Bangladesh Nationalist Party Scotland

Bangladesh Nationalist Party Scotland Bangladesh Nationalist Party Scotland Branch.Founder Chairman Late President Ziaur Rahman.Chairperson Deshnetri Begum Khaleda Zia & Sr VC Tareque Rahman

04/09/2026

*বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বিএনপি'র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন - স্কটল্যান্ড শাখা*

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল স্কটল্যান্ড শাখার সদ্য সাবেক আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র গৌরব, ঐতিহ্য, সাফল্য, সংগ্রাম ও অগ্রযাত্রার ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গত ০১/০৯/২০২৬ইং রাত ১০টায় The Tall Oaks Community Hub, Wester Broom Place, Corstorphine, Edinburgh-এ এক আলোচনা সভা ও সান্ধ্যভোজের আয়োজন করা হয়।

স্কটল্যান্ড বিএনপি'র সাবেক সভাপতি জনাব আব্দুল মুহিত খাঁন বাদশাএর সভাপতিত্বে এবং সাবেক ছাত্রনেতা এম এ ওহাব ভূঁইয়া এর প্রাণবন্ত পরিচালনায় সভাটি শুরু হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডিনবরার বিষিষ্ট ব‍্যাবসায়ী এবং কমিউনিটি ব‍্যাক্তিত্ত্ব জনাব আব্দুল আজিজ বেলাল.

শুরুতেই ভিডিও কলের মাধ্যমে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মিয়া।

আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ৪৮ বছর পূর্বে এই দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তৎকালীন সময়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ১৯ দফার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি দীর্ঘ ৪৭ বছরে বিএনপি'র অবদান এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশনায়ক তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন স্কটল্যান্ড বিএনপি'র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ার পারভেজ জুয়েল, সাবেক সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম নান্না, আব্দুল কুদ্দুস, সাবেক কোষাধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, ফরিদ আহমদ, মতিউর রহমান মিন্টু, শামসুদ্দিন হাবিব, মঞ্জুরুল হোসেন, সাইফুল ইসলাম।

আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা সাদিকুর রহমান, এস এম মামুন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আনোয়ার হোসেন, স্কটল্যান্ড বিএনপি'র নেতা শাহান আলী, জাহেদ মিয়া, হাবিবুর রহমান খান, মাসুম উদ্দিন, মিয়াদ ইসলাম সহ আরো অনেকে।

এছাড়াও স্কটল্যান্ড বিএনপি'র বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্বরা বিএনপি'র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত ছিলেন।

পরিশেষে সান্ধ্যভোজের পর সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

04/09/2026
04/09/2026
31/08/2026

“যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা”

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নতুন এ দলটিকে সংগঠিত করে এর রূপকার হয়েছিলেন। তিনি ’৭৫-এর আগস্ট-পরবর্তী সংকটময় দশা থেকে দেশের রাজনীতি, সমাজ, অন্যতম প্রতিষ্ঠান সামরিক বাহিনীকে সুশৃঙ্খল করা এবং সরকার ও রাষ্ট্র প্রশাসনকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় ফিরিয়ে নেওয়া এবং নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশকে একটা সুস্থ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের যথার্থ উন্নয়নের ধারায় সুস্থিতি দেওয়ার লক্ষ্যে একটা অসাধারণ উদ্ভাবনমূলক ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর আদর্শ সুপ্রতিষ্ঠার টেকসই ভিত্তিভূমি তৈরি করতে তাঁর জীবনের শেষ দিনটি অবধি প্রচ- লড়াই চালিয়ে গেছেন। তাঁর সেই ভূমিকাই বিএনপিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম সেরা রাজনৈতিক দলের মর্যাদা দান করেছে।

