MD Rajib Mollick

MD Rajib Mollick It is about social work,education and motivation.I'm a stnd of English Literature. Follow to know.

18/02/2026

হুম কাল থেকে দেখবেন এক নতুন উদ্যম: টুপি, পাঞ্জাবী, হিজাব, মোবাইলে ওয়াজ, গজল, ইসলামিক রিংটোন!

যেটা করবেন না 👉
i) টিটকারি মারবেন না!
ii) অপমান করবেন না!
iii) অতীতের করা কোনো গুনাহ বা কর্ম এর জন্য দোষারোপ করবেন না।

কেননা আল্লাহর কাছে ফিরে আসার মাস এটা। এটা নিজেকে নতুনভাবে তৈরী করার মাস , তওবা করার ও কবুল হওয়ার মাস, উত্তম ট্রেনিং পিরিয়ড।

যেটা করবেন 👉
i) উৎসাহ দেবেন।
ii) নিজেও মোটিভেট হবেন।
iii) তাকে সাহায্য করবেন সুন্নাত শিখতে।
iv) অন্যের দোষ ত্রুটি গোপন রাখবেন।
v) নিজের জন্য ও রমজানের ৫ ওয়াক্ত নামাজীর জন্য দোয়া করবেন।

✍️মহঃ রাজীব

কাগজ ঠিক রাখুন। নিজে ভালো বুঝলে অন্যকেও সাহায্য করুন। আতঙ্কিত হবেন না। আর টিভি নিউজ এড়িয়ে চলায় ভালো!
02/11/2025

কাগজ ঠিক রাখুন। নিজে ভালো বুঝলে অন্যকেও সাহায্য করুন।
আতঙ্কিত হবেন না। আর টিভি নিউজ এড়িয়ে চলায় ভালো!

মুর্শিদাবাদ বাসীকে অপমান করার আগে একটু ভেবেই করবেন! আর কি প্রমাণ দিলে আপনাদের নাক শিটকানো বন্ধ হবে? গর্বিত আমি মুর্শিদাব...
18/06/2025

মুর্শিদাবাদ বাসীকে অপমান করার আগে একটু ভেবেই করবেন! আর কি প্রমাণ দিলে আপনাদের নাক শিটকানো বন্ধ হবে?

গর্বিত আমি মুর্শিদাবাদী!

7/5/25 এ এক অসুস্থ মাকে রক্ত দিলাম। ১১ বার এই সুচের স্বাদ নিয়েছে এবং এই আনন্দ সানন্দে গ্রহণ করি! আমি বিগত এক বছর রক্ত দি...
17/05/2025

7/5/25 এ এক অসুস্থ মাকে রক্ত দিলাম।
১১ বার এই সুচের স্বাদ নিয়েছে এবং এই আনন্দ সানন্দে গ্রহণ করি! আমি বিগত এক বছর রক্ত দিতে পারিনি বিড়ালের আঁচড়ের ভ্যাকসিন নিয়েছিলাম বলে এখন আবার ইন শা আল্লাহ ধারাবাহিক ভাবেই রক্ত দেবো আর Manab Bandhan মানব বন্ধন এ যতটা সম্ভব মানুষের জন্য সময় দেবো!

#কাজই_হোক_মাথার_তাজ!

08/05/2025

জেনে নিন!
১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।

এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।

04/04/2025

পুরো ভিডিও টা দেখুন আর বুঝুন কাদের কাছে সম্পত্তি বেশি! নিজের উপর দিয়ে যখন যাবে তখন এর বিরুদ্ধে দাঁড়াবে না তো!!!

01/04/2025

It's the best satire!!

