Durgapur Adda Young Association

Durgapur Adda Young Association Durgapur Adda Young Association (D.A.Y.A) is a registered social welfare organization which aims to

30/10/2024

|| এক অসামান্য অভিজ্ঞতা ||

পরশু (২৯/১০/২০২৪) বি-শিফট ডিউটি করে ১০-টায় বাড়ি ফেরার পথে লিঙ্ক রোডের পাশে যে হেমশিলা স্কুল, সেটা থেকে কনিষ্ক মোড়ের দিকে ৫০ মিটারের মতন এগুতেই দেখলাম মোটরবাইক এগুচ্ছে না, মানে এক্সিলেটার দিলে আওয়াজ বাড়লেও গাড়ি আর এগুচ্ছে না। অগত্যা ঠেলা শুরু করলাম। আমার থেকে বয়েসে অনেকটাই ছোটো এক সহকর্মী আমাকে ওভাবে গাড়ি ঠেলতে দেখে পিছন থেকে এসে জিজ্ঞেস করে, কি হয়েছে দাদা, বললাম কি যে হয়েছে বুঝতে তো পারছি’না কিন্তু গাড়ি এগুচ্ছে না, তাই ঠেলছি। সে নিজের গাড়ি দাঁড় করিয়ে নিচু হয়ে ঝুঁকে দেখে আমাকে দেখালো যে বাইকের চেন’টা পড়ে গেছে (হ্যাঁ বাইকেও চেন থাকে)।

সেই সময়ে অনেকেই ডিউটি থেকে বাড়ি ফিরছেন, তার মধ্যে অনেকেই দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করছেন তাঁরা কিছু হেল্প করতে পারেন কিনা বা আমি কিভাবে এখন বাড়ি ফিরবো, এসব। ঠেলতে ঠেলতে প্রায় কনিষ্ক মোড়ে পৌঁছে গিয়েছি, তা করতেই এক কলিগ (যে কনিষ্ক মোড়ের কাছেই থাকে) খবর পেয়ে চলে এসেছে আমার গাড়িটা ওর বাড়িতে রেখে আমাকে ওর বাইক করে পৌঁছে দেবে আমার ঘরে। এক ডিউটি ফেরতা আমার ডিপার্টমেন্টের বন্ধুও আমাকে বাড়ি পৌঁছে দিতে চেয়ে দাঁড়িয়ে পড়লো কনিষ্ক মোড়ে।

হঠাৎ একটি কম বয়সী কিন্তু বেশ ভালো চেহেরার একটি ছেলে বাইকে করে আমার পিছনে এসে বলে, “কিয়া হুয়া আংকেল’জি?” আমি বললাম কি হয়েছে; সে আমাকে অবাক করে বলে, “আপ বৈঠিয়ে বাইকে পে হাম ঠেল দেতা হ্যায়”।

আমি হকচকিয়েই গেলাম, আমার এই ভাড়ি বাইক তার উপরে আবার আমি বসবো, এরপরে সে কিভাবে আমাকে ঠেলে দেবে, বুঝে উঠতে না পেরে জিজ্ঞেস করলাম, “এখান থেকে তো আমার বাড়ি আরো ৩ কিলোমিটার, কিভাবে ঠেলবে তুমি?”।

ছেলেটি বলে, “হাম আপনা প্যায়ের সে ঠেল দেগা; আপ গাড়ি মে বইঠিয়ে না!”

আমি বললাম পাড়বে, এতটা রাস্তা?

