বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাইবান্ধা জেলা শাখা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাইবান্ধা জেলা শাখা Informations de contact, plan et itinéraire, formulaire de contact, heures d'ouverture, services, évaluations, photos, vidéos et annonces de বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাইবান্ধা জেলা শাখা, Parti politique, Democratic Republic of the.

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী ছাত্রসংগঠন। এটি মূলত বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর ছাত্রসংগঠন হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস
প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৪৮ সালে ৪ ঠা জানুয়ারি।

30/08/2026

শোকাহত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাইবান্ধা জেলা শাখা পরিবার,
পৌর ছাত্রলীগে যুগ্ন-আহবায়ক তমালের পিতা এবং কৌশিকের স্ত্রী মারা গেছেন।

30/08/2026

বাংলাদেশ ২০ টা ফাইটার জেট কিনবে—ভালো কথা।
কিন্তু তেল তো বাংলাদেশে নেই। পানি দিয়ে চলবে তো এই ফাইটার জেট? না, মানে—খেতে পারে না, পরতে পারে না, দেশে গ্যাস নেই, পানি নেই, জ্বালানি নেই, বিদ্যুৎ নেই—অথচ যুদ্ধ করার স্বপ্ন দেখা কি বিলাসিতা নয়?

‘আমরা না খেয়ে মরব, তবু ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করব’—৭১ সালে পরাজিত রাজাকারদের বংশধরেরা হয়তো এমন কথাই বলবে। আসলে যুদ্ধের এই স্বপ্নটাও যেন তাদের রক্তের বেদনা থেকে উৎসারিত।

প্রতিবেশীর সঙ্গে ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে যেখানে সুসম্পর্ক স্থাপন করা যায়, সেখানে তুমি যুদ্ধের কথা ভাবো। যে দেশ থেকে আলু, পেঁয়াজ, ডিজেল, বিদ্যুৎ—এসব না এলে তোমার দেশের মানুষ নাজেহাল হয়ে যায়, সেই দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক না রেখে যুদ্ধের হুমকি দাও!

যুদ্ধ করো—যদি তুমি স্বাবলম্বী হয়ে থাকো। যে দেশকে তুমি হুমকি দাও, সেই দেশের উজান থেকে পানি ছেড়ে দিলে যদি বছরের আট মাস বন্যায় প্লাবিত হতে হয়, তাহলে সেই দেশের সঙ্গে যুদ্ধ নয়, সুসম্পর্কেই বিশ্বাসী হওয়া উচিত।

পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশ আমেরিকাও নিজের স্বার্থ ও ভালো-মন্দ বুঝেই অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে এবং ভাঙে। কিন্তু বাংলাদেশ সেটা বুঝতে চায় না। অবশ্য, এ দেশের ‘তৌহিদী জনতা’ নামক গরু-মার্কা লোকজন যতদিন থাকবে এবং ‘সাগল-মার্কা’ সরকার ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন সেটা বোঝার কথাও নয়।

ভৌগোলিক অবস্থান এবং আয়তনের দিক থেকে আমরা যেন একটা মুরগির খামার। বাংলাদেশের প্রয়োজন বন্ধুত্ব। কারণ, আমরা যদি শত্রুতা করি, ক্ষতিটা শেষ পর্যন্ত আমাদেরই হবে।

১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শামসুল আলম এবং ক্যাপ্টেন আকরাম আহমেদের নেতৃত্বে একটি একক ইঞ্জিনের ‘ডিএইচসি-৩ অটার’ (DHC-3 Otter) বিমান নিয়ে ভারতের নাগাল্যান্ড থেকে উড়ে এসে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা তেল ডিপোতে সফল বোমা হামলা চালানো হয়। এই হামলায় পাকিস্তানি বাহিনীর জ্বালানি সরবরাহের প্রধান তেল ডিপোটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়, যা পাকিস্তানি বিমান ও নৌবাহিনীর জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি করে। একটি মাত্র হামলাই পাকিস্তানি বাহিনীর জন্য কতটা বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে—এই ঘটনাই তার প্রমাণ।

সুতরাং আমাদের বুঝতে হবে—‘যুদ্ধ করব’, ‘ভারত দখল করব’—এসব সস্তা কথায় ‘তৌহিদী জনতা’ নামক মানুষগুলোর মন জয় করা সম্ভব। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