আর কিছুদিনের মধ্যেই আসছে ঈদ। তারপরেই রামনবমী। এবারের বাংলা যে রামনবমীকে কেন্দ্র করে উত্তাল হবে তা বলাই বাহুল্য। কয়েকমাস ...
29/03/2025

আর কিছুদিনের মধ্যেই আসছে ঈদ। তারপরেই রামনবমী। এবারের বাংলা যে রামনবমীকে কেন্দ্র করে উত্তাল হবে তা বলাই বাহুল্য। কয়েকমাস আগে আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবত এসে এই বাংলায় দশ দিন এমনি এমনি কাটিয়ে যাননি। তারপরে উলুবেড়িয়াতে বিজেপি এবং আরএসএস তাঁদের সমন্বয় বৈঠক করেছে। এগুলো তো নীচের তলার বৈঠক। ওপরতলাতেও মিডিয়া, ইউটিউবারদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। প্রচুর টাকার কথা নিশ্চিত হয়েছে, প্ল্যান সাজানো হয়েছে কী করে এবারের রামনবমীকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক ন্যারেটিভ ছড়ানো যায়।

বাঙালীর কাছে, রামনবমী ছিল বাসন্তী পুজো হিসেবে, হঠাৎ করে এই উত্তরভারতীয় সংস্কৃতি কীভাবে প্রবেশ করলো, তা নিয়ে অনেক আলোচনা চলতে পারে। তবে বাংলায় যেহেতু ডেমোগ্রাফি বদলেছে, এবং পাশাপাশি গত দশ বছরে, যেভাবে সারা দেশ জুড়ে উগ্র হিন্দুত্বের প্রচার বেড়েছে, তাতে বাংলায় এই সংস্কৃতি প্রবেশ না করলেই অবাক হতাম। ২০১৮ সালের পরবর্তীতে বেশ কিছু মানুষজন একটা পড়াশুনা করে রিপোর্ট প্রকাশ করেন যে কী প্রক্রিয়ায় এই রামনবমীকে কেন্দ্র করে একটা ন্যারেটিভ তৈরী করার চেষ্টা করা হয়েছে সারা দেশ জুড়ে।

প্রথমেই রামনবমীর আগে থেকেই উস্কানিমূলক মন্তব্য করা শুরু হয় রাজনৈতিক নেতাদের তরফ থেকে। যত রামনবমী এগোতে থাকে, তত বাড়তে থাকে এই উস্কানি। তারপর রামনবমীর দিন মিছিল বের করা হয়, ডিজে বাজানো হয় তারস্বরে। সেখানে বহুল প্রচারিত হিন্দি গান বাজিয়ে নাচাগানা শুরু হয়, লক্ষ্যবস্তু থাকে মুসলমানদের মসজিদ। যাঁরা এই নাচতে যায়, তাঁরা মূলত অশিক্ষিত, হাফ শিক্ষিত, কূ শিক্ষিত বেকার হিন্দিভাষী ও বাঙালী যুবক, যাঁদের জন্য কোনও সরকারই কিছু করেনি। বাইরের পার্শ্ববর্তী রাজ্য থেকেও বেশ কিছু যুবককে আনা হয় এবং এবারও হবে। মহিলাদের উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানে খুব নগণ্য থাকে। তারপর সেই মিছিলের মধ্যে থেকেই কেউ বা কারা ঐ যুবকদের উদ্দেশ্যে পাথর ছোঁড়েন। অনেকে বলতেই পারেন, মসজিদ থেকে ঢিল ছোঁড়া হয়, কিন্তু ঐ আগের রিপোর্টে তেমন প্রবণতার কথা দেখা যায়নি। তারপর শুরু হয় দাঙ্গা। মূলত গরীব মানুষের ঘর ভাঙচুর হয়, আগুন জ্বলে, মানুষ মারা যায়।

