Zero H2O

Zero H2O Superior, eco-conscious vehicle
cleaning service that save
water and Protect Environment

সব সময়ই ভিন্ন কিছু করতে বেজায় আগ্রহ বলিউডের অভিনেতা হৃতিক রোশনের। কিছুদিন আগে ‘মহেঞ্জোদারো’ ছবিতে বাঘের সঙ্গে লড়বেন হৃ...
22/09/2015

সব সময়ই ভিন্ন কিছু করতে বেজায় আগ্রহ বলিউডের অভিনেতা হৃতিক রোশনের। কিছুদিন আগে ‘মহেঞ্জোদারো’ ছবিতে বাঘের সঙ্গে লড়বেন হৃতিক— এমন খবর প্রকাশ করেছিল কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। ফিটনেস প্রশিক্ষক সত্যজিৎ চৌরাশিয়ার কাছে এ লক্ষ্যে ঘাম ঝরানো প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন তিনি। এরই মধ্যে আবারও নতুন খবর , সেই একই ছবিতে কুমিরের সঙ্গেও নাকি লড়াই করবেন তিনি। শুধু কুমির বললে হয়তো বিষয়টা ঠিক স্পষ্ট হবে না। ‘মহেঞ্জোদারো’ ছবির একটি দৃশ্যে নাকি ২০ ফুট লম্বা ভয়ংকর এক কুমিরের সঙ্গেই লড়তে দেখা যাবে হৃতিককে। গ্রিক ভাস্কর্যের মতো চেহারা, অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও তাঁর জুড়ি মেলা ভার। আর বলিউডের এ তারকাকে মারপিট বা লড়াইয়ের দৃশ্যে যারা দেখেছেন তাঁরাই জানেন লড়াই, মারপিটেও কম যান না তিনি। আশুতোষ গোয়ারিকারের ‘মহেঞ্জোদারো’ ছবিতে হৃতিক আর কুমিরের লড়াইয়ের এমন দৃশ্যের দেখা মিলবে। সঙ্গে থাকবে বিশেষ ইফেক্টও, যাতে কুমিরের সঙ্গে লড়াইয়ের এ দৃশ্যটিকে দর্শকের কাছে আরও জীবন্ত ও সাবলীল বলে মনে হয়। শুধু তা-ই নয়, হৃতিককে এ ছবিতে এমন সব মারকুটে দৃশ্যে অভিনয় করতে দেখা যাবে, যা আগে নাকি দর্শকেরা কোথাও দেখেননি। হৃতিকের রোমাঞ্চকর এসব দৃশ্য দেখতে হলে অবশ্য এ ছবির মুক্তির জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

http://fatafatinews.com/archives/1529

সব সময়ই ভিন্ন কিছু করতে বেজায় আগ্রহ বলিউডের অভিনেতা হৃতিক রোশনের। কিছুদিন আগে ‘মহেঞ্জোদারো’ ছবিতে বাঘের সঙ্গে লড়বেন হৃতিক— এমন খবর প্রকাশ করেছিল কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। ফিটনেস প্রশিক্ষক সত্যজিৎ​ চৌরাশিয়ার কাছে এ লক্ষ্যে ঘাম ঝরানো প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন তিনি। এরই মধ্যে আবারও নতুন খবর , সেই একই ছবিতে কু…

ওয়াসিম আকরাম কদিন আগেই ইউনিস খানকে পরামর্শ দিলেন কেবল টেস্ট খেলার জন্য। টেস্টে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ইউনিসের ব্য...
22/09/2015