কিন্তু সে বলে, “আপ চিন্তা মত কিজিয়ে, হাম ঠেল দেগা”।

খানিকটা অবাক হয়েই বাইকে চড়লাম; সে আমার বাইকের বাম দিকে নিজের বাইক নিয়ে এসে, নিজের বাইক’টা চালিয়ে দারুণ স্কিলফুলি, নিজের ডান পা দিয়ে আমার বাইকের পিছনে ঠেলা মেরে মেরে পৌঁছে দিলো আমার বাড়ি; এবং কোথাও একটুও না থেমে। এখানে বলে রাখা ভালো, এই ৩ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার কিন্তু চড়াই রাস্তা। যে দক্ষতার সাথে সে গাড়িটাকে ঠেললো, না অবাক হয়ে উপায় নেই। বাইক আমিও বহুদিন চালাচ্ছি, কিন্তু না, এরকম দক্ষতা আমার-ও নেই। এরকম করে যে বাইকে করে অন্য বাইককে ঠেলে এতটা রাস্তা পার করা যায়, সেটাও আমার ভাবনার অতীত ছিল।

বাড়ি পৌঁছে আমি তার দিকে হাত বাড়িয়ে হ্যান্ডশেক করে জানলাম যে ছেলেটি বছর দুই হলো গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করে বাবার ব্যবসা সামলাচ্ছে। বেনাচিতি গুরুদ্বারার আশপাশের থাকে; নাম আকাশ আগরওয়াল ।

ঘটনা এতটা বিস্তারে বললাম, কারন, আজকাল আমরা প্রায় সবাই বলাবলি করি, আশঙ্কা প্রকাশ করি যে আজকালকার যুবকদের মধ্যে মানবিক বোধের বড্ডই অভাব; আমাদের ভাবনায় ভুল আছে।

ওর আপত্তিতে ওর ছবি দিলাম না।

আকাশ ও আকাশের মতন বাকিরাই আমাদের সমাজের সম্পদ।

(রাজেশ সেন)

।। অক্ষয়-প্রফুল্ল দিবস ।। ২০’শে জুলাই সামাজিক সংগঠন দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-এর উদ্যোগে আয়োজিত হ’ল “অক্ষয়-প্রফুল...
17/08/2023

।। অক্ষয়-প্রফুল্ল দিবস ।।

২০’শে জুলাই সামাজিক সংগঠন দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-এর উদ্যোগে আয়োজিত হ’ল “অক্ষয়-প্রফুল্ল দিবস”; মূল লক্ষ্য, বাংলা নবজাগরণের দুই দিশারী, অক্ষয় কুমার দত্ত ও আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় -এর চিন্তা ও চেতনার দিকটি ছাত্রছাত্রীদের কাছে মেলে ধরা। দুর্গাপুরের ১৭’টি মাধ্যমিক বোর্ড স্কুলের অষ্টম থেকে দশম শ্রেনীর ২৭৫ জনের মতন ছাত্রছাত্রী, ৪০ এর বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ সাড়ে তিনশ মানুষের উপস্থিতিতে “অক্ষয়-প্রফুল্ল দিবস” এর অনুষ্ঠান’টি আয়োজিত হয় দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর ‘নেতাজী ভবন’এ। মুখ্য বক্তা হিসেবে বিশিষ্ট গ্রন্থকার ডঃ শ্যামল চক্রবর্তী মহাশয়ের ৪৫ মিনিটের বক্তব্য ছাত্রছাত্রীদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে; দুই মনিষীর জীবনের নানা গল্প তুলে ধরে যে অনুপ্রেরণার মশাল তিনি জ্বেলে গেলেন তা আগামী দিনে নিশ্চিতভাবেই এই ছাত্রছাত্রীদের আলোকিত পথের সন্ধান দেবে।

পোস্টার প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগের পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের জন্য ছি’ল ক্যুইজ-এ অংশ নেওয়ার সুযোগ। অংশগ্রহণকারী ১৭’টি স্কুল থেকে মোট ৫৯’টি পোস্টার জমা পরে এই দুই মনিষীর জীবনী-চিন্তা-চেতনার দিকটি তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে। ১০’টি সেরা পোস্টারের নির্মাতা দলকে (প্রতি দলে ৩ জন) পুরস্কৃত করা হয় (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, এভাবে না)। যে দশটি পোস্টার পুরষ্কৃত হয়: অঙ্গদপুর হাইস্কুলের দু'টি, বিধাননগর গার্লসের দু'টি, নির্ঝর স্কুলের দু'টি, বিধাননগর বয়েজের দু'টি, ভিড়িঙ্গি গার্লসের একটি ও দুর্গাপুর প্রজেক্ট টাউনশিপ বয়েজের একটি।