ভারতের যে কোনো একটি জায়গা থেকে যদি চট্টগ্রামের প্রধান তেল স্থাপনায় একটি হামলা হয়, তাহলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে, তা ভাবুন। তখন ‘কেল্লাফতে’ অবস্থা হবে।

তাই শেখ হাসিনা সরকারের মতো কূটনীতির গুরুত্ব বুঝুন এবং সেভাবেই সম্পর্ক পরিচালনা করুন।

ভারত থেকে ১৪ টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ কেনার বিরোধিতা করেছেন—ভালো কথা। এবার চীন থেকে ২৫ টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তিরও বিরোধিতা করুন। কারণ, এই বাড়তি টাকা শেষ পর্যন্ত আপনার-আমার বিদ্যুৎ বিল থেকেই দিতে হবে।

নিজের দেশের মানুষ যেখানে না খেয়ে মরছে, সেখানে ২.৩০২ বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধবিমান কেনার যৌক্তিকতা কী—সেই প্রশ্ন করুন।

দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের স্বপ্ন দেখার আগে বাস্তবতা নিয়ে ভাবুন।

এই নিউজটি সালাহউদ্দিন সাবকে পাঠিয়ে দিন, চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন এই যে, আজকেও একটা কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে!!কল কারখানা বন...
28/08/2026

এই নিউজটি সালাহউদ্দিন সাবকে পাঠিয়ে দিন, চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন এই যে, আজকেও একটা কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে!!
কল কারখানা বন্ধ হচ্ছে তিনি নাকি খোঁজে পাচ্ছে না!
এতো মিথ্যাবাদী নির্লজ্জ কেম্নে হয় মানুষ!
ওদের ভণ্ডামি আর মিথ্যাচার দেখে লজ্জা নিজেই লজ্জিত হয়!!.

'আনুষ্ঠানিকভাবে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করলো ম‍্যাট্রিক্স ড্রেসেস লিমিটেড'

এটাই ঝুলাই লাল স্বাধীনতা ও নূতন বাংলাদেশ!!

রাস্তা পার হবার সময় অদ্ভুত সুন্দর অথচ ভাঙা বাড়িটা দেখে ছেলেটি বললো,:মা,ঐ বাড়িটি কা'র?: তুমি যে মাটিতে দাঁড়িয়ে আছো, যে আক...
23/08/2026

রাস্তা পার হবার সময় অদ্ভুত সুন্দর অথচ ভাঙা বাড়িটা দেখে ছেলেটি বললো,

:মা,ঐ বাড়িটি কা'র?

: তুমি যে মাটিতে দাঁড়িয়ে আছো, যে আকাশের নীচে, যে বৃক্ষের ছায়ায়, তারা সবাই জানে বাড়িটি তাঁর।

: কিন্তু কা'র সেটাতো বলো

: তুমি যত বড় হবে তত জানবে। এই মানুষটি ছিলেন সবার চেয়ে উঁচু। সুপুরুষ।
তিনি বিদেশীদের মতো ব্র্যাকব্রাশ করে চুল আঁচড়াতেন।
সবাই যখন বিড়ি সিগারেট খেতো তাঁর হাতে তখন মৌ মৌ তামাক ভরা পাইপ।

: কি নাম তাঁর?
:তাঁর একশ একটা নাম। খোকা, পিতা, বন্ধু, তাঁর আরেক নাম বাংলাদেশ....

বলতে বলতে ওরা দু জন এগিয়ে চলছিল।বাচ্চাটি ভয় পেয়ে মাকে জড়িয়ে ধরলো। মুখ লুকালো শাড়ির আঁচলে,
: মা পোড়া পোড়া গন্ধ কেন?