এবার প্রশাসন যদি এই রামনবমীর মিছিলকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য লাঠি, কাঁদানে গ্যাস বা জলকামান চালায়, তখনই মিডিয়া জুড়ে প্রচার শুরু হয় এই দেখো এই সরকার হিন্দু বিরোধী, হিন্দুদের পুজো করতে দেওয়া হচ্ছে না। অথচ এই বাংলায় যখন দুর্গাপুজো হয়, তখন কিন্তু সেই পুজো মাসজিদের সামনে হয় না। মসজিদের সামনে গিয়ে ডিজে বাজিয়ে, ‘দেশ মে রেহেনা হোগা, তো জয় শ্রী রাম কেহেনা হোগা’ নাচতে হয় না। এই রামনবমীর সংস্কৃতিটা আমাদের নয়। এবার মুসলমানদের প্রসঙ্গে আসি। ঐ ডিজে বাজিয়ে নাচানাচির সময়ে বেশ কিছু মুসলমান যুবক উত্তেজিত হয়ে সামাজিক মাধ্যমে ঐ ভিডিও বন্ধুদের পাঠাতে থাকেন। ভয় পেয়েই হয়তো করেন, এবং ওঁদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে কোথাও কোথাও গণ্ডগোলে জড়িয়ে পড়েন। ওদিকে পোষা মিডিয়া এবং ইউটিউবাররা তখন সেই ছবি সেই ভিডিও প্রচার করে বলতে থাকেন, হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে বাংলাটা বাংলাদেশ হয়ে যাবে।

মোটামুটি এই প্যাটার্ন, এটাই মোটিভ। এবার সচেতন হলে, সাবধান হলে, প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটা সঙ্ঘবদ্ধ হিন্দু-মুসলমান যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে, এই প্ল্যান ভেস্তে দেওয়া যায়। একটাই কথা মাথায় রাখবেন, এই বাংলা দাঙ্গাবাজদের হবে না, কোনোদিনই। সবাই ভাল থাকুন, আনন্দে ঈদ কাটান। সচেতন হোন। ও হ্যাঁ, আর একটা কথা, নরম হিন্দুত্ব দিয়ে উগ্র হিন্দুত্ব রোখার কৌশল অনেক সময় কাজ করে না। প্রশাসনের একটা অংশে আরএসএস-বিজেপির প্রভাব বেড়েছে, সেই জন্যেই এই হনুমানের লাফালাফি বেড়েছে এবং অবশ্যই বেকারত্ব বেড়েছে, সেই কারণেই রাস্তায় হনুমানদের বেশী চোখেব পড়ছে।

Source: Suman Sengupta দাদার ওয়াল থেকে।

অনেকেই জানেন না যে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর রাজনৈতিক গুরু ছিলেন মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধী(রঃ)। এবং নেতাজী সুভাষ চন্দ্র ব...
23/01/2025

অনেকেই জানেন না যে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর রাজনৈতিক গুরু ছিলেন মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধী(রঃ)। এবং নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে জাপানে পাঠানোর ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনিই। মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের- (রঃ)ও আদর্শিক গুরু ছিলেন।

মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধী(রঃ) (১৮৭২-১৯৪৪)
বৃটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম অবিসংবাদিত নেতা, কিংবদন্তীতুল্য ব্যক্তিত্ব মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধীর(রঃ) নাম ইতিহাসের পাতা থেকে একরকম মুছে ফেলা হয়েছে। প্রকৃত ইতিহাস চেপে রাখা হয়েছে। আজকের তরুণ প্রজন্মের প্রধান করণীয় হ’ল, বৃটিশ ও উৎকট ব্রাহ্মণ্যবাদীদের ষড়যন্ত্রে দু'শ' বছর ধরে চেপে রাখা ইতিহাস পুনরুদ্ধার করে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরা।

ইঙ্গ-ব্ৰাহ্মণ্যবাদী ইতিহাসবিদরা তাদের রচিত— ভারতবর্ষের বৃটিশবিরোধী লড়াইয়ের ইতিহাসে মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধীর (সিন্ধু প্রদেশের বাসিন্দা বলে সিন্ধী বলা হয়) যথার্থ স্থান না হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে হাতেগোণা যে কয়জন উচ্চতম মর্যাদাসম্পন্ন নেতার নাম প্রকৃত ইতিহাসের পাতায় চিরকাল স্বর্ণীক্ষরে লেখা থাকবে তাদের মধ্যে উবায়দুল্লাহ সিন্ধীকে অন্যতম না বলে শ্ৰেষ্ঠতম বলে বিবেচনা করা হয়।

মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধী(রঃ) সম্পর্কে গোলাম আহমাদ মোর্তজা লিখেছেন, "ইতিহাস খ্যাত হঠাৎ নেতার দলেরা স্বাধীনতা আন্দোলনের শেষে উদিত হয়ে ইংরেজদের সাথে লড়াই না করে হিন্দু-মুসলমানের লড়াই করেছেন, আর শাসক ইংরেজ হাসি চাপা রেখে গম্ভীর মুখে ঐ মারামারিকে স্বাধীনতা যুদ্ধ, আর ওইসব মোড়লদের স্বাধীনতা যোদ্ধা বলে “টাইটেল’ দিয়েছেন। সুভাষ বসুকে কংগ্রেস দলে গ্রহণ না করার শ্রেষ্ঠ কারণ হচ্ছে এই, তিনি মুসলমানদের আন্দোলনের ফর্মুলা গ্ৰহণ করেছিলেন। আর তাঁর রাজনৈতিক গুরু ছিলেন মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধী(রঃ)। বৃটিশ সরকার যখন বুঝতে পারল যে উনি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ, যেখানে থাকবেন সেখানেই বিপ্লবের আগুন জ্বলে উঠবে- তখন তাঁর ওপর আদেশ চাপানো হলো যে, তাঁকে চিরদিন ভারতবর্ষে প্রবেশ করা চলবে না। বাধ্য হয়েই তাঁকে ভারতবর্ষ ছেড়ে যেতে হয়। কিন্তু ইংরেজরা যদি- ভারতের বাইরে তিনি কতটা সংগঠন ও বিপ্লবীদের সাহায্য এবং ভারত ত্যাগী মুজাহিদদের পথ চলার পাথেয় পরিবেশনা করতে পারেন চিন্তা করত ,তবে তাকে ভারতেই আটকে রেখে বরং বহির্ভারতে যাতায়াত বন্ধ করে দিত।”

জনাব মোর্তজা সাহেব অতঃপর লিখেছেন--
মাওলানা উবাইদুল্লাহ বৃদ্ধ বয়সে দেশে আসার অনুমতি পান। প্রথমেই তিনি আসেন কলকাতায়। ওখানে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের অধিবেশনে। নেতাজী সুভাষ বসু আগে থেকেই তাঁর যোগ্যতা, দৃঢ়তা ও ভারতপ্রেমের কথা জানতেন, কিন্তু শিষ্য হওয়ার মতো, বিশেষভাবে পরামর্শ করার মতো সুযোগ পাননি। নেতাজী এবার মাওলানার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন, তাঁর পরামর্শ চাইলেন এবং তাঁর শিষ্যত্ব বরণ করতে চাইলেন। তিনি (সুভাষচন্দ্র) জানালেন, ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতায় তিনি বিশ্বাসী এবং ভারতের জন্য জীবন দিতে তিনিও প্ৰস্তুত।

মাওলানা উবাইদুল্লাহ সিন্ধী তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন এবং আস্তে আস্তে বললেন, “আজ রাত্ৰে তৈয়ব ভাই জরিফের বাড়ীতে গোপন আলোচনা হবে।".. রাত্ৰিতে গোপন কথা হয়েছিল। সেখানে ছিলেন চৌধুরী আশরাফুদ্দিন আর বর্ধমানের মাওলানা আবুল হায়াত প্রমুখ বিখ্যাত প্রকৃত নেতা।

ওখানে উবাইদুল্লাহ সিন্ধী(রঃ) সুভাষচন্দ্র বসুকে নির্দেশ দেন। “অত্যন্ত চুপিচুপি তুমি মাওলানা জিয়াউদ্দীন নাম নিয়ে ১৭ জানুয়ারী (১৯৪১) রওনা হও”। তারপর মাওলানা উবাইদুল্লাহ সাহেব নিজের হাতে অনেক চিঠিপত্র লিখে দিলেন এবং জানালেন, কোন জায়গায়, কোথায়, কী নামে, কী বেশে, কী পদে, কোন রাষ্ট্রে তার শিষ্য-ভক্ত কমীরা আছেন। হয়েছিলও তাই।”