১৭’টি স্কুলের মোট ৪৬’টি টিম (প্রতি টিমে দুইজন করে) অংশ নেয় ক্যুইজ-এ; প্রথম পর্বের এলিমিনেশন রাউন্ডের (লিখিত পরীক্ষা) বাধা টপকে মূল পর্বে সুযোগ পায় ৮’টি টিম। পাঁচ রাউন্ডের মূল ক্যুইজ প্রতিযোগিতার শেষে বিজয়ী হয় ভিরিঙ্গী গার্লস হাইস্কুল আর বীজিত হয় নেতাজি নগর কলোনি হাই স্কুল।

সমাজে মুক্তচিন্তা প্রসারের লক্ষ্যে দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-এর এই প্রয়াসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে দুর্গাপুরের মাধ্যমিক বোর্ডের শিক্ষক-শিক্ষিকারা যে বার্তা দিলেন তা আগামীদিনে এই ধরনের আরো প্রয়াস নিয়ে উদ্বুদ্ধ করবে সংগঠনকে।

অনুষ্ঠানে শেষে সকল ছাত্রছাত্রীদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা ছিল।

।। ভূদেব কর্মকার টেলারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ।।১৭’ই জুলাই ২০২৩ (সোমবার) থেকে দারুণ উৎসাহের সাথে শুরু হলও দুর্গাপুর আড্ডা ই...
17/08/2023

।। ভূদেব কর্মকার টেলারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ।।

১৭’ই জুলাই ২০২৩ (সোমবার) থেকে দারুণ উৎসাহের সাথে শুরু হলও দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-এর আরও একটি নতুন প্রয়াস। দুর্গাপুর ইস্পাত নগরী সংলগ্ন কমলপুর ওয়াশিং প্লটে দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত জীবনপাঠ-১ কেন্দ্রে শুরু হলও “ভূদেব কর্মকার টেলারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র”, আশপাশ এলাকার অত্যন্ত প্রান্তিক পরিবারের মহিলা ও যুবতীদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে।

প্রসঙ্গত ভূদেব কর্মকার আমাদের জীবনপাঠ-১ কেন্দ্রটি পরিস্কার রাখার দায়িত্ব সামলেছেন এই কেন্দ্রের পথচলা শুরুর দিন থেকে; কোভিডের সময় আমরা তাঁকে হারিয়েছি। তাঁর অবদানের কথা স্মরণে রেখে এই কেন্দ্রের নাম তাঁর নামে রাখা হয়েছে।

প্রথম দিনে এলাকার ৩০ জন আগ্রহী মহিলা ও যুবতী উপস্থিত ছিলেন; এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে টেলারিং-এর যাবতীয় বিষয়গুলি শেখানো হবে প্রতি সোমবার দুপুর ১১:৩০ থেকে।

প্রসঙ্গত, এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জন্য সেলাই মেশিন রোটারি ক্লাব অফ এ্যারোসিটি দুর্গাপুর -এর পক্ষ থেকে দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-কে দেওয়া হয়েছে বিনামূল্যে। আজ প্রথম দিনে যে সকল মহিলা ও যুবতীরা এসেছিলেন তাঁদের সকলকে নিয়ে টেলারিং স্কুলের সামনে একটি ছবি সকলের জন্য শেয়ার করলাম।

।। “দীপক মুখোপাধ্যায় টেলারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র” ।।৮’ই জুলাই ২০২৩ একদম অনাড়ম্বরভাবে শুরু হ’ল দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসি...
17/08/2023

।। “দীপক মুখোপাধ্যায় টেলারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র” ।।

৮’ই জুলাই ২০২৩ একদম অনাড়ম্বরভাবে শুরু হ’ল দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-এর আরও একটি প্রয়াস। দুর্গাপুর রেল স্টেশন বাস স্ট্যান্ডে, দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত জীবনপাঠ-২ কেন্দ্রে, আশপাশের বসতির প্রান্তিক মহিলা ও যুবতীদের স্বনির্ভর করার প্রয়াস হিসেবে শুরু হ’ল “দীপক মুখোপাধ্যায় টেলারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র”।