১৯৭২-১৯৭৪ সময়ের আওয়ামী লীগ সরকার ও ১৯৭৫-এর জানুয়ারি থেকে একদলীয় বাকশাল সরকারের আমলে দেশবাসীর অর্থনৈতিক দুর্দশা চরমে পৌঁছে। ’৭৫-এর আগস্টে সেনাবাহিনীর একটা ক্ষুদ্র অংশের সমর্থনে বাকশাল সরকারের কয়েকজন নেতার চক্রান্তে যে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে সেসব ‘ব্যর্থ-রাষ্ট্র’সুলভ পরিস্থিতি সামাল দিয়ে বাংলাদেশকে একটা গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন তৎপরতার ব্যাপক সম্প্রসারণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার সংগ্রামে অবদান রেখেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সেই রাষ্ট্রিক ক্রিয়াকর্মের সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে তিনি এই বিএনপি সংগঠিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। ’৭১-এর সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ’৭৫-এর মধ্যভাগে জাতির চরম দুর্দশার দিনে রাষ্ট্রটিকে সঠিক শৃঙ্খলার পথে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আবার হাল ধরেছিলেন দেশবাসীর সমর্থনে। সেই মুক্তিযুদ্ধ প্রারম্ভকালে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে দখলদার বর্বর পাক বাহিনীর বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ ধ্বংসের লক্ষ্যে পরিচালিত বর্বর আক্রমণের বিরুদ্ধে মেজর জিয়া তাঁর অধীন প্রায় ৩০০ বাঙালি সেনার কমান্ডার-রূপে বিদ্রোহ করে দেশের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। সেই সামরিক অফিসার জিয়াউর রহমান কালক্রমে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী-প্রধান, প্রেসিডেন্ট এবং রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা হয়েছিলেন, একজন সফল রাষ্ট্রনায়কে পরিণত করতে পেরেছিলেন নিজেকে। বাংলাদেশের আজকের যে উন্নয়ন সাফল্য দৃশ্যমান তার আসল রূপকার সত্তর দশকের মধ্যভাগ থেকে শেষ ভাগ এবং আশির প্রথম ভাগের রাষ্ট্রনেতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

এ দেশের রাজনীতির ওয়াকিবহাল মানুষমাত্রই উপলব্ধি করে থাকবেন এবং করবেন, যত মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) প্রতিষ্ঠা করা হয়ে থাক না কেন, দেশের সব রাজনৈতিক দলকে বিলুপ্ত করে এবং সব সংবাদপত্র অবলুপ্ত করে চারটি মাত্র শতভাগ-সরকারি মালিকানাধীন দৈনিক পত্রিকা চালু রেখে যে ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল তা এ দেশে ও বহির্বিশ্বে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। সুযোগের-অপেক্ষায় থাকা বাকশাল সরকারের ক্ষমতালোভী ও চক্রান্তকারী অংশ খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে এবং সামরিক বাহিনীর একটা বিভ্রান্ত-অংশ (ছয় মেজর ও ১১ জুনিয়র অফিসারের যৌথ নেতৃত্বে সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থানের সহায়তা-লাভের মাধ্যমে)-কে ব্যবহার করে এ অঞ্চলের একটি কুখ্যাত সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী এ ষড়যন্ত্রের পেছনে মূল মদদদাতা হিসেবে কাজ করে। তাদের পেছনে ‘বিশ্বমোড়ল’-খ্যাত একটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থার সমর্থন ছিল বলে যৌক্তিক তথ্য-উপাত্ত-সংবলিত অভিযোগ পাওয়া যায়।