বাস্তবেও দেখা যায়, সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর গুরু, মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সিন্ধীর একান্ত অনুগত শিষ্য হিসেবে ভারতের মুসলিম বিপ্লবীদের মতো ইংরেজদের বিরুদ্ধে পূর্ণ স্বাধীনতার লড়াইকেই আমৃত্যু অনুসরণ করেছেন। দেখা যায়, সুভাষচন্দ্র বসুর আযাদ-হিন্দ ফৌজের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের অধিকাংশই ছিলেন মুসলমান। যেমন ক্যাপ্টেন শাহনাওয়াজ, ক্যাপ্টেন বুরহানুদ্দিন, ক্যাপ্টেন আবদুর রশীদ এবং জমাদার ফতেহ খান প্রমুখ।

মওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধী(রঃ) বৃটিশবিরোধী স্বাধীনতার লড়াইয়ে তাঁর পরিকল্পনা ও প্রস্তাব সুভাষচন্দ্র বসুকেও দিয়েছিলেন, কংগ্রেসকেও দিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন কংগ্রেস নেতারা এবং গান্ধীজিও তা অস্বীকার করেছিলেন, আর সুভাষচন্দ্র বসু মৃত্যু পর্যন্ত তা পালন করেছিলেন। ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠতম বিপ্লবী অশীতিপর বৃদ্ধ এই মাওলানাকে বৃটিশরা গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় এবং সেখানেই কাপুরুষোচিতভাবে বিষপ্রয়োগে তাঁকে হত্যা করে। এটি ছিল বিশ্বের ইতিহাসে নিকৃষ্টতম কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ডের একটি।

নেতাজি সুভাষ বসুর ওপর মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধীর প্রভাবের বিষয়ে এবং বিপ্লবী উবায়দুল্লাহ সিন্ধী সম্পর্কে মওলানা আবুল কালাম আজাদ (রঃ) তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু মওলানা জহীরুল হককে যে পত্র লিখেছিলেন তার বাঙলা তর্জমার কিছু অংশ গোলাম আহমাদ মোর্তজার ‘ইতিহাসের ইতিহাস’ গ্রন্থের বরাতে এখানে তুলে ধরা হ’ল।-

দিল্লি ১৫ই সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ 'স্নেহের মৌলবী জহীরুল হক (দ্বানপুরী) আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ। আযাদী উপলক্ষে আপনার প্রেরিত পত্রের জন্য শুভেচ্ছা জানাই। পত্র পড়ে স্মৃতিপটে ভাসে শুধুই মাওলানা উবাইদুল্লাহ সিন্ধীর(রঃ) স্মৃতি। সেই ঘটনা অনেক লম্বা, সংক্ষেপ করলেও যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। ১৯১৪ সালে বিশ্বযুদ্ধের সময় শাহ ওয়ালীউল্লাহর (র.) কাফেলার নেতা। হযরত মাওলানা মাহমুদুল হাসান (র.) অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে মাওলানা উবাইদুল্লাহ সিন্ধীকে কাবুল প্রেরণ করেন। সেখানে মাওলানা উবাইদুল্লাহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করেন। তন্মধ্যে জার্মান, ফ্রান্স ও জাপানের এমন সব নেতা-কর্মী ছিলেন, যারা পরবর্তীকালে শাসনক্ষমতার উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।

পঁচিশ বছর নির্বাসন ভোগ করে ১৯৩৯ সালে তিনি যখন দেশে আসেন। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। তিনি তাঁর নিজস্ব পরিকল্পনা কংগ্রেসের কাছে পেশ করে সর্বভারতীয় সংগ্রামের প্রোগ্রাম রচনা করেন, সেই সময় গান্ধীজি পর্যন্ত ঐ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেন। তাহলেও “ভারত ছাড়’ আন্দোলনটুকু অনুমোদন লাভ করে। একদিন চায়ের মজলিশে তাঁর (উবাইদুল্লাহ সিন্ধীর) সঙ্গে আমার আলাপ হয়। তাঁর চোখ ও চেহারায় চিন্তার চিহ্ন দেখে আমার মনে অনুসন্ধিৎসুর প্রশ্ন জাগে। আমি প্রশ্ন করতেই কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে তিনি তাঁর বাসা উখলায় ফিরে যান।