ওয়াসিম আকরাম কদিন আগেই ইউনিস খানকে পরামর্শ দিলেন কেবল টেস্ট খেলার জন্য। টেস্টে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ইউনিসের ব্যাট ইদানীং ওয়ানডেতে হাসছে না আগের মতো। তাই এ রকম একটি পরামর্শকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কিন্তু আকরামেরই সতীর্থ শোয়েব আখতার আবার এক কাঠি সরেস। তাঁর মতে টেস্ট বা ওয়ানডে আলাদা করে নয়, এখনই পুরোপুরি বিদায় বলে দেওয়া উচিত ইউনিসের। শোয়েবের এই প্রস্তাব অবাক করার মতোই। কিছুদিন আগেই শ্রীলঙ্কায় সিরিজ জেতানোয় ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ইউনিস। অনভিজ্ঞ পাকিস্তানি ব্যাটিং লাইনআপে তাঁকেই মানা হয় মূল অস্ত্র হিসেবে। কিন্তু নিজের প্রস্তাবের পক্ষে শোয়েবের যুক্তিটিও ফেলনা নয়। শোয়েবের ভাষায়, উপমহাদেশের সংস্কৃতির কথা মাথায় রেখে ভালোয় ভালোয় বিদায় বলে দেওয়াই মঙ্গল। শোয়েব জানান, ‘ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন ইউনিস। কিন্তু নিজের সম্মান বজায় রেখেই তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেওয়া উচিত। তাঁর যদি মনে হয় আরও এক বছর খেলতে পারবে তবে ছয় মাস খেলেই অবসরে যাওয়া ভালো।’ শোয়েব নিজেই নাকি দেশের হয়ে নিশ্চিন্তে আরও এক-দেড় বছর খেলতে পারতেন। কিন্তু রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস তা না করে সম্মানের সঙ্গেই বিদায় নিয়েছিলেন। ইউনিস খানকেও সেই পথেই হাটতে বলছেন তিনি। যেমনটি শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা করে দেখিয়েছেন কিছুদিন আগেই। ক্রিকেটে অবসর নিয়ে প্রচলিত তত্ত্বের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়টি হলো, ‘‘অবসর তখনই নাও, যখন সবাই প্রশ্ন করবে ‘কেন?’ , ‘কেন নয়?’ না।’ ’ শোয়েব ইউনিসকে বেছে নিতে বলছেন প্রথমটিই। ফর্মের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় অবসর নিয়ে সম্মানের সঙ্গে মাঠ ছাড়ুক ইউনিস, এটাই শোয়েবের চাওয়া। সূত্র: ডন

http://fatafatinews.com/archives/1523

ওয়াসিম আকরাম কদিন আগেই ইউনিস খানকে পরামর্শ দিলেন কেবল টেস্ট খেলার জন্য। টেস্টে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ইউনিসের ব্যাট ইদানীং ওয়ানডেতে হাসছে না আগের মতো। তাই এ রকম একটি পরামর্শকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কিন্তু আকরামেরই সতীর্থ শোয়েব আখতার আবার এক কাঠি সরেস। তাঁর মতে টেস্ট বা ওয়ানডে আলাদা করে নয়, এখনই…

বাস ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ বাস ও ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় স্বজনদের সাথে ঈদ-...
22/09/2015

বাস ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ বাস ও ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় স্বজনদের সাথে ঈদ-উল-আযহা উদযাপন করতে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। বাস, ট্রেন ও লঞ্চে তাই উপচেপড়া ভিড়। ভোর থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় সব ট্রেনই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যের উদ্দেশে কমলাপুর রেলস্টেশন ছাড়ছে। দুই/ একটি ট্রেন ছাড়তে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে সিডিউল বিপর্যয়ের মত ঘটনা এখনো ঘটেনি। তবে ট্রেন ধরতে যাত্রীরা একটু আগেই পৌঁছানোর ফলে তাদের একটু বেশি সময় স্টেশনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

http://fatafatinews.com/archives/1519

বাস ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ বাস ও ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় স্বজনদের সাথে ঈদ-উল-আযহা উদযাপন করতে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। বাস, ট্রেন ও লঞ্চে তাই উপচেপড়া ভিড়। ভোর থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় সব ট্রেন…

শাহরুখ খান ও অমিতাভ বচ্চন সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ থাকে সবসময়ই। আর এ...
22/09/2015

শাহরুখ খান ও অমিতাভ বচ্চন সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ থাকে সবসময়ই। আর এ আগ্রহ মাত্রার পারদকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিল শাহরুখ পুত্র আরিয়ান ও অমিতাভ বচ্চনের নাতনি নাভ্যিয়ার সেক্স স্ক্যান্ডাল ভিডিও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আলোচনার ঝড় বইছে একটি এমএমএস-কে ঘিরে। যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি টিনএজ যুগল গাড়ির ভেতর অন্তরঙ্গ অবস্থায় রয়েছে। শুধু তাই নয়, অন্তরঙ্গতাকে ছাপিয়ে কয়েক ধাপ বেগবান হয়েছে তাদের বিতর্কিত এ কার্যক্রম। প্রায় ২ মিনিটের এ এমএমএসটি ছড়িয়ে পড়েছে মুহূর্তের মধ্যে। এমনকি ভারতীয় গণমাধ্যমেও শিরোনাম হচ্ছে এ এমএমএসটি। তবে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কেউ মুখ খোলেনি। অন্যদিকে, ভিডিওটিকে ফেক বা মিথ্যা বলে দাবি করছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, এমএমএসের সেই যুগল শাহরুখ বা বচ্চনের কেউ নয়। তারা দেখতে অনেকটা আরিয়ান ও নাভ্যিয়ার মতো। সত্য-মিথ্যা যাই হোক না কেন, এমএমএসকে ঘিরে দুই পরিবারের স্ক্যান্ডাল ইস্যুটি ডালপালা মেলে বিস্তৃত হচ্ছে।

