Tuhin Mahata

Tuhin Mahata প্রকৃতিই প্রকৃত সত্য এবং সুন্দর। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের মধ্যেই প্রকৃত বাস্তবতা আছে।

👉  📢 কেন্দ্রীয় সরকার, জনগণনা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করলো।🗓️ জনগণনা শুরু হচ্ছে ২০২৭ সালের মার্চে।📊 এটি হবে ভারতের ১৬তম জনগণন...
16/06/2025

👉

📢 কেন্দ্রীয় সরকার, জনগণনা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করলো।
🗓️ জনগণনা শুরু হচ্ছে ২০২৭ সালের মার্চে।
📊 এটি হবে ভারতের ১৬তম জনগণনা এবং স্বাধীনতার পর অষ্টম।

সমাজ আন্দোলনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আদিবাসী কুড়মি সমাজের ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি তরুন মাহাতোর কলমে এবং ঝুমুর শিল্পী তপ...
12/04/2025

সমাজ আন্দোলনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আদিবাসী কুড়মি সমাজের ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি তরুন মাহাতোর কলমে এবং ঝুমুর শিল্পী তপতি মাহাতোর কন্ঠে একটি অসাধারন গিত।

রংদারিটা দেখাই দিব 26শে এবার || Rangdarita Dekhai dibo 26 Se Abar || Purulia New Song & Video CreditSong:- Rangdarit...

 #সংবিধান_দিবস ✊✊  েম্বর ভারতীয় সংবিধান প্রস্তাবনা "আমরা, ভারতের জনগন, ভারতকে সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গনত...
26/11/2024

#সংবিধান_দিবস ✊✊ েম্বর

ভারতীয় সংবিধান প্রস্তাবনা
"আমরা, ভারতের জনগন, ভারতকে সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গনতান্ত্রিক, সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তুলতে এবং তার সকল নাগরিকেই যাতে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার, চিন্তা, মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্ম এবং উপাসনার স্বাধীনতা, সামাজিক প্রতিষ্ঠা অর্জন ও সুযোগের সমতা প্রতিষ্ঠা এবং তাদের সকলের মধ্যে যাতে ভ্রাতৃত্বের ভাব গড়ে উ
ওঠে তার জন্য সত্যিনিষ্ঠার সঙ্গে শপথ গ্রহণ করে, আমাদের গনপরিষদে আজ, ১৯৪৭ সালের ২৬শে নভেম্বর, এতদ্বারা এই সংবিধান গ্রহণ, বিধিবদ্ধ এবং নিজেদের অর্পণ করছি।"

ভারতীয় সংবিধানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ
#জাতীয়_সম্পদ
নাগরিক অধিকার (Article- 5)
বাক স্বাধীনতা (Article- 19)
শিক্ষার অধিকার (Article- 21A)
সাম্যের অধিকার (Article- 15)
বিচার ব্যবস্থা (Article- 14)
ভোটের অধিকার (Article- 326)
নির্বাচন ব্যবস্থা (Article- 324)
ST,SC,OBC সংরক্ষণ (Article- 335)

ব্রিটিশ-পরবর্তী ভারতে নতুন সংবিধান রচনার জন্য 1946 সালে একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়েছিল।সেই পরিষদের সভাপতি করা হয়েছিল রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদকে।আর মূল সংবিধান রচনার জন্য গঠন করা হয়েছিল একটি খসড়া-কমিটি বা ড্রাফটিং কমিটি।এই কমিটিতে সাতজন ছিলেন।কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছিল আম্বেদকরকে।নানা কারণে কমিটির অন্য সদস্যরা সংবিধান রচনার দায়িত্ব পালন করতে পারেন নি।একক ভাবেই সব দায়িত্ব পালন করেছিলেন আম্বেদকর।সংবিধান প্রস্তুত করার পর 1949 সালের শেষদিকে বেশ কিছু দিন সেই খসড়া সংবিধান নিয়ে গণপরিষদে চুল চেরা আলোচনা,সংযোজন-বিয়োজন ইত্যাদি হয়।শেষপর্যন্ত খসড়া সংবিধানের চূড়ান্ত কপি 1949 সালের 26 নভেম্বর তারিখে সভাপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের হাতে তুলে দেন আম্বেদকর।ওইদিনই নতুন সংবিধান গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় গণপরিষদ।এবং ঘোষণা করা হয়--আগামী 26 জানুয়ারি 1950 তারিখ থেকে নতুন সংবিধান মোতাবেক দেশ পরিচালিত হবে।সেই মত 26 নভেম্বর তারিখকে বলা হয় গণপরিষদ কর্তৃক সংবিধান গ্রহণ-দিবস এবং 26 জানুয়ারি 1950 তারিখকে বলা হয় সাধারণতন্ত্র দিবস বা সংবিধান কার্যকরী-দিবস।

