদিন, অর্থাৎ নমিনেশন পেপার জমা দেবার শেষ তারিখে (১৩ই জানুয়ারী) তা জমা দিতে পারবেননা এবং পরবর্তী তারিখ, অর্থাৎ ১৪ই জানুয়ারী ইমেইল করে নূতন নমিনেশন পেপার জমা দেন।
নমিনেশন পেপার জমাদানের নির্ধারিত তারিখ অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও নির্বাচন কমিশন সকল প্রার্থীর প্রতি সুষ্ঠু এবং পক্ষপাতহীন ভূমিকার স্বার্থে উনার নূতন নমিনেশন পেপার গ্রহণ করেন (যেহেতু তিনি ভুলভাবে লিখিত মূল নমিনেশন পেপার জমা দেন ১৩ই জানুয়ারী)। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতহীন ভূমিকার এক উজ্জ্বল উদাহরণ। নতুবা জনাব ফুজেল আহমদ কতৃক গুরুতর ভুলভাবে পূরণকৃত নমিনেশন পেপার খারিজ করে দেবার পুরোপুরি এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের ছিল। এ সংক্রান্ত সকল লিখিত প্রমাণ নির্বাচন কমিশনের কাছে রয়েছে।
জনাব ফুজেল আহমদ দুইজন ভোটারের ফোন নাম্বার হিসেবে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মেহেদী মারুফের মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগ করে বিষয়টিকে তিনি মেহেদী মারুফের ‘নৈতিক স্খলন’ বলে আখ্যায়িত করেন।
যোগাযোগের জন্য একটি ফোন নাম্বার ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহারের বিষয়টি কোন অবস্থাতেই নৈতিক স্খলন হিসেবে গণ্য হয়না। কোন পরিবারের একাধিক সদস্য অথবা নিকটাত্বীয়/ পরিচিতজনদের ক্ষেত্রেও একটি সাধারণ ফোন নাম্বারের উল্লেখ বহুলভাবে প্রচলিত একটি পন্থা। তথাপি নির্বাচন কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। সুতরাং, জনাব ফুজেল আহমদ কতৃক নৈতিক স্খলনের অভিযোগটি পুরোপুরি অবান্তর।
জনাব ফুজেল আহমদ সহকারী ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদের জন্য প্রার্থী জনাব আলী হোসেন সহ আরো কয়েকজন ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় দুইবার এসেছে উল্লেখ করেন এবং জনাব আলী হোসেনের বিষয়টিকে তিনি ‘নৈতিক স্খলন’ বলে আখ্যায়িত করেন। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবে এবং এ বিষয়ে যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধান মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এব্যাপারে আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ভোটার তালিকা প্রস্তুত সহ বিভিন্ন ড্যাটাবেজ তৈরীতে অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। আন্তর্জাতিক সকল পরিসংখ্যানে ৪ থেকে ৫ শতাংশ margin of error- অর্থাৎ ভুলের মাত্রাকে সিদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
যেখানে ৪ থেকে ৫ শতাংশ margin of error বা ভুলের মাত্রাকে সিদ্ধ হিসেবে ধরা হয় সেখানে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর ভোটার তালিকাতে তা মাত্র দশমিক ৭৪ শতাংশের মতো।
হাতেগোণা যে কয়েকটি নাম দুইবার এসেছে তার একটি হলো জনাব মঈন চৌধুরী। টরন্টোর জালালাবাদ কম্যুনিটিতে যারা বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত তাদের সবার কাছে জনাব মঈন চৌধুরী একজন অতিপরিচিত এবং শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। উনার মতো সিনিয়র ব্যক্তির পক্ষে জেনেশুনে অথবা জালালাবাদ কমিটি কতৃক সুকৌশলে উনার নাম দুইবার উঠানোর বিষয়টি বিস্ময়কর বটে। তথাপি নির্বাচন কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
জনাব ফুজেল আহমদ উল্লেখ করেছেন যে, দুইজন ভোটার ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট। নির্বাচন কমিশন উক্ত দুইজনের স্ট্যাটাসের বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখবে।
তিনি আরো উল্লেখ করেছেন যে, একজন ভোটারকে ফোন করে পাওয়া যায়না অর্থাৎ ভোটার তালিকায় ভুল ফোন নাম্বার দেয়া হয়েছে।
আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা যে, ফোন নাম্বার এমনকি ঠিকানা সতত পরিবর্তীত হয়। সুতরাং ফোন করে কোন ভোটারকে না পাবার অভিযোগটি পুরোপুরিই অযৌক্তিক ব্যাপার।
যেখানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে দক্ষ, পেশাদার এবং উচ্চ বেতনভোগী জনবল নিয়েও বিভিন্ন ড্যাটাবেজ তৈরীতে অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হয়, সেখানে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের মতো ক্ষুদ্র এবং অবৈতনিক সংগঠনের ক্ষেত্রে তা প্রকৃত অর্থে নস্যি মাত্র। (এক্ষেত্রে পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য উপাত্ত দ্রষ্টব্য)।
সুতরাং, আন্তর্জাতিক মানদন্ডের বিচারেও এ ভোটার তালিকা যে পুরোপুরি সিদ্ধ তা প্রশ্নাতীত।
জনাব ফুজেল আহমদ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির বিরুদ্ধে উনার নির্বাচনী প্রচারণাতে বাধা প্রদানের অভিযোগ আনেন।
উনার অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন কতৃক জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটিকে সংবিধানের 16.0 (c)(x) ধারা মোতাবেক মৌখিক এবং লিখিতভাবে সতর্ক করে দেয়া হয়।
জনাব ফুজেল আহমদ ভোটারের সংখ্যা কম বলে অভিযোগ করেন এবং ভোটার তালিকাটিকে অসম্পূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেন।