http://fatafatinews.com/archives/1516

শাহরুখ খান ও অমিতাভ বচ্চন সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ থাকে সবসময়ই। আর এ আগ্রহ মাত্রার পারদকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিল শাহরুখ পুত্র আরিয়ান ও অমিতাভ বচ্চনের নাতনি নাভ্যিয়ার সেক্স স্ক্যান্ডাল ভিডিও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আলোচনার ঝড় বইছে একটি এমএ…

বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব অনেক আগে থেকে। প্রায় প্রতি বর্ষাতেই কমবেশি ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। কিন্তু গত শতাব্দীর ...
22/09/2015

বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব অনেক আগে থেকে। প্রায় প্রতি বর্ষাতেই কমবেশি ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। কিন্তু গত শতাব্দীর শেষ ভাগে হঠাৎ ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে গেলে তা সবার নজরে আসে। মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা, আর দ্রুত কিছু মৃত্যু সাধারণ জনগণের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ডেঙ্গু জ্বর বলতে অনেকেই নিশ্চিত মৃত্যু মনে করতে থাকেন। শুরু হয় রক্ত ও প্লাটিলেট দেওয়া নিয়ে দৌড়াদৌড়ি আর অ্যান্টিবডি পরীক্ষার হিড়িক। অবশ্য গত দশ-বারো বছরে অবস্থার উন্নতি হয়েছে। একদিকে চিকিৎসকদের যেমন অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দক্ষতা বেড়েছে, তেমনি রোগী ও জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ভীতিকর অবস্থারও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় রক্তসঞ্চালন ও প্লাটিলেটের ব্যবহার কমেছে অনেক, সেই সঙ্গে মৃত্যুর হার প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। তবে জনমনে কিছুটা আতঙ্ক ও ভুল ধারণা এখনো রয়ে গেছে, যা দূর করা দরকার। অনেকে এখনো মনে করেন যে ডেঙ্গু জ্বর খুব মারাত্মক রোগ এবং এতে রোগীর মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেশি। এই ধারণা ভুল। সঠিকভাবে চিকিৎসা করা হলে সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত প্রায় শতভাগ রোগীই ভালো হয়ে যায়। যদিও বলা হয় যে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারে মৃত্যুর হার ৫ থেকে ১০ শতাংশ, কিন্তু বাস্তবে নিজ অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে এই হার ১ শতাংশেরও কম। তাই ডেঙ্গু নিয়ে অযথা ভয় পাওয়ার কারণ নেই। ডেঙ্গু জ্বর সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় দিন থাকে এবং তারপর জ্বর সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। তবে কখনো কখনো দুই বা তিন দিন পর আবার জ্বর আসতে পারে। জ্বর কমে গেলে বা ভালো হয়ে গেলে অনেক রোগী এমনকি অনেক চিকিৎসকও মনে করেন যে রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে গেছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ডেঙ্গু জ্বরে মারাত্মক সমস্যা হওয়ার সময় এটাই। এ সময় প্লাটিলেট কাউন্ট কমে যায় এবং রক্তক্ষরণসহ নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। জ্বর কমে যাওয়ার পরবর্তী কিছুদিনকে তাই বলা হয় ঝুকিপূর্ণ সময়। এ সময়টাতে সবারই সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি। জ্বরের শুরুতে বা দু-এক দিনের জ্বরে রক্ত পরীক্ষায় কোনো কিছু শনাক্ত না-ও হতে পারে এবং তা রোগ নির্ণয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে। রোগী এমনকি চিকিৎসকও মনে করতে পারেন যে রিপোর্ট ভালো আছে, তাই আর কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। মনে রাখতে হবে যে প্লাটিলেট কাউন্ট চার বা পাঁচ দিন পর থেকে কমতে শুরু করে, তাই জ্বর শুরুর পাঁচ বা ছয় দিন পর রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। এর আগে পরীক্ষা করলে তা স্বাভাবিক থাকে বিধায় রোগ নির্ণয়ে যেমন বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়, তেমনি অর্থের অপচয় হয়। অনেকেই দিনে দু-তিনবার করে প্লাটিলেট কাউন্ট করে থাকেন। প্লাটিলেট কাউন্ট ঘন ঘন করার প্রয়োজন নেই, দিনে একবার করাই যথেষ্ট, এমনকি মারাত্মক ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারেও। তা ছাড়া, একই সঙ্গে একাধিক ল্যাবরেটরি থেকে প্লাটিলেট কাউন্ট না করানোই ভালো, এতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। দেখা যায়, বিভিন্ন ল্যাবরেটরি থেকে বিভিন্ন রকমের রিপোর্ট আসছে; এতে কোন রিপোর্ট সঠিক, তা নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসক বা রোগী বিভ্রান্তিতে পড়েন। আরও একটি পরীক্ষা অনেকেই করে থাকেন, যেমন অ্যান্টি ডেঙ্গু অ্যান্টিবডি। এই অ্যান্টিবডি সাধারণত চার থেকে ছয় দিন পর তৈরি হয়। তাই এই সময়ের আগে এই পরীক্ষা করলে রক্তে অ্যান্টিবডি পাওয়া যায় না, যা রোগ নির্ণয়ে সমস্যা সৃষ্টি করে। ডেঙ্গু অ্যান্টিবডির পরীক্ষা পাঁচ বা ছয় দিনের আগে করা উচিত নয়। মনে রাখা দরকার যে এই পরীক্ষা রোগ শনাক্তকরণে সাহায্য করলেও রোগের চিকিৎসায় এর ভূমিকা নেই। এই পরীক্ষা না করলেও কোনো সমস্যা নেই। ডেঙ্গু যেহেতু ভাইরাসের কারণে হয়, সেহেতু উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়। যেমন জ্বর হলে প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ এবং এর সঙ্গে প্রচুর পানি ও শরবতজাতীয় তরল খাওয়ানোই যথেষ্ট। খেতে না পারলে বা অন্য কোনো প্রয়োজনে শিরাপথে স্যালাইন বা গ্লুকোজ ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে। ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক সময় রোগী ও চিকিৎসক উভয়েই রক্ত পরিসঞ্চালনের জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন। অথচ যদি রক্তক্ষরণ না হয় এবং রোগীর রক্তের হিমোগ্লোবিন স্বাভাবিক থাকে, তাহলে রক্ত পরিসঞ্চালন করার প্রয়োজন নেই। এ ক্ষেত্রে রক্ত দিলে লাভ তো হবেই না, বরং অন্য কমপ্লিকেশন এমনকি হার্ট ফেইলরও হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, রক্তের প্লাটিলেট কম হলেই অনেকে রক্ত দিয়ে বসে। এতে লাভ হবে না। মনে রাখতে হবে যে শুধু কম প্লাটিলেট কাউন্টের জন্য রক্ত দেওয়া উচিত নয়। ডেঙ্গু আগেও ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। তাই ডেঙ্গু জ্বরকে ভয় না পেয়ে এর সঙ্গে যুদ্ধ করেই এবং একই সঙ্গে প্রতিরোধ করেই চলতে হবে ডেঙ্গু জ্বরের পাঁচ বা ছয় দিনে রোগের স্বাভাবিকতাতেই প্লাটিলেট কাউন্ট কমতে থাকে, দুই বা তিন দিন পর তা আপনা-আপনি বাড়তে শুরু করে কোনো চিকিৎসা ছাড়াই। অনেক সময় প্লাটিলেট কাউন্ট অল্প কমে গেলেই রোগী ও চিকিৎসক খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং প্লাটিলেট পরিসঞ্চালনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্লাটিলেট পরিসঞ্চালনের কোনো প্রয়োজন হয় না। এক ইউনিট প্লাটিলেটের জন্য চার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয় এবং সেপারেটর দিয়ে আলাদা করতে হয়, যা ব্যয়বহুল। অথচ রক্তে প্লাটিলেটের হাফ লাইফ মাত্র ছয় ঘণ্টা। তাই প্লাটিলেট পরিসঞ্চালনের সুফল হয় অতি স্বল্পমেয়াদি। এ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় তাড়াহুড়া করে প্লাটিলেট দেওয়ায় হেপাটাইটিস বি অথবা সি, এমনকি এইচআইভি দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বারবার প্লাটিলেট দিলে রক্তে এর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে। তাই অপ্রয়োজনে প্লাটিলেট দিলে লাভ না হয়ে বরং ক্ষতি হতে পারে। কাজেই প্লাটিলেট দেওয়ার জন্য রোগী ও চিকিৎসকের অযথা ব্যতিব্যস্ত হওয়ার বা চিন্তার কোনো কারণ নেই। এ ছাড়া প্লাটিলেট রিচড প্লাজমা (পিআরপি), প্লাজমা, ডেক্সট্রান ইত্যাদি কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রেই দেওয়া যাবে, যেমন ডেঙ্গু শক সিনড্রোম, ডিআইসি। অযথা এগুলো না দেওয়াই ভালো। শিরাপথে এলবুমিন দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। যেহেতু ডেঙ্গু ভাইরাসজনিত রোগ, এতে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই। তবে মনে রাখতে হবে, ডেঙ্গুর সঙ্গে অন্য ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগও থাকতে পারে, যেমন টাইফয়েড ফিভার বা অন্য কোনো ইনফেকশন, যার জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে পারেন। অনেকে মনে করেন, ডেঙ্গুতে অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষতি করবে না। তবে মাংসে ইনজেকশন দেওয়া যাবে না। ডেঙ্গু চিকিৎসায় যা মনে রাখা উচিত: ১. ডেঙ্গু কোনো মারাত্মক রোগ নয় এবং এতে চিন্তার কিছু নেই। রোগী ও রোগীর লোকদের অভয় দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২. ডেঙ্গু জ্বর নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়, এমনকি কোনো চিকিৎসা না করলেও। তবে রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই চলতে হবে, যাতে কোনো মারাত্মক জটিলতা না হয়। ৩. ডেঙ্গু রোগে কী কী করা দরকার, তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ; কী কী করা যাবে না, তা জানাও গুরুত্বপূর্ণ। যা যা করা যায়, তা প্রয়োজন অনুযায়ী করতে হবে, অতিরিক্ত করা যাবে না। ৪. রক্ত বা প্লাটিলেট পরিসঞ্চালন অপরিহার্য—এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই। ডেঙ্গু মশা ও তার বংশবৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ দুটোই আমাদের চারপাশে বিদ্যমান। তাই ডেঙ্গু জ্বরকে ঠেকিয়ে রাখা কঠিন। ডেঙ্গু আগেও ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। তাই ডেঙ্গু জ্বরকে ভয় না পেয়ে এর সঙ্গে যুদ্ধ করেই এবং একই সঙ্গে প্রতিরোধ করেই চলতে হবে।