মা কোন কথা বললেন না। বত্রিশের ছাই ভেদ করে উড়ে আসা একটি পালক ঝরে পড়লো ছেলেটির বুক পকেটে।

আহ্লাদিত ছেলেটি দু হাতে জড়িয়ে মুখে নাকে ঘষতে ঘষতে বললো
: কী দারুণ সুগন্ধি মা।

মা হেসে বললেন, তিনি যে এদেশের দেবদারু, চন্দন। দেশের আকাশ,বাতাস,ফুল, পাখি, নদী এমন কি ছাই আগুনেও তিনিই সুবাসিত কস্তরী।

প্রিয় Dasgupta

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার সাক্ষীর জবানবন্দীহাওয়া ভবনের বৈঠকের বর্ণনা দেন মাওলানা আবদুর রশিদ--------------------বহুল ...
21/08/2026

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার সাক্ষীর জবানবন্দী
হাওয়া ভবনের বৈঠকের বর্ণনা দেন মাওলানা আবদুর রশিদ
--------------------

বহুল আলোচিত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার সাক্ষী আল মারকাজুল ইসলাম বাংলাদেশ মাদ্রাসায় কর্মকর্তা মাওলানা আবদুর রশিদ আদালতে দেয়া জবানবন্দীতে বলেছেন, ‘সেদিন হাওয়া ভবনে তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, লুৎফুজ্জামান বাবর, মেজর জেনারেল (অব) রেজ্জাকুল হায়দার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আবদুর রহিমকে প্রবেশ করতে দেখি। সেখানে আগে থেকেই মুফতি হান্নান, মাওলানা তাইজুদ্দিনসহ অন্যরা অপেক্ষায় ছিল। আমি হাওয়া ভবনের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলাম।’ আল মারকাজুল ইসলাম বাংলাদেশ মাদ্রাসায় কর্মরত মাওলানা আবদুর রশীদের আদালতে দেয়া জবানবন্দীতে হাওয়া ভবন, তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আসামিদের বৈঠক ও পরিকল্পনার করার ঘটনার স্বপক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আদালতে। আদালতে দেয়া জবানবন্দীতে মাওলানা আবদুর রশীদ বলেন, তার আত্মীয় মুফতি শহিদুল্লাহ তাকে আল মারকাজুল ইসলাম বাংলাদেশ মাদ্রাসায় চাকরি দেয়। সেখানে মাওলানা তাইজুদ্দিন, মুফতি হান্নান, শেখ সালাম, শেখ ফরিদ, মুফতি সফিকুর রহমানসহ অনেকে আসতেন। একদিন মাওলানা তাইজুদ্দিন, মুফতি হান্নানরা সেই মাদ্রাসায় যায়। সেখানে গিয়ে তারা বনানীর হাওয়া ভবনে যাওয়ার কথা বলে গাড়ি দিয়ে সহযোগিতার কথা বলে অনুরোধ জানায়। তাদের অনুরোধে মাদ্রাসার একটি গাড়ি করে আমিসহ (রশিদ) হাওয়া ভবনে যাই। আমাকে ভবনটির নিচে রেখে তাইজুদ্দিন ও হান্নান ভেতরে প্রবেশ করেন। আমি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ভবনে তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, লৎফুজ্জামান বাবর, মেজর জেনারেল (অব) রেজ্জাকুল হায়দার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আবদুর রহিমকে প্রবেশ করতে দেখি। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় মুফতি হান্নানসহ ১২ আসামি এ মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী পেশ করেছে। আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী উপস্থাপন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৫১১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এর মধ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) সিআইডির জ্যেষ্ঠ বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দসহ ২২৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আল মারকাজুল ইসলাম বাংলাদেশ মাদ্রাসায় কর্মরত মাওলানা আবদুর রশীদ হাওয়া ভবনে যাওয়ার ঘটনা সাক্ষী হিসেবে আদালতে বর্ণনা করেছেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সাক্ষী মাওলানা আবদুর রশিদের জবানবন্দীতে দেয়া এ সাক্ষ্য তুলে ধরেছেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলী সিনিয়র এ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান। আদালতে দেয়া মাওলানা আবদুর রশিদের দেয়া জবানবন্দী অনুযায়ী বনানীর হাওয়া ভবনে বৈঠকের বিষয়টির প্রমাণ পাওয়া যায়। হাওয়া ভবনের ওই বৈঠকে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অন্যদের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন জঙ্গী সংগঠন হুজির প্রধান মুফতি আবদুল হান্নান, গ্রেনেড সরবরাহকারী সাবেক মন্ত্রী পিন্টুর ভাই মাওলানা তাইজুদ্দিন। মাওলানা আবদুর রশিদ আদালতে সাক্ষ্যদানকালে হাওয়া ভবনে কারা উপস্থিত ছিলেন