AIDSO - North 24 Parganas

AIDSO - North 24 Parganas ব্যারাকপুর সংগঠনিক জেলা কমিটি।
বারাসাত-বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা কমিটি।
বসিরহাট সংগঠনিক জেলা কমিটি।

28/05/2026

বিপ্লবী ভগবতীচরণ ভোরার প্রয়াণ দিবসে AIDSO রাজ্য কমিটির শ্রদ্ধার্ঘ্য (২৮শে মে,১৯৩০):

“হেন কোন অপরাধ নেই যা ব্রিটেন ভারতে করেনি। ইচ্ছাকৃত অপশাসন আমাদের ভিক্ষুকে পর্যবসিত করেছে, আমাদের চামড়া অতিরিক্ত রক্তপাতে সাদা হয়ে গেছে। একটি জাতি হিসেবে, জনগণ হিসেবে আমরা অসম্মানিত এবং বিক্ষুব্ধ। তাও কি কেউ আশা করেন যে আমরা ভুলে যাব আর ক্ষমা করে দেব? আমরা আমাদের প্রতিশোধ নেবই — স্বৈরাচারীর ওপর জনগণের ন্যায়নিষ্ঠ প্রতিশোধ। ভীরুরা পিছিয়ে যাক আর আপোস ও শান্তির জন্য অবমানিত হোক। আমরা করুণা প্রত্যাশা করি না, আর দয়ার দান ও দিইনা। আমাদের যুদ্ধ শেষ তক — বিজয় অথবা মৃত্যু।"

গান্ধীজীর বিপ্লববাদ বিরোধী এক প্রবন্ধের উত্তরে সুদক্ষ কলমে 'দা ফিলোসফি অফ বোম' শীর্ষক প্রবন্ধে কথাগুলি লিখেছিলেন ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের আপসহীন ধারার এক অন্যতম যোদ্ধা বিপ্লবী ভগবতীচরণ ভোরা।
জন্ম ১৯০৩ সালের ১৫ই নভেম্বর তৎকালীন অবিভক্ত পাঞ্জাবের লাহোরে।উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবার। পিতা ব্রিটিশদের সাহায্য করে রায় বাহাদুর খেতাব পান। কিন্তু পিতার পথ তিনি অনুসরণ করেননি।
লাহোরে লালা লাজপত রায় প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল কলেজে পড়াকালীন অধ্যাপক জয়চন্দ্র বিদ্যালঙ্কার এর সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে যিনি 'হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মি' নামে একটি বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত।এখানেই বিপ্লবী ভগৎ সিং, শুকদেব, যশপালদের সঙ্গে তাঁর এক আদর্শময় বন্ধুত্ব গড়ে উঠতে থাকে।
কলেজে পড়তে পড়তেই ১৯২০ খ্রীঃ তিনি অসহযোগ আন্দোলনে যুক্ত হন। কিন্তু লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ যখন মুক্তির আকাঙ্খায় অসহযোগ আন্দোলনকে ভিত্তি করে রাস্তায় নেমেছিলেন ঠিক তখনই গান্ধীজী চৌরিচৌরার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিলেন। বিপ্লবী সাথীদের মতোই খুব মর্মাহত হলেন তিনি এই ঘটনায়। সরে এলেন গান্ধীজির পথ থেকে।
এই সময় ভগবতী চরণ প্রথমে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার সংগ্রাম ও তারপরে রাশিয়ার প্রথম শোষণমুক্ত শ্রমিক বিপ্লবের আদর্শে আকৃষ্ট হতে থাকেন। মার্কসবাদ ও কমিউনিজমকে জানার জন্য তিনি গভীর অধ্যায়ন করেন।
এই কলেজে পড়াকালীন HSA ও পরে সমাজতান্ত্রিক আদর্শে গঠিত HSRA 'এর সদস্য হন। জ্ঞানজগৎ ও তত্বচর্চায় তার অবাধ দখল ছিল। সে কারণেই প্রচার প্রপাগান্ডার গুরুদায়িত্ব তার উপরেই থাকত। এমনকি ভগৎ সিং প্রতিষ্ঠিত নওজোয়ান ভারত সভার প্রোপাগান্ডা সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
১৯২৮ খ্রীঃ ৩০শে অক্টোবর সায়মন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত লালা লাজপত রায়ের উপর পুলিশি বর্বর আক্রমণ ও হত্যার প্রতিবাদে স্যান্ডার্স হত্যার মূল কান্ডারী ভগৎ সিং,চন্দ্রশেখর আজাদ ও রাজগুরুকে গ্রেপ্তার করতে শুরু হয় ব্যাপক পুলিশি তল্লাশি। সেই সময় ভগবতী মিরাট ষড়যন্ত্র মামলায় পলাতক ছিলেন। বিপ্লবীদের আত্মগোপন করাটা খুব প্রয়োজন ছিল। এক্ষেত্রে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন ভগবতী চরণ ভোরার যোগ্য বিপ্লবী সাথী ও স্ত্রী দুর্গাবতী দেবী যাকে বিপ্লবী আদর্শ উদ্বুদ্ধ করেছিলেন ভগবতীচরণ নিজেই। নিজের ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে ভগৎ সিং এর স্ত্রীর ছদ্মবেশ ধরে পালাতে সাহায্য করলেন যা ভগবতী চরণ ভোরার ঐকান্তিক সাহায্য ছাড়া সম্ভব হতো না।
১৯২৯ সালের এপ্রিলে যখন ভগৎ সিং এবং বটুকেশ্বর দত্ত আইনসভায় বোমা নিক্ষেপ করেন এবং তার মাধ্যমে তাদের লিখিত বক্তব্য সর্বত্র ছড়িয়ে দেন। এই কাজে সাহায্য করা অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন ভগবতিচরণ ভোরা।
১৯৩০ সালের ২৮শে মে রাবি নদীর তীরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভগৎ সিং এর জেল থেকে উদ্ধারের জন্য তৈরি করা বোমার পরীক্ষা করতে গিয়ে অত্যন্ত অল্প বয়সে তিনি মারা যান।২৫ বছরের এই সংক্ষিপ্ত জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি পরাধীন দেশ কে স্বাধীন করার লক্ষ্যে নিজের জীবন নিয়োজিত করেছিলেন।

