18/03/2025
এখনো ঘোর ভাঙ্গে না তোর যে
মেলে না তোর আঁখি
কাঁটার বনে ফুল ফুটেছে রে...
গত রবিবার ১৬ ই মার্চ পলাশ শিমূল নন্দিত চৈত্রের দহন বেলায় পশ্চিম রাঢ় ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র লাইব্রেরি ও মিউজিয়াম নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে গৌরবোজ্জ্বল ২৫ বছর অতিক্রমকালে পূজা পর্যায়ের জাগরনের রবীন্দ্রসঙ্গীতে অনুরণিত প্রত্যয় ধ্বনিত হল মাননীয়া শিক্ষিকা সুদীপা মুখার্জি র উদ্বোধনী সঙ্গীতে। এই রাঢ়ের গৌরবময় সম্পদ তার ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চায় সদা প্রয়াসী রয়েছে ও থাকবে প্রতিষ্ঠানের পূর্বাপর পথচলা। যে দূরদর্শী স্বারস্বত ব্যাক্তিবর্গ এর প্রতিষ্ঠা বিগত ২৫ বছর পূর্বে করে গেছেন তাঁদের গভীর অবদান ও প্রেরণা আমাদের অন্তরে সদা জাগরূক। এ দিন যাঁদের উপস্থিতিতে উজ্জ্বল হল সভা : প্রধাণ অতিথি রূপে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের মাননীয় অধ্যাপক ড প্রেমাংশু চক্রবর্তী বক্তব্য , জীবনকৃতি সম্মাননা নবতিপর গোপাল চন্দ্র পাল, -বালসী পাত্রসায়ের) গ্রন্থাগার আন্দোলনে অমূল্য অবদানের জন্য। অপর জীবনকৃতি সম্মাননা:-অচিন্ত্য জানা মহাশয়কে: সমবায় রূপায়ণ ও জনজাতি ও লোকসংস্কৃতির মৌলিক গবেষণা র জন্য , বক্তব্য রাখলেন চর্চা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক গৌতম দে, সভানেত্রী প্রণতি সেনগুপ্ত, বিশিষ্ট প্রত্নতত্ত্ব গবেষক জলধর হালদার, কারা দপ্তর পদস্থ আধিকারিক অপূর্ব সেন, অধ্যাপক সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, ক্রীশ্চান কলেজ ইতিহাস শিক্ষিকা তানিয়া পাল, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকা সোমা সন্নিগ্রাহী, নবীন গবেষক অধ্যাপক শোভন ঘোষাল, ইতিহাসের ছাত্রী ক্রেসিডা চট্টোপাধ্যায় প্রমূখজন। উপস্থিত ছিলেন রেভেনিউ কমিশনার জয়দীপ মুখোপাধ্যায়, খেয়ালী পত্রিকা সম্পাদক গিরীন্দ্র শেখর চক্রবর্তী, অনিল বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মৈনাক অধিকারী, তৃষ্ণা ধবল,পাপিয়া নন্দী সহ শতাধিক নবীন ও প্রবীণ বিশিষ্ট জ্ঞানান্বেষী জন। সঞ্চালনায় ছিলাম যেমন বিগত দুই দশক রয়েছি - চন্দন শুক্ল।