তা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে আদালতে তুলে ধরেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় হুজি প্রধান মুফতি আবদুল হান্নানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হুজি সদস্য মামলার অন্যতম আসামি জঙ্গী শরীফ সাইদুল আলম বিপুল, আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আবদুর রাজ্জাকের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও তুলে ধরা হয়। এই মামলার আসামি জঙ্গী শরীফ সাইদুল আলম বিপুলের জবানবন্দীতে বলেন, মুফতি হান্নানের কাছ থেকে গ্রেনেড নিয়ে সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয়। ২০০৪ সালের ১৯ আগস্ট ওই জঙ্গী আসামি ঢাকায় মুফতি হান্নানের সঙ্গে সাক্ষাত করে সিলেটের উদ্দেশে চলে যায়। ২০ আগস্ট ২০০৪ সালে তাকে মুফতি হান্নানের ভাই মহিবুলাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি ফোনে জানায় ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হবে। পরের দিন ২১ আগস্ট রাতে সে জানতে পারে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় বহু হতাহত হয়েছে। পরে মুফতি হান্নান ২১ আগস্টের ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত ঘটনা জানায় তাকে। মামলায় গ্রেফতার হওয়া ১২ আসামি যারা ২১ আগস্ট ঘটনায় আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম আসামি জঙ্গী শরীফ সাইদুল আলম বিপুল। আদালতে দেয়া জবানবন্দীর বিবরণে জানা গেছে, হুজি প্রধান মুফতি আব্দুুল হান্ননের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী হুজির সদস্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার অন্যতম আসামি আরিফ হাসান সুমন তার জবানবন্দীতে বলেন, বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাইজুদ্দিন জঙ্গী সংগঠন হরকত-উল-জিহাদের ঢাকার প্রধান ছিলেন। তাইজুদ্দিন এ আসামির বাড়িতে ভাড়া থাকত এ সুবাদে তাইজুদ্দিনের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল। তাইজুদ্দিনের কাছে অনেক পাকিস্তানী নাগরিক আসত। এছাড়া মাওলানা হাফেজ আবু তাহের, মাওলানা মুনিরসহ অন্যরা তার কাছে আসত। ২১ আগস্ট ঘটনা বিষয়ে বিস্তারিত মাওলানা তাইজুদ্দিন জানে বলে আসামি সুমন তার জবানবন্দীতে উল্লেখ করেছে। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে রাষ্ট্রপক্ষের চীফ প্রসিকিউটর সৈয়দ রেজাউর রহমান আদালতে বলেছেন, তারেক রহমানের তৎকালীন রাজনৈতিক কার্যালয় হাওয়া ভবন ও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের তৎকালীন উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর সরকারী বাসভবনে এই গ্রেনেড হামলার ষড়যন্ত্র করা হয়। সাক্ষী ইউসুফের দেয়া জবানবন্দী অনুযায়ী হুজি প্রধান মুফতি হান্নান জানায়, তারেক রহমান ২১ আগস্ট হামলা বাস্তবায়নে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন। সে আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর তাদের সহায়তা দেন। রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে এ মামলার বিচার চলছে। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের পক্ষে সাফাই গেয়ে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন পর্ব শেষ পর্যায়ে এখন। এরপরই এই মামলার বিচারকার্য শেষে রায়ের পর্বে পৌঁছাবে। আগামী মাসেই বহুল আলোচিত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার বিচারকার্য শেষ হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আনিসুল হক। প্রসঙ্গত, বিএনপি-জামায়াতের জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের এক সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই নৃশংস হামলায় ২৪ জন নিহত ও নেতাকর্মী-আইনজীবী-সাংবাদিকসহ পাঁচ শতাধিক লোক আহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের পতœী আইভি রহমান। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রথম সারির অন্যান্য নেতা এই গ্রেনেড হামলা থেকে বেঁচে যান। এতে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচ- শব্দে তার শ্রবণেন্দ্রীয় আঘাতপ্রাপ্ত হলে গুরুতর আহত হন। আহত হন তিন শতাধিকজন যাদের মধ্যে অনেকেই গুরুতর আঘাত নিয়ে দুঃসহ যন্ত্রণার জীবনযাপন করে যাচ্ছেন।