27/05/2026

স্মরণে ২৭ মে,
১৯১৯ সালে আজকের দিনে কুখ্যাত জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের বিরোধিতা করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাইট উপাধি ত্যাগ করেন।

25/05/2026

স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ বেহালার সরশুনা থানায়।
নৃশংসতার তদন্ত ও বিচার চাই।

25/05/2026

প্রতি
মাননীয় মুখ্যসচিব
পশ্চিমবঙ্গ সরকার
নবান্ন,৩২৫, শরৎ চ্যাটার্জি রোড
শিবপুর,হাওড়া -৭১১১০২

বিষয়: রাজ্যের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট ও সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন

মহাশয়,
একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা আজ এক গভীর সংকটের মুখোমুখি। 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০' এবং তাকে হুবুহু অনুসরণ করে 'রাজ্য শিক্ষানীতি ২০২৩' শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখোমুখি এনে দাঁড় করিয়েছে। বিগত তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের দুর্নীতি, স্বজন-পোষণ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব, শিক্ষক শূন্যতা প্রভৃতি আজ রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে। সরকারি স্কুল বন্ধ হওয়া, বিদ্যালয় স্তরে সেমিস্টার প্রথা প্রবর্তন, চার বছরের ডিগ্রী কোর্স, বিপুল পরিমাণে ফি বৃদ্ধি, লক্ষাধিক শূন্যপদ ও সর্বোপরি শিক্ষার সার্বিক বেসরকারিকরণ প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থার বুনিয়াদি ভিত্তিকে ধ্বংস করে চলেছে। পূর্বতন শাসকদলের প্রত্যক্ষ ও প্রচ্ছন্ন মদতেই এরই সাথে ক্রমশ বেড়েছে শিক্ষাঙ্গনে অরাজকতা, ছাত্রী নিগ্রহ ও অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনা।