ইতিমধ্যেই ১২ জন মহিলা ও যুবতী নাম লিখিয়েছেন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে টেলারিং-এর যাবতীয় বিষয়গুলি শিখতে আগ্রহী হয়ে; আজ প্রথম দিনে উপস্থিত ছিলেন ১০ জন। প্রসঙ্গত, এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জন্য সেলাই মেশিন রোটারি ক্লাব অফ এ্যারোসিটি দুর্গাপুর -এর পক্ষ থেকে আমাদের দেওয়া হয়েছে বিনামূল্যে প্রাসঙ্গিক একটি ছবি সকলের জন্য শেয়ার করলাম।

শ্রমজীবী মানুষের চিরন্তন লড়াই কে চিনতে ও চেনাতে উৎপল দত্ত-এর ৫০ পার করা সেই বিখ্যাত নাটক 'ব্যারিকেড' দুর্গাপুরের বুকে ম...
26/04/2023

শ্রমজীবী মানুষের চিরন্তন লড়াই কে চিনতে ও চেনাতে উৎপল দত্ত-এর ৫০ পার করা সেই বিখ্যাত নাটক 'ব্যারিকেড' দুর্গাপুরের বুকে মঞ্চস্থ হতে চলেছে দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-এর উদ্যোগে। যাঁরা এখনও স্বপ্ন দেখেন দিন বদলের, এখনও মানুষের বাঁচা মরা যাঁদের ভাবিয়ে তোলে, যাঁরা এখনও মেহনতি মানুষের গান গান প্রাণ ভরে, তাঁদের সক্কলকে আমন্ত্রণ জানাই এই নাট্যসন্ধ্যায় উপস্থিত হয়ে, দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-এর তিনটি ধারাবাহিক সামাজিক কর্মকান্ডে শক্তি হয়ে পাশে দাঁড়ান; সফল করে তুলুন তহবিল সংগ্রহের এই প্রয়াসটিকে।

।। সুধীন্দ্র কুমার সেন – সুদীপ চক্রবর্তী স্মৃতি চ্যালেঞ্জ শিল্ড ২০২৩ ।।দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত দুই দি...
07/03/2023

।। সুধীন্দ্র কুমার সেন – সুদীপ চক্রবর্তী স্মৃতি চ্যালেঞ্জ শিল্ড ২০২৩ ।।

দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত দুই দিন ব্যাপী ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে টাইব্রেকারে বিধাননগর বয়েজ হাইস্কুল’কে পরাজিত করে জেমুয়া ভাদুবালা বিদ্যাপীঠ জিতে নিল সুধীন্দ্র কুমার সেন শিল্ড আর রানার্স হয়ে সুদীপ চক্রবর্তী শিল্ড পেলো বিধাননগর বয়েজ হাইস্কুল। নির্ধারিত সময়ে খেলা ছিল গোলশূন্য। ফাইনালের সেরা ফুটবলার হিসেবে পুরস্কৃত হয় জেমুয়া ভাদুবালা বিদ্যাপীঠের সঞ্জয় হাঁসদা।

গতকাল (৫'ই মার্চ) ফাইনাল খেলায় জেমুয়া ভাদুবালা বিদ্যাপীঠের সংশয়াতীত প্রাধান্য ছিল; অন্তত দুটি ক্ষেত্রে বিধাননগর বয়েজের গোলকিপারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেনি জেমুয়ার প্লেয়ারেরা।

দ্বিতীয় বর্ষে পা দেওয়া অনূর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী স্কুল পড়ুয়াদের এই ফুটবল প্রতিযোগিতায় এবারে অংশ নেয় দুর্গাপুরের ১০টি স্কুল দল।