এব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য হলো- জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন দেশের সরকারব্যবস্থার আদলে গঠিত এবং পরিচালিত কোন নির্বাচন কমিশন নয়। কোন দেশের নির্বাচন কমিশনের সাথে এ নির্বাচন কমিশনের তুলনাও চলেনা।
এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো এসোসিয়েশনের সাংবিধানিক কাঠামোর আওতায় নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা। ভোটার তালিকায় কমবেশীর হিসাব নিরূপণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের নয়।
জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি তাদের অফিসিয়াল হোম পেজ, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং পত্রপত্রিকাতে বিজ্ঞপ্তি প্রদানের মাধ্যমে দীর্ঘ ছয়মাসেরও অধিক সময় প্রদান করে সদস্য রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। সদস্য রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়াকে সহজতর করার লক্ষ্যে অনলাইনেও ভোটার রেজিস্ট্রেশনের সুবিধা রাখা হয়।
উপরন্তু, রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ অতিক্রান্ত হবার অব্যবহিত পূর্বে জালালাবাদ কম্যুনিটির বিজ্ঞ এবং সম্মানীত ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ভোটার রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ পুনরায় বর্ধিত করা হয়।
সুতরাং, ভোটার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় কোনপ্রকার লুকোচুরির অবকাশ ছিলনা।
নির্বাচন কমিশন দ্ব্যর্থহীন ভাষায় আবারো বলতে চায়, ভোটার তালিকায় কমবেশীর হিসাব নিরূপণের দায়িত্ব কোনভাবেই নির্বাচন কমিশনের উপর বর্তায়না এবং ভোটার তালিকা স্থগিত করার দাবিটিও পুরোপুরি অবান্তর।
জনাব ফুজেল আহমদ যথারীতি এসোসিয়েশনের ব্যাংক ব্যালেন্স প্রদানের বিষয়টির উত্থাপন করেন। তিনি লিখেন,
“জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টো এর ব্যাংক হিসাব যাহা নির্বাচন কমিশন এর হাতে থাকার কথা এবং প্রার্থীদের সেটা চাহিবার প্রেক্ষিতে বিতরণ করার কথা। যাহা সমন্বয় ও সংলাপ কমিটির মিটিং এর কার্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে অথচ অন্যতম একজন কমিশনার আমাকে জানিয়েছেন তাদের কাছে একসেসই নাই। ব্যাপারখানা খুবই ভয়াবহ এবং হাস্যকর ও বটে।”
নির্বাচন কমিশন কতৃক প্রদত্ত তাদের পূর্ববর্তী বিবৃতিতে এ বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে। সকলের অবগতির জন্য আবারো সে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো-
এসোসিয়েশনের সংবিধানে নির্বাচন কমিশন কতৃক কোন প্রার্থীকে এসোসিয়েশনের ব্যাংক একাউন্ট ব্যালেন্সের তথ্য প্রদানের কোনরূপ নির্দেশনা নেই।
এখানে সকলের অবগতির জন্য আরো জানানো যাচ্ছে যে, সংবিধান নির্বাচন কমিশনকে পর্যন্ত এসোসিয়েশনের ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করেনি এবং উক্ত ব্যাংক একাউন্টের সাথে নির্বাচন কমিশনের কোনপ্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই।
সুতরাং, নির্বাচন কমিশন কতৃক কোন প্রার্থীকে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর ব্যাংক একাউন্ট ব্যালেন্সের তথ্য প্রদানের বিষয়টি পুরোপুরি অবান্তর।
(এক্ষেত্রে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টো, কানাডার সংবিধান দ্রষ্টব্য)।
জনাব ফুজেল আহমদ সমন্বয় ও সংলাপ কমিটির মিটিংয়ের প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন। বুঝতে হবে যে তা ছিল ঐ কমিটির একটি সুপারিশ মাত্র, এবং ঐ সুপারিশ কখনো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
সহকারী সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পদের প্রার্থীর ক্ষেত্রে কোন কমিটির সুপারিশ এবং সংবিধানের মধ্যে পার্থক্য নিরুপণ করতে না পারাটা পরম বিস্ময়কর বৈ কি।
নির্বাচন কমিশন উপরোক্ত বক্তব্যের মাধ্যমে জনাব ফুজেল আহমদ কতৃক উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্ন ও অভিযোগের জবাবে তাদের সুস্পষ্ট জবাব দেবার প্রয়াস পেয়েছে।
নির্বাচন কমিশন এ মর্মে সকলকে অবগত করছে যে, ভোটের দিন প্রতিটি ভোটারের পরিচয় যাচাই বাছাই করে ভোট প্রদান নিশ্চিত করা হবে। হাতেগোণা যে কয়জন ভোটারের নাম অনিচ্ছাকৃতভাবে তালিকায় দুইবার এসেছে সেক্ষেত্রে দ্বৈত ভোট প্রদানের কোনপ্রকার সুযোগই নেই।
নির্বাচন কমিশনকে প্রতিটি পদক্ষেপ সংবিধান মোতাবেক সম্পন্ন করতে হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন কারও প্রতি রাগ বা অনুরাগের বশবর্তী না হয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ রাখার ব্যাপারে সদা অঙ্গীকারাবদ্ধ।
একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সকলের সহযোগীতা ও অংশগ্রহণের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সম্মানীত সকলকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
ধন্যবাদান্তে-
১. মুশতাক আহমদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার
২. সরোয়ার জিল্লুল মোস্তফা কমিশনার
৩. জামসেদ মিসকাত ফারুক চৌধুরী কমিশনার
৪. আজফর আহমদ সৈয়দ (ফেরদৌস) কমিশনার
৫. সাকের মোস্তফা চৌধুরী কমিশনার