কার্টেসি- জনকণ্ঠ

19/08/2026

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গাইবান্ধা সদর উপজেলা নেতা এবং ৯নং খোলাহাটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ ইসলাম লুইচের নিঃশর্ত মুক্তি চাই দিতে হবে।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

বিনম্র শ্রদ্ধা
14/08/2026

বিনম্র শ্রদ্ধা

10/08/2026

অনলাইনে কীভাবে কথাবার্তা বলতে হবে সেই বিষয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা।

08/08/2026

গত দুই বছরে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় অর্জনটা সম্ভবত আমরা এখনো ঠিকমতো অনুধাবন করতে পারিনি। অর্জনটা সাংগঠনিক নয়, এটা রীতিমতো আধ্যাত্মিক!

অনলাইনে আমরা যারা টুকটাক আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলি, সেই অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের মন-মানসিকতা এখন প্রায় সাধু-সন্তের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। যে নেতার পাজামা-পাঞ্জাবি ছেঁড়ার জন্য একসময় হাজারো অ্যাক্টিভিস্ট এক পায়ে খাড়া ছিল, আজ তারাই আবার সেই নেতাকে সঙ্গে নিয়েই আওয়ামী লীগের যুদ্ধটা লড়তে চায়। অর্থাৎ রাজনীতির পুরোনো হিসাব, ব্যক্তিগত ক্ষোভ, গ্রুপিং, কে কাকে অপমান করেছিল, কে কার বিরুদ্ধে ছিল, সবকিছুর ঊর্ধ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এক নতুন রাজনৈতিক দর্শন: ‘নিজেরা-নিজেরা’।

বিপদের দিনে নিজেদের মধ্যকার বিভাজনের চেয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ঐক্য যে বড়, এই বোধ যদি সত্যিই প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে, তাহলে গত দুই বছরের ধাক্কা অন্তত একটি বড় শিক্ষা দিয়ে গেছে। গতকাল যারা পরস্পরের পাঞ্জাবি ছিঁড়তে প্রস্তুত ছিল, আজ তারা যদি একই পতাকার নিচে পাশাপাশি দাঁড়াতে পারে, এর চেয়ে ‘ইস্পাত-কঠিন ঐক্য’ আর কী হতে পারে!
Sushanta Das Gupta দাদার ফেসবুক পোস্ট।

বেগম ফজিলাতুন নেছা: শক্তিশালী বাঙালি নারীর প্রতীক  আজকের দিনে আমরা গণমাধ্যমে অনেক ফার্স্ট লেডিকে দেখি, বিভিন্ন দেশের শাস...
08/08/2026

বেগম ফজিলাতুন নেছা: শক্তিশালী বাঙালি নারীর প্রতীক

আজকের দিনে আমরা গণমাধ্যমে অনেক ফার্স্ট লেডিকে দেখি, বিভিন্ন দেশের শাসকদের স্ত্রীদের দেখি, রাজনৈতিক নেতাদের পরিবারের অনেক সদস্যের ব্যয়বহুল বিলাসিতা ও আত্মপ্রচারণা দেখি। সেই হিসাবে বেগম মুজিব তথা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব (বঙ্গবন্ধুর রেণু) ছিলেন একেবারে অন্যরকম। একজন আদর্শ বাঙালি পরিবারের স্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী, এমনকি একজন মা হিসেবেও তিনি ছিলেন অনন্যা, তুলনাহীন। আবার একজন দেশপ্রেমিক, আত্মত্যাগী ও জনগণমন অধিনায়ক রাজনৈতিক নেতার স্ত্রী হিসেবে ছিলেন যোগ্যতম সহকর্মী। সরল জীবন, দূরদর্শী মন, কোমলে-কঠোরে তিনি শক্তিশালী বাঙালী নারীর অনুকরণীয় প্রতীকে পরিণত করেছেন নিজেকে।

টুঙ্গিপাড়ার সাধারণ গ্রাম থেকে উঠে এসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাঙালি জাতির জনক হয়ে ওঠার পেছনে এই মহীয়সী নারীর অবদান অপরিসীম। তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবনে ছিলেন বলেই পরিবার নিয়ে নির্ভার থাকতে পেরেছেন বঙ্গবন্ধু। এমনকি বঙ্গবন্ধু যখনই জেলে গেছেন, তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ করতেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর বার্তা নিয়মিত পৌছে দিতেন নেতাকর্মীদের কাছে।

