Nagorik Seva Foundation

Nagorik Seva Foundation Nagorik Seva Foundation is a Non political Social Organisation's

সফলতা কোনো ধর্ম দেখে না, দেখে শুধু পরিশ্রম আর নিষ্ঠা।আজ তিনি ইউনিফর্ম পরা একজন অফিসার নন শুধু…তিনি কোটি তরুণ-তরুণীর অনুপ...
03/06/2026

সফলতা কোনো ধর্ম দেখে না, দেখে শুধু পরিশ্রম আর নিষ্ঠা।
আজ তিনি ইউনিফর্ম পরা একজন অফিসার নন শুধু…
তিনি কোটি তরুণ-তরুণীর অনুপ্রেরণা।
যেখানে প্রশ্ন উঠেছিল পরিচয় নিয়ে,
সেখানেই উত্তর লেখা হলো যোগ্যতার স্বাক্ষরে।
আজ দেশ গর্বিত—
কারণ আইপিএস আইমন জামাল প্রমাণ করেছেন,
ভারতের আসল শক্তি তার বৈচিত্র্যে, আর তার একতায়।

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক IMF তথ্য অনুযায়ী, ভারত বর্তমানে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থ...
03/06/2026

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক IMF তথ্য অনুযায়ী, ভারত বর্তমানে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে অবস্থান করছে, যেখানে কিছুদিন আগে PM চতুর্থ স্থানে থাকার দাবি ব্যাপকভাবে প্রচার করেছিল।

অন্যদিকে, মূল্যবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সংকট এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে স্বচ্ছ আলোচনা ও কার্যকর নীতিগত পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করছেন যে প্রকৃত অর্থনৈতিক সমস্যার পরিবর্তে জনআলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বারবার ধর্ম ও পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতি তুলে ধরা হচ্ছে।

অর্থনীতির প্রকৃত শক্তি শুধু GDP-র অবস্থানে নয়, বরং সাধারণ মানুষের আয়, কর্মসংস্থান, ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মানের উন্নতিতে প্রতিফলিত হয়।

দমদম বিমান বন্দরের ১৩৬ বছরের মসজিদকে সরানোর উদ্যোগ এয়ারপোর্ট  কতৃপক্ষের----------------------------------------------মো...
31/05/2026