দ্বিতীয় দফায় উখলা হতে দিল্লি পর্যন্ত আট মাইল সড়কের কোন একটি জনমানবশূন্য স্থানে তাঁর সঙ্গে সুভাষের সাক্ষাৎ সংঘটিত হয়। তার পরের সাক্ষাৎটি হয়েছিল কলকাতার বালিগঞ্জ এলাকায়। এইখানে তিনি সুভাষকে জাপান যাত্রার জন্য রওনা করান। জাপান সরকারের নামে একটি ব্যক্তিগত বিশেষ বার্তাও পাঠান। তাই সুভাষ সেখানে পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে জাপান সরকারের সৈন্য বিভাগও তাঁর প্রতি আস্থা স্থাপন করতে পেরেছিল।

শেষ পর্যন্ত ভয়ংকর বিষ প্রয়োগ করে মাওলানা সাহেবের জীবন শেষ করা হয়। ১৯৪৪ সালের ২২শে আগস্ট তিনি মহামিলনে শামিল হলেন মহান মাওলা স্রষ্টার সঙ্গে। সেদিন আকাশ হতে অশ্রু ঝরেছিল। সারা পৃথিবী শোকে মুহ্যমান হয়েছিল। ভারত সরকার এ সংবাদ গোপন রেখেছিল। ...

অবশেষে সাধারণের ধারণা সত্য বলে প্রমাণিত হয়। ১৯৪৫ সালে পুরো একবছর নয়দিন পর সরকারীভাবে স্বীকার করা হয় মাওলানা সাহেব নিহত হয়েছেন। বাস্তবিক এমন একজন বিপ্লবীকে ওজনের তুলাদণ্ডে এক পাল্লায় রেখে অন্য পাল্লায় সারা পৃথিবী চাপালেও এই বিপ্লবীর সমান হয় না। এখন রয়ে গেছে তাঁর অপরূপ স্মৃতি ও অপূর্ব বিরহ-বেদনা। দুঃখ শুধু এজন্য নয়। যে, তিনি চলে গেছেন। এজন্য দুঃখ যে, তিনি এ জগতের মানুষ ছিলেন তা আজ প্রায় অবলুপ্ত। আমরা সেই দলেরই পশ্চাৎবতীর্ণ কমী, সেই কাফেলার অনুরূপ দল আর পাইনা, আর পাচ্ছিনা গন্তব্যস্থলের ঠিকানা। আমাদের কেউ চিনে না, আর অন্যদেরও আমরা চিনতে পারছি না। সেই শহীদদের উপর স্বাধীনতার গৌরব অৰ্পিত হউক । আলহামদুলিল্লাহ (আল্লাহর প্রশংসা)। আমি সুস্থই আছি। আপনার কুশল জানাবেন। আপনার সম্মানিয়া মাতার প্রতি রইলো আন্তরিক সালাম।".......

এই পত্রের মাধ্যমে পরিষ্কার বোঝা যায়- মাওলানা আবুল কালাম আজাদ(রঃ) তাঁর মতাদর্শিক গুরু মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধীর(রঃ) প্রতি এতটাই গভীর শ্রদ্ধা পোষণ করেছেন এবং তাঁকে এমন উচ্চতম মর্যাদার আসনে স্থান দিয়েছেন, যা তিনি তাঁর রাজনৈতিক গুরু মহাত্মা গান্ধীকেও কখনও দেননি।