এইরূপ পরিস্থিতিতে রাজ্যের দায়িত্বশীল ছাত্র সংগঠন AIDSO পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে আপনার কাছে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি ও অগ্রগতির স্বার্থে কিছু বিষয় তুলে ধরছি। আশা রাখছি আপনি গুরুত্ব দিয়ে আমাদের দাবিসূচীর বিষয়গুলি বিবেচনা করবেন এবং আগামী ২৮-২৯মে রাজের সমস্ত জেলার স্কুল পরিদর্শকদের নিয়ে মিটিংয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা করবেন এই আশা রাখি।

দাবিসূচী

▪️ স্কুলশিক্ষা সহ সমস্ত স্তরে সেমিস্টার প্রথা বাতিল করতে হবে। স্কুল স্তরে পাশ-ফেল প্রথা চালু করতে হবে।

▪️সমস্ত স্কুলে নিয়মিতভাবে ও পর্যাপ্ত পরিমাণে কম্পোজিট গ্রান্ট বরাদ্দ করতে হবে। সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো মানের উন্নয়নের জন্য সরকারকে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। উপযুক্ত আর্থিক বরাদ্দ করতে হবে।

▪️শিক্ষার সকল ক্ষেত্রে সমস্ত শূন্য পদে দুর্নীতিমুক্তভাবে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে হবে। যোগ্য শিক্ষকদের সম্মানের সঙ্গে স্কুলে ফেরাতে হবে।

▪️সমস্ত বন্ধ হওয়া সরকারি স্কুল খোলার পরিকল্পনা রাজ্য সরকারকে করতে হবে।

▪️বেসরকারি স্কুলগুলির লাগামছাড়া ফি বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

▪️ স্কুল শিক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক সিলেবাস তৈরি করতে হবে।

▪️শিক্ষার বেসরকারিকরণের ব্লু প্রিন্ট পিএমশ্রী প্রকল্প ও বিদ্যাঞ্জলি প্রকল্প চালু করা চলবে না।

▪️ইতিহাস বিকৃতি ও সিলেবাসে সাম্প্রদায়িক- অবৈজ্ঞানিক চিন্তার অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। একতরফা ও আকস্মিক সিলেবাস পরিবর্তন করা যাবে না। শিক্ষক- ছাত্র- অভিভাবক- শিক্ষাবিদদের মতামত আহবান করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞানভিত্তিক সিলেবাস প্রণয়ন করতে হবে।

▪️SC, ST, OBC ও আর্থিক-সামাজিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ হোস্টেল স্থাপন করতে হবে।

▪️ চা-বাগান, সুন্দরবন ও জঙ্গলমহলের মতো প্রান্তিক এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।

▪️সমস্ত স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের স্কলারশিপ নিয়মিত এবং দ্বিগুণ হারে প্রদান করতে হবে।

▪️ ছাত্র-ছাত্রীদের ফ্রি বাস পাস দিতে হবে।

▪️ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমস্ত ধরনের প্রান্তিক ছাত্র-ছাত্রী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।সামগ্রিকভাবে শিক্ষাঙ্গনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা করতে হবে।

ধন্যবাদান্তে
মণিশংকর পট্টনায়ক বিশ্বজিৎ রায়
সভাপতি সম্পাদক
এআইডিএসও
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি

24/05/2026

" একস্থানে দেখিলাম, ঊনপঞ্চাশ জন ভদ্র-অভদ্র হিন্দু মিলিয়া একজন শীর্ণকায় মুসলমান মজুরকে নির্মমভাবে প্রহার করিতেছে, আর একস্থানে দেখিলাম, প্রায় ওই সংখ্যাক মুসলমান মিলিয়া একজন দুর্বল হিন্দুকে পশুর মতো মারিতেছে। দুই পশুর হাতে মার খাইতেছে দুর্বল অসহায় মানুষ। ইহারা মানুষকে মারিতেছে যেমন করিয়া বুনো জংলি বর্বরেরা শূকরকে খোঁচাইয়া মারে। উহাদের মুখের দিকে তাকাইয়া দেখিলাম, উহাদের প্রত্যেকের মুখ শয়তানের চেয়েও বীভৎস, শূকরের চেয়েও কুৎসিত! হিংসায়, কদর্যতায় উহাদের গাত্রে অনন্ত নরকের দুর্গন্ধ!

উহাদের দুই দলেরই নেতা একজন, তাহার আসল নাম শয়তান। সে নাম ভাঁড়াইয়া কখনও টুপি পরিয়া পর-দাড়ি লাগাইয়া মুসলমানদের খ্যাপাইয়া আসিতেছে, কখনও পর-টিকি বাঁধিয়া হিন্দুদের লেলাইয়া দিতেছে, সে-ই আবার গোরা সিপাই গুর্খা সিপাই হইয়া হিন্দু-মুসলমানদের গুলি মারিতেছে! উহার ল্যাজ সমুদ্রপারে গিয়া ঠেকিয়াছে, উহার মুখ সমুদ্রপারের বুনো বাঁদরের মতো লাল!

দেখিলাম, আল্লার মসজিদ আল্লা আসিয়া রক্ষা করিলেন না, মা-কালীর মন্দির কালী আসিয়া আগলাইলেন না! মন্দিরের চূড়া ভাঙিল, মসজিদের গম্বুজ টুটিল! আল্লার এবং কালীর কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া গেল না। আকাশ হইতে বজ্রাঘাত হইল না মুসলমানদের শিরে, ‘আবাবিলের’ প্রস্তর-বৃষ্টি হইল না হিন্দুদের মাথার উপর।

এই গোলমালের মধ্যে কতকগুলি হিন্দু ছেলে আসিয়া গোঁফ-দাড়ি-কামানো দাঙ্গায় হত খায়রু মিয়াঁকে হিন্দু মনে করিয়া ‘বলো হরি হরিবোল’ বলিয়া শ্মশানে পুড়াইতে লইয়া গেল, এবং কতকগুলি মুসলমান ছেলে গুলি খাইয়া হত দাড়িওয়ালা সদানন্দ বাবুকে মুসলমান ভাবিয়া ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পড়িতে পড়িতে কবর দিতে লইয়া গেল।

মন্দির এবং মসজিদ চিড় খাইয়া উঠিল, মনে হইল যেন উহারা পরস্পরের দিকে চাহিয়া হাসিতেছে! "

(মন্দির ও মসজিদ প্রবন্ধের অংশ)
বিপ্লবী কবি নজরুল স্মরণে শ্রদ্ধার্ঘ্য।

24/05/2026

আধুনিক সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের প্রবক্তা জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোপারনিকাসের প্রয়াণ দিবসে AIDSO রাজ্য কমিটির শ্রদ্ধার্ঘ্য।

24/05/2026

কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ কে অনুসরণ করে রাজ্যে ‘বিদ্যাঞ্জলি’ প্রকল্প চালুর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এআইডিএসও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় আজ এক বিবৃতিতে বলেন--