দমদম বিমান বন্দরের ১৩৬ বছরের মসজিদকে সরানোর উদ্যোগ এয়ারপোর্ট কতৃপক্ষের
----------------------------------------------
মোহাম্মদ সাদউদ্দিন, কলকাতা: কলকাতার দমদম নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরের রানওয়ের প্রায় লাগোয়া ১৩৬ বছরের মসজিদকে ভাঙার প্রচেষ্টা বা সরানোল উদ্যোগ এয়ারপোর্ট কতৃপক্ষ ও বিজেপি সরকারেরর। যদিও সরকারের দাবি প্রাচীন মসজিদ স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে সর্বজনমতের ভিত্তিতে। ইতিমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দপ্তরে বিধায়ক ও মসজিদ কমিটির সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। পরদিনই একটি বিশেষ দল ওই মসজিদ পরিদর্শন করতে যায়। তারপর বৈঠক হয় বিমানবন্দর নিরাপত্তা কমিটিরও। কিন্তু ইদের নমাজ ওই মসজিদে পড়েন বহু মানুষ। তাঁদের ভাবাবেগকেও প্রাধান্য দিতে চেয়েছিল রাজ্য সরকার এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। ঠিক হয়েছিল, ইদ মিটলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ১৩৬ বছরের পুরনো গৌরীপুর জামে মসজিদ নিয়ে। অনেকের কাছে যা ‘বাঁকড়া মসজিদ’ নামেও পরিচিত। এই ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থান বিমানবন্দরের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। বিশেষ করে বিমানবন্দরের একটি রানওয়ের ঢিলছোড়া দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় বিমানের টেক-অফ ও অবতরণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকি তৈরি হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বিমানবন্দর সূত্রে খবর, ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই মসজিদ স্থানান্তরের বিষয়টি বারেবারে আলোচনায় উঠে এসেছে। কিন্তু কখনও স্থানীয় বাধা, কখনও সরকারের ঢিলেমিতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার পায়নি। তবে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে। ফের মসজিদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। সদস্যরা জানান, তাঁরা স্থানান্তর বা ভাঙার বিষয়ে এককভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তবে তাঁরা সরকারের এই উন্নয়নমূলক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তাবের বিরোধিতাও করছেন না। মসজিদ কমিটির তরফে বলা হয়েছে, ‘‘আমরা চাই না আমাদের কারণে বিমানবন্দরের কোনও ক্ষতি হোক বা সুরক্ষায় বিঘ্ন ঘটুক। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের বিমানবন্দরের বাইরে আরও বড় একটি মসজিদ তৈরি করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে স্থানান্তর করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো অবস্থায় আমরা এই মুহূর্তে নেই।”১৯২৪ সালে চালু হয় কলকাতা বিমানবন্দর। ১৯৬২ সালে বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য জমি অধিগ্রহণ হয়। তখন মসজিদের পাশেই ছিল যশোর রোড। বিমানবন্দরের জন্য যশোর রোড ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। মসজিদটি থেকে যায় বিমানবন্দরের পাঁচিলের ভিতর, রানওয়ের পাশেই। এবার সেটি সরাতে তৎপরতা শুরু হয়েছে সর্বমতের ভিত্তিতে। তবে এখনও মসজিদ কমিটি পুরোপুরি রাজি নয় বলে খবর।
উল্লেখ্য, এয়ারপোর্ট তৈরি হয়েছিল ১৯২৪ সালে । গৌরিপুরের ঐ জামে মসজিদ তৈরি হয়েছিল ১৮৯০। স্হানীয় যশোহর রোডের মুসলিম জমিদার গৌরীপুরের ঐ জামে মসজিদকে এখন যেখানে এয়ারপোর্ট অবস্হিত সেগুলি ওয়াকফ করে দিয়েছিল। ব্রিটিশ সরকার যখন এয়ারপোর্ট করার জন্য জায়গা চাইলে মসজিদ কমিটি অকপটে এয়ারপোর্ট কতৃপক্ষকে জমি দানকরেন। এই গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসকে অনেকেই এড়িয়ে যাচ্ছেন। ঐ এয়ারপোর্টের জায়গাগুলো সবই মসজিদ কমিটি ও মুসলিমদের। ওয়াকফের জায়গাও যে রাষ্ট্রীয় স্বার্থে দান করা যায় এটাও একটা জ্বলন্ত উদাহরণ। দমদমের কাছে নাগেরবাজারে বেশিরভাগ জায়গা মুসলিমদের। দেশভাগজনিত কারণে সেগুলোতে পূর্ববঙ্গ থেকে আসা বিপন্ন উদ্বাস্তুরা এখন বসবাস করছে।
দমদম বিমানবন্দরের রানওয়ে নিয়ে এবিপি আনন্দের সামনে অনেকেই অনেক বড় বড কথা বললেন। কিন্তু এয়ারপোর্টের জায়গা তো তখন দান করেছিল মসজিদ কমিটি ------- এটা কিন্তু কেউ বললেন না। উপর উপর ভাসা ভাসা বললেন। তবে আমি মনে করি আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। যেখানে একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এয়ারপোর্ট রয়েছে সেখানে সহানুভূতি থাকা দরকার।
আমরা কি জানি যাদবপুরের কেপিসি হাসপাতালের মুসলিমদের জায়গাতে একটা তাবু মসজিদ ছিল। কিন্তু কালক্রমে হারিয়ে গেছে। যাদবপুরের‌ সুলেখা মসজিদ থাকলেও সেখানে ধর্মকর্ম হয় না। কেন না, ১৯৬৪ সালের দাঙ্গাতে ওখানকার মুসলিমরা পালিয়ে যায়। এখনো মসজিদটির কাঠামো টিকে আছে। তবে অযত্নে।
শিয়ালদহ স্টেশনের কাছে কাইজার স্ট্রিট রয়েছে। শিয়ালদহর বৈঠকখানা রোডের স্হানীয় জমিদার কাইজার আলী রেলকে জমি দিয়েছিলেন স্টেশন করার জন্য। তাই তার সম্মানে কাইজার স্ট্রিট। ওখানকার বিখ্যাত বু-আলি মসজিদ , হস্টেল ও মাঠ বিখ্যাত যেগুলো কাইজার সাহেবের ওয়াকফ করা জয়গাতে। হয়তো ভবিষ্যতে স্টেশন সম্প্রসারিত হলে এগুলিও টার্গেট হতে পারে।