যাই হোক, মাওলানা উবাইদুল্লাহ সিন্ধীর(রঃ) সাথে সুভাষচন্দ্র বসু ও মাওলানা আবুল কালাম আজাদের(রঃ) ঘনিষ্ঠ গুরু-শিষ্য সম্পর্কের কথা কথিত ঐতিহাসিকেরা কখনই উল্লেখ করেন না। দুঃখজনক ব্যাপার হ’ল, স্বাধীনতার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আত্মোৎসর্গকারী এবং সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী মহান বিপ্লবী উবাইদুল্লাহ সিন্ধীর(রঃ) নাম বৃটিশ ও ব্রাহ্মণ্যবাদীদের চক্রান্তে ইতিহাসের পাতায় প্রায় অনুপস্থিত। এরকম ন্যাক্কারজন ভাবেই ভারতবর্ষের মুসলমানদের বহু গৌরবময় ইতিহাস ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।

-মূল লেখাটি এখানে দেখুন।
"বৃটিশ-বিরোধী লড়াইয়ে বিস্ময়কর দুই মাওলানা"
https://www.istishon.com/?q=node/25902

পরিমার্জনা/ সক্ষিপ্তসার ..।
স্মৃতির পাতা থেকে. আরমিন খাতুন।।

উপভোগ করুন বই প্রেমীরা!ফ্রি ই-বুক ডাউনলোড করার ১৪টি সাইট:1. PDFBooksWorld2. B-ok cc3. BookBoon4. Library Genesis5. Pdfdr...
14/01/2025

উপভোগ করুন বই প্রেমীরা!

ফ্রি ই-বুক ডাউনলোড করার ১৪টি সাইট:
1. PDFBooksWorld
2. B-ok cc
3. BookBoon
4. Library Genesis
5. Pdfdrive
6. Open Library
7. DigiLibraries
8. Project Gutenberg
9. FeedBooks
10. FreeTechBooks
11. Internet Archive
12. O’Reilly Books
13. GetFreeEBooks
14. AnyBook

জনপ্রিয় ইবুক ওয়েবসাইটসমূহ:

1. Project Gutenberg
ওয়েবসাইট: www.gutenberg.org
ফিচার: পাবলিক ডোমেইনে থাকা ৬০,০০০+ ইবুক বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

2. Open Library
ওয়েবসাইট: openlibrary.org
ফিচার: বিভিন্ন ধরণের বই পড়ার ও ডাউনলোড করার সুযোগ।

3. Google Books (Free Section)
ওয়েবসাইট: books.google.com
ফিচার: অনেক বইয়ের ফ্রি সংস্করণ ডাউনলোড করার সুযোগ।

4. ManyBooks
ওয়েবসাইট: manybooks.net
ফিচার: বিভিন্ন ফরম্যাটে ৫০,০০০+ ফ্রি ইবুক।

5. Free-eBooks.net
ওয়েবসাইট: www.free-ebooks.net
ফিচার: সদস্য হয়ে ফ্রি ইবুক ডাউনলোডের সুবিধা।

6. Internet Archive
ওয়েবসাইট: archive.org
ফিচার: বই, অডিওবুক এবং অন্যান্য ডকুমেন্ট বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

7. Smashwords (Free Section)
ওয়েবসাইট: www.smashwords.com
ফিচার: ইন্ডি লেখকদের ফ্রি ইবুক পাওয়া যায়।

8. Librivox (Audiobooks)
ওয়েবসাইট: librivox.org
ফিচার: পাবলিক ডোমেইনে থাকা বইয়ের ফ্রি অডিও সংস্করণ।

ভারতীয় ও স্থানীয় ওয়েবসাইট
1. NCERT Books (শিক্ষার্থীদের জন্য)
ওয়েবসাইট: ncert.nic.in
বৈশিষ্ট্য: স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি টেক্সটবুক ডাউনলোড।