" কেন্দ্রের শিক্ষানীতি কে অনুসরণ করে শিক্ষাক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করতে রাজ্যে চালু হতে যাচ্ছে "বিদ্যাঞ্জলি প্রকল্প"-- যা সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে শিক্ষার বেসরকারীকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে।
কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি চালু হওয়ার পর রাজ্যের বিগত তৃণমূল কংগ্রেস সরকার 'রাজ্য শিক্ষানীতি ২০২৩ 'এর নাম করে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এরাজ্য অনেকটাই লাগু করেছিল। যার ফলে তৃণমূল কংগ্রেস শাসনে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যয়ের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে। বিগত সরকারের আমলে এরাজ্যের ছাত্রছাত্রী -শিক্ষক -অভিভাবক এবং শিক্ষানুরাগী জনসাধারণের কাছ থেকে বারবার দাবি উঠেছিল জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এরাজ্যে চালু না করার। বর্তমান পশ্চিমবাংলায় ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার কিছুদিনের মধ্যেই পুরোপুরিভাবে এ রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ কার্যকর করার কথা ঘোষণা করেছে। শুধু তাই নয় ইতিমধ্যে নানান পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। 'বিদ্যাঞ্জলি প্রকল্প' এই পরিকল্পনারই অংশ।

রাজ্যে 'বিদ্যাঞ্জলি প্রকল্প 'চালু হওয়ার অর্থ, সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের সার্বিক উন্নয়নে এবার সরাসরি অংশ নিতে পারবে বিভিন্ন কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল, স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। স্কুলগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতির কাজে তারা সরাসরি অংশ নেবে। অর্থাৎ সরকারি স্কুলগুলি পরিকাঠামো মানে উন্নয়নের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ সহ উপযুক্ত ভূমিকা পালন না করে, পিপিপি মডেলের মাধ্যমে বিনিয়োগ সংস্থাকে অর্থ বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়ে ব্যবসা করার জায়গা করে দেবে। এর মধ্য দিয়ে সরকারি স্কুলগুলিতে বেসরকারি সংস্থার সরাসরি কর্তৃত্ব যেমন প্রতিষ্ঠিত হবে তেমনি তাদের মতাদর্শগত প্রভাবও বাড়বে। স্বাভাবিকভাবে স্কুলগুলিতে পড়ার খরচ বাড়বে, বিপন্ন হবে গরীব মধ্যবিত্তের শিক্ষার অধিকার। ছাত্র ও শিক্ষা স্বার্থ বিরোধী এই প্রকল্প আমরা বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি।

রাজ্যে হাজার হাজার বন্ধ স্কুলগুলি পুনরায় চালু করা, ড্রপ আউট ছাত্রদের স্কুলে ফেরানো, সমস্ত শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ, স্কুলগুলিকে কম্পোজিট গ্র্যান্টের টাকা ধারাবাহিকভাবে দিয়ে স্কুলের পরিকাঠামো মানোন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রথম শ্রেণী থেকে পাশ ফেল চালু, একাদশ দ্বাদশে সেমিস্টার বাতিল সহ বিজ্ঞানভিত্তিক সিলেবাস চালু করে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে রক্ষা করার জন্য আমরা ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। এই দাবিগুলোর পক্ষে তীব্র জনমত গড়ে তোলা এবং ছাত্র স্বার্থ বিরোধী সর্বনাশা জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ বাতিলের দাবিতে রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক অভিভাবক সহ সর্বস্তরের জনসাধারণকে প্রতিবাদ আন্দোলনের সামিল হওয়ার আবেদন জানাচ্ছি। "


22/05/2026

Remembering the first light of Indian Renaissance, Raja Ram Mohan Roy on his Birth Anniversary..

দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনে শ্যামনগর ইউনিটে কলেজ ভর্তির ফরম ফিলাপ হেল্প ডেক্স চলছে।
22/05/2026

দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনে শ্যামনগর ইউনিটে কলেজ ভর্তির ফরম ফিলাপ হেল্প ডেক্স চলছে।

কলেজ ভর্তি ফরম ফিলাপ চলছে কাঁচরাপাড়া গোকুলপুর ইউনিটের উদ্যোগে।
21/05/2026

কলেজ ভর্তি ফরম ফিলাপ চলছে কাঁচরাপাড়া গোকুলপুর ইউনিটের উদ্যোগে।

Address

Bhatra Palli
Barasat
700126

Telephone

7059826196

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AIDSO - North 24 Parganas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to AIDSO - North 24 Parganas:

Share