11/08/2026
একটা বাচ্চা দান করে দিতে চাই
******************************
আপনারা যারা "পাশে আছি সুন্দরবন"কে জানেন তারা দেখেছেন আমরা দীর্ঘ বছর ধরে বিভিন্ন রকম সমাজের কাজ করার চেষ্টা করে চলেছি, এই কাজের সূত্রেই বিভিন্ন রকম মানুষের সাথে পরিচয়।
বিভিন্ন সময় হরেক রকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী হতে হয় কিন্তু আজ যে ঘটনার সাক্ষী আমরা হলাম তা এই ২০২৬ সালে এসে সত্যিই খুব হতাশ করলো। আজ হঠাৎ এক পরিচিত ব্যক্তি ফোন করে বলল তাড়াতাড়ি একটু আসতে পারবে না হলে অনেক বড় সমস্যা হয়ে যাবে, কিছু করতে পারি আর না পারি আমরা ছুটে যাই, আজো গেছিলাম এবং সেখানে উপস্থিত হয়ে যা শুনলাম সেটাই আপনাদের কাছে শেয়ার করব।
বাসন্তীর কোন এক গ্রামে বিয়ে হয়েছিল বছর কুড়ির এক যুবতীর তারপর ছেলে ছেলে করে সে একে একে জন্ম দেয় পাঁচ কন্যা সন্তানের তবুও ছেলের মুখ তাদের দেখা হলো না, অভাবের সংসার ওনার স্বামী সংসার চালানোর জন্য পাড়ি দেন অন্য রাজ্যে। কিছুদিন যোগাযোগ ঠিকঠাক ছিল কিন্তু যত দিন গড়ায় যোগাযোগ কমতে থাকে থাকে এবং বিগত দুই তিন মাস ধরে যোগাযোগ একদম বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বাড়িতে পাঁচটা মেয়েকে নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। বেশ কিছুদিন আগে ঘরের যে মাটির দেওয়াল সেই দেয়ালটি হঠাৎ ভেঙে পড়ে। কপাল জোরে ৫ মেয়েকে নিয়ে বেঁচে যায় মা কিন্তু ওনার বক্তব্য ওই দেয়ালটি পড়ে যদি ছয় জন একসাথে মারা যেতাম তাহলে হয়তো অনেক ভালো হতো। এখন ওই মায়ের একটাই আবেদন ওনার ছোট মেয়েটিকে কেউ যদি নিতে চান তাহলে অন্তত ও না খেয়ে মরবে না। আমরা যখন ওনাকে বললাম এরকম ভাবে বাচ্চা কাউকে দিয়ে দেওয়া যায় না এটা সম্পূর্ণ বেআইনি উনি বললেন খালি পেটের কাছে আইন খাটে না। সত্যিই ওনার কথাগুলো শুনে আমরা ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলাম ওনার গ্রামের মানুষ যখন আমাদের উপর ভরসা করেছেন কিছু তো করতে হবে তাই আমরা ওনার গ্রামের মানুষের কাছে এবং উনার কাছে কথা দিয়ে এসেছি ওনাদের আপাতত এক মাস যাতে সংসার চলে সে রকম কিছু ব্যবস্থা করব , আর তার মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে চেষ্টা করব পার্মানেন্টলি যদি কোন ব্যবস্থা করা যায়।
নিচে যে ছবিটি দেওয়া হল সেটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক AI থেকে নেওয়া আর আপনাদের সামনে সেদিন ওনার সম্পূর্ণ পরিচয় ও সম্পূর্ণ ঠিকানা দিয়ে সমস্ত তথ্য তুলে ধরব যেদিন ওনার জন্য আমরা কিছু করতে পারবো।
🙏 সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং সাথে থাকবেন 🙏