2. Kopykitab
ওয়েবসাইট: www.kopykitab.com
বৈশিষ্ট্য: শিক্ষামূলক এবং একাডেমিক বই।

3. Amazon Kindle (Free Section)
ওয়েবসাইট: www.amazon.in
বৈশিষ্ট্য: ফ্রি ইবুকের সেকশন থেকে বই ডাউনলোড।

4. DLI (Digital Library of India)
ওয়েবসাইট: www.dli.ernet.in
বৈশিষ্ট্য: ভারতীয় পুরোনো বইয়ের বিশাল সংগ্রহ।

5. Saylor Academy
ওয়েবসাইট: www.saylor.org
বৈশিষ্ট্য: একাডেমিক ও ওপেন কোর্স বই।

বাংলা বইয়ের জন্য বিশেষ সাইট

1. Boighar
ওয়েবসাইট: www.boighar.in

2. Ananda Publishers
ওয়েবসাইট: www.anandapub.in

3. Bangla Books PDF
ওয়েবসাইট: banglabookshelf.com

মোবাইল অ্যাপস থেকে ফ্রি বই
Kindle App (Amazon)
Google Play Books (Free Section)
Wattpad
Goodreads (Free eBook Section)

(Collected)
❤️

03/12/2024

সৌন্দর্য উপভোগ্য ব্যক্তিদের ছাড়া অন্য কোথাও তার বর্ণনা দিতে নেই কেননা যার Sense of beauty নেই সে তার মূল্য দিতে জানে না!-মহঃ রাজীব

From sunrise to sunset,From sunny day to foggy,From morning to night,The beauty that the mountains contain are Ineffable...
07/11/2024

From sunrise to sunset,
From sunny day to foggy,
From morning to night,
The beauty that the mountains contain are Ineffable. It's Lither, Soother and so on.

সারাজীবনের গতানুগতিক জীবন থেকে বেরিয়ে আসা খুব প্রয়োজন। কিছু ভালো না লাগলে প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে থাকুন। কয়েকদিন উধাও হয়ে যান। আল্লাহর কি অপরূপ সৃষ্টি তা অবলোকন করুন। কেননা আল্লাহ বলেছেন,

২৯ : ২০ قُلۡ سِیۡرُوۡا فِی
الۡاَرۡضِ فَانۡظُرُوۡا كَیۡفَ بَدَاَ الۡخَلۡقَ
ثُمَّ اللّٰهُ یُنۡشِیٴُ النَّشۡاَۃَ الۡاٰخِرَۃَ ؕ اِنَّ
اللّٰهَ عَلٰی كُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ﴿ۚ۲۰﴾

‘তোমরা যমীনে ভ্রমণ কর, অতঃপর দেখ’ কীভাবে তিনি সৃষ্টির সূচনা করেছিলেন, তারপর আল্লাহই আরেকবার সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

এইভাবে আপনি আল্লাহর প্রতি ঈমান শক্তিশালী করতে পারবেন।

ভ্রমণ শুধু আল্লাহকে চিনতে সহায়ক নয়, বরং এটি মানুষকে নতুন করে ভাবতে শেখায়।

বিভিন্ন জনপদের উন্নতি ও উন্নতির মাধ্যম, নতুন নতুন প্রযুক্তি, অবনতি ও অবনতির কারণ সম্পর্কে ধারণা দেয়। ফলে মানুষ এগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেদের উন্নয়নে সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এ ব্যাপারে ইরশাদ করেন, ‘আর তারা কি জমিনে ভ্রমণ করে না? তাহলে তারা দেখত, কেমন ছিল তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম। অথচ তারা তো শক্তিতে ছিল এদের চেয়েও প্রবল।

আল্লাহ তো এমন নন যে আসমানসমূহ ও জমিনের কোনো কিছু তাঁকে অক্ষম করে দেবে। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ৪৪)
উল্লিখিত আয়াতগুলোতে পূর্ববর্তী বিভিন্ন সভ্যতার বিকাশ ও অবসান সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে, যেখানে হিদায়াতের ও আখিরাতে নাজাত লাভের শিক্ষা যেমন পাওয়া যায়, তেমনি তাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ইবনে ওমর (রা.) বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ভ্রমণ করো, সুস্থ থাকবে, রিজিকে বরকত লাভ করবে। (বায়হাকি, হাদিস : ১৩৫৮৮)

Address

Nagar
Berhampore
742159

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD Rajib Mollick posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to MD Rajib Mollick:

Share

Category