সেমিফাইনালে জেমুয়া ভাদুবালা বিদ্যাপীঠ টাইব্রেকারে গতবারের বিজয়ী বিজড়া হাইস্কুল’কে পরাস্ত করে ফাইনালে ওঠে। আর অন্যদিকে বিধাননগর বয়েজ স্কুল ২-০ গোলের ব্যবধানে দুর্গাপুর প্রোজেক্টস বয়েজ হাই স্কুল’কে পরাজিত করে ফাইনালে উপর্যুপরি দ্বিতীয়বার জায়গা করে নেয়।

ফাইনালের বিজয়ী দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়ের হাতে ডাঃ বিদ্যুৎ ভট্টাচার্যের নামাঙ্কিত স্মারক ও বিজিত দলের প্রত্যেকের হাতে অসীম কুমার মজুমদার-এর নামাঙ্কিত স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয়।

স্কুল পড়ুয়াদের মোবাইল গেমসের ভার্চুয়াল জগৎ থেকে মাঠ মুখী করার প্রয়াস হিসেবে দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-এর এই প্রয়াসে সামিল হতে অনেক ফুটবল প্রেমী মানুষ মাঠে এসে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন। এই টুর্নামেন্ট ঘিরে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যেকার উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছি’ল দেখার মতন।

খেলার কিছু মুহুর্তের পুরস্কার বিতরণ-এর কিছু ছবি নিচে দিলাম।

ধর্ম না বিজ্ঞান, বেছে নিতে হবে কোন পথে তুমি চলবেশুধু বিশ্বাসী হয়ে মেনে নেবে, নাকি প্রমাণের কথা বলবে?জাতীয় বিজ্ঞান দিবস’ক...
02/03/2023

ধর্ম না বিজ্ঞান, বেছে নিতে হবে কোন পথে তুমি চলবে
শুধু বিশ্বাসী হয়ে মেনে নেবে, নাকি প্রমাণের কথা বলবে?

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস’কে কেন্দ্র করে ২৮’শে ফেব্রুয়ারি ২০২৩, সামাজিক সংগঠন দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন দুর্গাপুরের দুটি স্কুলে আয়োজন করে “হাতে কলমে বিজ্ঞান” শিক্ষার কর্মসূচি; মূল লক্ষ্য ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞান চেতনা গড়ে তুলে কুসংস্কার মুক্ত সমাজ গড়ে তোলার দিকে এগোনোর প্রয়াস করা।

সকাল ১০:৩০ থেকে ১’টা জেমুয়া ভাদুবালা বিদ্যাপীঠের ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর দ্বিশতাধিক ছাত্রছাত্রীদের এবং দুপুর ২:৩০ থেকে ৪:৩০ আমলাজোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর আড়াইশোর’ও বেশি ছাত্রছাত্রীদের সামনে শ্রী শুভাশিস দে মহাশয় হাতেকলমে নানা পরীক্ষা করে দেখান কিভাবে বিজ্ঞানের নানা আবিস্কার’কে কৌশলে ব্যবহার করে বাবাজী-পীড়বাবা-সাধু-সন্ন্যাসী সহ এক শ্রেনীর মানুষ সাধারণ মানুষকে অন্ধ সংস্কারে নিমজ্জিত রেখে তাদের প্রতারণা করে। দেশলাই- ছাড়া আগুন জ্বালিয়ে দেখানো, পাঁচটি ইন্দ্রিয়ের প্রত্যেকটির উপরে সবসময় ভরসা করা যে ঠিক’না সেই সম্বন্ধীয় পরীক্ষা হাতেকলমে করে দেখানো, চোখ বাঁধা অবস্থাতেও একটি বাচ্চা ছেলেকে দিয়ে নানা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ানো, গায়ে আগুন দেওয়া, আগুন খাওয়া সহ নানা পরীক্ষা দেখানোই শুধু না, এর পিছনে বিজ্ঞানের কৌশল ও সাধারণ বুদ্ধি কিভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে সেটিও ছাত্রছাত্রীদের সবিস্তারে বোঝানো হয় এদিনের দুটি অনুষ্ঠানেই।

