Ābhishekk

Ābhishekk Welcome to my page! I'm an Entrepreneur, Social Worker & Family Man

মাননীয়, মহাশয়/মহাশয়া,আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে,আগামী ০৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬,রবিবারবারাসাত রথতলা ময়দান  ভারত...
03/09/2026

মাননীয়,
মহাশয়/মহাশয়া,

আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে,আগামী ০৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬,রবিবার
বারাসাত রথতলা ময়দান ভারতীয় মজদূর সংঘ (বি.এম.এস)- বারাসাত নগরের
উদ্যোগে এক বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

শ্রমিকদের অধিকার,মর্যাদা ও কল্যাণ এবং মানবতার সেবায় রক্তদানের মতো মহৎ
উদ্যোগকে সামনে রেখে এই ১ম বর্ষের শ্রমিক মহাসমাবেশ ও রক্তদান উৎসবের
আয়োজন করা হয়েছে।
আসুন, শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হই এবং রক্তদান করে মানবতার
সেবায় অংশ নিই। আপনার মূল্যবান সময় থেকে সদয় সম্মতি প্রদান করে আমাদের
আয়োজনে আপনি/আপনাদের উপস্থিতি ও সহযোগিতা আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।

বিনীত:
পরিচালনায় :

ভারতীয় মজদূর সংঘ (বিএমএস)
বারাসাত নগর কমিটি

সকল বারাসাত নগরের প্রান্তিক শ্রমিকবৃন্দ
৬ই সেপ্টেম্বর,২০২৬ | সকাল ১০.০০ ঘটিকায়
স্থানঃ রথতলা ময়দান ,ডাকবাংলো মোড় ,বারাসাত ,উত্তর ২৪ পরগনা,কলকাতা,৭০০১২৪

যুগাবতার শিবকল্প মহাযোগী শ্রীশ্রী লোকনাথ বাবার জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষেবাবার চরণে আমার শতকোটি প্রণাম নিবেদন করি।
03/09/2026

যুগাবতার শিবকল্প মহাযোগী
শ্রীশ্রী লোকনাথ বাবার জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে
বাবার চরণে আমার শতকোটি প্রণাম নিবেদন করি।

বারাসাতের মানুষ এর বহুদিনের স্বপ্ন,এবার বাস্তবে।ধন্যবাদ বারাসাতের নবতম রূপকার,কাছের মানুষ ,পাশের মানুষ Sankar Chatterjee...
03/09/2026

বারাসাতের মানুষ এর বহুদিনের স্বপ্ন,এবার বাস্তবে।ধন্যবাদ বারাসাতের নবতম রূপকার,কাছের মানুষ ,পাশের মানুষ Sankar Chatterjee মহাশয় কে।

সবার করি আহ্বান।দেখা হচ্ছে আগামী ৬ই সেপ্টেম্বর,২০২৬,সকাল ১০ টায়,রথতলা স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠে।
27/08/2026

সবার করি আহ্বান।
দেখা হচ্ছে আগামী ৬ই সেপ্টেম্বর,২০২৬,
সকাল ১০ টায়,
রথতলা স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠে।

“তাদের আশা দাও। এখানে সৈন্যদের সামনে কেবল দুটি পথই খোলা—জার্মানদের গুলি অথবা আমাদের গুলি। কিন্তু আরেকটি পথও আছে। সাহসের ...
22/08/2026

“তাদের আশা দাও। এখানে সৈন্যদের সামনে কেবল দুটি পথই খোলা—জার্মানদের গুলি অথবা আমাদের গুলি। কিন্তু আরেকটি পথও আছে। সাহসের পথ। মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার পথ। আমাদের এমন সব মহৎ কাহিনী শোনাতে হবে—যেসব কাহিনীতে ত্যাগ ও বীরত্বের জয়গান গাওয়া হয়। আমাদের তাদের মনে বিজয়ের বিশ্বাস জাগাতে হবে। তাদের দিতে হবে আশা, গর্ব আর লড়াইয়ের আকাঙ্ক্ষা। হ্যাঁ, আমাদের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে ঠিকই, তবে তা হতে হবে এমন দৃষ্টান্ত যা অন্যরা অনুসরণ করতে চায়। আমাদের প্রয়োজন নায়কদের।”—স্ট্যালিনগ্রাদের নৃশংস যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘এনিমি অ্যাট দ্য গেটস’ (Enemy At The Gates)-এ রাজনৈতিক কমিসার দানিলভ এবং নিকিতা ক্রুশ্চেভের মধ্যে এভাবেই কথোপকথনটি হয়েছিল।

