28/08/2026
📌🔴সাধারণ মানুষের টাকায় বিজেপি-ঘনিষ্ঠদের ঋণ মাফ — এই বৈষম্য আর কতদিন?😡
একবার ভাবুন — আপনি ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন। একটা EMI মিস হলেই ফোন, রিকভারি এজেন্ট, ক্রেডিট স্কোর নষ্ট। আর SBI-র নতুন নিয়ম — মাসে ৩ বারের বেশি নিজের টাকা ATM থেকে তুললেই কাটা যাবে চার্জ। নিজের রোজগারের টাকা তুলতেও এখন হিসেব কষতে হয় আমজনতাকে।
অথচ একই ব্যাঙ্কিং সিস্টেমে বিজেপি-ঘনিষ্ঠ শিল্পপতিদের হাজার হাজার কোটির দেনা মিটে যায় নামমাত্র টাকায়। বিজেপি সাংসদ সুভাষ চন্দ্রর গ্রুপ কোম্পানিগুলোর ঋণে তাঁর ব্যক্তিগত গ্যারান্টি বাবদ দাবি উঠেছিল ২২,০০৬ কোটি টাকার — NCLT-তে সেটা মিটেছে মাত্র সাড়ে ৬ কোটিতে। অথচ এর কিছুদিন আগেই তিনি নিজের দিল্লির বাংলো বিক্রি করেছেন প্রায় ১,২৬০ কোটি টাকায়। প্রশ্ন ওঠে না কি — এত সম্পদ থাকতে ব্যাঙ্কের পাওনা মেটাতে এত গড়িমসি কেন?
কদিন আগেই অনিল আম্বানির প্রায় ৬০০ কোটির ঋণ সেটেল হয়ে গেল মাত্র ২৬ কোটিতে। ব্যাঙ্ক অফ বরোদা সম্প্রতি রাঘব বোয়ালদের ৩৫ হাজার কোটির বেশি ঋণ রাইট-অফ করল। এই টাকা উবে যায় না — শেষমেশ জনগণের ঘাড়েই এসে পড়ে।
আর এই ঘনিষ্ঠতার সুবিধা কোথায় গিয়ে জমে? প্রায় প্রতি জেলায় বিজেপির হাইটেক অফিস, দিল্লিতে শত শত কোটির সদর দপ্তর, RSS-এর বিভিন্ন শাখা সংগঠনের নামে শত শত কোটির চাঁদা — এসবের স্বচ্ছ হিসেব জনগণের সামনে কোথায়?
সাধারণ মানুষের ছোট্ট ঋণে ঘরে নোটিশ আসে, আর বিজেপি-ঘনিষ্ঠ বড় মাথাদের হাজার কোটির দেনা "ব্যবসায়িক ঝুঁকি" বলে সহজে মুছে ফেলা হয়। যতদিন না ব্যাঙ্কিং জবাবদিহিতা সবার জন্য সমান হবে, ততদিন এই বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা থামবে না। টাকাটা কার, যাচ্ছে কোথায়, দায়টা শেষে কার কাঁধে — এই প্রশ্ন করার অধিকার সাধারণ মানুষের আছে।