বিজ্ঞান দিবসের ইতিহাস ও তাৎপর্য ব্যাখা করা হয় দুটি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেই। আর বারবার যেটা শুভাশিস দে মহাশয় এবং দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন-এর সম্পাদক রাজেশ সেন মনে করিয়ে দেন, কোনকিছুই যাচাই না করে গ্রহন করা মানে ঠকে যাওয়ার, প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা, আর অলৌকিক বলে কিছুই নেই, সবের পিছনেই আছে বস্তুনিষ্ঠ কারণ।

উপস্থিত ছাত্রছাত্রী’রা অঙ্গীকার করে, তারা যা শিখল, তা নিজেদের পরিবার ও বন্ধুদের মধ্যে যেমন প্রচার করবে নিজেদের জীবনেও তা পালন করবে।
জেমুয়া ভাদুবালা বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক শ্রী জইনুল হক মহাশয় অনুষ্ঠানর শেষ পর্বে নিজের স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের আহ্বান জানান ধর্মের অলৌকিক পথ ছেড়ে বিজ্ঞানের পথ অবলম্বন করতে। আমলাজোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রী সন্দীপ চক্রবর্তী মহাশয় তাঁর স্কুলে অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছাত্রছাত্রীদের বলেন অনুষ্ঠানটি তারা যেন মনোযোগ সহকারে দেখে এবং কুসংস্কার থেকে নিজেরা অন্তত বেরিয়ে আসে।

সারাদিন ব্যাপী এই কর্মপ্রয়াসে যে বলিষ্ঠতার সাথে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয়, তাতে করে সেদিন হয়ত আর বেশি দূরে নয়, যেদিন ধর্মের ছায়ায় কুসংস্কররের পদলেহন বন্ধ করে আগামী প্রজন্ম বিজ্ঞানের হাত শক্ত করে ধরবে যুক্তির অন্বেষণে।

অভাবনীয় উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে সামাজিক সংগঠন দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন তাদের প্রথম “বার্ষিক আড্ডা ও ক্রীড়া ...
02/03/2023

অভাবনীয় উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে সামাজিক সংগঠন দুর্গাপুর আড্ডা ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন তাদের প্রথম “বার্ষিক আড্ডা ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান” সংগঠিত করলো ১২’ই ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (রবিবার) রাজীব গান্ধী মেলা ময়দানে। সংগঠনের তিনটি ধারাবাহিক প্রয়াস, যথাক্রমে সিঞ্চন, জীবনপাঠ – ১ ও জীবনপাঠ – ২ এর থেকে ৮১ জন পড়ুয়া, কয়েকজন পড়ুয়ার পরিবারের লোক এবং সংগঠনের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের লোকজন মিলিয়ে মোট ১৯৫ জনের সক্রিয় উপস্থিতি কার্যত মিলন মেলার চেহারা দেয় সারাদিন ব্যাপী অনুষ্ঠান’টিকে।

মোট ১৮’টি ইভেন্টে অংশ নেয় সংগঠনের তিনটি ধারাবাহিক প্রয়াসের পড়ুয়া ও তাদের পরিবারের সদস্যেরা, সংগঠনের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের লোকজনেরা। দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা ছি’ল সকলের জন্যে। পুরস্কার বিতরণ-এর একটি ছবি এবং সারাদিন ব্যাপী বিভিন্ন স্পোর্টস ইভেন্ট ও কিছু বিরল মুহুর্তের ছবি শেয়ার করলাম। সকলের জন্য।

Address

Suvralaya, Bidhan Pally
Durgapur
713206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Durgapur Adda Young Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Durgapur Adda Young Association:

Share

About D.A.Y.A

Durgapur Adda Young Association (D.A.Y.A) is a registered social welfare organization which aims to achieve equality for every citizen irrespective of his/her caste, creed, s*x or religion on a science based rational outlook.

All the year round, Durgapur Adda Young Association (D.A.Y.A) undertakes various programmes to uplift the socioeconomic condition of the downtrodden.