সেই আলোচিত নায়ক ছিলেন ভ্যাসিলি জাইতসেভ। বর্তমান সময়ের বাংলার দিকে তাকালে প্রশ্ন জাগে, আমাদের কি সত্যিই নায়কদের প্রয়োজন আছে? বাংলার গৌরবময় অবস্থান থেকে পতন ঘটেছে দ্রুত ও অবিরাম গতিতে। অবিভক্ত বাংলার দুই-তৃতীয়াংশ অঞ্চলে আজ আমরা অবাঞ্ছিত; আর বাকি এক-তৃতীয়াংশেও অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’-এর হুমকির কারণে। ধূর্ত ব্রিটিশদের দ্বারা ‘অ-যোদ্ধা জাতি’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়া, জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে উপহাসের পাত্র হওয়া এবং অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ার এই সময়ে আমাদের নায়কদের প্রয়োজন আগের চেয়ে অনেক বেশি।

শিবাজী, মহারানা প্রতাপ বা লাচিত বরফুকনের সমতুল্য কোনো বীর কি আমাদের আছে? কয়েক দশকের মার্ক্সবাদী অবক্ষয়ের ধুলো ঝেড়ে ইতিহাসের পাতা উল্টালে হয়তো এমন একজনকে খুঁজে পাওয়া যায়—যিনি লোককথায় প্রায়শই ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছেন এবং যার স্মৃতি দক্ষিণ কলকাতার কোনো এক রাস্তার নামফলকেই সীমাবদ্ধ হয়ে আছে। তিনি হলেন যশোরের মহারাজা প্রতাপাদিত্য। সেই স্বাধীন ও সার্বভৌম শাসক, যিনি মুঘল সাম্রাজ্যের পরাক্রমকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন এবং সাম্রাজ্যের ভিত প্রায় কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন।
প্রাচীনকালে যশোরের জলাভূমি এলাকাটি ‘যশোহরা’ নামে পরিচিত ছিল, যার আক্ষরিক অর্থ হলো ‘যশ বা গৌরব হরণকারী’। গৌড়ের সেই গৌরব হরণ করেই দক্ষিণ বাংলায় ‘যশোহরা’ রাজ্যের পত্তন করেছিলেন প্রতাপাদিত্যের পিতা বিক্রমাদিত্য শ্রীহরি—যিনি পাঠান শাসকদের কাছ থেকে অর্জিত বিপুল সম্পদের ওপর ভিত্তি করে এই রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। ১৫৬১ সালে প্রতাপাদিত্যের জন্ম হয়; জন্মের সময়ই রাজ্যের জ্যোতিষী ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, প্রতাপ অচিরেই তার পিতাকে সরিয়ে নিজে ক্ষমতার আসনে বসবেন। জ্যোতিষীর সেই ভবিষ্যদ্বাণী শুনে শঙ্কিত বিক্রমাদিত্য অবশ্য তৎকালীন প্রথা অনুযায়ী শিশুটিকে হত্যা করেননি; বরং তাকে কার্যত নির্বাসিত করে আগ্রায় পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের এক অদ্ভুত পরিহাসে, তাঁর এই পদক্ষেপটিই আসলে সেই ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্যে পরিণত করেছিল। প্রতাপাদিত্য প্রচুর সমৃদ্ধি অর্জন করেছিলেন; তিনি অসংখ্য দুর্গ ও মন্দির নির্মাণ করেন এবং বিজয়াভিযানের মাধ্যমে দ্রুত নিজের রাজ্য বিস্তার করেন। অবশেষে তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের আধিপত্য থেকে নিজেকে মুক্ত করে সার্বভৌম শাসক হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি বাংলায় একটি হিন্দু রাজ্যের শাসনভার পরিচালনা করতেন। তাঁর রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল সুদূরপ্রসারী—এর সর্বোচ্চ শিখরে থাকাকালীন এটি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা এবং বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়া (উত্তরে), বরিশাল (পূর্বে) ও দক্ষিণে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

মহারাজা প্রতাপাদিত্য তাঁর রাজ্য সুরক্ষার জন্য বেশ কয়েকটি দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। এর মধ্যে প্রধান চৌদ্দটি দুর্গ ছিল যশোর, ধুমঘাট, রায়গড়, কামালপুর, বেদকাশি, শিবশা, প্রতাপনগর, শালিখা, মাতলা, হায়দারগড়, আরাকাকি, মণি, রায়মঙ্গল ও চাকশ্রীতে; এছাড়া বর্তমান কলকাতার আশেপাশেও সাতটি দুর্গ নির্মিত হয়েছিল। এগুলি ছিল মাতলা, রায়গড়, তালা, বেহালা, সালকিয়া, চিৎপুর ও মূলাজোড় এলাকায় এবং উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলের কাছে একটি।