সম্পর্কে বেগম ফজিলাতুন নেছা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চাচাতো বোন। শৈশবেই পিতৃহীন হওয়ায় দাদা শেখ কাশেম দ্রুতই বিয়ে দিয়ে দেন তাকে। ফজিলাতুন নেছার বয়স তখন মাত্র তিন বছর, শেখ মুজিবের তেরো বছর। পাঁচ বছর বয়সে তার মা মারা গেলে শেখ মুজিবের স্নেহময়ী মা সায়েরা খাতুন ছেলের বউকে কোলে পিঠে করে বড় করেন। শেখ পরিবারের যৌথ পরিবারে অনেকের সঙ্গে বড় হয়ে ওঠেন তিনি। তখন থেকেই তার মধ্যে ধৈর্য ও সহনশীলতার শিক্ষা গড়ে ওঠে। সেইসঙ্গে আত্মত্যাগের শুদ্ধতা তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

ফজিলাতুন নেছা অল্প বয়স থেকেই স্বামীর জীবনাদর্শের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। তাই স্বামীর স্নেহ-ভালোবাসায় ভরপুর এই নারী সর্বদা স্বামীর প্রতি উদারহস্ত ছিলেন। পঞ্চাশের দশকে তিনি তিনটি শিশুসন্তানকে নিয়ে ঢাকা শহরে এসে বাড়ি ভাড়া করে বসবাস করতে থাকেন। স্বামী রাজনীতি করেন তাই বাড়ি ভাড়া পাওয়াও ছিল কঠিন, ছেলেমেয়েদের ভর্তি করাও ছিল কঠিন। তারপরও তিনি সামলেছেন ঘর-সংসার। সন্তানদের আদর্শবাদী হিসেবে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। আবার রাজবন্দি স্বামীর মামলার তদারকি করতে আইনজীবীদের কাছেও ছুটেছেন। নিজের গহনা বিক্রি করে মামলা চালিয়েছেন। জমির ধান বিক্রি করে টাকা সংগ্রহ করেছেন। শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ছাত্রনেতারা তার কাছ থেকে পরামর্শও নিয়ে যেতো। এমনকি বঙ্গবন্ধুকেও সবসময় অবিচল থাকার পরামর্শ দিতেন তিনি।

৭ মার্চ ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু যেদিন ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ভাষণ দিলেন, সেদিন যাবার আগে বেগম মুজিব তাকে একাকি বিশ্রাম করতে দেন। সেদিনও তিনি তাকে বলেছিলেন, ‘সারা দেশের মানুষ তোমার দিকে তাকিয়ে আছে। তুমি তাদের নিরাশ করবে না। তোমার মনে যা বলে তুমি তাই বলবে।’

এর আগে, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা এবং ছয় দফার সময়েও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর শ্রেষ্ঠাঙ্গিনী। কোমল হৃদয়ের বঙ্গমাতা এসব সময়ে কঠিন না হলে, হয়তো ষড়যন্ত্রকারীরা গণআন্দেআন্দোলনকে বানচাল করতে সমর্থ হতো। কিন্তু বাইরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে জেলখানায় বঙ্গবন্ধুকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রভাবিত করেছেন তিনি। তার কঠোর অবস্থানের কারণেই বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ছয় দফাকে নষ্ট করে আট দফা করতে পারেনি কিছু রাজনীতিবিদ, তেমনি তার কারণেই বঙ্গবন্ধু আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে পাকিস্তানি জান্তাদের সাথে বৈঠক করতে অস্বীকৃতি জানান। শেখ মুজিবুর রহমানের বঙ্গবন্ধু ও জাতির পিতা হয়ে ওঠার পেছনে বঙ্গমাতার ভূমিকা অপরিসীম। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছেন তিনি। বাঙালি নারীদের জন্য তিনি এক অনুপ্রেরণা ও শক্তির প্রতীক।

#বঙ্গমাতা #শেখফজিলাতুন্নেছামুজিব

Adresse

Democratic Republic Of The

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাইবান্ধা জেলা শাখা publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Raccourcis

Partager