http://fatafatinews.com/archives/1513

বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব অনেক আগে থেকে। প্রায় প্রতি বর্ষাতেই কমবেশি ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। কিন্তু গত শতাব্দীর শেষ ভাগে হঠাৎ ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে গেলে তা সবার নজরে আসে। মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা, আর দ্রুত কিছু মৃত্যু সাধারণ জনগণের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ডেঙ্গু জ্বর বলতে অনেকেই নিশ্চিত মৃত্যু ম…

প্যারিস: জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হল আইফেল টাওয়ার। নিরাপত্তারক্ষীরা খুঁজে বেড়াচ্ছেন বড় ব্যাগ পিঠে থাকা এক অ...
22/09/2015

প্যারিস: জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হল আইফেল টাওয়ার। নিরাপত্তারক্ষীরা খুঁজে বেড়াচ্ছেন বড় ব্যাগ পিঠে থাকা এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে। অন্যান্য দিনের মতো আজ সদুপুরেও পর্যটকদের ভিড় ছিল প্যারিসের এই বিখ্যাত পর্যটনস্থলে। নিরাপত্তারক্ষীরা জানিয়েছেন, বড় ব্যাগ পিঠে নিয়ে এক ব্যক্তিতে টাওয়ার খোলার এক ঘণ্টা আগে থেকে সন্দেহজনভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে জেরা করার জন্য তৎপর হতেই ভিড়ে মিশে যায় ওই ব্যক্তি।

http://fatafatinews.com/archives/1507

  প্যারিস: জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হল আইফেল টাওয়ার। নিরাপত্তারক্ষীরা খুঁজে বেড়াচ্ছেন বড় ব্যাগ পিঠে থাকা এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে। অন্যান্য দিনের মতো আজ সদুপুরেও পর্যটকদের ভিড় ছিল প্যারিসের এই বিখ্যাত পর্যটনস্থলে। নিরাপত্তারক্ষীরা জানিয়েছেন, বড় ব্যাগ পিঠে নিয়ে এক ব্যক্তিতে টাওয়ার খোলা…

রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার কুড়িল থেকে বালু নদী পর্যন্ত খাল খনন করতে একটি মেগা প্রকল্প নিয়েছে। ডিটেইলড এরিয়া...
22/09/2015

রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার কুড়িল থেকে বালু নদী পর্যন্ত খাল খনন করতে একটি মেগা প্রকল্প নিয়েছে। ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যানের (ড্যাপ) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গৃহীত এই প্রকল্পে ব্যয় হবে ৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য হলোÑনিকুঞ্জ, বারিধারা, জোয়ার সাহারা, ডিওএইচএস, সেনানিবাস, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কালাচাঁদপুর ও পাশের এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসির কনফারেন্স রুমে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খবর বাসসের বৈঠক শেষে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, একনেকে খাল খনন প্রকল্পসহ ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৮ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকার দেবে ৬ হাজার ৪১৪ দশমিক ৩৫ কোটি টাকা, সংশ্লিষ্ট সংস্থা দেবে ১৫২ দশমিক ৪০ কোটি টাকা এবং অবশিষ্ট ২ হাজার ৩৫৮ দশমিক ২৫ কোটি টাকা আসবে প্রকল্প সাহায্য থেকে। ছয়টি প্রকল্পের মধ্যে চারটি নতুন এবং দুটি সংশোধিত। পরিকল্পনা কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০১৮ সালের আগস্ট মাস নাগাদ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এ প্রকল্পের প্রধান কাজের মধ্যে রয়েছে ৯৮ দশমিক ৪৬ একর ভূমি অধিগ্রহণ এবং ৭ লাখ ৮৫ হাজার ৫২২ দশমিক ৯৭ কিউবিক মিটার ভূমি খনন। অন্য প্রকল্পগুলো হলো আশুগঞ্জ ৪০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট (পূর্ব); বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, কক্সবাজারের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (প্রথম সংশোধিত); সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধিত); নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় শিবপুর বন্যানিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প এবং কক্সবাজার-টেকনাফ-মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প-৩য় পর্যায় (শিলখালী থেকে টেকনাফ)।

http://fatafatinews.com/archives/1491

রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার কুড়িল থেকে বালু নদী পর্যন্ত খাল খনন করতে একটি মেগা প্রকল্প নিয়েছে। ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যানের (ড্যাপ) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গৃহীত এই প্রকল্পে ব্যয় হবে ৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য হলোÑনিকুঞ্জ, বারিধারা, জোয়ার সাহারা, ডিওএইচএস, সেনানিবাস, হজর…

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌর এলাকায় কোরবানির পশুর হাটে গতকাল সোমবার দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত...
22/09/2015

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌর এলাকায় কোরবানির পশুর হাটে গতকাল সোমবার দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন সন্দ্বীপ পৌর এলাকার জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) ও হুমায়ুন কবির (৩৫)। পৌরসভার বাতেন মার্কেট পশুর হাটের ইজারাদার মো. মোকতার হোসেনের অভিযোগ, চাঁদা না পেয়ে যুবলীগ নামধারী দুর্বৃত্তরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বিকেল পাঁচটার দিকে ১০-১২ ব্যক্তি মোটরসাইকেলযোগে এসে হাটের ইজারাদারকে খুঁজতে থাকে। ইজারাদারকে না পেয়ে তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে জাহাঙ্গীর ও হুমায়ুনের মৃত্যু হয়। এ সময় দুর্বৃত্তদের গুলিতে পাঁচজন আহত হন। পরে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আতঙ্কিত পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা হাট ছেড়ে চলে যান। নিহত হুমায়ুন একটি প্রসাধন কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি, আর জাহাঙ্গীর নির্মাণশ্রমিক ছিলেন। হাটের ইজারাদার মো. মোকতার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তিনি দুই লাখ টাকা দিয়ে পৌরসভা থেকে হাটটি ইজারা নেন। হাট ইজারা নেওয়ার পর থেকে যুবলীগ নামধারী ফজলে এলাহী ওরফে মিশু তাঁর কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। তাঁর অভিযোগ, গতকাল ফজলে এলাহীর নেতৃত্বে ১০-১২ ব্যক্তি মোটরসাইকেলযোগে এসে তাঁকে খুঁজতে থাকে। ভয়ে তিনি হাট থেকে পালিয়ে যান। তাঁকে না পেয়ে তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে। মোকতার হোসেনের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা হাট থেকে হাসিল বাবদ পাওয়া প্রায় ৫০ হাজার টাকা লুটে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফজলে এলাহীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। সন্দ্বীপ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পশুর হাটে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যুবলীগের কেউ নয়। তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা যুবলীগের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করতে পারে। সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, ছররা গুলিতে জাহাঙ্গীর ও হুমায়ুনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। সীতাকুণ্ড সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সালাউদ্দিন সিকদার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, যুবলীগ নামধারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

http://fatafatinews.com/archives/1486

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌর এলাকায় কোরবানির পশুর হাটে গতকাল সোমবার দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন সন্দ্বীপ পৌর এলাকার জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) ও হুমায়ুন কবির (৩৫)। পৌরসভার বাতেন মার্কেট পশুর হাটের ইজারাদার মো. মোকতার হোসেনের অভিযোগ, চাঁদা না পেয়ে যুবলীগ নামধারী…

