07/02/2026
যখন আমেরিকা-ইসরায়েল জোট কোনো দেশে দখল বা পুতুল সরকার বসাতে চায়, তখন তারা সরাসরি আক্রমণ করে না। তারা টাকা দিয়ে অভ্যন্তরীণ মুনাফেকদের কিনে, তাদের ফান্ডিং করে, তাদের ট্রেনিং দেয়, তাদের প্রযুক্তি দেয়, তাদের শিক্ষিত করে, তারপর তাদের দিয়েই ক্ষমতা দখল করায়। তারপর তারা তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। এর আগে যেমন আফগানিস্তানে একই ধরনের কাজ করেছে—তালেবানদেরকে তাদেরই প্রশিক্ষণ দিয়ে রাশিয়াকে ভাগিয়েছে, তারপর আবার তালেবান মেরে ক্ষমতায় নিজেদের লোক বসিয়েছে। এখন ভেনেজুয়েলা একই যন্ত্রণা ভোগ করছে; ভেনেজুয়েলায় তাদের নিজেদের লোকজনকে দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা ও মুনাফেকি করিয়ে মাদুরোকে তুলে নিয়ে গেছে।
এবার মূল কথায় আসি। আমাদের দেশে যেভাবে জামায়াতের মতো একটা ছোট দল প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং টাকার তুলনায় অন্য দল থেকে অনেক এগিয়ে গেছে, তাতে বোঝা যায় তাদের পিছনে ইউএসএ-ইসরায়েল চক্রান্ত আছে। তা না হলে ৮০ বছরের একটা ইসলামী দল হঠাৎ করে পুরোপুরি আল্ট্রা-লিবারেল হয়ে গেল কী করে? তারা শরিয়া আইন করবে না, তারা আল্লাহর নামে তাদের দলীয় লোক থেকে সরিয়ে দিয়েছে, রোজা-পূজাকে এক বলে মতামত দিচ্ছে, তারা হিন্দু লোক নিয়োগ দিচ্ছে, তারা আবার ‘হরে কৃষ্ণ হরে’ বলে চিত্কার করছে, তারা ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায়, তারা আবার মেয়েদের নাচ-গান-Allow Kore দেবে বলছে, তারা আবার মেয়েরা জিন্স পরতে পারবে বলে উল্লাস করে। আবার বলে মেয়েরা কাজ করলে কাজের সময় কমিয়ে দেবে—তার মানে তারা চায় মেয়েরা ঘর থেকে বেরিয়ে আসুক। প্রতিটা বিষয়ই সরাসরি ইসলামী মূল বিষয়ের সঙ্গে সংঘর্ষমূলক।
একদল ভালো মানুষের পক্ষে হঠাৎ করে এতো বুদ্ধিমান হয়ে যাওয়া কীভাবে সম্ভব? যারা ৮০ বছর ধরে ক্ষমতায় নেই, তারা এতো টাকা কোথায় পেয়েছে? এটা স্পষ্ট যে তাদের পিছনে বড় কোনো প্রশিক্ষিত দল কাজ করছে। ফান্ডিং তারাই করছে। তাই বাংলাদেশে যদি কোনো না কোনোভাবে এই জামায়াত সরকারে বসে যায়, তাহলে অবিলম্বে ইউএসএ এবং ইসরায়েল তাদের আসল চেহারা দেখানো শুরু করবে; একটা জঙ্গি টোকমা দিয়ে তারা আক্রমণ শুরু করবে... আমরা আরেকটা আফগানিস্তান হয়ে যাব।