মহারাজা প্রতাপাদিত্যের সেনাবাহিনী ছয়টি ভাগে বিভক্ত ছিল—পদাতিক, অশ্বারোহী, গোলন্দাজ, তীরন্দাজ এবং হস্তী-বাহিনী। পদাতিক বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ঢালি ও রায়বেঁশে সৈন্যরা, যারা কালিদাস রায় ও মদন মল্লের অধীনে ছিল। মদন মল্ল ছিলেন বাগদি (বর্গ-ক্ষত্রিয়) সম্প্রদায়ের মানুষ। বস্তুত, প্রতাপাদিত্যের সেনাবাহিনীর রায়বেঁশে সৈন্যরা সকলেই ছিলেন জাতিগতভাবে বাগদি; মল্লভূম থেকে প্রতাপাদিত্য তাঁদের নিয়ে এসেছিলেন কারণ বাগদিরা ছিল বাংলার এক পরীক্ষিত ও দক্ষ যোদ্ধা সম্প্রদায়। ভারতচন্দ্রের বর্ণনা অনুযায়ী, মহারাজা প্রতাপাদিত্যের অধীনে ৫২,০০০ ঢালি সৈন্য ছিল। তাঁর সেনাবাহিনীতে অনেক কুকি সৈন্যও ছিল এবং কুকি রেজিমেন্টের নেতৃত্বে ছিলেন রঘু। উল্লেখ্য, এই সম্প্রদায়গুলোর অনেকেই বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গর্বিত অংশ এবং কার্গিল যুদ্ধের সময় তারা শত্রুপক্ষের ওপর প্রবল আঘাত হেনেছিল। ১০,০০০ অশ্বারোহী সৈন্যের বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন প্রতাপসিংহ দত্ত, যাঁকে সহায়তা করতেন মহিউদ্দিন ও নূরুল্লাহ। তীরন্দাজ বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন সুন্দর ও ধুলিয়ান বেগ। যুদ্ধের জন্য ১,৬০০টি হাতিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। এর পাশাপাশি সুখার নেতৃত্বে প্রতাপাদিত্যের একটি শক্তিশালী গুপ্তচর বাহিনীও ছিল। প্রকৃতপক্ষে, প্রতাপাদিত্য তাঁর সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের সমন্বয়ে এক বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন।

তাঁর একটি শক্তিশালী নৌবাহিনীও ছিল। বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী তাঁর রাজ্যের সমুদ্রসীমায় পর্তুগিজ ও আরাকানি জলদস্যুরা প্রায়ই হানা দিত। সে সময়ের অধিকাংশ 'বারো ভূঁইয়া' নৌযুদ্ধে পারদর্শী ছিলেন এবং মহারাজ প্রতাপাদিত্যও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। ইতিহাসবিদ রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায় এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছেন, "তবে সে সময়ে বাংলায় হিন্দু নৌ-শক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রটি গড়ে উঠেছিল চণ্ডীখান বা সাগর দ্বীপে—যশোরের পরাক্রমশালী রাজা মহারাজ প্রতাপাদিত্যের গঠনমূলক প্রতিভার গুণে। ওই নৌ-ঘাঁটিতে যুদ্ধের জন্য সর্বদা প্রস্তুত ও সমুদ্রযাত্রার উপযোগী বহু রণতরী থাকত। এছাড়া আরও তিনটি স্থানে মহারাজ প্রতাপাদিত্য তাঁর জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের কারখানা (শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড) স্থাপন করেছিলেন; স্থানগুলো হলো—দুধালি, জাহাজঘাটা ও চাকাস।"

10/08/2026

राम রাম இராம் రామ్ ರಾಮ್ രാം રામ ਰਾਮ ରାମ رام රාම් རཱམ།

07/08/2026

১৭ ই আগস্ট শ্রমিক স্বার্থে দেশব্যাপী আন্দোলন।
ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ।

03/08/2026

আজ তিনটি রাজ্যে উপনির্বাচন এর ফল প্রকাশ হয়েছে।অথচ নিষ্কর্মা পাপ্পু বা পিন্ডি জোট বা অবৈধ পার্টির জারজ নেতারা কেও বলছে না ইভিএম হ্যাক হয়েছে।আর লাফাচ্ছে দেখেছো করমকম হলো,মানুষ ঘুরছে,চিচা মানুষ অনেকদিন আগেই বুঝে গেছে আর ঘুরেও গেছে।বাম হস্তে ১৪০ কোটি মানুষের মধ্যে ৯৯% সংখ্যক মানুষ কি করেন আশা করি জানেন।
মোরাল অফ দ্যা স্টোরি,always keep right ..never turn left.

30/07/2026

অযথা বিভ্রান্তি তৈরি করবেন না।আসল সত্য কি সেটা আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।বাকি আপনারা জনতা জনার্দন।আপনারাই বিচার করবেন বৈধ অবৈধ কে বা কারা।
সবাই শুনুন,শেয়ার করুন সকলের সাথে।

Address

Barasat

Telephone

+919883799418

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ābhishekk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category