নতুন সংবিধানে যা ছিল--

(১)দেশের সব নাগরিকের সব বিষয়ে সমান অধিকার।ধর্ম,জাত,লিঙ্গ, ভাষা,খাদ্য,পোশাক,শিক্ষা বা অন্যান্য তফাৎ গত কারণে কোনো প্রভেদ থাকবে না।অর্থাৎ অভিশপ্ত জাতিভেদ প্রথা খতম করার প্রস্তাব ছিল সংবিধানে।রাজনীতিতেও ছিল সমান অধিকার।
(২)জাতিভেদ প্রথা খতম করার জন্য বিয়েতে জাতিভেদ প্রথা মেনে না চলার প্রস্তাব ছিল সংবিধানে।
(৩)নতুন সংবিধানে প্রস্তাব ছিল কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাস যুক্ত ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে দেশকে বৈজ্ঞানিক শিক্ষার দ্বারা মুক্ত করতে হবে।তবে আপাতত কে কোন ধর্ম পালন করবে বা করবে না সে বিষয়ে রাষ্ট্র নাক গলাবে না।
(৪)নতুন সংবিধানে দেশের ব্যক্তি মালিকানাধীন সমস্ত জমি ও সংস্থার রাষ্ট্র-করণ নীতি ছিল।সমাজ তন্ত্রের দিকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব ছিল।
(৫)গরিব,শ্রমিক,মজুর,অস্পৃশ্য,তফসিলি,নারী ইত্যাদি মানুষের উন্নয়নের জন্য পৃথক ব্যবস্থা ছিল সংবিধানে।

কিন্তু ঘটনা হলো---
ব্রিটিশ-পরবর্তী ভারতবর্ষে সেই সংবিধানের 99% আজও কার্যকরী হয় নি। উল্টে সব ধ্বংস করা হচ্ছে। ভারত আজও ধর্মীয় জাতপাত ও কুসংস্কারে ডুবে আছে। দেশের সম্পত্তি ক্রমশ ব্যক্তি মালিকের হাতে চলে যাচ্ছে। মানুষের ভোটাধিকার বিপন্ন।ধর্মীয় মেরুকরণের মধ্য দিয়ে ভারত ক্রমশ মধ্য যুগে চলে যাচ্ছে।

কাজেই এই সংবিধান-দিবস তাই নিছক সাইনবোর্ডে পরিণত হয়েছে। ভারত-বিরোধী ও দেশ-দ্রোহী শক্তির দ্বারা দেশের সংবিধান আজ বিপন্ন। আজও ভারতের এক শতাংশ মানুষের কাছে সংবিধানের বক্তব্য পৌঁছায় নি। রাজনৈতিক দল ও ক্ষমতাসীন সরকার গুলো কিছু ক্ষমতালোভী ব্যক্তির আখড়া হয়ে গেছে। তারা ব্যক্তি স্বার্থে কাদা ছোঁড়া ছুঁড়ি করে মানুষকে হিংসার পথে ঠেলে দিয়ে রাজনীতি করছে আর ধর্মীয় মেরুকরণ করে রাজনীতি করছে। সাধারণ মানুষ আজ বিপন্ন অথচ নানা কারণে তারা সে বিষয়ে সচেতন নয়।
তাই প্রতিটি ভারতবাসীর কাছে বিশেষ অনুরোধ আপনারা প্রত্যেকেই সংবিধান পড়ুন, জানুন এবং নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন।
তথ্য- দিলীপ গায়েন
জহাইর 🙏🙏🙏

বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও আদিবাসি কুড়মি সমাজের রাজ্য কমিটির উপদেষ্টা ডঃ শশধর মাহাতর বাবা মরতাহার সিতারাম মাহাতোর কুড়মালি নেগা...
24/11/2024

বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও আদিবাসি কুড়মি সমাজের রাজ্য কমিটির উপদেষ্টা ডঃ শশধর মাহাতর বাবা মরতাহার সিতারাম মাহাতোর কুড়মালি নেগাচারে ও সারনা ধরম মতে ঘাট সিনান ও শ্রদ্ধাক্রিয়া।

গঠ পূজা
01/11/2024

গঠ পূজা

সত্যিই এ এক গভীর চিন্তার বিষয়...🤔আদিবাসী কুড়মি সমাজের ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি তরুন মাহাত'র কলমে এবং মমতা মাহাত'র কন্ঠে স...
01/11/2024

সত্যিই এ এক গভীর চিন্তার বিষয়...🤔
আদিবাসী কুড়মি সমাজের ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি তরুন মাহাত'র কলমে এবং মমতা মাহাত'র কন্ঠে সমাজ সচেতনতা মূলক অসাধারন একটি অহিরা গিত।
পুরো গানটি শোনার জন্য নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন...🙏

Kemne Bachai Apon Negachar ।। কেমনে বাঁচায় আপন নেগেচার ।। Mamata Mahata || New Ahira GeetSinger - Mamata Mahato Lyrics - Tarun Mahata Director & Producer - ...

বেলপাহাড়ী ব্লক আদিবাসী কুড়মি সমাজের বিশেষ আলোচনা।
05/10/2024

বেলপাহাড়ী ব্লক আদিবাসী কুড়মি সমাজের বিশেষ আলোচনা।

24/02/2024
ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের বীর শহীদ  #তিলকা_মাঝি র জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও প্রনাম 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏তিলকা মাঝি (১১ ফেব্...
11/02/2024

ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের বীর শহীদ #তিলকা_মাঝি র জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও প্রনাম 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

তিলকা মাঝি (১১ ফেব্রুয়ারি, ১৭৫০ - ১৭৮৫) একজন আদিবাসী বিদ্রোহের প্রথম যুগের নেতা ও শহীদ।
ভাগলপুরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে যে #খেরওয়াড়_বিদ্রোহ হয় তার নেতা ও ভারতের প্রথম সাঁওতাল বিদ্রোহের শহীদ।
১৭৮১-৮৪ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি জমি লুঠ ও বলপূর্বক খাজনা আদায়ের নির্মম পন্থা অবলম্বন করে তার বিরুদ্ধে গরীব সাঁওতালদের মধ্যে যে তীব্র ক্ষোভের সূচনা হয় তাকে গণ বিদ্রোহের আকার দেন তিলকা। তাকে বাবা তিলকা মাঝি বলা হতো।
এই দীর্ঘ আন্দোলনে বহু সাঁওতাল শহীদ হন। ১৭৮৪ জানুয়ারি মাসে ভাগলপুরের ইংরেজ কালেক্টর অগাস্ট ক্লিভল্যান্ড তিলকা মাঝির হাতে মারা গেলে তিলকপুরের জঙ্গলে ইংরেজ সেনাবাহিনী তিলকা ও তার সাথীদের ঘেরাও করে। এই সংগ্রামে আহত অবস্থায় তিলকা মাঝি ধরা পড়েন।
বিদ্রোহের শাস্তিস্বরূপ তাকে ছুটন্ত ঘোড়ার পেছনে বেঁধে দেওয়া হয়। এই নৃশংস পদ্ধতিতেও তার মৃত্যু না হলে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় ভাগলপুর শহরে।
তিলকা মাঝি ভারতের ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শহীদ হিসেবে পরিগণিত।
ভাগলপুর শহরে, তাকে যেখানে হত্যা করা হয় সেই স্থানে তার একটি মুর্তি স্থাপিত আছে। তার সম্মানে ভাগলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হয় তিলকা মাঝি ভাগলপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
সাঁওতাল পরগনার সদর শহর দুমকাতে তার মূর্তি প্রতিষ্ঠিত আছে।
(তথ্য:- উইকিপিডিয়া)

 #আপনমাটি_আপন_দানা, #পেট_কাটি_নি_দেবঁ_খাজনা।""সিধু কানু খুড়খুড়ির উপরেচাঁদ ভৈরব লাহারে লাহারে চানকু মাহাতো,রামা গোপে লাহা...
09/02/2024