আমাদের চোখের সামনে ইতিবাচক সহানুভূতির ইতিহাস রয়েছে। বারাসতের কাজী পাড়ার একটি মুসলিম পরিবার দেশভাগ হলে চলে যান তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে। তাদের সঙ্গে জায়গা বিনিময় হয় ঢাকার জয়দেবপুর থেকে আগত এক বসু পরিবারের। বারাসতের মুসলিম পরিবারের তৈরি করা মসজিদটি এখনো দেখা করে ঐ বসু পরিবার।
কলকাতর পার্কসার্কাস এলাকার দূর্গা পুজোর সময়‌ পুজো কমিটিগগুলিকে সহযোগিতা করে স্হানীয় মুসলিমরাই। আবার তিলজলা থানার কুস্টিয়া রোডে একটা ছোটো মন্দির দেখাশোনা করে স্হানীয় মুসলিমরাই । এ এক পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহানুভূতি ।
কপি পেস্ট Saduddin Arjoo

 #জাতীর উদাসীনতার পরিনাম!
31/05/2026

#জাতীর উদাসীনতার পরিনাম!

29/05/2026
 #ভারতের সংবিধানের আর্টিকেল ৩০ (Article 30) হলো সংখ্যালঘুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার অধিকার সম্পর্কিত একটি ...
22/05/2026

#ভারতের সংবিধানের আর্টিকেল ৩০ (Article 30) হলো সংখ্যালঘুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার অধিকার সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক অধিকার। এটি সংবিধানের Part III (Fundamental Rights)-এর অন্তর্ভুক্ত।
Education Government of India +2
30-এর মূল বক্তব্য
👉১) সংখ্যালঘুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গঠনের অধিকার
Article 30(1) অনুযায়ী—
ধর্মীয় বা ভাষাগত সংখ্যালঘুরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনা করার অধিকার রাখে।
Education Government of India +1
অর্থাৎ—
মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন ইত্যাদি ধর্মীয় সংখ্যালঘু অথবা
কোনো ভাষাগত সংখ্যালঘু
নিজেদের সংস্কৃতি, ভাষা ও শিক্ষাকে রক্ষা করার জন্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা বা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি ও পরিচালনা করতে পারে।
👉২) সরকারের বৈষম্য নিষিদ্ধ
30(2) অনুযায়ী—
সরকার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শুধুমাত্র “সংখ্যালঘুদের দ্বারা পরিচালিত” হওয়ার কারণে সরকারি সাহায্য (Grant/Aid) দিতে অস্বীকার করতে পারবে না।
Education Government of India +1
অর্থাৎ— যদি একটি সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি নিয়ম মেনে চলে, তাহলে সরকার কেবল ধর্ম বা ভাষার ভিত্তিতে তাকে বঞ্চিত করতে পারবে না।
👉৩) সম্পত্তি অধিগ্রহণ সম্পর্কিত সুরক্ষা
30(1A) অনুযায়ী—
সরকার যদি কোনো সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে, তাহলে এমন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে যাতে প্রতিষ্ঠানের অধিকার নষ্ট না হয়।
of India +1
কেন Article 30 গুরুত্বপূর্ণ?
এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য হলো—
ভারতের বহুত্ববাদ রক্ষা করা
সংখ্যালঘুদের ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করা
শিক্ষাক্ষেত্রে স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো বজায় রাখা
29 ও 30-এর সম্পর্ক
অনেক সময় Article 29 এবং 30 একসঙ্গে আলোচনা হয়।
29 → ভাষা, সংস্কৃতি ও লিপি সংরক্ষণের অধিকার
30 → শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গঠন ও পরিচালনার অধিকার
Tax Law +1
গুরুত্বপূর্ণ সুপ্রিম কোর্টের রায়
Court of India এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা:
সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রশাসনিক স্বাধীনতা ভোগ করবে।
তবে শিক্ষার মান, আইন-শৃঙ্খলা ও জাতীয় স্বার্থে সরকার যুক্তিসঙ্গত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।
শুধুমাত্র ব্যবসার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠান চালালে Article 30-এর সুরক্ষা পাওয়া যাবে না।
+1
একটি সাধারণ উদাহরণ
ধরুন— কোনো মুসলিম সম্প্রদায় একটি মাদ্রাসা বা স্কুল প্রতিষ্ঠা করলো, যেখানে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামি শিক্ষা দেওয়া হয়।
তাহলে Article 30 অনুযায়ী তারা—
প্রতিষ্ঠান গঠন করতে পারবে,
নিজস্ব ব্যবস্থাপনা রাখতে পারবে,
এবং কেবল সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে সরকারি বৈষম্যের শিকার হবে না।