’৭৫-এর মধ্য-আগস্ট থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ অবধি নানা ঘটনা-দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানের একপর্যায়ে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ভোরে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্ত হন এবং নতুন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের অধীনে উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন। বস্তুত সেনাপ্রধান ও এক নম্বর উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসকরূপে দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হন। জেনারেল জিয়া তখন থেকেই কার্যত রাষ্ট্রের প্রধান নীতিনির্ধারকে পরিণত হয়েছিলেন। বস্তুত সামরিক বাহিনীর ভিতরে এবং জনগণের মধ্যে জিয়াউর রহমানের সবচেয়ে বড় নেতা হওয়ার আস্থা সৃষ্টি হয়েছিল Ñ’৭১ সাল থেকে সেই সময় অবধি তাঁর দেশপ্রেমমূলক কর্মকান্ডের বহিঃপ্রকাশ দেশ-জনতা প্রত্যক্ষ করেছিল। তারপর অচিরেই তখনকার বাস্তবতায় বিকল্পহীন পরিস্থিতিতে জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হন এবং তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুরো সামরিক শাসনের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেন। সে প্রক্রিয়ার সময় জিয়াউর রহমান প্রথম দিকে একবার রাজনীতি না করে পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোর সংগঠিত শক্তির কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি সেনাছাউনিতে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তখন দেখলেন, দেশের সামরিক বাহিনীর ক্যান্টনমেন্টগুলোয় তখনো ‘তথাকথিত বিপ্লবের নামে’ নৈরাজ্য সৃষ্টির আশঙ্কা ছাড়াও রাজনৈতিক পরিম-লে শক্তিশালী কোনো রাজনৈতিক দল নেই বা যারা আছে তারা দেশবাসীর আস্থা অর্জনে সক্ষম নয়।

তখন জিয়াউর রহমান বাধ্য হয়েই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শের রাজনীতি প্রবর্তন করেন। এর আগে ১৯৭৬ ও ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান সুদীর্ঘ সময়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের কর্মকান্ডে প্রকৃত গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে দেশব্যাপী একটা কর্মমুখী রাজনীতি চালুর তৎপরতার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক আলোচনা বৈঠক চালান। সেসব বৈঠকে দেশের মূল সমস্যাগুলোর অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা হয়। তাঁর সঙ্গে তখনকার ন্যাপ (ভাসানী), বাংলাদেশ জাতীয় লীগ, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, জাতীয় দল, জাতীয় গণমুক্তি ইউনিয়ন, জাতীয় জনতা পার্টি (কোরেশী গ্রুপ), গণআজাদী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী ভাবাদর্শের বুদ্ধিজীবীরা অবিরাম বৈঠক করেছেন, চমৎকার মুক্ত আলোচনার সেসব সভায় দেশের নতুন রাজনীতির একটা সংগঠিত রূপদানের পক্ষে বক্তব্য প্রাধান্য পেয়েছে।

জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ১৯ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণাপত্রে দেশের গণমানুষের ইস্পাতকঠিন গণঐক্যের ওপরে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছিল‘সুদৃঢ় এবং অভেদ্য জাতীয় ঐক্যবোধ এবং জাতীয় অর্থনৈতিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা না থাকলে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও নয়া-উপনিবেশবাদের গ্রাস থেকে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করা দুঃসাধ্য।’ এ ঘোষণাপত্রের মধ্যে ৩১টি দফায় রয়েছে‘ঐক্যবদ্ধ অগ্রগতির অমোঘ দাবি : উৎপাদনের রাজনীতি এবং জনগণের গণতন্ত্র’, ‘জাতীয়তাবাদভিত্তিক ইস্পাতকঠিন গণঐক্য’, ‘সার্বভৌমত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার ও দ্রুত উন্নয়নের মাধ্যম : স্থিতিশীল গণতন্ত্র’, ‘বিলুপ্ত মানবিক মূল্যবোধের পুনরুজ্জীবন’, ‘স্থিতিশীল গণতন্ত্রের রূপরেখা, প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার, নির্বাচিত ও সার্বভৌম আইন পরিষদের মাধ্যমে সজীব ও সক্রিয় গণঅংশীদারি কায়েম’, ‘স্থানীয় এলাকা সরকার ও বিকেন্দ্রীভূত রাজনৈতিক ক্ষমতা’, ‘সামাজিক ন্যায়বিচারের অর্থনীতি’, ‘জাতিগঠন, সমাজসেবা ও উপার্জনমুখী কার্যক্রমে যুবশক্তির সদ্ব্যবহার’, ‘জাতীয় পররাষ্ট্রনীতির উপাদান ও লক্ষ্য : স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সমৃদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক প্রীতি ও সখ্য’ ইত্যাদি। এ ঘোষণাপত্রের মধ্যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বিক বিষয়াবলি স্থান পেয়েছে। বিএনপিকে প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান একটি শক্তিশালী জাতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়ে গেছেন তার শুরুতেই। তাই তো এত আঘাতের পর আঘাতেও বিএনপি টিকে আছে দেশের নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে। ভবিষ্যতেও দেশ ও দেশবাসীর সার্বিক মুক্তির লড়াইয়ে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এই দল, রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার দল প্রচ- শক্তিতে থাকবে রাজপথে। এবং গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জনযুদ্ধের ময়দানে, আবার সরকার পরিচালনার জনপ্রতিনিধিত্ব করার জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যেএকটা নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা সুষ্ঠু, জনগণের প্রকৃত ভোটের নির্বাচন কায়েমের লড়াইয়ে।