#আপনমাটি_আপন_দানা,
#পেট_কাটি_নি_দেবঁ_খাজনা।"

"সিধু কানু খুড়খুড়ির উপরে
চাঁদ ভৈরব লাহারে লাহারে
চানকু মাহাতো,রামা গোপে লাহারে লাহারে
ছাল্লু জলহা লাহারে লাহারে "

এটি সাঁওতাল বিদ্রোহের সময়কার একটি লোকগীতি। এখানে সেই বিদ্রোহের নেতাদের নাম বলা আছে। তাদের ই একজন হলেন চানকু মাহাতো। জন্মগ্রহন করেছিলেন বর্তমান ঝাড়খন্ডের গোড্ডা জেলায় আজকের ই দিনে ১৮১৬ খ্রিস্টাব্দে।

তিনি ছিলেন কুড়মিদের চিরাচরিত প্রসাশনিক কাঠামোর 'পরগনায়েত' অর্থাৎ পরগণা প্রধান। তিনি দেখেছিলেন কিভাবে ভূমিপুত্রদের জল জঙ্গল জমিন ইংরেজদের সহায়তায় 'দিকু ' দের হাতে চলে যাচ্ছে। কিভাবে বাহারি আর বিদেশি জুটি অত্যাচার চালাচ্ছে ভূমিপুত্রদের উপর।
আওয়াজ তুললেন এর বিরুদ্ধে। তার বলিষ্ঠ ব্যাক্তিত্বকে ভরসা করে এগিয়ে এলো সমস্থ ভূমিপুত্ররা। একই সময় রাজমহল পাহাড় এরিয়াতে সিধু কানুর নেতৃত্বে সাঁওতাল বিদ্রোহের শুরুয়াত হয়ে গেছে। চানকু মাহাতো সিধু কানু কে মূল নেতা হিসাবে মেনে নিয়ে সাঁওতাল বিদ্রোহের সাথে যুক্ত করলেন তাঁর আন্দোলনকে। গতি পেলো আন্দোলন। দিকু মহাজন ও ইংরেজ অফিসাররা শিকার হতে লাগলো তাঁর তীরের।

আন্দোলন যখন চরম শিখরে, সেই সময় গোড্ডা জেলার সোনার চকে এক বিশাল সভার আয়োজন করা হয়। সভাতে চানকু মাহাতো, রাজবীর সিং সহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিল। এই সমাবেশের খবর গোড্ডার নায়েব 'প্রতাপ নারায়ন' ইংরেজদের দিয়ে দেয়। বিশাল ইংরেজ বাহিনী সভাস্থল ঘিরে গুলি চালাতে থাকে। সাথে সাথেই রাজবীর সিং সহ বহু আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। সেই অবস্থাতেও চানকু মাহাতো সহ অন্যান্য আন্দোলনকারীরা গুলির পাল্টা জবাব তীরের মাধ্যমে দিতে থাকে এবং নায়েব প্রতাপ নারায়নকে হত্যা করেন।
কিন্তু ধরা পড়ে যান ভারত মায়ের এই বীর সন্তান।
ইংরেজ শাসক ১৫ ই মে ১৮৫৬ সালে জনসমক্ষে চানকু মাহাতোকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়।
জল - জমিন - জঙ্গল রক্ষার্থে, নিজের স্বাভিমানের রক্ষার্থে, আরো এক সন্তান তাঁর প্রানের আহুতি দিলো। ( তথ্যঃ - স্ব ডাঃ পশুপতি মাহাতো)

আজ সেই হুল বিদরহেক মাহানায়ক, কুড়মি জাইতেক গরব বির সহিদ #চানকু_মাহাত-ক ২০৪তম জনম দিনে অখরাকে কটি কটি গড়লাগি জহাইর 🙏🙏
বির সহিদ #চানকু_মাহাত অমর রহে ।

আদিবাসী কুড়মি সমাজ বুদ্ধিজীবী মঞ্চ(পুরুলিয়া)...
04/02/2024

আদিবাসী কুড়মি সমাজ বুদ্ধিজীবী মঞ্চ(পুরুলিয়া)...

Address

Https://www. Youtube. Com/@Banbadar
Jhargram

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tuhin Mahata posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category