শোক সংবাদ নেপালে হিন্দু রাষ্ট্রের দাবিতে আন্দোলনরত 44 জন হিন্দু যোদ্ধা আজ পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে প্রাণ দিলেন । তার মধ্যে...
22/09/2015

শোক সংবাদ নেপালে হিন্দু রাষ্ট্রের দাবিতে আন্দোলনরত 44 জন হিন্দু যোদ্ধা আজ পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে প্রাণ দিলেন । তার মধ্যে ১৮ মাসের এক শিশু সন্তানও রয়েছে। আজ বীরগঞ্জে সেকুলার সংবিধান প্রকাশের সময় আন্দোলনরত ৩ জন হিন্দুকে পুলিস গুলি করে মারে। জয় শ্রী রাম। নেপা হবে হিন্দুস্থান।

http://fatafatinews.com/archives/1482

শোক সংবাদ নেপালে হিন্দু রাষ্ট্রের দাবিতে আন্দোলনরত 44 জন হিন্দু যোদ্ধা আজ পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে প্রাণ দিলেন । তার মধ্যে ১৮ মাসের এক শিশু সন্তানও রয়েছে। আজ বীরগঞ্জে সেকুলার সংবিধান প্রকাশের সময় আন্দোলনরত ৩ জন হিন্দুকে পুলিস গুলি করে মারে। জয় শ্রী রাম। নেপা হবে হিন্দুস্থান। Related

গোধূলি উৎসব নামটার মধ্যে কেমন একটা মন ভালো করে দেওয়া ব্যাপার রয়েছে। গোধূলির সময় আকাশের বিচিত্র রং, আলো-আঁধারি মিলিয়ে দ...
21/09/2015