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
রমনা রেস্তোরাঁয় এক অনারম্বর সংবাদ সম্মেলনে
ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
-বিএনপি'র শুভযাত্রা ঘোষণা করেন।

30/08/2026

*Bismillahir Rahmanir Rahim*

*Dear Leaders and Activists,*

*Assalamu Alaikum,*

On the occasion of the 48th Founding Anniversary marking the glory, heritage, success, struggle and progress of the Bangladesh Nationalist Party (BNP), a Discussion Meeting and Cultural Programme has been organized by the last Convener Committee of Bangladesh Nationalist Party Scotland.

*Date:* Tuesday, 1st September 2026
*Time:* 10:00 PM
*Venue:* The Tall Oaks Community Hub, Wester Broom Place, Corstorphine, Edinburgh EH12 7RS

Your presence will be deeply valued and greatly appreciated. We look forward to seeing you there.

Thank you for your continued support.

*Kind regards,*

*Abdul Muhith Khan Badsha*
Ex Convenor , Scotland BNP

*Adv. Mosthafa Miah*
Ex Member Secretary, Scotland BNP

*Abdul Miah Liton*
Ex Joint Convener, Scotland BNP

24/08/2026

“যুক্তরাজ্য বিএনপি'র পক্ষ থেকে অভিনন্দন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আপনার নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতায় দেশ ও জাতি আরও সমৃদ্ধ ও এগিয়ে যাক—এই প্রত্যাশা রইল। আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করছি।

24/08/2026
23/08/2026

The Honourable Member Secretary of UK BNP, Mr. Kosruzzaman Kosru, visited Scotland with his family.
To mark the occasion, Scotland BNP organised an opinion exchange meeting with him on Wednesday 20th of August at the Scot Bangla Sporting Club Hall in Edinburgh.

During the event, sweets were distributed to celebrate Mr. Mirza Fakhrul Islam Alamgir being elected as the 23rd President of Bangladesh.

Special prayers and a milad mahfil were also offered for Late Desh Mata Begum Khaleda Zia, praying to Almighty Allah to grant her the highest place in Jannatul Ferdaws, on the occasion of her 81st birth anniversary.

The Honourable Member Secretary of UK BNP, Mr. Kosruzzaman Kosru, visited Scotland with his family.To mark the occasion,...
23/08/2026

The Honourable Member Secretary of UK BNP, Mr. Kosruzzaman Kosru, visited Scotland with his family.
To mark the occasion, Scotland BNP organised an opinion exchange meeting with him on Wednesday 20th of August at the Scot Bangla Sporting Club Hall in Edinburgh.

During the event, sweets were distributed to celebrate Mr. Mirza Fakhrul Islam Alamgir being elected as the 23rd President of Bangladesh.

Special prayers and a milad mahfil were also offered for Late Desh Mata Begum Khaleda Zia, praying to Almighty Allah to grant her the highest place in Jannatul Ferdaws, on the occasion of her 81st birth anniversary.

06/08/2026

On 5th August, Scotland BNP is celebrating the 2nd anniversary of the day the fascist Hasina regime left the country.

Address

Edinburgh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Nationalist Party Scotland posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share