17/05/2026
পশ্চিমবঙ্গ ,, আসাম,, পন্ডিচেরি এবং ত্রিপুরার ধর্মনগরের উপনির্বাচন কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীদের জয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ৩৬ শান্তির বাজার বিজেপি মন্ডলের উদ্যোগে বিজয় মিছিল,,,,, ,,,,,
সময়ের পরিবর্তন এর সাথে সাথে রাজনৈতিক পরিবর্তনও একেবারে অসম্ভব কিছু নয় ।
এটাই বাস্তব এটাই ঘটনা যুগে যুগে চলে এসেছে ,,,।
কিন্তু এটা ঘটনা যে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাবনাচিন্তার মধ্যে দাঁড়িয়ে এটাই প্রমাণিত হয়েছে এক সময়
কংগ্রেস দীর্ঘ বছর শাসন করার পর দলের মধ্যে যেমন অ-নিহা ,অহংকার ,অর্থ লোক ,নেশাগ্রস্থতা, নারীর অসম্মান, হানাহানি ,বিভিন্ন দিকগুলি কাজ করার সাথে সাথে সমুদ্রের নোনা জলে ঢুকে গেছে কংগ্রেস দলের মধ্যে,,,,,
তারপরেই একটি পরিবর্তনের জোয়ার আসে যার ফলে
১৯৭৮ সালে বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। তারপর একটানা বহু বছর এতে করে কর্মীদের চেতনা শক্তি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
শুরু হয় অহংকার ,অভিমান, লোভ ,জনগণের প্রতি অনীহা বোধ, এর সাথে সাথে সেই সমুদ্রের নোনা জল পাটিতে ঢুকে যায়, প্রকৃত কর্মীদের চিনতে ভুল করে ফেলেছেন,,,
তারপরেই বিজেপি দল ২০১৮ সাল ক্ষমতায় এখন পর্যন্ত দলের কর্মীদের মধ্যে বহু মতভেদ তৈরি হয়ে গেছে। মনে হয় নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সাথে সাথে দুর্নীতির অফার যেন পেয়ে বসেছে।
যে যেভাবে পারছেন সেভাবেই করছেন । এটা মনে রাখার দরকার ছিল যে ,জনগন সব দেখেন সব বুঝেন। এছাড়া সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে উপরে ঈশ্বর রয়েছে জনগণ ক্ষমা করলে পরেও ঈশ্বর কাউকে ক্ষমা করবে না।
বিধায়ক তো প্রদীপের শিখা ,,যেভাবে কাঠি দিয়ে ধাক্কা দেয় তার পক্ষে উজ্জ্বল আলোকিত হয়ে ওঠে। সমাজে এখন উপযুক্ত অভিভাবকের অভাব দেখা দিয়েছে।
লাঠিও ধরবে না সাপও মারবে না ।এভাবে কতদিন চলবে ?
আর সাধারণ মানুষ? যখন যে দলের মধ্যে উপদল তৈরি হয়ে যায়, অর্থের লোভ সহ এক কথায় সমুদ্রের নোনা জল ঢুকে যায় ,ভালো মন্দের বিচার থাকে না , এমন কি সমালোচনা আত্মসমালোচনা করতে না দেওয়া এটাই যেন অবক্ষয়।
বিজয় মিছিলে গেরুয়া রং পরিধান করে ক্ষমতার জাহির করলে পরে ই প্রকৃত বিজেপি হওয়া যায় কি না। তা প্রকৃত বিজেপি নেতৃত্ব গন বুঝতে পারবেন।
আর সেই সমস্ত বিষয়গুলি বোঝার শক্তি যদি হারিয়ে ফেলে তাহলে পশ্চিমবাংলার মতো তৃণমূল সরকারের পতন যেভাবে ঘটেছে কিংবা ইতিহাসের পাতায় যে যে রাষ্ট্র যে যে রাজ্যের কিংবা রাজতন্ত্রের পতনের ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা প্রয়োজ
কারণ বিজয় মিছিল গুলি থেকে পরিষ্কার এত আদর্শবান বিজেপি নেতা তো ছিল না কিন্তু মিছিলে এত আদর্শবান নিষ্ঠাবান দেশপ্রেমিকরা কোথা থেকে আসলো তা নেতৃত্ব গন বুঝতে পারবেন।
এই শুধু বিজেপি দলের ক্ষেত্রেই নয় সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির শিক্ষা গ্রহণ করা প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলগুলির উত্থান পতন এর কারণগুলি নিয়ে সুচিন্তিতভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন ।
সঠিক দিশায় পাটিকে কিংবা দলকে পরিচালনা করার জন্য সঠিক নাবিকের অভাব হলে পরে পতন অনিবার্য।
পাশাপাশি এটাও মনে রাখা প্রয়োজন বর্তমান রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে সরকারে যেমন আশাটা কঠিন, তেমনি সরকার ধরে রাখাটা ও কঠিন।।
বাকি ভাবনা-চিন্তা আপনাদের মধ্য থেকে কমেন্টের মাধ্যমে এক দুই কথায় তুলে ধরার জন্য অনুরোধ রইল,,,,
বর্তমান নেতা কর্মীদের কি অবস্থা ,বিজ্ঞানের যুগে। আর নেতাজি যদি এত সুযোগ পেতেন তাহলে নেতাজি কি না করতে পারতেন,,,,,,,।
আর বর্তমানে দলের মধ্যে যে ধরনের অবস্থা
এই যদি হতো, তাহলে নেতাজি এত সংকটের মধ্যে থেকে আজাধীন ফৌজ গঠন করে পরিচালনা করতে পারতেন না,,,,,
(i)