গোধূলি উৎসব নামটার মধ্যে কেমন একটা মন ভালো করে দেওয়া ব্যাপার রয়েছে। গোধূলির সময় আকাশের বিচিত্র রং, আলো-আঁধারি মিলিয়ে দারুণ একটা ব্যাপার হয় বটে। কিন্তু সেই গোধূলিবেলা ঘিরে উৎসব। কেমন সেটা? আগের দিন রাস্তা পার হওয়ার সময় দেখেছি বিলবোর্ডটা। আসছে ‘টোয়াইলাইট ফেস্টিভ্যাল’। সময় বিকেল চারটা থেকে রাত আটটা। বিলবোর্ডের ছবিতে দৃশ্যমান আতশবাজি। উৎসবের জায়গাও খুব দূরে নয়। ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। মনে মনে ভাবছিলাম একবার ঘুরে এলে মন্দ কী। কিন্তু বড় ভাবি সালমা বিনতে শফিকের পিএইচডি থিসিস জমা দেওয়ার শেষ মুহূর্তের অভাবনীয় ব্যস্ততা। এর মধ্যে কি ওসব মামুলি উৎসব নিয়ে মাতামাতি চলে? বড় ভাই তারিকুল হাসান চৌধুরী ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয়েরই পোস্ট ডক্টরাল ফেলো। তাঁকে একবার বলব কি না—ভাবছি। এর মধ্যেই তাঁদের একমাত্র মেয়ে নাজিফার স্কুল ছুটি হয়ে গেল। তাতেই উপলক্ষÿমিলল। পরদিন দুপুরবেলা বড় ভাই-ভাবি নিজেই এসে বললেন, ‘চল, “টোয়াইলাইট ফেস্টিভ্যাল” দেখে আসি।’ অতএব চললাম। ১৮ সেপ্টেম্বর বসন্তের বিকেলে গাড়ি ছুটল বক্সহিল থেকে বারউডের পথে, গন্তব্য ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। উৎসব জমে উঠেছে রোদ ফুরোবার আগেই। সবার হাতে হাতে উড়ছে রঙিন বেলুন। বাঙ্গি জাম্প, ফান রাইড, ঘুরন্ত নাগরদোলা। উৎসবের আয়োজন মূলত শিশু-কিশোরদের নিয়েই। কিন্তু বড়রাও পিছিয়ে নেই। নির্বিকার দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন বাচ্চাদের লাইনে। মেলবোর্নে স্কুল ছুটির মৌসুম চলছে। তার ওপর এই উৎসব সবার জন্য উন্মুক্ত। সব মিলিয়ে ছোট-বড় সবাই শামিল উৎসবে। এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নানান দেশি ছাত্রছাত্রীরাও। মজার সব রাইড সবার জন্য একদম ফ্রি। নাজিফা ঝট করে মিশে গেল সেই ভিড়ে। ভাই-ভাবিও মেলবোর্নে তাঁদের কাছের মানুষ ইশরাত আপা আর নবীন ভাইকে পেয়ে গেলেন চোখের পলকে। মুনিরুল নবীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কৃতী ছাত্র। এখন শিক্ষকতা করছেন ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয়েই। একটা ঘুরন্ত রাইডে আমি আর বড় ভাই উঠব কি না ‘কিন্তু কিন্তু’ করছি। তিনি অবলীলায় দাঁড়িয়ে গেলেন ছেলে মিহিরকে নিয়ে। দেখাদেখি বাকিরাও। দূর থেকে আমাদের বাংলাদেশি দলটাকে দেখে ছুটে এলেন আরেকজন। ডক্টর দেবদুলাল মল্লিক! এতক্ষণ অজি আর চৈনিক চেহারার লোকদের দাপট দেখছিলাম চারপাশে। এবার বাংলাদেশিদের দলটাও ভিনদেশের এই উৎসবে বেশ বড় হয়ে গেল। একদম যারা পুঁচকে, তিন কি চার বছর বয়সী—তাদের জন্যও উৎসবে আছে দারুণ সব ব্যাপার। সত্যিকার ছাগল-ভেড়া আর নানা রকম পশুপাখি নিয়ে এসেছে একটি দল। পুঁচকেদের দল সেই সব পশুপাখি ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখছে। তাদের চোখে বর্ণমালার বইয়ে দেখা ছবির জিনিস জলজ্যান্ত চোখের সামনে দেখার বিস্ময়। বিনা পয়সার গ্যাস বেলুনের লাইনটা বেশ লম্বা। কিন্তু সেটা দ্রুত এগোচ্ছে। মিনিট পাঁচেকের মাথায় স্বেচ্ছাসেবকেরা দু-দুটো হলুদ-নীল ঝলমলে বেলুন ধরিয়ে দিল। বেলুনের ভেতরের গ্যাস বেশ জোরদার। সেই জোরে সেটা সাঁই সাঁই করে শুধু ওপরের দিকে উঠতে চায়। মন্দ নয়! নাজিফা বেলুন হাতে নেওয়ার ঝামেলায় গেল না। রাইডের লম্বা লাইনে বিরক্ত হয়ে গেল আইসক্রিম কিনতে। এর মধ্যে এসে হাজির বুদ্‌বুদ ছিটানো রঙিন রণপা। রূপকথার চরিত্রের সাজে সেজেছেন তাঁরা। বাচ্চারা জেঁকে ধরল তাঁদের। বিনা পয়সায় মজার সব রাইড হলো, বেলুন ওড়ানো হলো কিন্তু আতশবাজি? বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো না। রাত আটটা বাজার মিনিট দশেক আগেই হঠাৎ রাতের আকাশে আলোর ফুলঝুরি। একের পর এক আকাশের দিকে উঠে যাচ্ছে উজ্জ্বল বর্ণিল আলো। তারপর ভেঙে পড়ছে উজ্জ্বল আলোর কণা হয়ে। টানা মিনিট পনেরো চলল মেলবোর্নের আকাশে বর্ণিল আলোর ঝলকানি। উৎসব ফুরোল একদম সময়মতো। আমরা যখন ফিরছি শীত আরও একবার জেঁকে বসেছে মেলবোর্নে।

http://fatafatinews.com/archives/1378

গোধূলি উৎসব নামটার মধ্যে কেমন একটা মন ভালো করে দেওয়া ব্যাপার রয়েছে। গোধূলির সময় আকাশের বিচিত্র রং, আলো-আঁধারি মিলিয়ে দারুণ একটা ব্যাপার হয় বটে। কিন্তু সেই গোধূলিবেলা ঘিরে উৎসব। কেমন সেটা? আগের দিন রাস্তা পার হওয়ার সময় দেখেছি বিলবোর্ডটা। আসছে ‘টোয়াইলাইট ফেস্টিভ্যাল’। সময় বিকেল চারটা থেকে রাত আটট…

Address

Rajagopal Mantapa, Next To D Mart, Sarjapura
Bangalore
562125

Telephone

+918884941000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zero H2O posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category