 #রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি হলো গণতন্ত্র, আর গণতন্ত্রের প্রাণ হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা।  #ভারতের সংবিধানের ১৯(১)(ক) ...
21/05/2026

#রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি হলো গণতন্ত্র, আর গণতন্ত্রের প্রাণ হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
#ভারতের সংবিধানের ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদ প্রত্যেক নাগরিককে নিজের মত প্রকাশের অধিকার দিয়েছে। সরকারি কর্মচারীরাও এই দেশের নাগরিক— তাই তাঁদেরও সাংবিধানিক মর্যাদা ও মানবিক অধিকার রয়েছে।
অবশ্যই প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি, কিন্তু এমন কোনো নিয়ম বা নির্দেশ যদি মানুষের ন্যায্য মতামত, সত্য প্রকাশ বা গঠনমূলক সমালোচনার পথ রুদ্ধ করে দেয়, তাহলে তা গণতান্ত্রিক চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়ায়। সমালোচনা কখনো রাষ্ট্রবিরোধিতা নয়; বরং তা প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ হতে সাহায্য করে।
একটি সুস্থ গণতন্ত্রে ভয় নয়, যুক্তি ও সংলাপই হওয়া উচিত শাসনের ভিত্তি। কারণ স্বাধীন কণ্ঠরোধ করে সাময়িক নীরবতা আনা গেলেও, মানুষের বিবেক ও সত্যকে কখনো বন্দী করা যায় না।

20/05/2026

সোনার বাংলা গঠন হচ্ছে,তাই সব কা সাথে সব কাজ বিকাশ আজ আবারো বাড়লো পেট্রোল/ডিজেলের দাম।
19/05/2026

সোনার বাংলা গঠন হচ্ছে,তাই সব কা সাথে সব কাজ বিকাশ আজ আবারো বাড়লো পেট্রোল/ডিজেলের দাম।

 #সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা নিজেরাই স্বীকার করে নিলেন ওমর খালিদের জামিন না দেওয়াটা ভুল!!!
18/05/2026

#সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা নিজেরাই স্বীকার করে নিলেন ওমর খালিদের জামিন না দেওয়াটা ভুল!!!

Address

Baduria
743293

Telephone

+919732550868

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nagorik Seva Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Nagorik Seva Foundation:

Share